সাইকেল মার্কেট,নাজিরাবাজার Largest Cycle market,NaziraBazar,Dhaka

সাইকেল মার্কেট,নাজিরাবাজার Largest Cycle market,NaziraBazar,Dhaka

Share

নাজিরাবাজার সাইকেল মার্কেট(কাজি আলাউ

নাজিরাবাজারের সাইকেল মার্কেট বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সাইকেল মার্কেট । ১ নং কাজি আলাউদ্দিন রোড, ঢাকা থেকে শুরু করে এই মার্কেট নাজিরাবাজার চৌরাস্তা পর্যন্ত বিস্তৃত ।এখানে বাইসাইকেল ,বাচ্চাদের ট্রাই সাইকেল ও সাইকেল পার্টস অত্যন্ত কম দামে পাওয়া যায় ।শুক্রবার ও সরকারী ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৯-১০টা থেকে রাত পর্যন্ত খোলা থাকে ।

Photos 11/05/2017

পৃথিবীর সবচেয়ে দামি সাইকেল এটিই!
সস্তার পরিবহন মাধ্যম হিসেবেই সাইকেলের খ্যাতি। তেল খরচা নেই, দামও বেশি নয়। কাছেপিঠে যাওয়ার পক্ষেও দিব্যি সুবিধাজনক। কিন্তু সাইকেল-ভ্রমণও যে রীতিমতো বিলাসবহুল হতে পারে, তা বুঝিয়ে দিল বিখ্যাত ফরাসি গাড়ি নির্মাণকারী সংস্থা বুগাত্তি। তারা নতুন একটি বাইসাইকেল বাজারে এনেছে যার দাম ৪০ হাজার মার্কিন ডলার, অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩২ লাখ ২৪ হাজার টাকা।
লাক্সারি গাড়ি প্রস্তুতকারী হিসেবে বুগাত্তির যথেষ্ট খ্যাতি রয়েছে। তাদের তৈরি গাড়ির দামও আকাশছোঁয়া। এ বার সাইকেল চড়ার চিরাচরিত অভিজ্ঞতাতেও নতুন মাত্রা সংযোজন করতে চাইছে তারা। সেই লক্ষ্য রেখেই তৈরি করা হয়েছে এই অভিনব সাইকেল, সংস্থার তরফে যার নাম রাখা হয়েছে সুপার বাইক।
কিন্তু এই সুপার বাইকের অভিনবত্বটা কী? সাইকেলটির দিকে এক ঝলক তাকিয়েই বুঝে নেওয়া যায় যে, এর চেহারায় একটা অন্য ব্যাপার রয়েছে। এর ডিজাইন যেমন চোখ ধাঁধানো, তেমনই আর পাঁচটা সাইকেলের মতো জৌলুশহীন ধাতব কাঠামো সম্পন্নও নয় সাইকেলটি। কিন্তু কোম্পানির তরফে জানানো হচ্ছে, ‘দর্শনধারী’রা নয়, সুপার বাইকের প্রকৃত বিশেষত্ব বুঝতে পারবেন ‘গুণবিচারী’রা। কী রকম?
বুগাত্তি জানাচ্ছে, এটি পৃথিবীর সবচেয়ে হালকা সাইকেল। এর ওজন মাত্র ১১ পাউন্ড, অর্থাৎ পাঁচ কেজি। তার ফলে প্যাডেলে ন্যূনতম বলপ্রয়োগ করেই চালানো যায় এই সাইকেল। অনায়াসে তীব্র গতিতে রাস্তা দিয়ে ছোটানোও যায় সুপার বাইককে। এবং তার জন্য কোনও অতিরিক্ত পরিশ্রমই বোধ হয় না আরোহীর।
কিন্তু কী ভাবে এতখানি হালকা হতে পারে একটি দু’চাকার সাইকেল? বুগাত্তি কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, এই সাইকেল আসলে রিইনফোর্সড কার্বন দিয়ে তৈরি। রিইনফোর্সড কার্বন হল সেই উপাদান, যা দিয়ে এরোপ্লেনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ তৈরি করা হয়। সাধারণ সাইকেলে যেখানে চেন লাগানো থাকে, সুপার বাইকে সেখানে রয়েছে রাবার বেল্ট। এই বেল্টও সাইকেলের তীব্র গতির ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করে বলে জানানো হয়েছে।
মূলত স্পোর্টস সাইকেল হিসেবে প্রস্তুত করা হলেও কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সব ধরনের রাস্তাতেই নিশ্চিন্তে চালানো যাবে সুপার বাইক। আপাতত নির্বাচিত কয়েকটি রংয়ে সুপার বাইক পাওয়া গেলেও ২০১৭-র শেষ দিকে ৬৬৭ রকমের রঙে এই সাইকেল বাজারে ছাড়া হবে বলে দাবি বুগাত্তির।
- ইন্টারনেট

08/11/2015

নাজিরা বাজার পরিচিতি
রাজধানী ঢাকার তথা পুরনো ঢাকার একটি এলাকা হচ্ছে নাজির বাজার। এই এলাকাটি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বংশাল থানাধীন। এই এলাকাটির প্রকৃত নাম নাজির বাজার হলেও লোকমুখে প্রচারিত হতে হতে এই এলাকাটি এখন নাজিরা বাজার নামেই বেশি পরিচিত। প্রকৃত নামটি এখন কেবল কাগজে কলমেই রয়ে গেছে। এই এলাকাটি পুরাতন ঢাকার খাবারের ঐতিহ্য ধারণ করে বিধায় এটি পুরাতন ঢাকার একটি উল্লেখযোগ্য এলাকা হিসেবে বিবেচিত হয়।

সীমানা পরিধি
এই এলাকাটি মূলত একটি রোডকে ঘিরে গড়ে উঠেছে। রোডের দুইপাশের সরু গলিপথগুলোর বাড়িগুলোকে নিয়েই নাজিরাবাজার এলাকা। দক্ষিণ দিক থেকে এই এলাকাটি শুরু হয়েছে বংশাল পুরাতন চৌরাস্তা/লেডি বাগান থেকে দক্ষিণ দিক সংলগ্ন কাজী আলাউদ্দিন রোড চৌরাস্তা থেকে আর শেষ হয়েছে বঙ্গবাজার মোড়ে। দক্ষিণে বঙ্গবাজার মোড় থেকে শুরু হয়ে উত্তরে কাজী আলাউদ্দিন রোড চৌরাস্তায় এসে শেষ হয়েছে।

এই এলাকাটির পূর্ব পাশে রয়েছে সুরিটোলা, আলুবাজার, সিদ্দিকবাজার। পশ্চিমে রয়েছে আগামাসিহ লেন, আগাসাদেক রোড, সিক্কাটুলী এলাকা। উত্তরে রয়েছে বঙ্গবাজার আর দক্ষিণে কাজী আলাউদ্দিন রোড, বংশাল, ফ্রেন্স রোড এলাকা।

জীবনযাত্রার মান
এই এলাকার অধিকাংশ বাসিন্দা মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণীর। তাদের জীবনযাত্রার মানও ভাল। এছাড়া এলাকার বাসিন্দারা একে অপরের প্রতি বেশ সহনশীল।

আবাসন ব্যবস্থা
ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে বর্তমানে নাজিরা বাজার এলাকায় আবাসন সমস্যা দিনের পর দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে এই এলাকার জমির মূল্য আকাশচুম্বী। এছাড়া এই এলাকার বাড়ি ভাড়াও বেশী। এই এলাকার ভবনগুলো তেমন বড়। বেশীরভাগ ভবনেই রয়েছে ২ রুমের ফ্ল্যাট। ২ রুমের এক-একটি ফ্ল্যাটের ভাড়া পড়ে ৭,০০০ থেকে ৮,০০০ টাকা, সেই সাথে অগ্রীম হিসেবে প্রদান করতে হয় ৫০,০০০ থেকে ১,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত। এছাড়া অল্প কিছু ভবনে ৩ রুম ও ১ রুমের ফ্ল্যাট রয়েছে। ১ রুমের ১টি ফ্ল্যাটের ভাড়া পড়ে ৪,০০০ – ৪,৫০০ টাকা এবং অগ্রীম হিসেবে প্রদান করতে হয় ৩০,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকা। আর ৩ রুমের একটি ফ্ল্যাটের ভাড়া পড়ে ১০,০০০ থেকে ১২,০০০ টাকা, অগ্রীম হিসেবে প্রদান করতে হয় ৫০,০০০ থেকে ১,০০,০০০ টাকা।

এলাকার পরিবহন ব্যবস্থা
এই এলাকার প্রধান বাহন রিক্সা। তবে প্রধান রাস্তাতে আনুপাতিক হারে বেশি চলাচল করে সিএনজি অটো রিক্সা, মাইক্রোবাস, কার। বাস/ট্রাক প্রবেশ করতে রাস্তায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

নাজিরাবাজারে যাওয়ার উপায়
আজিমপুর, নিউ মার্কেট, ধানমন্ডি, শ্যামলী, কল্যাণপুর, গাবতলী থেকে গাবতলী-সদরঘাট রুটে চলাচলকারী ৭ নম্বর, ধামরাই, গ্রামীন বাসযোগে বঙ্গবাজার নেমে, বঙ্গবাজার থেকে দক্ষিণ দিকে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ও কেন্দ্রীয় পশু হাসপাতালের পাশ দিয়ে যে রোডটি গিয়েছে এটিই নাজিরা বাজার রোড।

সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী থেকে নাজিরা বাজারে আসতে হলে চিটাগাং রোড থেকে গুলিস্তান পর্যন্ত যে বাসগুলো চলাচল করে সেই বাসযোগে গুলিস্তান এসে, গুলিস্তান থেকে নর্থ সাউথ রোড হয়ে দক্ষিণ দিকে ৫০০ গজ সামনে সুরিটোলা ওভার ব্রীজের পাশ দিয়ে হাজী ওসমান গণি রোড অবস্থিত। এই রোডের পশ্চিম প্রান্তে নাজিরা বাজার চৌরাস্তা অবস্থিত। এছাড়া গুলিস্তান থেকে সোজা পশ্চিম দিকে বঙ্গবাজার মোড় এসে নাজিরাবাজার রোডে প্রবেশ করার ব্যবস্থা রয়েছে।

সদরঘাট থেকে নাজিরা বাজারে যেতে চাইলে সদরঘাট থেকে গুলিস্তান রোডে চলাচলকারী ৭ নম্বর, আজমেরী, সুপ্রভাত, স্কাই লাইন, ইউনাইটেড বাসযোগে, কিংবা ঐতিহ্যবাহী টমটম/ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে বংশাল নতুন চৌরাস্তায় নেমে ওয়ালটন শো রুমের পাশ দিয়ে পশ্চিম দিকে যে রোডটি রয়েছে সেই রোডের শেষ প্রান্তে কাজী আলাউদ্দিন রোড চৌরাস্তাটি অবস্থিত। এই চৌরাস্তা থেকে উত্তর দিকের রোডটিই নাজিরা বাজার রোড।

চকবাজার, লালবাগ, সোয়ারীঘাট থেকে এই এলাকায় যেতে চাইলে চক বাজার থেকে গুলিস্তানের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা টেম্পু যোগে বঙ্গবাজার মোড়ে নেমে দক্ষিণ দিকে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ও কেন্দ্রীয় পশু হাসপাতালের পাশ দিয়ে যে রোডটি গিয়েছে এটিই নাজিরা বাজার রোড।

এছাড়া রিকশা যোগে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সংলগ্ন পূর্ব দিকে যে রোডটি রয়েছে সেই রোড দিয়ে সাতরওজা মাজারের পাশ দিয়ে উত্তর দিকে যে রোডটি রয়েছে সেটি আগাসাদেক রোড নামে পরিচিতি। আগাসাগদেক রোডের পূর্ব প্রান্তে নাজিরা বাজার চৌরাস্তা অবস্থিত।

নাজিরাবাজার খাবারের হাট
নাজিরা বাজার রোডটি বিভিন্ন গনমাধ্যমে খাবারের গলি নামে পরিচিত। বঙ্গবাজার মোড় থেকে দক্ষিণ দিকে নাজিরা বাজার রোডের দুই পাশে অসংখ্য হোটেল রয়েছে। বঙ্গবাজার থেকে প্রথমেই হাতের ডান পাশে রয়েছে হোটেল ওয়ান স্টার। এই হোটেলটিতে ভাত, মাছ, মাংস, মোরগ পোলা, কাচ্চি বিরিয়ানী, লাচ্ছি, ফালুদা, চা, রুটি সবই পাওয়া যায়। এটি বেশ উন্নতমানে একটি হোটেল। এখান থেকে দক্ষিণ দিকে ১০০ গজ সামনে এগুলোই পাশাপাশি ৪ টি খাবারের হোটেল রয়েছে। এই হোটেলগুলোতে সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার, সান্ধ্যকালীন নাস্তা ও রাতের খাবার পাওয়া যায়। এই হোটেলগুলো থেকে ১০ গজ দক্ষিণ দিকে এগোলেই যে খাবারের ঘ্রাণটি সকলের নজর কাড়বে সেটি হল পুরাতন ঢাকার বিখ্যাত হাজীর বিরিয়ানী। এই বিরিয়ানীর দোকানটি নাজিরাবাজার চৌরাস্তা থেকে বঙ্গবাজারের দিকে যাওয়ার পথে ২০ গজ সামনে হাতের বাম পাশে অবস্থিত। প্রতিদিন সকাল ৭.০০ টা থেকে রাত ১১.০০ টা পর্যন্ত এই বিরিয়ানীর দোকানটি সপ্তাহের ৭ দিনই খোলা থাকে। হাজীর বিরিয়ানী থেকে ১০ গজ দক্ষিণে এগুলো হাতের ডান পাশে অবস্থিত পরপর দুটি বিরিয়ানীর দোকানও পথচারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম। এরমধ্যে হানিফ বিরিয়ানীরও পুরান ঢাকায় বেশ সুনাম রয়েছে। সবশেষ নাজিরা বাজার চৌরাস্তার চারপাশেই রয়েছে খাবারের দোকান। নাজিরাবাজার চৌরাস্তার খাবারের দোকানগুলো হলো – মামুন বিরিয়ানী, ভাই ভাই বিরিয়ানী হাউজ, মদিনা বিরিয়ানী হাউজ, বিসমিল্লাহ কাবাব ঘর, মক্কা বিরিয়ানী হাউজ। এসব খাবারের দোকানগুলোর মধ্যে মামুন বিরিয়ানী ও বিসমিল্লাহ কাবাবের পুরান ঢাকায় বেশ কদর রয়েছে। এছাড়া নাজিরা বাজার চৌরাস্তায় ৩ টি বাকরখানী রুটির দোকান, ১টি মাছ ধরার উপকরণ (বড়শি, ছিপের) দোকান রয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলো
এই এলাকাটিতে ২ টি ব্যস্ততম মোড় রয়েছে। তন্মধ্যে একটি হল কাজী আলাউদ্দিন রোড চৌরাস্তা এবং অপরটি হলো নাজিরাবাজার চৌরাস্তা।

কাজী আলাউদ্দিন রোড চৌরাস্তা
এই মোড়ের চারটি রাস্তা হলো – দক্ষিণ দিক থেকে বংশাল পুরাতন চৌরাস্তা হয়ে কাজী আলাউদ্দিন রোড; উত্তর দিক থেকে নাজিরাবাজার চৌরাস্তা হয়ে নাজিরাবাজার রোড, পূর্ব দিক থেকে বংশাল পুরাতন চৌরাস্তা থেকে শুরু হয়ে মাজেদ সরদার রোড; আর অপরটি এসেছে পশ্চিম দিক থেকে মাজেদ সরদার রোড/সিক্কাটুলী রোড। এই চারটি রাস্তার মেলবন্ধনে সৃষ্টি হয়েছে এই মোড়টির।

নাজিরাবাজার চৌরাস্তা
এই মোড়ের রাস্তা চারটি হলো – দক্ষিণ থেকে কাজী আলাউদ্দিন রোড থেকে নাজিরাবাজার রোড, উত্তর দিক থেকে বঙ্গবাজার মোড় থেকে নাজিরাবাজার রোড, পূর্ব দিক থেকে নর্থ সাউথ রোড থেকে আলু বাজার (হাজী ওসমান গণি রোড), পশ্চিম দিকে আগাসাদেক রোড এসে মিশেছে নাজিরাবাজার চৌরাস্তায়।

লেনগুলো
এই এলাকাটিতে বেশ কিছু সরু গলিপথ/লেন রয়েছে। বিশেষত রোডের পূর্ব পাশে ৩ টি লেন রয়েছে যেগুলো প্রস্থে খুব বেশি বড় না হলেও দৈর্ঘ্যে বেশ বড়। লেনগুলো হলো – বাংলাদুয়ার লেন, নাজিরাবাজার লেন (মিষ্টি গলি), নাজিরা বাজার লেন (জামাই গলি), নাজিরা বাজার লেন (স্কুলের গলি)।

বাংলাদুয়ার লেন
এই লেনটি কাজী আলাউদ্দিন রোড চৌরাস্তা সংলগ্ন। কাজী আলাউদ্দিন রোড চৌরাস্তা থেকে ২০ গজ সামনে হাতের ডান পাশ দিয়ে একটি গলিপথ পূর্ব দিকে গেছে। এই গলিপথটির একটি লিংক গিয়ে যোগ হয়েছে মিষ্টি গলির সাথে এবং অন্য আরেকটি লিংক শেষ হয়েছে পূর্বে নর্থ সাউথ রোডে গিয়ে। বাংলাদুয়ার লেনটি অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। এর দুপাশে রয়েছে অসংখ্য বাড়িঘর। পুরাতন ঢাকার বৈশিষ্ট্যানুযায়ী প্রতিটি বাড়ি একটির সাথে আরেকটি আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে রয়েছে।

এখানে রয়েছে আবাসিক ভবন, একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি মসজিদ। এছাড়া রয়েছে হোটেল, মুদির দোকান, ফার্মেসী, সেলুন, বাখরখানি রুটির দোকান, তরকারির দোকান, জুতার কারখানা। এই লেনটিতে সাইকেল, মোটর সাইকেল ও রিক্সা ছাড়া অন্য কোন যানবাহন প্রবেশ করতে পারে না।

নাজিরাবাজার লেন (মিষ্টি গলি/মেয়র গলি)
বাংলাদুয়ার লেন থেকে নাজিরাবাজার রোড দিয়ে উত্তর দিকে ৫০ গজ এগিয়ে হাতের ডান পাশে এই লেনটি অবস্থিত। এই গলির প্রবেশ মুখে একটি মিষ্টির দোকান আছে। এই জন্য লোকমুখে এই গলিটি মিষ্টি গলি নামে পরিচিত। এছাড়া ঢাকার প্রয়াত মেয়র মরহুম হানিফ সাহেবের বাসভবনও এই গলিতে অবস্থিত। এজন্য লোকে এই গলিটিকে মেয়র গলি নামে অভিহিত করে থাকেন।

এই লেনটি প্রস্থে খুব বেশি বড় না হলেও দৈর্ঘ্যে অনেক লম্বা। মূল লেনটি ডানে-বামে একাধিক লেনে মোড় নিয়েছে। এর একটি মুখ দিয়ে মিশেছে বাংলাদুয়ার লেনের সাথে। অপরটি গিয়ে মিশেছে পূর্ব দিকে নর্থ সাউথ রোডের সাথে। এই লেনটি অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ। লেনটির ভিতরে রয়েছে হোটেল, মুদির দোকান, ফার্মেসী, সেলুন, বাখরখানি রুটির দোকান, তরকারির দোকান, জুতার কারখানা। এই লেনটিতে সাইকেল, মোটর সাইকেল ও রিক্সা ছাড়া অন্য কোন যানবাহন প্রবেশ করতে পারে না।

নাজিরাবাজার লেন (স্কুলের গলি)
মিষ্টি গলি হতে নাজিরা বাজার রোড হয়ে উত্তর দিকে ২০ গজ সামনে হাতের বাম পাশে এই লেনটি অবস্থিত। এই লেনটিতে রয়েছে নাজিরা বাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। এই স্কুলটির কারণে লোকমুখে এই লেনটি নাজিরাবাজার স্কুলের গলি নামে পরিচিত। এই লেনটি প্রস্থে বেশ ছোট। সাইকেল ও মোটর সাইকেল ছাড়া অন্য কোন যানবাহন প্রবেশ করতে পারে না।

নাজিরা বাজার লেন (জামাই গলি)
নাজিরা বাজার স্কুল গলি থেকে নাজিরা বাজার রোড হয়ে উত্তর দিকে ১০০ গজ সামনে হাতের ডান পাশে এই লেনটি অবস্থিত। এটি মূলত নাজিরা বাজার এলাকার একটি লেন হলেও এই লেনটি জামাই গলি নামে সকলের নিকট পরিচিত। এই গলিটির নামকরণ সম্পর্কে তেমন কোন যৌক্তিক কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না। এই লেনটিও প্রস্থে খুব বেশি বড় নয়। তবে দৈর্ঘ্যে বেশ লম্বা। এই লেনটি দিয়ে অন্য কোন রোডের লিংক নেই। পূর্ব দিকে এই লেনটি শেষ হয়েছে। এই লেনটিও বেশ ঘনবসতিপূর্ণ। এই লেনটিতে রয়েছে হোটেল, মুদির দোকান, সেলুন, তরকারির দোকান। লেনটিতে সাইকেল ও মোটর সাইকেল ছাড়া অন্য কোন যানবাহন প্রবেশ করতে পারে না।

মার্কেটগুলো
নাজিরা বাজার এলাকায় রয়েছে সাইকেল মার্কেট, সাইকেল ও রিক্সা পার্টস মার্কেট, রেকসিন, গার্মেন্টস ম্যাটেরিয়াল মার্কেট, বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য খাবারের মার্কেট।

সাইকেল মার্কেট
সাইকেল মার্কেটটি উত্তর দিকে সম্প্রসারিত হয়ে কাজী আলাউদ্দিন রোড হয়ে নাজিরা বাজার চৌরাস্তা পর্যন্ত এসে শেষ হয়েছে। এই মার্কেটে নতুন সাইকেলের দোকানের পাশাপাশি বেশ কিছু পুরাতন সাইকেলের দোকানও রয়েছে। এই মার্কেটে ছোট, বড় সকলের জন্য বিভিন্ন ব্র্যান্ডের স্পোর্টস সাইকেল, জাম্পিং, বাংলা সাইকেল পাওয়া যায়।

সাইকেল ও রিক্সা পার্টস মার্কেট
কাজী আলাউদ্দিন চৌরাস্তা থেকে উত্তর দিকে নাজিরা বাজার রোডে বেশ কিছু সাইকেল ও রিক্সা পার্টস এর দোকান রয়েছে।

রেকসিন ও গার্মেন্টস ম্যাটেরিয়াল মার্কেট
নাজিরা বাজার চৌরাস্তা থেকে উত্তর দিকে বঙ্গবাজার যাওয়ার পথে রোডের দুই পাশে রয়েছে রেকসিন, জুতার সোল, এ্যাডহেসিভ পণ্য, গার্মেন্টস ম্যাটেরিয়াল, লেদার/চামড়ার দোকান। এই দোকানগুলোতে জুতা তৈরীর যাবতীয় মালামাল ও সকল ধরনের গার্মেন্টস পণ্য পাওয়া যায়।

এই মার্কেটের দোকানগুলো সকাল ৯.০০ টা থেকে রাত ৮.০০ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। শুক্রবার পূর্ণ দিবস ও শনিবার দিনের প্রথম অর্ধ দিবস বন্ধ থাকে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
নাজিরা বাজার এলাকার ১ টি প্রাইমারী স্কুল, ২ টি হাই স্কুল রয়েছে। প্রাইমারী স্কুলটি বাংলাদুয়ার লেনে অবস্থিত। হাই স্কুল দুটির মধ্যে ১ টি নাজিরা বাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং অপরটি অল কেয়ার প্রি ক্যাডেট উচ্চ বিদ্যালয়। নাজিরা বাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি নাজিরা বাজার স্কুলের গলিত অবস্থিত এবং অল কেয়ার প্রি ক্যাডেট উচ্চ বিদ্যালয়টি নাজিরা বাজার জামাই গলির সাথে অবস্থিত।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
এই এলাকায় বসবাসরত বাসিন্দাদের শতকরা ৯৯.৯৯ ভাগই মুসলমান। এই এলাকায় ৫ টি মসজিদ ও ১ টি মাদ্রাসা রয়েছে। মসজিদগুলোর মধ্যে ১ টি মসজিদ কাজী আলাউদ্দিন রোড চৌরাস্তার পাশে বাংলাদুয়ার লেনের বিপরীত পাশে অবস্থিত। এই মসজিদটির উপরে মাদ্রাসাতুল হাদীস কিন্ডার গার্টেন নামে একটি মাদ্রাসা রয়েছে। বাংলাদুয়ার লেনে রয়েছে অপর একটি মসজিদ, নাজিরাবাজার চৌরাস্তা সংলগ্ন জামাই গলির বিপরীত পামে আরও ১টি মসজিদ রয়েছে। নাজিরাবাজার চৌরাস্তা থেকে উত্তর দিকে বঙ্গবাজার যাওয়ার পথে হাজী বিরিয়ানীর পাশে একটি এবং অপর ১টি মসজিদ বঙ্গবাজার মোড়ে অবস্থিত।

বাজার
এই এলাকার বাসিন্দাদের বাজার সদাই করার জন্য নাজিরা বাজার চৌরাস্তায় ছোট-খাটো একটি বাজার রয়েছে। এই বাজারে মাংস, শাকসবজি, মুদি সামগ্রী পাওয়া যায়। এখানে মাছ পাওয়া যায় না। এছাড়া বাজারের কাছাকাছি দূরত্বে রয়েছে নয়াবাজার ও আগাসাদেক রোড বাজার।

ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো
এই এলাকায় সরকারী কোন প্রতিষ্ঠানের অফিস নেই। নাজিরা বাজার রোডের উত্তর প্রান্তে বঙ্গবাজার মোড়ে রয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন অফিস (প্রধান কার্যালয়) এবং কেন্দ্রীয় পশু হাসপাতাল।

ব্যাংক
নাজিরা বাজার এলাকায় ব্যাংকের তেমন আধিক্য লক্ষ্য করা যায় না। এই এলাকায় রূপালী ব্যাংকের ১ টি শাখা রয়েছে।

এটিএম বুথ
নাজিরা বাজার চৌরাস্তা সংলগ্ন অল কেয়ার প্রি ক্যাডেট এর নিচতলায় ডাচ বাংলা ব্যাংকের ১ টি এবং ব্র্যাক ব্যাংকের ১ টি এটিএম বুথ রয়েছে।

আইন-শৃঙ্খলা
এই এলাকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোটামুটি শান্ত ধরনের। এলাকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য বংশাল থানা পুলিশ সার্বক্ষণিক টহল দিয়ে থাকেন। এলাকার বাসিন্দাদের পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে রয়েছে নাজিরাবাজার পঞ্চায়েত কমিটি।

বংশাল থানার অবস্থান
বংশাল থানাটি ইংলিশ রোডে অবস্থিত। বংশাল নর্থ সাউথ রোড চৌরাস্তা থেকে দক্ষিণ দিকে তাঁতীবাজার মোড় থেকে পূর্ব দিকে রায়সাহেব বাজার যাওয়ার পথে চিত্রামহল সিনেমা হলের বিপরীত পাশে ফজলুল করিম কমিউনিটি সেন্টারের ২য় তলায় অবস্থিত।
istiqur.blogspot

Photos 18/10/2015

সাইকেল চালকরা বেশিদিন বাঁচে
Update: 2015-10-11
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সাইক্লিং এখন অনেকের নেশায় পরিণত হয়েছে। তবে নেদারল্যান্ডে শুধু শখ বা নেশা থেকে নয় প্রাত্যহিক জীবনের অংশে পরিণত হয়েছে এটি। যারা সাইক্লিং করেননা তাদের থেকে ডাচ সাইকেল চালকরা বেশিদিন বাঁচে বলে দাবি ডাচ গবেষকদের। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষায় নেদারল্যান্ডের মানুষ সপ্তাহে ৭৪ মিনিট সাইকেল চালায়।

নেদারল্যান্ডের বেশিরভাগ রাস্তা দেখেই মনে হবে যেন এখানে সাইকেল ছাড়া অন্য কোন বাহন নেই। এ যেন সাইক্লিস্টদের স্বর্গরাজ্য। রাস্তায় ট্রাফিক সিগনালে দেখা যায় সাইকেলের ছবি। দেশটিতে আছে সাইত্রিশ হাজার কিলোমিটার সাইকেল লেন। বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে নিয়মিত সাইকেল চালানোর কারণে ডাচ সাইক্লিস্টরা বেশিদিন বাঁচে বলে দাবি করেন UTRECHT বিশ্ববিদ্যালয়ের এ গবেষক।

তিনি বলেন, 'সাইক্লিং স্বাস্থ্যের জন্য ভালই শুধু নয়, এর ফলে কর্মক্ষমতা বেড়ে মানুষের গড় আয়ু ছয় মাস বাড়ে বলে গবেষণায় পাওয়া গেছে।'

দেশটিতে শিশুরা যেমন ছোটবেলা থেকেই সাইকেল চালানোতে অভ্যস্ত হয় তেমনি বয়স্করাও নিজেদের সুস্থ রাখার তাগিদে চালান সাইকেল। ট্রেন স্টেশনে আছে সাইকেল পার্কিং এর সুব্যবস্থা। শুধু তাই নয় তৈরির পরিকল্পনা আছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাইকেল পার্কিং যেখানে একসঙ্গে বারো হাজার সাইকেল রাখা যাবে। তবে এই চিত্র তৈরি করতে যথেষ্ট কাঠ খড় পোড়াতে হয়েছে বলে জানান নেদারল্যান্ডের সাইক্লিং অ্যাম্বাসেডার।

তিনি বলেন, 'অবশ্যই এর ইতিহাস অনেক লম্বা, তবে মূলকথা আমরা এটি অর্জন করেছি। সাইক্লিং নিরাপদ, আরামদায়ক এবং স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ভাল। সুন্দর ও স্বাস্থ্যসম্মত হিসেবে দেখতে চাই আমার এ শহরকে।'

নেদারল্যান্ডকে দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার সাইক্লিংকে জনপ্রিয় করতে কাজ করবে এবং পরিবেশ ও মানুষের স্বাস্থ্যরক্ষায় সহায়তা করবে এমনটিই প্রত্যাশা ডাচ সাইক্লিস্টদের।
http://somoynews.tv

Photos 25/09/2015

সবাইকে ঈদুল আজহার আন্তরিক শুভেচ্ছা

13/09/2015

সাইকেল যদি কিনতে চান...... পর্ব ১

Of all the things I've lost, I miss my mind the most. ইদানীং দেশে প্রায় সাইকেল বিপ্লব শুরু হয়ে গেছে, স্বাস্হ্যের জন্য তো ভালোই..... অসহনীয় এই যানজটের নগরীতে সাইকেল অনেকটা টাইম মেশিনের মত কাজে দেয়.....সময় বাচানোর এর চেয়ে ভালো উপায় আমার অন্তত জানা নেই... আমি অ্যামেচার সাইক্লিস্ট.... সাইকেল নিয়ে খুব বেশী জানি এরকম না, কিছুদিন আগে.... (প্রায় বছর খানেক) নিজে প্রথম সাইকেল কিনি..... আরো দু'এক জন বন্ধুর সাইকেল কেনার সুবাদে এই ব্যাপারে কিছুটা ধারণা হয়েছে..... **বাজেট ৫০০০-১০০০০ হলে একেবারে সাধারন সিংগেল গিয়ারড বাইক কেনাই ভালো.... বাজারে মেঘনা কোম্পানীর বেশ কিছু বাইক আছে যেমন - প্রিন্স এলিয়েন,প্রিন্স ভেগাস ইত্যাদি(দাম প্লাস মাইনাস ৫৫০০টাকা).... এগুলো স্টীলের বাইক, তাই লক্ষ্য রাখতে হবে এগুলো যেন যথাসম্ভব বাহুল্য বর্জিত হয়, মানে শুধু ত্রিকোনাকার হয়, অতিরিক্ত রড গুলো শুধু ওজনই বৃদ্ধি করে আর কিছু না...... তবে এই বাজেটে সবচেয়ে ভালো হয় হিরো রেন্জার ম্যাক্স, ভারতীয় হিরো কোম্পানীর তৈরী.... দেখতে কিছুটা সেকেলে হলেও এর ফিনিশিং-বিল্ড কোয়ালিটি অসাধারন..... আসলটা কিনতে পারলে ৫-১০ বছরেও কিছু হবে না....... দাম ৬৫০০টাকা (প্লাস মাইনাস)..... ওজন একটু বেশী,আপনি যদি বাইক কয়েক তলা উপরে আপনার সিড়ি বা বারান্দায় রাখতে চান তবে এটা ভেবে দেখবেন......প্রায় ২০ কেজির মত ** বাজারে ৭৫০০-১০০০০ টাকায় যে ডুয়াল সাসপেনশন,গিয়ার ওয়ালা বাইক গুলো পাওয়া যায় সেগুলো না কেনাই ভালো, কারণ মাস খানেক না ঘুরতেই এগুলো ঝামেলা শুরু করে, নানা জায়গা থেকে ক্যাঁচ-ক্যাঁচ আওয়াজ হয়, সাসপেনশন জ্যাম হয়ে যায়.... আর ডিস্ক ব্রেক থাকলে তো কথাই নাই........ তাই বুঝতেই পারছেন... ** বাজেট ১২-১৫০০০ এ বেশ কিছু দেশি বিদেশি বাইক পাবেন, তবে ডিস্ক ব্রেক আর ডুয়াল সাসপেন্শন থাকলে সেই মডেলটা এড়িয়ে যাবেন........ সাধারণ ভি ব্রেক ওয়ালা ....... বাইক কিনুন....... এই বাজেটে ক্রিয়েট ফিক্সি বা এই জাতীয় কিছু দৃষ্টিনন্দন রোড বাইক আছে...... এগুলো রিকমেন্ডেড এই বাজেটে র‍্যালে ক্যাম্পাস জাতীয় কিছু কমিউটার বাইক আছে যার ফিনিশিং চলনসই..... এই বাজেটে সবচেয়ে বেশী চলে র‍্যালে মটো ম্যাক্স আর প্রিন্স টোরোন্টো...... দুইটাই ভুয়া..... তবে টোরোন্টো কম খারাপ.... তাই একেবারে কিনতেই হলে এটা কেনাই ভালো...... ** ১৪০০০ এ কোয়োট ইলিয়নিস (সাইকেল লাইফ এক্সক্লুসিভ এ পাবেন) থেকে শুরু করে বেশ কিছু ভালো মানের মাউন্টেইন বাইক পাবেন..... লক্স কমব্যাট প্রো,কমব্যাট ২.০ (এখন মার্কেটে নাই), লক্স ফাইট,জোহান..........১৭০০০ তে আছে র‍্যালে স্টর্ম ১.০, ১৯০০০ এ স্টর্ম ২.০০........ আরেকটু বাড়ালে ট্যালাস ১( সম্ভবত ১৭,৫০০ টাকা) এবং ২ (২০০০০+ ).......ট্যালাস ৩ সম্ভবত ২৫-২৬০০০ (নিশ্চিত নই) ট্যালাস ১.০ আপল্যান্ড ভ্যানগার্ড ১০০,২০০,৩০০,আপল্যান্ড লিডার ৫০০ ....১৯,০০০-৩০,০০০টাকা বাজেটে সবচাইতে ভালো হয়... আর মেরিডার ও কিছু মডেল আছে এই বাজেটে...... (চলবে) আপল্যান্ড ভি ১০০
সোর্স:somewhereinblog

Photos 13/09/2015

সৌজন্যে - আমাদের কথা

Yerka - "The Unstealable Bike" 16/08/2015

বিশ্ব পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রতি বছর পৃথিবীতে প্রায় ১৫ মিলিয়ন সাইকেল চুরি হয়। এসব সাইকেলের কোনোটা লক কেটে, কোনোটা তুলে নিয়ে যায় বুদ্ধিমান চোর। এবার চুরির উপক্রম থেকে সাইকেল বাঁচাতে চলে এল নতুন প্রযুক্তি। এমনভাবে সাইকেল ডিজাইন করা হয়েছে যাতে প্যাডেলের সঙ্গেই যুক্ত থাকবে বসার স্ট্যান্ড। আরোহী সাইকেল রেখে অনায়াসেই ঘুরে বেড়াতে পারবেন, থাকবে না সাইকেল চুরি হওয়ার ভয়। শুধু সিটের রডটি খুলে প্যাডেলের সঙ্গে লাগিয়ে রেখে যেতে হবে।

চিলিতে ইতিমধ্যেই বিক্রি হয়েছে এমন ২০০টি সাইকেল। অর্ডার আসছে অন্যান্য দেশ থেকেও। আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ, নিউজল্যান্ড, হংকং প্রভৃতি দেশে ক্রমশ বাড়ছে এই সাইকেলের চাহিদা।

আন্ড্রেস রই এগার্স, ইয়ান জোস মনস্লেভ এবং কৃস্টাবেল ক্যাবেলো মিলে এই সাইকেলটি ডিজাইন করেছেন। তাদের কথায়, তারা এমন এক সাইকেল তৈরি করেছেন যা চুরি করতে গেলে ভেঙে যাবে। সাইকেলের সিটটাই হল এই সাইকেলের লক। লক কাটার কোন রকম পদ্ধতিই এই নতুন সাইকেল ডিজাইনে নেই। কেমন হবে এই সাইকেলের লক? ভিডিওতে দেখতে চাইলে নিচে ক্লিক করুন।

Yerka - "The Unstealable Bike" An integrated bike lock that is safe, comfortable, and beautifully designed. Contribute and help us reach our Indiegogo goal at http://igg.me/at/yerka

Photos 09/08/2015

খুব সহজেই বানিয়ে নিন ইলেকট্রিক সাইকেল
দেশে তরুণদের কাছে দিনদিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ইলেকট্রিক সাইকেল। সাধারণ সাইকেলের চেয়ে বেশি গতি এবং সাইকেল চালাতে কায়িকশ্রম কম হওয়ার কারণে তরুণরা ইলেকট্রিক সাইকেল কিনছেন। আর এটিকে জনপ্রিয় করতে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ইলেকট্রিক সাইকেল আমদানি করে বিক্রি করছে। কিন্তু এসব সাইকেলের মূল্য বাইসাইকেলের চেয়ে অনেকটাই বেশি। ফলে দেশীয় প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে অনেকেই সাইকেলে ইলেকট্রিক যন্ত্রাংশ সংযোজন করে ইলেকট্রিক সাইকেল তৈরি করিয়ে নিচ্ছেন।

দীর্ঘদিন ধরে সাইকেলকে জনপ্রিয় করার জন্য কাজ করছেন স্যামুয়েল রানা অধিকারী। তিনি গাজীপুরের বাংলাদেশ অ্যাডভেন্টিস সেমিনারি অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক। পাশাপাশি দেশীয় সাইকেলকে ইলেকট্রিক সাইকেলে রূপান্তরের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। এছাড়া বিদেশ থেকে হ্যামারের মতো জনপ্রিয় ইলেকট্রিক সাইকেলগুলো আমদানি করে বিক্রিও করছেন।

তিনি বাংলামেইলকে বলেন, ‘কলকারখানা আর মোটরযানের ধোয়ার কারণে শহরের বাতাস দূষিত হয়ে গেছে। শহরের পরিবেশ সুন্দর রাখার জন্য সাইকেলের বিকল্প নেই। সাইকেল চালানো কষ্টসাধ্য বলে অনেকে তা চালাতে নারাজ। তবে তারা চাইলে ইলেকট্রিক মোটরচালিত সাইকেল চালাতে পারেন। এতে করে পরিবহন খরচ অনেকটাই সাশ্রয় হবে। বাঁচবে নগর।’

স্যামুয়েল রানা জানান, আমদানিকৃত হ্যামার ইলেকট্রিক বাইক তিনি ৫৫ হাজার টাকায় বিক্রি করছেন। এছাড়া কেউ চাইলে পছন্দসই যে কোনো বাইসাইকেলকে ইলেকট্রিক বাইসাইকেলে রূপান্তর করে নিতে পারেন। ইলেকট্রিক বাইকের যন্ত্রাংশ এ দেশেই পাওয়া যায়। যন্ত্রাংশ ভেদে দাম পড়বে মাত্র ৯ হাজার টাকা থেকে ২০ হাজার টাকার মতো।

দেশে অনেক দিন ধরে ইলেকট্রিক সাইকেলের যন্ত্রাংশ সংযোজন করে বিক্রি করছেন বিভিটেক লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির কারখানা উত্তরায়। ‘পরাগ’ নামে বিভাটেক তিনটি মডেলের ইলেকট্রিক সাইকেল বিক্রি করছে। মডেলভেদে এগুলোর দাম ২২ হাজার টাকা থেকে ২৮ হাজার টাকা পর্যন্ত।

প্রতিষ্ঠানটির হিসাব কর্মকর্তা আল-আমিন খান বাংলামেইলকে জানান, বিভাটেক তাদের তৈরি বাইসাইকেলগুলোকে আমদানিকৃত ইলেকট্রিক সাইকেলের যন্ত্রাংশ সংযোজন করে ইলেকট্রিক সাইকেল তৈরি করে বিক্রি করছে। প্রতিষ্ঠানটির পরিকল্পনা রয়েছে গ্রাহকদের চাহিদা মাফিক বাইসাইকেলকে ইলেকট্রিক সাইকেলে রূপান্তর করে দেয়ার।

এদিকে রাজধানীর ধোলাইখাল, টিপুসুলতান রোড এবং নবাবপুরে ইলেকট্রিক সাইকেলের যন্ত্রাংশ পাওয়া যায়। ইলেকট্রিক সাইকেল তৈরি জন্য ব্যাটারি, মোটর ও অন্যান্য আনুসঙ্গিক যন্ত্রাংশ কিনে অটোমেকানিক্সদের নিয়ে আপনি নিজেও ইলেকট্রিক বাইক তৈরি করে নিতে পারেন খুব সহজেই।
বাংলামেইল

Photos 19/07/2015

ইনশা আল্লাহ ২১ শে জুলাই মঙ্গলবার সকাল ১১টায় নাজিরাবাজার(নাজিরাবাজার গার্লস স্কুলের কছে) থেকে ১ সাইকেল র‍্যালী বের হবে। সবাই আমন্ত্রিত।
আমাদের এই পেজে লাইক দিন। ঈদের শুভেচ্ছা সহ।

Photos 17/07/2015
Photos from সাইকেল মার্কেট,নাজিরাবাজার Largest Cycle market,NaziraBazar,Dhaka's post 16/07/2015

শাবাস সাকিব শাবাস
সাকিবের দ্রুততম ডাবল
ওয়ানডেতে ২০০ উইকেট ছুঁয়ে একই সঙ্গে আরেকটি মাইলফলকে পৌঁছেছেন সাকিব আল হাসান। ওয়ানডেতে ৪ হাজার রান ও ২০০ উইকেটের ডাবল! ওয়ানডে ইতিহাসে সবচেয়ে কম ম্যাচ খেলে এই ক্লাবের সদস্য হলেন সাকিব!

সাকিবের আগে ওয়ানডেতে ৪ হাজার রান ও ২০০ উইকেটের ডাবল ছিল মাত্র ৬ জন ক্রিকেটারের। তবে সবচেয়ে কম ১৫৬ ম্যাচ খেলে অভিজাত এই ক্লাবে পৌঁছে সাকিব ছাড়িয়ে গেলেন সবাইকে।

৪ হাজার রান হয়ে গিয়েছিল সাকিবের বেশ আগেই। অপেক্ষা ছিল কেবল ২০০ উইকেট ছোঁয়ার। বুধবারের ম্যাচের আগে সবশেষ ৪ ম্যাচে নিতে পেরেছিলেন মোটে একটি উইকেট। এই ম্যাচ শুরু করেছিলেন ১৯৮ উইকেট নিয়ে। প্রথম স্পেলেই ফাফ দু প্লেসি ও হাশিম আমলাকে আউট করে কাঙ্খিত সেই মাইলফলক ছুঁলেন সাকিব।

ব্যাট-বলে সমান তালে পারফরম্যান্স দেখিয়ে টেস্ট-ওয়ানডে দুটিতেই বেশ কটি ডাবল এর মধ্যেই হয়ে গেছে সাকিবের। অর্জনের সেই সমৃদ্ধ ঝুলিতে এবার জমা হলো ৪ হাজার রান ও ২০০ উইকেটের অভিজাত ডাবলও। বাংলাদেশের ক্রিকেটকেও এনে দিলেন আরেকটি গর্ব করার মত অর্জন।

Photos 15/07/2015

শাবাস সাকিব শাবাস
সাকিবের দ্রুততম ডাবল
সবচে কম ম্যাচ খেলে ১৫৬ ওয়ানডে ম্যাচে ৪০০০ রান এবং ২০০ উইকেট

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Kazi Alauddin Road, Nazira Bazar
Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 09:30 - 09:00
Tuesday 09:30 - 09:00
Wednesday 09:30 - 09:00
Thursday 09:30 - 09:00
Friday 09:30 - 09:00
Saturday 09:30 - 09:00
Sunday 09:30 - 09:00