Fitness World

Fitness World

Share

hello i'm rd omio, i'm a health & gym instructor. Through this site I will teach you the real exercising, exercising routine and diet habits

When we talk about exercise, we nearly always refer to physical exercise. Exercise is the physical exertion of the body - making the body do a physical activity which results in a healthy or healthier level of physical fitness and both physical and mental health. In other words, exercise aims to maintain or enhance our physical fitness and general health. People exercise for many different reasons

Photos from FitnessVid's post 01/03/2016
30/08/2015

দীর্ঘদিন ধরে ধূমপান করলে ফুসফুসে বিষাক্ত পদার্থ জমে যায়, যা দেহের ভীষণ ক্ষতি করতে পারে। আর আপনি যদি ঢাকা শহরের মতো জায়গায় বসবাস করেন এবং প্রতিদিন আপনাকে রাস্তার ধূলোবালি আর বিষাক্ত ধোঁয়া গিলতে হয় তাহলে তো কথাই নেই। আপনি চেষ্টা করেও এই পরিবেশে ফুসফুসকে বিষমুক্ত রাখতে পারবেন না।

সে ক্ষেত্রে আপনার জানা দরকার ফুসফুস পরিষ্কার করার অনেক পদ্ধতি রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে বোল্ডস্কাই জানিয়েছে ফুসফুস পরিষ্কারের কয়েকটি সহজ পদ্ধতির কথা। দুই থেকে তিন দিনের একটি অবসর সময় বের করুন। এ ছাড়া ছুটিতে থাকার সময় এটি করতে পারেন।

পর্যায়-১

দুই থেকে তিনদিনের জন্য দুগ্ধজাতীয় সব খাবার গ্রহণ বাদ দিন। পাশাপাশি কফি গ্রহণ করবেন না। এই পদ্ধতি বিষাক্ত পদার্থ পরিষ্কার করতে সাহায্য করবে।

পর্যায়-২

রাতে ঘুমের আগে এক কাপ গ্রিন টি পান করুন।

পর্যায়- ৩

ঘুম থেকে ওঠার পর লেবুর পানি পান করুন। লেবুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ফুসফুস পরিষ্কার পদ্ধতির জন্য জরুরি।

পর্যায়-৪

সকালের নাশতার সঙ্গে কিছু আনারসের জুস খান।

পর্যায়-৫

সকালের নাশতার পর গাজরের জুস পান করুন। এর ফলে রক্ত অ্যালকালাইজড হবে।

পর্যায়- ৬

দুপুরের খাবারের পর কলা খান। কলা পটাশিয়াম পরিষ্কারের প্রক্রিয়াকে সাহায্য করে।

পর্যায়-৭

রাতে ক্র্যানবেরির জুস পান করুন। এটা ফুসফুসের ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সাহায্য করে।

পর্যায়-৮

ব্যায়াম করুন, এতে প্রচণ্ডভাবে শ্বাস সঞ্চালন হবে। এই শ্বাসপ্রশ্বাস ফুসফুসকে স্বাভাবিক হতে সাহায্য করবে।

পর্যায়-৯

ঘাম ঝরানোর মধ্য দিয়ে বিষাক্ত পদার্থ দূর করার জন্য পরের দিন সকালে স্টিম বাথ নিন।

পর্যায়-১০

গরম পানির বাষ্পে ভাপ নিন। গরম পানিতে দুই ফোটা ইউক্যালিপটাসের তেল যোগ করুন। এই পদ্ধতিতেও শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বেরিয়ে যায়

Photos from Fitness World's post 14/06/2015

ছবি দেখে নিশ্চয় ভাবছেন , কোন শেতাঙ্গ, কোন বিখ্যাত বডি বিল্ডারের ছবি , কিংবা ৫০-৬০ এর দশকে কোন হলিউড নায়কের ছবি ।

আপনার ধারনা সম্পূর্নরুপে ভুল । ইনার নাম হচ্ছে মনোহর আইচ । আমাদের কুমিল্লার পোলা । ১৯৫২ সালে মি: ইউনিভার্স পুরুস্কার জিতেন ইনি । যদিও ভারতের হয়ে প্রতিযোগিতা জিতেন তিনি , কিন্তু খাটি বাঙাল হওয়ায় আমাদের গর্ব কোন ভাবেই কম নয়। ব্রিটিশ রাজের এয়ারফোর্সে কাজ করতেন তিনি , এক ব্রিটিশকে কলোনিয়াল মন্তব্যের কারনে চড় মেরে জেলও খেটেছেন ।
১৯৫১ সালে মি: ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় ২য় হন তিনি । মি: হারকিউলিস প্রতিযোগিতাও জিতেন তিনি।

৪ ফুট ১১ ইন্চি লম্বা এই সুদর্শন বডি বিল্ডার পকেট হারকিউলিস হিসাবে খ্যাত ।

বাঙ্গাল সব সময় মন খারাপ করে তারা খাটো , কালা , রোগা, পটকা । কিন্তু বাঙ্গাল তাদের গর্বে ইতিহাস জানে না । বাংলার সুদূর পল্লীগ্রাম থেকেই মনোহর আইচরা উঠে আসে ।

বাংলাদেশ থেকে তার শ্রেষ্ঠ সন্তানরা উঠে আসবেই । শুধু নিজের ইতিহাস সম্পর্কে জ্ঞান রাখা দরকার , আর কিছু না ।

Photos 28/07/2014
19/07/2014

রাতে ঘুম না আসার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। যা প্রভাব ফেলে কর্মক্ষেত্রে। চিকিৎসকরা বলছেন, খাওয়া দাওয়ার অভ্যেসে কিছু পরিবর্তন আনলে অনেটাই কাটিয়ে ফেলা যাবে এই সমস্যা। ঘুম আসতে সাহায্য করবে এমন পাঁচটি খাবারের কথা দেয়া হলো এখানে-

আমন্ড
ঘুম আনতে অসাধারণ কাজ করে আমন্ড নামে এক জাতীয় বাদাম। প্রচুর পরিমানে ম্যাগনেশিয়াম ও খনিজের উপস্থিতি ভালো ঘুম আনতে সাহায্য করে।

কলা
রাতে শোয়ার আগে একটা কলা আপনাকে ঘুম পাড়িয়ে দেবে খুব তাড়াতাড়ি। কলার মধ্যে থাকা ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম রাতে পেশি সচল রাখতে সাহায্য করে।

মধু
মধুর মধ্যে থাকে গ্লুকোজ। এই গ্লুকোজ শরীরে ঘুমে ব্যাঘাতকারী ওরেক্সিনের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। ফলে রাতে ভালো ঘুম হয়।

ওটস
ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস ও সিলিকনে পরিপূর্ণ ওটস। রাতে শোওয়ার আগে ওটমিল খেলে ঘুম আসবে তাড়াতাড়ি।

হালকা গরম দুধ
শোয়ার আগে দুধ খাওয়ার রেওয়াজ বহু পুরনো। দুধ মাংসপেশিকে শিথিল করে। ফলে ঘুম আসে তাড়াতাড়ি।

30/06/2014

স্বাস্থ্যকর রমজানের প্রস্তুতির জন্য কিছু পরামর্শ
সংযমের মাস রমজান। আর এ মাসের জন্য কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন, তা নিয়েই এ লেখা। এ পরামর্শগুলো অনুযায়ী সফলভাবে প্রস্তুতি নিতে পারলে আপনি নিজেই এর উপকারিতা বুঝতে পারবেন। গত বছরের তুলনায় এ বছরের রোজা আপনার কাছে অনেক সহজ হয়ে আসবে।

১. আগেই পানি পান করুন
রমজান মাস আসার আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন। এ জন্য রমজান শুরুর কয়েক দিন আগে থেকেই অতিরিক্ত পানি পান করার অভ্যাস করুন। এতে দেহে পানি ধারণক্ষমতা বাড়বে। ফলে রোজা রাখার জন্য প্রস্তুত হবে আপনার দেহ। রমজান শুরুর পর দিনে পানি পান না করার ঘাটতি পুষিয়ে দিতে হবে রাতে বাড়তি পানি পান করে। রোজা রাখার পরও রাতে প্রতিদিন কমপক্ষে আট গ্লাস পানি পান করতে হবে। আর যদি আপনি গরম পরিবেশে পরিশ্রমের কাজ করেন তাহলে তার চেয়েও বেশি পানি পান করতে হবে।

২. খাবার থেকে চিনি, লবণ, ভাজা-পোড়া, তেল কমিয়ে দিন
আপনার খাবার থেকে কৃত্রিম চিনি ও লবণ কমিয়ে দিন। কমিয়ে ফেলুন ভাজা-পোড়া ও তেলযুক্ত খাবার। এ ছাড়াও ছোট ছোট খাবার বা নাস্তা বাদ দিন, যাতে থাকতে পারে বিস্কুট, কেক, চিপস, কোমল পানীয়, বোতলজাত পানীয় ও প্রক্রিয়াজাতকৃত খাবার। এসব বাদ দিলে আপনার হজম অনেক সহজ হয়ে যাবে। এ নিয়মটি পালন করলে আপনার পানির সমস্যা, খারাপ মুড, পিপাসা ও মুখের দুর্গন্ধ কমে আসবে।

৩. ধীরে ধীরে খান
খাওয়ার সময় বাড়িয়ে নিয়ে ধীরে ধীরে খাওয়ার অভ্যাস করলে তা অনেক উপকার হয়। কেউ যদি এ কাজে সক্ষম না হন তাহলে একটি উপায় অবলম্বন করতে পারেন। আপনার একটি ঘড়ি ও কাগজ-কলম দরকার এ কাজটি করার জন্য। এবার যা করতে হবে তা হলো-
-খাওয়ার শুরুর সময়টি কাগজে লিখে রাখুন।
-খাওয়া শেষ হওয়ার সময়টি লিখে রাখুন।
-খাওয়ার সময় যদি ২০ মিনিট না হয়, তাহলে তা ২০ মিনিটে নিয়ে আসুন।
ধীরে ধীরে খাওয়া একটি ভালো অভ্যাস। একমনে ধীরে ধীরে খেলে খাবারের সঙ্গে মস্তিষ্কের সংযোগ তৈরি হয়। এর ফলে হজমশক্তি বাড়ে। আর রমজান মাসে রোজা ভাঙার পর অর্ধেক ইফতার করা হলে মাঝখানে নামাজের বিরতি দিয়ে ফিরে এসে আবার খাবার খাওয়া সম্ভব।

৪. জিহ্বা পরিষ্কার করুন
টুথব্রাশ যারা ব্যবহার করেন, তাদের জন্য এটি একটি নিয়মিত পরিচ্ছন্নতামূলক কাজ হতে পারে। এ জন্য বাজারে জিহ্বা পরিষ্কারক (টাং ক্লিনার) পাওয়া যায়। এর মাধ্যমে মুখের জীবাণু অনেকখানি দূর করা যায়। ফলে কমে আসবে মুখের দুর্গন্ধ। আর এতে হজমেরও উপকার হবে। কারণ মুখের সুস্থতার সঙ্গে হজমের সুস্থতা জড়িত। মুখে থাকে কোটি কোটি ব্যাকটেরিয়া। খাবার গ্রহণের সময় এগুলো মুখ থেকে পাকস্থলিতে চলে যায়। আর মুখ যতটা সম্ভব পরিষ্কার করা সম্ভব হলে এ ব্যাকটেরিয়াও কমে যাবে।

৫. প্রলোভনে ভুলবেন না
বাজারে নানা মুখরোচক খাবারের ছড়াছড়ি দেখা যায় রমজানে। এসব খাবারের অধিকাংশই অস্বাস্থ্যকর। এসব খাবার কেনার আগে একটু চিন্তা করে নিন। রমজান মাস সংযমের মাস। এ সময়ে আপনার পানাহারে স্বাস্থ্যকর উপাদানই রাখা উচিত। বিক্রেতাদের এসব প্রলোভন থেকে মুক্তির জন্য বাজারে যাওয়ার আগে বাসা থেকেই তালিকা করে নিন কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার ও ফলমূলের। এরপর বাজারে গিয়ে সে তালিকা অনুযায়ী কেনাকাটা করুন।

৬. নিয়মিত গোসল করুন
নিয়মিত গোসল করলে তা রমজান মাসে আপনার সুস্বাস্থ্য ধরে রাখতে সহায়ক হবে। এ ছাড়া গোসলের পানিতে দিতে পারেন ইপসম লবণ। এটি কোনো সাধারণ লবণ নয়। এগুলো খনিজ লবণের ছোট স্ফটিক আকারে পাওয়া যায়। এ খনিজ উপাদানটি আপনার দেহ শিথিল করতে সাহায্য করবে। এ উপাদানটি ব্যথা ও ত্বকের শুষ্কতার সমস্যাসহ বেশ কিছু রোগের উপশম করে। মানসিক অবসাদও দূর করে। এ জন্য এক কাপের চার ভাগের এক ভাগ ইপসম লবণ আপনার গোসলের পানিতে মিশিয়ে দিতে পারেন। এর পর ১৫ মিনিট ধরে তা গুলিয়ে নিতে হবে। এরপর তা দিয়ে গোসল সারতে হবে। এ সময় অন্য কোনো প্রসাধনী ব্যবহার করা যাবে না। গোসল শেষ হলে তা আবার পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

৭. সুস্থ জীবনযাপন অভ্যাস করুন
এ মাসটি আপনার জন্য সংযমের মাস। আর এ মাসে অভ্যাস করতে হবে সুস্থ জীবনযাপনের। জীবনের সব অন্যায় অবিচার বাদ দেওয়ার অভ্যাস করতে হবে এ মাসেই। আপনার সম্পর্কের ব্যাপারে সচেতন হোন। সুস্থ সম্পর্ক গড়ে তুলুন। নিজের পিতা-মাতা, সন্তান, দাদা-দাদি, নানা-নানি, প্রতিবেশী, বন্ধু ও পরিচিত জনদের খবর নিন। তাদের প্রতি দয়ালু হোন। নিজেকে সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন করবেন না।

৮. ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে ডায়েট করুন
অনেকে রমজান মাস ছাড়াই খাবারের ব্যাপারে সংযমী হয়ে ওজন কমানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু রমজান মাস আসলে অতিরিক্ত পানাহার করে গণ্ডগোল বাধিয়ে ফেলেন। যদিও এ মাসে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে ডায়েটিংয়ের সুযোগ রয়েছে। যেহেতু এ মাসে পানাহারের ও বিরতির নির্দিষ্ট সময় রয়েছে, তাই এ সুযোগটি কাজে লাগানো সম্ভব। এ জন্য আপনার প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী খাবারের একটি বাস্তবসম্মত তালিকা করুন ও সে অনুযায়ী পানাহার করুন। আর এভাবেই স্বাস্থ্যকর পানাহারের অভ্যাস গড়ে তুলতে পারবেন।

৯. স্বাস্থ্যকর খাবারের জন্য সময় দিন
অনেকেই সারা বছর খাবারের পেছনে যে সময় ও মনোযোগ ব্যয় করেন, তার চেয়ে বেশি মনোযোগ দেন রমজান মাসে। এ মনোযোগ ও সময়ের সদ্ব্যবহার করে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা সম্ভব। এ জন্য বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবারের রেসিপি সংগ্রহ করুন এবং তা ইফতারের জন্য প্রস্তুত করুন। বাদ দিন যাবতীয় অস্বাস্থ্যকর খাবার।

১০. মানসিক সন্তুষ্টি অর্জন করুন
রমজান মাসে আপনি আর আগের মতো জীবনযাপন করবেন না বলে প্রতিজ্ঞা করুন। আপনার প্রতিটি দিন হয়ে উঠুক আগের থেকে ভিন্ন। ধর্মকর্মে মন দিন। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী দান করুন ও দান সংগ্রহ করে যার সত্যিকার প্রয়োজন, তাকেই দিন। ক্ষুধার্ত মানুষকে খাবার দিন। আর এভাবেই আপনি মানসিক শান্তি ও সন্তুষ্টি লাভ করবেন।
collected

Photos 28/05/2014

মেয়েদের শরীরে মেদ অনেক সহজেই জমে। বিশেষ করে ৩০-৩২ বছর বয়সে মেয়েদের শরীরে স্বাভাবিকভাবেই মেদ জমে। এই মেদ প্রথমত প্রকট হয় পেটে। এটি যে শুধু সৌন্দর্যহানী করে তা নয়, শরীরে যে বিভিন্ন অসুখ বাসা বাঁধছে তাও নির্দেশ করে। মহিলাদের ক্ষেত্রে ৩৫.৫ ইঞ্চির বেশি পেট এর সাইজ থাকলে হার্ট এর অসুখ, ডায়বেটিস হতে পারে। পেটের মেদ আর শরীরের অন্য অংশের মেদকে এক জিনিস ভাবলে ভুল করবেন। পেটের মেদ যেহেতু লিভার, কিডনি ও অন্যান্য অভ্যন্তরীণ অঙ্গের সাথে লেগে থাকে, সেহেতু এটি আপনার জন্য অনেক বড় বিপদ এমনকি মৃত্যুর কারণ হতে পারে। স্বাস্থ্যসম্মতভাবে স্লিম থাকার ৯ টি উপায় দেওয়া হলো।
•কোন পরিশ্রম ছাড়া আমরা যেই কাজটি করতে পারি তা হলো সঠিক নিয়মে শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়া। বেশির ভাগ মানুষই হয় দ্রুত না হয় অনেকক্ষণ পর পর শ্বাস গ্রহন করে। যদি এটি একটা ছন্দে করা যায়, অর্থাৎ আস্তে আস্তে শ্বাস গ্রহন ও নি:শ্বাস ত্যাগ করা পেটের খুব ভালো একটা ব্যায়াম।
•প্রচুর আমিষ (প্রোটিন) সমৃদ্ধ খাবার যেমন-মাছ, ডাল ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে খান। প্রোটিন শরীরের মেটাবলিজম বাড়ায় ও চর্বি পোড়ায়। চর্বি জাতীয় খাবার থেকে সবসময় দুরে থাকুন।
•তালিকা থেকে যথাসম্ভব চিনি দূরে রাখুন। চিনির বদলে সুক্রোলোজ (যা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সুগার ফ্রি নামে পাওয়া যায়) ব্যবহার করুন। তবে মধু ব্যবহার আপনার পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করবে।
•যদি রাত জেগে কাজ করার অভ্যাস থাকে তাহলে আরেকবার ভাবুন। কারণ অসময়ের ঘুম শরীরের জৈবিক ছন্দ নষ্ট করে দেয়। এর ফলে আপনার শরীরে খাদ্যের চাহিদা বেড়ে যায়। পেটে চর্বি জমার প্রবণতা প্রায় ৫গুন বৃদ্ধি পায়।
•লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহার করুন। যে জায়গাগুলোতে হেঁটে যাওয়া সম্ভব সেখানে রিকশায় না উঠার চেষ্টা করুন। হাঁটাই সবচেয়ে ভাল ব্যায়াম। এছাড়াও ছোট ছোট কিছু ব্যায়াম যদি নিয়মিত করতে পারেন তাবে এগুলো আপনাকে ফিট থাকতে সাহায্য করবে। যেমন ফ্লোর ক্রাঞ্চেস্, বার-পিস, সিঙ্গেল লেগ স্কোয়াট, পুশ-আপস্, চেয়ার ডিপস্ ৩০ সেকেন্ড করে দিনে ৪-৫ বার করে দেখুন।
•টক জাতীয় ফলমূলে প্রচুর ভিটামিন সি আছে। ভিটামিন সি কারনিটিন নমক প্রয়োজনীয় একটি উপাদান তৈরী করে, যা শরীরে চর্বি পোড়াতে সহায়তা করে।
•প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। পানি শরীরের টক্সিন বা বিষকে বের করে দিয়ে মাংসপেশী গঠনেও সাহায্য করে।
•মেদ কমাতে গিয়ে খাওয়াটা একেবারে কমিয়ে দেওয়া ঠিক না। এতে প্রয়োজনীয় শক্তির অভাবে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই ঢালাওভাবে সব খাবার না কমিয়ে প্রথমে তেল ও চর্বিযুক্ত খাবার কমান, এরপর ধীরে ধীরে অন্যান্য খাবার কমাবেন। তবে অবশ্যই তা নির্দিষ্ট মাত্রা পর্যন্ত।
•ধূমপান ও মদ্যপান শরীরে চর্বি পোড়াতে বাঁধা দিয়ে মেদ জমাতে সাহায্য করে। তাই এসব থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন।

Photos 28/05/2014

৬ টি দারুণ খাবার ভীষণ দ্রুত কমিয়ে দেবে আপনার পেটের মেদ!
পেটের মেদের সাথে খাবারের অনেক বড় একটি সম্পর্ক রয়েছে। আমাদের নানা ধরণের অস্বাস্থ্যকর কাজের পাশাপাশি একবারে বেশি খাবার, ফ্যাট ও কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার মূলত পেটের মেদ বাড়ায়। তাই আমাদের খাবার খাওয়ার সময় বুঝে শুনে খাওয়া আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য যেমন ভালো তেমনি ভালো পেটের মেদটাকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্যও।

একবারে বেশি না খাওয়া, নিয়মিত ব্যায়াম করার পাশাপাশি কিছু খাবার রয়েছে যা খেলে পেটের মেদ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। এমনকি এই সকল খাবার পেটের দ্রুত মেদ কমাতেও অত্যন্ত কার্যকরী

গ্রিন টী - গ্রিন টীর ফ্লেভানয়েডস এবং প্রাকৃতিক অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান পেটের মেদ কমাতে বেশ সহায়ক। এটি পেতে জমে থাকা মেদ দ্রুত কমিয়ে দেয়। গ্রিন টীর ইজিসিই উপাদান এই কাজটি করে থাকে।

ওমেগা৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার - খাবারে ওমেগা৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার রাখলে তা পেটের মেদ কাটাতে সহায়তা করে। গবেষকগন বলেন ওমেগা৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার যেমন ওয়ালনাট, তিলবীজ, মাছ ইত্যাদি খাবার তালিকায় প্রতিদিন থাকলে পেতে মেদ বাড়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

রসুন- রসুন খেতে পছন্দ না হলেও রসুন পেটের মেদ কমাতে বেশ কার্যকরী একটি খাবার। এটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক এবং রক্তের সুগারের মাত্রা কমাতে বেশ সহায়ক বলে পেতে মেদ জমতে বাধা প্রদান করে। তাই পেটের মেদ থেকে মুক্তি পেতে চাইলে প্রতিদিন রসুন খাওয়া উচিৎ।

পুদিনা- এক টেবিল চামচ মধু, ১ চিমটি গোলমরিচ গুড়ো এবং পুদিনা পাতা এক কাপ গরম পানিতে ৫ মিনিট ফুটিয়ে এই পানীয় পান করুন প্রতিদিন। এই পানীয়টি পেটের মেদ দ্রুত কমাবে।

দারুচিনি- পেটের মেদ কমাতে দারুচিনির তুলনা নেই। অর্ধেক টেবিলচামচ দারুচিনি গুঁড়ো ১ কাপ পানিতে ৫ মিনিট ফুটিয়ে নিয়ে ১ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে গরম গরম চায়ের মতো পান করে ফেলুন। ভালো ফলাফল পেতে সকালে খালি পেটে একবার এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে একবার এই পানীয়টি পান করুন। পেটের মেদ দ্রুত কমবে।

আপেল- আপেলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, পটাশিয়াম এবং ফাইবা। যা অনেকটা সময় ধরে পেটে থাকে এবং ক্ষুধার উদ্রেক কমায়। সকালের নাস্তা কিংবা বিকেলের খাবারে অথবা রাতে কোনো ভারী খাবারের পরিবর্তে আপেল খেলে তা পেটের মেদ কমাবে।
প্রিয়.কম

Photos 23/05/2014

hay good morning .. whats ur morning ?

21/05/2014

ফরমালিন মুক্ত করার উপায়ঃ

ফর্মালিন খুব সহজেই পানিতে দ্রবণীয়। তাই,

সবজি রান্না করার আগে কুসুম গরম লবন মিশ্রিত পানিতে সবজি ভিজিয়ে রাখতে হবে ২০ মিনিট। এরপর পানি ফেলে দিয়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি দিয়ে ধুয়ে রান্না করুন।একটু সময় নিয়ে রান্না করুন।
বাজার থেকে আনা ফল পানিতে সোয়া ১ ঘণ্টা ডুবিয়ে রাখুন। খোসাযুক্ত ফলগুলো ছিলে খাবেন।
মাছে সবচেয়ে বেশী ফরমালিন প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। মাছ লবন পানিতে ডুবিয়ে রাখলে ফরমালিন অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়।আর কাঁচা মাছ-মাংস এক লিটার পানিতে এক কাপ ভিনেগার এই অনুপাতে মিশ্রিত করে পানিতে ডুবিয়ে ১ ঘণ্টা রাখলে শতকরা ৯৫ ভাগের বেশী ফরমালিন নষ্ট হয়ে যায়। রান্নার সময় আঁচ বেশী রাখতে হবে। আঁচ ৭৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস হলে ভালো। ভিনেগার না পেলে লেবুর রস ব্যাবহার করতে পারেন, তবে লেবুর রসে থাকে সাইট্রিক এসিড যেটা ভিনেগারের মত অতবেশি কার্যকর নয়, তবে নাই মামার থেকে কানা মামা ভাল।
শুঁটকি মাছ প্রথমে এক ঘণ্টা গরম পানিতেও পরে একঘণ্টা স্বাভাবিক পানিতে ভিজিয়ে রাখুন ও তারপর রান্না করুন।দেখবেন ফরমালিন মুক্ত হবে, স্বাদও বাড়বে।

19/05/2014

do exercise everyday....

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


55/D-2 North Dhanmondi, Kola Bagan. 2nd Floor
Dhaka
1209

Opening Hours

Monday 07:00 - 23:00
Tuesday 07:00 - 23:00
Wednesday 07:00 - 23:00
Thursday 07:00 - 23:00
Friday 09:00 - 23:00
Saturday 07:00 - 23:00
Sunday 07:00 - 23:00