13/06/2025
গাছ এবং বাড়ি। সোনায় সোহাগা।
ষোলো আনাই খাঁটি
13/06/2025
গাছ এবং বাড়ি। সোনায় সোহাগা।
09/06/2025
টাকা অথবা ক্ষমতা এই দুইটা না থাকা সত্বেও যদি কেউ আপনার পক্ষ নেয়, বুঝতে হবে সেটা শুধুই ভালবাসা।
24/05/2025
পেঁপে ও কচু একত্রে চাষ একটি লাভজনক যুগল চাষ পদ্ধতি হতে পারে। বর্তমানে কৃষিতে লাভবান হতে হলে চৌকস হতে হয়। এক জমিতে একাধিক ফসল চাষ করে জমির সর্বোত্তম ব্যবহার করা এখন সময়ের দাবি। পেঁপে ও কচু একত্রে চাষ করে একই জমি থেকে দ্বিগুণ লাভ করা সম্ভব—শুধু জানতে হবে সঠিক পদ্ধতি।
কেন পেঁপে ও কচু একসাথে চাষ করবেন?
পেঁপে গাছ লম্বা হয়, আর কচু নিচু স্তরে বেড়ে উঠে—একটি অন্যটিকে দমন করে না।কচুর পাতা মাটির আদ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে, যা পেঁপের জন্য উপকারী।একই জমিতে দুই ধরনের ফসল চাষ করলে উৎপাদন বাড়ে এবং আয়ও বৃদ্ধি পায়।
চাষ পদ্ধতি সংক্ষেপে:
জমি প্রস্তুত: দোআঁশ বা বেলে দোআঁশ মাটি এই যুগল চাষের জন্য আদর্শ। জমি চাষ করে গোবর/কম্পোস্ট মিশিয়ে প্রস্তুত করুন।
পেঁপে রোপণ: ৭x৭ ফুট দূরত্বে সারিবদ্ধভাবে পেঁপে চারা রোপণ করুন।
কচু রোপণ: পেঁপে চারার মাঝের ফাঁকা জায়গায় কচুর লতা/রাইজোম ২-৩ ফুট দূরত্বে লাগান।
সেচ ও নিষ্কাশন: কচু পানি বেশি পছন্দ করে, কিন্তু অতিরিক্ত পানি পেঁপের ক্ষতি করতে পারে। তাই পানি নিষ্কাশনের ভালো ব্যবস্থা রাখা জরুরি।
সার ব্যবস্থাপনা: পেঁপেতে প্রতি মাসে ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি প্রয়োগ করা যায়। কচুতেও মাঝে মাঝে জৈব সার প্রয়োগে ভালো ফল হয়।
রোগবালাই: নিয়মিত পোকামাকড় ও ছত্রাকজনিত রোগ পর্যবেক্ষণ করুন। প্রয়োজনে জৈব কীটনাশক ব্যবহার করুন।
ফসল সংগ্রহ:
কচু ৪-৫ মাসের মধ্যে ঘরে তোলা যায়।
পেঁপে ৭-৮ মাস পর ফল দেওয়া শুরু করে এবং একটানা ১.৫–২ বছর ফল দেয়।
উপসংহার:
একত্রে পেঁপে ও কচু চাষ করলে জমির কার্যকারিতা বাড়ে, পরিচর্যায় সময় বাঁচে এবং আয়ও দ্বিগুণ হয়। সঠিক পরিকল্পনা ও পরিচর্যায় এটি হতে পারে একটি লাভজনক ও টেকসই কৃষি উদ্যোগ।
18/05/2025
দেশের মাটিতে নতুন জাতের #কাঁঠাল, ফলন দিবে ১২ মাস এবং পাতায় পাতায় ফলন হবে কাঁঠাল অত্যন্ত সুস্বাদু এবং #প্রোটিন #নিউট্রিসিয়ান ও #ফাইবার যুক্ত খাবার হওয়ার পরেও মৌসুমী ফলের সময় পাওয়ার জন্য অনেকের এটা খেতে অপছন্দের তালিকায় থাকে।
তবে এটা যদি আনসিজন অর্থাৎ মৌসুমী ফলের বিপরীত দিকে থাকে তাহলে এটার কদর হাজার গুণ বেড়ে যায়।
আর এটাই সেই কাঁঠাল এবং সাথে আরও একটি মজার বিষয় হচ্ছে এই কাঁঠালের কোন আঠা নাই অর্থাৎ আঠা বিহীন কাঠাল।
বারোমাসি গামলেস #আঠা_বিহীন_কাঁঠাল গাছের চারা সহ প্রায় পাঁচটি জাতের কাঁঠাল গাছের কলম চারা নিতে দ্রুত যোগাযোগ করুন আমাদের সাথেঃ-
আঠা বিহীন ১২ মাসি থাই কাঁঠাল গাছের চারা।
এই গাছ আপনার #ছাদ_বাগান ও বাড়ির আঙিনায় লাগিয়ে সারা বছর ফল খেতে পারবেন। ইনশাআল্লাহ
👉চারার বৈশিষ্ট্যঃ-
🌱চারার উচ্চতা ২/৩ ফুট।
🌱ডাল ৩/৫ টি।
🌱সঠিক পরিচর্যা করলে ১ বছরের মধ্যে ফল আসবে ইনশাআল্লাহ।
🌱কাঁঠালের ওজন ৩/৫ কেজি।
🛒অর্ডার করতে কল করুন [ 01739-323391 ]
📞 Imo ....WhatsApp: 01739-323391
13/05/2025
#নামাজি ও বেনামাজি ব্যবসায়ীর পার্থক্য!
পাশাপাশি তিনটা চায়ের দোকান। দুটোতে সারাক্ষণ টিভি চলে। নাটক, সিনেমা, নাচ গানে সরগরম থাকে সব সময়। কাস্টমারও থাকেন ভরপুর। মনে হয় যেন মৌচাকে মৌমাছি আঠার মতো বসে আছে। পেটালেও নড়াচড়ার নাম নেবে না।
এতো কাস্টমার, এতো বেচা-বিক্রি!!!?
এই দুইটা দোকানের ঠিক পাশেই আছে আরেকটি দোকান। সেই দোকানটা ছিল একজন নামাজি লোকের। দোকানে টিভি ছিল না। তাই কাস্টমারও তেমন ঢুকত না। এলাকায় যারা নামাজ পড়েন, দ্বীন পালন করেন, নাচ গান পছন্দ করেন না, তারা এই দোকানে আসতেন, বসতেন, চা খেয়ে চলে যেতেন।
দোকানদার লোকটাকে প্রায়ই দেখতাম বসে বসে জিকির করছে বা ওয়াজ শুনছে।
একে তো কাস্টমার কম, তার ওপর নামাজের সময় থাকত বন্ধ। ব্যাপারটা দেখে আমার খুব মায়া লাগতো। আমি ভাবতাম দোকানটা ঠিকঠাক চালাতে পারবে তো? না কি লস করবে? অবশ্য, মন বলত-'নিশ্চই পারবে। আল্লাহ নিশ্চয়ই বরকত দেবেন। রিজিক তো আসে আসমান থেকে, না খাওয়ায়ে নিশ্চয়ই তার রব তাকে রাখবেন না।'
তারপর দীর্ঘদিন আমার আর ঐ পথ দিয়ে যাওয়া হয়নি। অনেকদিন পর কোন একটা কাজে আমি ঐ পথ দিয়ে যাচ্ছিলাম। রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে আমি ভাবছিলাম দোকানটা কী আছে নাকি নাই? কে জানে!
আমি যখন ঐ রাস্তার মুখে আসলাম, আমার চোখ ছানাবড়া। আমি অবাক হয়ে লক্ষ করলাম তিনটার মধ্যে মাত্র একটা দোকান আছে। বাকিগুলো তল্পিতল্পা গুটিয়ে ডেরায় ফিরে গেছে।ডেরায় ফিরে যাওয়া দুইটা দোকান কোনটা জানেন? ঐ যে, সব সময় গান চলতো, নাচ হতো, সেই দুইটা দোকান। আর টিকে আছে সেই নামাজি লোকের দোকানটা। আল্লাহর রহমতে এখন ভালো চলছে। আগের মতোই কাস্টমার, এক দুইজন আসছে, চা খাচ্ছে, চলে যাচ্ছে। দোকানদারও তাদের চা দিচ্ছেন, বিস্কিট পানি দিচ্ছেন, আর ফাঁকে ফাঁকে আল্লাহর জিকির আজকার করছেন। ওয়াজ শুনছেন, নামাজের সময় এলে দোকান লাগিয়ে চলে যাচ্ছেন।!!!
রিজিক আসলে আল্লাহর হাতে। টিভিওয়ালা দোকানগুলোতে ভিড় থাকত মূলত টিভি দেখার জন্য। এক কাপ চা খেয়ে কাস্টমাররা ঘন্টার পর ঘন্টা চাতক পাখির মতো ওই একটা জিনিসেই বুঁদ হয়ে থাকত। বাইরে থেকে মনে হত খুব বুঝি বেচাকেনা হচ্ছে! আসলে যেই লাউ সেই কদু। লাভের লাভ কিছুই হত না। মাঝখান দিয়ে কারেন্ট বিল বাড়তো, আর এসব ভিড়ের কারণে আসলেই যারা চা খেতে আসতো, তারা দোকানটাকে এড়িয়ে গিয়ে পাশের দোকানে চা খেয়ে চলে যেতো। যা হ'ত, হয়তো দোকান ভাড়া, ডিশ বিল, বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস খরচ-এইসব দিতে দিতেই শেষ! বরকত তো ছিল না। অবশ্য দ্বীনদার ব্যবসায়ীদের কোনোদিকেই লস নেই। এপারে যেমনই হোক; ওপারের ব্যাংকে তো জমা হচ্ছে প্রচুর!!!
একজন নামাজি আর বেনামাজি ব্যবসায়ীর মধ্যে পার্থক্য এটাই।!!!!🤲🤲
@সংগৃহিত।
18/04/2025
জুম্মা মোবারক 🙏🇧🇩
আর বাঁচবো কয়দিন
নামাজ পড়ি প্রতিদিন।💑
18/04/2025
চীনের ১০০০ শয্যার প্রস্তাবিত বিশ্বমানের হাসপাতাল কোন কোন জেলায় হলে বেশি ভালো হয়? মতামত দিন 🙏🇧🇩
16/04/2025
বাংলাদেশের প্রতিবাদ আঁচড়ে পড়ুক সারা বিশ্বে। মানবতা আজ ডুকরে কাঁদে!
16/04/2025
প্লাস্টিক বোতলের এই অল্পটুকু ট্রিক জানলেই সারা বছর পুদিনা চাষ সম্ভব!