SORTS HUT

SORTS HUT

Share

welcome to sports hut

08/10/2025

মুক্তির ডাক আসছে

02/09/2020
04/08/2020
29/05/2020

রাজনীতি আমার পেশা না, ক্রিকেট হচ্ছে আমার পেশা।ক্রিকেট খেলি সংসার চালানোর জন্য,আর রাজনীতিতে এসেছি মানুষের উপকারের জন্য।
খেলার অর্থ দিয়ে আমার সংসার চলে। তাই পায়ে ব্যথা থাকলেও আমি খেলি। সে জন্য খেলা ছাড়ি না। খেলা শেষে ব্যবসা করব। রাজনীতি দিয়ে উপার্জনের কোনো চিন্তা আমার নেই।
___Mashrafe Mortaza✅

23/05/2020

sports

17/05/2020

#আলহামদুলিল্লাহ
মাশরাফির প্রিয় ব্রেসলেট ৪২ লক্ষ টাকায় বিক্রি হলো।এবং তারা গিপট করলো ম্যাশকে।তারা ব্রেসলটটি বড় করে একটা অনুষ্ঠান করে মাশরাফির হাতে পরাই দিবে ব্রেসলেটটি।

সম্পূর্ন টাকা করোনায় অসহায় মানুষদের জন্য ব্যায় করা হবে।

27/04/2020

তামিম ইকবাল জাতীয় দলের ১জন খেলোয়াড়কে ৩ মাসের খরচ দিলেন।

করোনায় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে জাতীয় দলের ওপেনিং ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল' আরও ১টি মানবিক কাজ করে দেখালেন । তিনি খুলনার অ্যাথলেট সামিউল ইসলামকে সংসারের তিন মাসের খরচ দিয়েছেন। বিজেএমসির অ্যাথলেট সামিউল ইসলাম গতবার জুনিয়র অ্যাথলেটিক্সে দ্রুততম মানব হয়েছিলেন। গত অক্টোবরে জুনিয়র অ্যাথলেটিকসে ১০০ মিটারে ১১.৪১ সেকেন্ড সময় নিয়ে সোনা জিতেছিলেন! ভালো অ্যাথলেট হওয়ার জন্যই সামিউলের বিজেএমসির চাকরিটা হয়েছিল। কিন্তু কিছুদিন আগে বিজেএমসি থেকে চাকুরি হারিয়ে এখন তিনি অর্থকষ্টে জীবন কাটাচ্ছেন। তার এই আর্থিক সমস্যার কথা এক শীর্ষ ইংরেজী দৈনিক পত্রিকাতে লিখা হয়েছিল। তামিম ইকবাল সেই পত্রিকার মাধ্যমেই খবরটি জানতে পেরেছিলেন। এরপর তামিম ওই পত্রিকা অফিসে ফোন করে সামিউলের সাথে কথা বলেন এবং তাকে সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেন।

সামিউল বলেন,তামিম ভাই আমাকে ফোন দিয়েছিলেন। আমি প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারিনি। আমার ও আমাদের পরিবারের খোঁজখবর নিলেন। মাসে আমাদের পরিবারের খরচ কেমন, সেটাও জিজ্ঞেস করলেন। বিকাশে সে অনুপাতে তিন মাসের খরচ পাঠিয়ে দিয়েছেন। এটা আমার পরিবারের অনেক বড় পাওয়া। আমাদের কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।

Photos from SORTS HUT's post 26/04/2020

আশরাফুল নিজের বাড়িতে শচীন টেন্ডুলকার,হরভজন সিংকে আপ্যায়ন করেছিলেন!
মোহাম্মদ আশরাফুল

ছোটবেলা থেকেই শচীন টেন্ডুলকার আমার রোল মডেল ছিল। ১৯৯৮ সালে যখন আমি অনূর্ধ্ব-১৩ দলের হয়ে খেলি তখন আমার বন্ধু তাঁর পোস্টার আমাকে দিয়েছিল। আমি ছোটবেলা থেকেই উনার ভক্ত ছিলাম। অঙ্কুরে অনুশীলন করতাম ওয়াহেদ স্যারের ওখানে। উইলস কাপ ও এশিয়া কাপে যখন বল বয় ছিলাম। তখন ম্যাচ শুরুর আগে আমরা কিছুটা সময় পেতাম। ৯৮‘এর ঘটনা- নেটে বোলিং করার সময় তাঁকে কাছে পেলাম। ওই সময় তাঁর সঙ্গে ছবিও তুলেছি। ২০০৪ সালে শচীনের সাথে আবারও দেখা হয়,সেবার ভারত ব্যাটিং ছিল প্রতিপক্ষ। ওই সময় খেলা চলাকালে টিম হোটেলে শচীনের সঙ্গে দেখা করি। আমরা টিম হোটেলে ছিলাম। আগেও শচীনের সঙ্গে কথা হয়েছিল, কিন্তু সেবার হলো আরও অনেক কথা। বেশ কাছাকাছি গিয়ে কথা হলো। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ঢাকা টেস্টে করেছিলাম ৬০ রান। পরে চট্টগ্রাম টেস্টের আগে তাঁর সঙ্গে কথা বলার সুযোগ মিলল। ভাষাগত সমস্যা হচ্ছিল,কিন্তু শচীনের সামনে যেতেই সেই সমস্যার সমাধান। ওই সময় আমি হিন্দি ও ইংরেজি ভালো পারতাম না। একাই তাঁর সঙ্গে কথা বলেছি। উনি নিজে থেকেই আমাকে বলল তুমি বাংলায় বলো। সব কথা ছিল খেলা নিয়ে। বললাম আমার খেলায় ধারাবাহিকতা থাকে না। বলেছিলেন প্রথমবার যতটা মনোযোগ থাকে পরেরটিতে ততটা থাকে না, ভালো করতে হলে সেটা করতে হবে। আর অন্য দল তোমার দুর্বলতা নিয়ে কাজ করে তাই তুমি ভালো কিছু করতে পারছো না। মন খুলে খেলতে বললেন। সেবারই ১৫৮ করলাম। অসাধারণ এক অনুভূতি ছিল। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এর হয়ে খেলা আমার জীবনের সেরা পাওয়া। ২০০৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় আইপিএল অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেবার মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এর হয়ে একটা ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছিলাম। ওই ম্যাচের কথা আমার মনে আছে। রান করতে পারিনি। ২ রান করেছিলাম। আমি যখন উইকেটে যাই টেন্ডুলকার স্ট্রাইকে ছিল। আমার রোল মডেল শচীন টেন্ডুলকার। টেন্ডুলকারের সঙ্গে একই ড্রেসিংরুমে ৪৫ দিন ছিলাম। এটা আমার সবচেয়ে বড় পাওয়া।আইপিএল এর পর বাংলাদেশ সফরে আসে ভারত। ওয়ানডে দলে ছিলেন না টেন্ডুলকার। পরে টেস্ট দলে যোগ দেন। একদিন হরভজন আমাকে বলল, তোমার বাড়িতে নিয়ে যাবে না? তখন আমি বললাম অবশ্যই। তারপর টেন্ডুলকার,হরভজনকে বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলাম।ওইদিন ছিল বৃহস্পতিবার। শচীনের জন্যই অপেক্ষা করছি। হরভজন ও শচীন ছাড়াও ছিল সাকিব, তামিম, জাভেদ ভাই ও ওয়াহিদ স্যার। ওটা অন্যরকম একটা মুহূর্ত ছিল। টেন্ডুলকার আমার বাড়িতে এসেছিল। শচীন,হরভজন পাতে ইলিশ তুলে দিয়েছিলাম। ওই মুহূর্ত ভোলার নয়। শচীন টেন্ডুলকার আমার বাড়িতে এসেছিল,এটা আমার সারাজীবন মনে থাকবে। উনি মানুষের সঙ্গে খুব সহজভাবে মিশে যান। যা যা রান্না করা হয়েছে সবই খেয়েছিলেন। উনার খাবারের দুটি ধরন আছে। একটা দিন সারাদিন একটি রুটি খেয়ে থাকেন। আর একদিন আছে যেদিন অন্যকিছুও খেয়ে থাকেন। ওই দিনটা ছিলো উনার সব কিছু খাবারের। ঠিক সময়ে আপ্যায়ন করতে পারায় আমি খুবই খুশি। এক কথায় বলতে গেলে ক্রিকেটার তো বটেই, মানুষ হিসেবেও অসাধারণ তিনি। খুব চমৎকার একজন মানুষ। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় নিজেকে লুকিয়ে রাখতে চান। আসলে ব্যক্তি হিসেবে উনি অন্য রকম। আমার সৌভাগ্য উনার সঙ্গে খেলতে পেরেছি।

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka