Briddhi - Industrial & Marketing Consultants

Briddhi - Industrial & Marketing Consultants

Share

Briddhi
*A Multisectoral consulting house.
*BRIDDHI - Corporate training
* BRIDDHI - Orgn. Develop Md. Akbar Hassan
CEO & Managing Director

Md.

Briddhi- Industrial & Marketing Consultants
Contact Person: MD. AKBAR HASSAN
Managing Director & CEO
Official Address:
House No 50/A, Road No. 10/A
Dhanmondi R/A,
Dhaka 1205 Bangladesh

Mobile: 0189-218044, 01713457021
E-mail: [email protected], [email protected]
Website: www.briddhi.org

Banker:
Standard Chartered Bank Ltd. Dhanmondi Branch
Road No. 2, House

07/06/2026

নেতৃত্বের চাবিকাঠি
Article No 28

আমরা সর্বদাই নেতৃত্ব নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা, ক্লাস, সেমিনার ও ট্রেনিং নিয়ে ব্যস্ত থাকি। নেতৃত্বকে আমরা বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে উপস্থাপন করি, যা স্বাভাবিক। কারণ একটি প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ, উন্নয়ন, অগ্রগতি এবং সাফল্য অনেকাংশেই নির্ভর করে নেতৃত্বের ওপর।
তবে নেতৃত্ব সম্পর্কে একটি বিষয় শুরুতেই পরিষ্কার করে বলা দরকার—নেতৃত্ব কোনো পদবি বা (Position) নয়; নেতৃত্ব একটি কর্মকাণ্ড (Action)।

আপনি নিশ্চয়ই কারও ভিজিটিং কার্ডে দেখবেন না যে সেখানে লেখা আছে, “He is a Leader”। কারণ নেতা কোনো Designation নয়; এটি এমন এক কার্যকর ভূমিকা, যার মাধ্যমে মানুষ উপলব্ধি করে যে একজন ব্যক্তি তার দল বা প্রতিষ্ঠানকে কতদূর এগিয়ে নিতে পেরেছেন বা ভবিষ্যতে নিতে পারবেন।

আজ আমি যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে চাই, সেটি হলো—নেতৃত্বের চাবিকাঠি।

নেতৃত্বের চাবিকাঠি বলতে আমরা কী বুঝি?

নেতৃত্বের চাবিকাঠি হলো সেই গুণাবলি, যেগুলো একজন নেতার মধ্যে অবশ্যই থাকা উচিত কিংবা থাকা বাঞ্ছনীয়।

এই গুণাবলির মধ্যে রয়েছে তার দৃষ্টিভঙ্গি, আচরণ, মূল্যবোধ, ফোকাস, কার্যক্রম এবং মানুষের সঙ্গে তার সম্পর্কের ধরন। একজন প্রকৃত নেতা শুধু অনুসরণযোগ্যই নন; তিনি অন্যদের উন্নত, দক্ষ এবং সক্ষম করে তোলেন।

একজন নেতা মূলত তিনটি বিষয় সৃষ্টি করেন—
১. তিনি নিজেকে গড়ে তোলেন।
২. তিনি তার সহকর্মীদের গড়ে তোলেন।
৩. তিনি নিজে এবং তার সহকর্মীদের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।
একজন প্রকৃত নেতার শক্তি ক্ষমতায় নয়, প্রভাবে; পদবীতে নয়, বিশ্বাসে; নিয়ন্ত্রণে নয়, মানুষকে সক্ষম করে তোলার ক্ষমতায়।

নেতৃত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—Inspiration।

How you can inspire people so that they become more motivated and create extraordinary outcomes from ordinary people—that is what a true leader does.
একজন নেতা এমনভাবে মানুষকে অনুপ্রাণিত করেন যে সাধারণ মানুষও অসাধারণ ফলাফল সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়।কিছু আচরণ নিয়ে আলোচনা করা যাক।

আত্মনেতৃত্ব (Self-Leadership)
আমি নেতৃত্বের আলোচনায় সবসময় একটি বিষয়কে বিশেষ গুরুত্ব দিই—আত্মনেতৃত্ব।
অন্যকে নেতৃত্ব দেওয়ার আগে নিজেকে নেতৃত্ব দেওয়ার কৌশল জানতে হবে। একজন মানুষ তখনই প্রকৃত নেতা হতে পারেন, যখন তিনি নিজেকে পরিচালনা করতে শিখেন।
He must learn to lead himself before he leads others.

এখানে কয়েকটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—

১. আবেগ নিয়ন্ত্রণ
নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। আবেগের বশবর্তী হয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত হবে না। একজন নেতা পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিচক্ষণতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিবেন।

২. প্রতিশ্রুতি রক্ষা
একজন নেতা তার টিমের কাছে যে প্রতিশ্রুতি দেবেন, তা অবশ্যই রক্ষা করতে হবে।
তিনি প্রতিষ্ঠানের প্রতি যে অঙ্গীকার করেন, সেটিও পালন করতে হবে। শুধু তাই নয়, নিজের প্রতি নিজের যে Commitment থাকে, সেটিও সমান গুরুত্বের সঙ্গে রক্ষা করতে হবে।

৩. আচরণের আদর্শ স্থাপন
একজন নেতার আচরণ এমন হতে হবে, যা মানুষ অনুসরণ করতে আগ্রহ বোধ করে।
His behavior should be in such a manner that people love to follow him.
তার ব্যবহার মানুষকে শুধু অনুপ্রাণিতই করবে না; বরং মানুষ তার আচরণকে নিজেদের জীবনে গ্রহণ করার চেষ্টা করবে। কারণ একজন নেতার আচরণ যদি গ্রহণযোগ্য, ইতিবাচক এবং মূল্যবোধ নির্ভর হয়, তবে তা সর্বত্র সমাদৃত হয়।
তাই আত্মনেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন নেতাকে এটি জানতে হবে, বুঝতে হবে, শিখতে হবে, অনুশীলন করতে হবে এবং পরিপূর্ণভাবে আত্মস্থ করতে হবে।

৪। দূরদর্শিতা (Vision)
নেতৃত্বের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চাবিকাঠি হলো দূরদর্শিতা।
আমি একে শুধু দৃষ্টিভঙ্গি নয়, বরং দূরদৃষ্টিসম্পন্নতা বলতে পছন্দ করি।
একজন নেতা শুধু আজকের দিন দেখলে হবে না; তাকে আগামীকাল দেখতে হবে, আগামী দশ বছর দেখতে হবে এবং আরও অনেক দূরের ভবিষ্যৎ কল্পনা করতে হবে।
যারা বহু দূর পর্যন্ত দেখতে পারেন, তারাই প্রকৃত নেতা।
একজন সত্যিকারের নেতা এমন একটি ভবিষ্যৎ কল্পনা করতে পারেন, যা অন্যরা শুধু দেখা নয়, অনেক সময় ভাবতেও শেখেনি।

তাই একজন নেতার নিজেকে প্রশ্ন করা উচিত—
আমি ১০ বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চাই?
আমার টিমকে কোথায় দেখতে চাই?
আমার প্রতিষ্ঠানকে কোথায় দেখতে চাই?
২০ বা ৩০ বছর পর আমাদের অবস্থান কোথায় হবে?
সবসময় মনে রাখতে হবে, মানুষ কোনো নেতাকে তার পদবির কারণে অনুসরণ করে না; বরং তার দৃষ্টিভঙ্গির গভীরতা, উদারতা এবং ভবিষ্যৎ দেখার ক্ষমতার কারণে অনুসরণ করে।

৫। বিশ্বাস অর্জনের ক্ষমতা
নেতৃত্বের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চাবিকাঠি হলো বিশ্বাস অর্জনের দক্ষতা।
আপনি যদি আপনার টিমের বিশ্বাস অর্জন করতে না পারেন, তাহলে তারা আপনাকে অনুসরণ করবে না, অনুকরণ করবে না এবং আপনার দ্বারা অনুপ্রাণিতও হবে না।
ফলে প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জন করাও কঠিন হয়ে পড়বে।
একজন নেতার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হলো মানুষের বিশ্বাস।
কিন্তু প্রশ্ন হলো—এই বিশ্বাস অর্জিত হয় কীভাবে?
বিশ্বাস তৈরি হয় তখনই, যখন টিমের সদস্যরা একজন নেতার মধ্যে কিছু নির্দিষ্ট গুণাবলি দেখতে পান।

সততা (Integrity)
তারা দেখতে চান, নেতা কতটা সৎ এবং নীতিবান।কথার সঙ্গে কাজের মিল। নেতা যা বলেন, তিনি কি বাস্তবেও তা অনুসরণ করেন?

ন্যায়পরায়ণতা (Fairness)
তিনি কি সকলের সঙ্গে ন্যায়সংগত আচরণ করেন? যখন একজন নেতার মধ্যে এই গুণগুলো মানুষ দেখতে পায়, তখনই তার প্রতি বিশ্বাস জন্মায় এবং মানুষ তাকে অনুসরণ করতে শুরু করে।

এ কারণেই বলা হয়—
“বিশ্বাস হারানো সহজ, কিন্তু পুনরুদ্ধার করা অত্যন্ত কঠিন।”
একবার বিশ্বাস নষ্ট হয়ে গেলে তা পুনরায় অর্জন করতে অনেক সময়, শ্রম এবং সততার প্রমাণ দিতে হয়।

উপসংহার
এই কয়েকটি বিষয় দিয়েই আজকের আলোচনার সমাপ্তি টানতে চাই। নেতৃত্বের চাবিকাঠি নিয়ে আলোচনা এখানেই শেষ নয়; পরবর্তী পর্বে আমি আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা বলব।
আমার বিশ্বাস, এই বিষয়গুলো প্রত্যেক নেতার উপলব্ধি করা, অনুশীলন করা এবং নিজের জীবনে প্রয়োগ করা উচিত। কারণ যোগ্য নেতৃত্ব কখনো কেবল নিজের সাফল্য সৃষ্টি করে না; এটি যোগ্য মানুষ, শক্তিশালী দল এবং সফল প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করে।

নিজেকে এমনভাবে গড়ে তুলুন, যাতে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারেন—
“আমি যোগ্য নেতৃত্ব দিতে এসেছি, এবং আমি যোগ্য মানুষ ও যোগ্য দল গড়ে তুলতে চাই।”
সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, দেশকে ভালোবাসবেন।

অসংখ্য ধন্যবাদ।
— MD AKBAR HASSAN
MBA (IBA), MPA (DU)
CEO & Managing Director
BRIDDHI – School of Professional & School of Knowledge

06/06/2026

“গতিময় ”
Quotation of Md. Akbar Hassan.

আপনি কি আমার কবিতা, কোটেশন, আত্মচিন্তা এগুলো পড়তে ইচ্ছুক তাহলে এই পেজে আসুন ভালো লাগতে পারে।

https://www.facebook.com/profile.php?id=100068672664730

06/06/2026

LIVE NO-353, Topic:
“ Sales Leaders Create Sales Champions ”
BRIDDHI- School of Professional & School of Knowledge
Video No. 2764
▶️ Watch the full live now.

06/06/2026

LIVE NO-353, Topic:
“ Sales Leaders Create Sales Champions ”
BRIDDHI- School of Professional & School of Knowledge

Md. Akbar Hassan, CEO and Managing Director of
BRIDDHI will be facilitating live on the above-mentioned topic.

05/06/2026

How to Build a Successful Career: Goal, Discipline, and Growth Mindset
ARTICLE NO. 29

আজকের আলোচনার বিষয় হলো how to build a successful career। একটি successful career গড়ে তোলা মানে শুধু কাজ করে যাওয়া নয়, বরং নিজেকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তৈরি করা। সফল career গড়ে উঠলে আপনি নিজের team-এর মধ্যে একটি clear difference create করতে পারবেন। সেই সঙ্গে career growth-এর সঙ্গে financial growth-ও যুক্ত। জীবনযাত্রা, stability, এবং personal dignity সবকিছুর সঙ্গে career-এর গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান হবে।

সফল career গড়ার প্রথম শর্ত হলো নিজের লক্ষ্য পরিষ্কারভাবে নির্ধারণ করা। আপনি কী অর্জন করতে চান, কেন অর্জন করতে চান, এবং কোন direction-এ এগোতে চান, তা আগে অঙ্কন করতে হবে। Personal life এবং professional life কীভাবে একে অপরের সঙ্গে interact করবে, সেটাও পরিষ্কারভাবে নির্ধারণ করা জরুরি। Career-এর জন্য অনেক সময় personal life থেকে কিছুটা sacrifice পেতে হয়, কিন্তু সেই sacrifice যেন একটি bigger purpose-এর দিকে এগোতে থাকে, সেটি গুরুত্বপূর্ণ।

একজন সাধারণ কর্মী থেকে একজন Executive Director এবং CEO হয়ে ওঠার journey-ও এই goal clarity-র মধ্য দিয়েই গড়ে ওঠে। লক্ষ্য স্থির নয়, এটি dynamic; সময়ের সঙ্গে তা পরিবর্তিত হয়।

এরপর আসে Progress Tracking-এর বিষয়। সফল career তৈরি করতে হলে নিজের অগ্রগতি নিয়মিতভাবে পর্যালোচনা করতে হবে। আপনার লক্ষ্যকে অবশ্যই measurable, attainable, sustainable, এবং time-bound করতে হবে।
একটি clear plan ছাড়া এগোনো যায় না। তাই আগামীকাল নয়, আজ থেকেই পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। Success একদিনে আসে না; এটি ধারাবাহিক প্রস্তুতি, discipline, এবং focused effort-এর ফলাফল।

সফল career-এর পথে stay positive হওয়া অপরিহার্য। Positive mindset ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে growth ধরে রাখা কঠিন। জীবনে অনেক challenge আসবে, কিন্তু সেগুলোকে গ্রহণ করতে হবে এবং সেখান থেকেই শিখতে হবে।
একই সঙ্গে নতুন possibility এবং career path-এর জন্য মন খোলা রাখতে হবে। আত্মবিশ্বাসী থাকতে হবে, negative চিন্তাকে positive চিন্তায় রূপান্তর করতে হবে, এবং positive মানুষের সঙ্গে সময় কাটাতে হবে।

একজন সফল professional নিয়মিত self-review করেন। কোথায় আছেন, কোথায় যেতে চান, আর কীভাবে সেখানে পৌঁছাবেন, তা ভেবে দেখা খুবই জরুরি। এই reflective habit career growth-কে আরও বাস্তবভিত্তিক করে তোলে।
Mindfulness practice করাও প্রয়োজন, কারণ inner and outer state-এর প্রতি attention আত্মসচেতনতা এবং confidence বাড়ায়।

Career development-এর আরেকটি বড় pillar হলো networking। Many successful careers grow from a strong network. Positive relationship build করা, সুযোগ ও idea খুঁজে বের করা, এবং professionally connected থাকা একজন মানুষের growth-কে দ্রুততর করে তুলে। একই সঙ্গে নিজের strength জানা খুব দরকার।
আপনার unique skill অনুযায়ী কাজ খুঁজতে হবে, দুর্বলতাগুলো নির্ভুলভাবে চিহ্নিত করতে হবে, এবং strength আরও উন্নত করতে হবে।

সবশেষে, growth mindset ছাড়া career progression অসম্পূর্ণ। Challenge-এর মুখে পড়ে থেমে গেলে উন্নতি হয় না। বরং challenge-কে learning opportunity হিসেবে নিতে হবে।

Positive mindset, self-awareness, networking, reflection, এবং consistent effort একসাথে কাজ করলেই একটি successful career গড়ে তুলা সম্ভব।

— MD AKBAR HASSAN
MBA (IBA), MPA (DU)
CEO & Managing Director
BRIDDHI – School of Professional & School of Knowledge

04/06/2026

Professional Life vs Personal Life: ভারসাম্যই সাফল্যের ভিত্তি
ARTICLE NO. 28

আজ আমি এমন একটি বিষয়ের কথা বলতে চাই, যা আমাদের অনেকের জীবনেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু সঠিকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হয়ে উঠে না। বিষয়টি হলো Professional Life vs Personal Life। এই দুইটি দিকই আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। একটি ছাড়া অন্যটি পূর্ণ হয় না। তাই জীবনে সফল হতে হলে এই দুইয়ের মধ্যে একটি সুন্দর ভারসাম্য তৈরি করতে হয়।

আমরা যখন Professional Life-এ প্রবেশ করি, তখন আমাদের সামনে স্বপ্ন আঁকা থাকে, দায়িত্ব, লক্ষ্য, পরিকল্পনা, চাপ এবং প্রত্যাশা একসাথে এসে দাঁড়ায়। বিশেষ করে student life থেকে professional life-এ প্রবেশ করার সময় অনেকেই কিছুটা confused হয়ে পড়ে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, student life-এ শেখা, দক্ষতা অর্জন করা এবং নিজেকে প্রস্তুত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ corporate level-এ বা professional environment-এ knowledge & experience একটি বড় শক্তি হিসেবে কাজ করে। আপনার knowledge, skill এবং discipline যত শক্তিশালী হবে, Professional Life তত সহজ এবং কার্যকর ও ফলপ্রসূ হবে।

তবে শুধু কাজ জানলেই হবে না। কাজের মধ্যে focus ধরে রাখাও জরুরি। অনেক সময় কাজের চাপের কারণে আমরা concentration হারিয়ে ফেলি। কিন্তু এ ধরনের পরিস্থিতিতে ধৈর্য, মানসিক দৃঢ়তা এবং self-control খুব প্রয়োজন। আপনার মেধা, পরিশ্রম এবং consistency-ই আপনাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। Professional Life-এ successful হতে হলে আপনাকে mindful হতে হবে, disciplined হতে হবে এবং লক্ষ্যভিত্তিক থাকতে হবে, থাকতে হবে Commitment।

একই সঙ্গে Personal Life-এর দিকটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কাজের চাপ যেন ব্যক্তিগত জীবনের ওপর অযথা প্রভাব না ফেলে, সে বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। অফিসের দায়িত্ব পালন করতে হবে পূর্ণ নিষ্ঠার মাধ্যমে, আবার family-র সঙ্গে থাকলে তাদের সময় দিতে হবে মন খুলে। পরিবারের প্রতি দায়িত্ব, ভালোবাসা এবং উপস্থিতি জীবনের ভারসাম্য রক্ষা করে। Joint family হোক বা ছোট পরিবার, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটানো, কথা বলা এবং সম্পর্ক বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

এই ভারসাম্য রক্ষার অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি হলো Time Allocation। আপনার professional activity এবং personal life-এর মধ্যে একটি স্পষ্ট সীমা থাকা দরকার। যখন আপনি কাজ করছেন, তখন কাজেই সম্পূর্ণ মনোযোগ দিন। আর যখন পরিবারের সঙ্গে থাকছেন, তখন সেখানেও সম্পূর্ণ উপস্থিত থাকুন। এই মানসিক শৃঙ্খলাই জীবনে স্থিতি বয়ে আনবে।

স্বাস্থ্যও এই আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সুস্থ থাকতে হলে শরীরচর্চা বা exercise অপরিহার্য। প্রতিদিন কিছুটা সময় নিজের জন্য রাখা উচিত। 10 to 15 minutes হলেও তা নিয়মিত হওয়া দরকার। কারণ শরীর ভালো থাকলে মনও ভালো থাকে। আর মন ভালো থাকলে কাজের দক্ষতাও বাড়ে। একই সঙ্গে technology এবং social media-এর অতিরিক্ত নির্ভরতা থেকে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করাও জরুরি। অনলাইন communication প্রয়োজনীয়, তবে real-life connection কখনোই কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। বন্ধু, পরিবার এবং কাছের মানুষদের সঙ্গে সরাসরি সময় কাটানো মানসিক বিকাশে সাহায্য করে।

Professional Life-এ stress থাকা স্বাভাবিক। বস, সহকর্মী, deadline, target, meeting, performance review, সবকিছু মিলিয়ে চাপ তৈরি হতে পারে। কিন্তু এই চাপ যেন Personal Life-এ অযথা প্রবেশ না করে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কাজের জায়গায় সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা যেমন জরুরি, তেমনি কাজের বাইরেও নিজের মানসিক প্রশান্তি রক্ষা করা দরকার। পরিবারকে নিয়ে কোথাও ঘুরতে যাওয়া, সুন্দর পরিবেশে সময় কাটানো, কিংবা পরিবারের ছোট ছোট আনন্দকে গুরুত্ব দেওয়া মানসিক স্বস্তি বয়ে আনে।

সবশেষে বলা যায়, Professional Life এবং Personal Life একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়। বরং তারা পরস্পরের পরিপূরক। জীবনের সার্থকতা এখানে যে, আমরা কীভাবে এই দুই দিককে সুন্দরভাবে সামঞ্জস্য করে এগিয়ে নিতে পারি। সঠিক balance-ই মানুষকে পরিপূর্ণ করে তোলে। Professional Life-এ দায়িত্বশীলতা, Personal Life-এ সংবেদনশীলতা, এবং দুইয়ের মধ্যে balanced mindset থাকলেই একজন মানুষ সত্যিকার অর্থে সফল হতে পারেন।

আশা করি, এই আলোচনা আপনাদের উপকারে আসবে। সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে balance বজায় রেখে এগিয়ে যান।.

— MD AKBAR HASSAN
MBA (IBA), MPA (DU)
CEO & Managing Director
BRIDDHI – School of Professional & School of Knowledge

04/06/2026

“বিত্তে মহান, চিত্তে শূন্য”
Quotation of Md. Akbar Hassan.

আপনি কি আমার কবিতা, কোটেশন, আত্মচিন্তা এগুলো পড়তে ইচ্ছুক তাহলে এই পেজে আসুন ভালো লাগতে পারে।

https://www.facebook.com/profile.php?id=100068672664730

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


House No 50/A, Road No. 10/A Dhanmondi
Dhaka