24/02/2024
Tigers' Roar -Bangladesh Cricket Supporters
আমরা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পাগলা সমর্থক
আমরা আমাদের দলকে ভালবাসি যা কোন কিছুতেই, কখনই পরিবর্তন হবেনা। এই বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আমার দেশের অহংকার, আমাদের গর্ব। আমরা বাংলা আর্মি মানে কতিপয় সমর্থক নয়, ১৬ কোটি বাংলাদেশী সমর্থক।
24/02/2024
শ্রীলংকা ট্যুরের দল কেমন হইছে বইলা মনে হয়? মারা কি দিবো না খাইবো? , 😃
আজ ২৪শে এপ্রিল ২০১৪ ইং তারিখে বৃহস্পতিবার বিকাল ( সাড়ে ৫ টা)র দিকে শাহবাগের কাছে ( চারুকলার উল্টো দিকে ছবির হাটে ) Tigers' Roar -Bangladesh Cricket Supporters গ্রুপের একটি জরুরী মিটিং অনুষ্ঠিত হবে। মিটিং এ আগ্রহি সবাইকে উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান করা হচ্ছে।গ্রুপের পরবর্তী কর্মপন্থা ও আনুষঙ্গিক নানা জরুরী ব্যাপার নিয়ে আলোচনা করা হবে ও সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
Tigers’ Roar-Bangladesh Cricket Supporters
বাংলাদেশ আমাদের মাতৃভূমি, আমরা সবাই আমাদের দেশকে ভালবাসি- এই ভালবাসার একটি বড় অংশের বহিপ্রকাশ ঘটে ক্রিকেট খেলায় বাংলাদেশ জাতীয় দলকে সমর্থনের মধ্য দিয়ে।গত দুই দশকে আমাদের ক্রিকেট অনেক উন্নতি করেছে, দলটি এখন হরহামেশাই বড় দলগুলোকে নাস্তানাবুদ করে। বাংলাদেশ ক্রিকেট ও টাইগাররা এখন আমাদের এক আবেগের নাম ।আপনার আমার এই আবেগ ও ভালোবাসা আসুন আমরা একীভূত করে অনেক বড় কিছু করি। বিভক্তি আমাদের জাতীয় সমস্যা, সেই সমস্যাকে পেছনে ছুড়ে ফেলে কোটি কোটি সমর্থক আসুন আমরা এক পতাকার নিচে একত্রিত হই- বাংলাদেশের পতাকা।
আমরা যা করবঃ
১) সবাই আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের সমর্থক হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করবো, রেজিস্ট্রেশন ফি সহ বাৎসরিক চাদা ১২০ টাকা মাত্র যা রেজিস্ট্রেশনের সময়ই এককালীন হিসেবে নিয়ে নেয়া হবে।
২)প্রত্যেক সমর্থককে একটি আইডি ও নাম্বার দেয়া হবে
৩)বাংলাদেশ ক্রিকেটের জার্সি, বিভিন্ন সিরিজ ও টুর্নামেন্টের স্যুভেনির, খেলোয়াড়দের সাইন করা ক্যাপ,ব্যাট,বল বিভিন্ন স্মারক কম খরচে পাওয়ার সুযোগ, বছরে একবার এজন্য ক্রিকেট মেলা আয়োজন করবো আমরা।
৪) জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের সাথে মত বিনিময়ের সুযোগ
৫) যারা স্টেডিয়ামে খেলা দেখার সুযোগ পাবেন না, জায়ান্ট স্ক্রিনে হাজারো সমর্থকের একসাথে খেলা দেখার সুযোগের ব্যাবস্থা করা যাবে, ক্রিকেট তো আমাদের কাছে ব্যাবসা না, শুধু খেলাও না- এটা এক উৎসব
৬) দরিদ্র শিশুদের মধ্যে ক্রিকেটের প্রসারের জন্য আমরা কাজ করবো সারা দেশে।
৭) দেশের বিভিন্ন এলাকায় ক্রিকেট টুর্নামেন্টেরও আয়োজন করবো আমরা।
আশা করি, আমরা আন্তরিক থাকলে কোন বাধাই আমাদের থামিয়ে রাখতে পারবেনা, বাংলাদেশ ক্রিকেটের সমর্থক হিসেবে সুসময়ে এবং দুঃসময়েও আমার জাতিয় ক্রিকেট দলের পাশেই আছি, থাকবো সবসময়।
সদস্যদের জন্য নিয়মাবলী খুব সাধারন,নিজেদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা যাবেনা,বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল ছাড়া অন্য কোন দলের সমর্থন করা যাবেনা, অসৎ কোন উপায় কোন ক্ষেত্রেই অবলম্বন করা যাবেনা, বাৎসরিক চাদা নিয়মিত এককালীন হিসেবে যথাসময়ে দিতে হবে।
সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা। বঙ্গাব্দ ১৪২১ নিয়ে আসুক প্রভূত কল্যান :)
আমার ছেলে ক্লাস সেভেন এ পড়ে!!ধরেন,(কথার কথা)তারে আমি এইবার এসএসসি পরীক্ষা দিতে বসায়া দিলাম!!আমি ডিসাইড করলাম,এইবারই তাকে এসএসসি পাস করাবো!!এইজন্য তাকে উপুর্যুপুরি উত্সাহ দেয়া হবে!!ভালো ভালো খাবার দেয়া হবে,এবং পরীক্ষায় পাশ করলে তাকে বিরাট উপহার দেয়া হবে!!
ছেলে আমার কেবল এলজেবরা করা শিখতেসে,তারে সবাই মিলে উত্সাহ দিলেই কি সে হায়ার ম্যাথ করতে পারবে??পরীক্ষা দিলে সে করবে ফেল!!উল্টা,এত ভালবাসা,উত্সাহ পাবার পরেও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে নাই বলে সে ডিমরালাইজড,ডিমটিভেটেড হবে,সাথে যোগ হবে ফেল করার লজ্জা!!
সাকিব আল হাসান এর বিতর্কিত সাক্ষাত্কারটা পরলাম,দুই একটা পয়েন্টে একটু ঔদ্ধত(বেতনের ইস্যুতে)মনে হলেও তার সব কথাই সত্যি!!প্রতিটা পয়েন্ট লজিক্যাল আর রিজনেবল ছিল!!আমাদের প্লেয়ারদের ক্যাপাসিটি,কেপাবিলিটি সবই এখনো সেভেন পরা লেভেল এ,তাদের কে দিয়ে জোর করে ম্যাট্রিক পাস করানোর চেষ্টা করা বৃথা!!তবে,তারা যথাসময়ে জিপিএ ৫ পেয়ে পাশ করবে এতেও কোনো সন্দেহ নাই!!
আর সাকিব এর ক্ষোভ জায়গাটাও যথেষ্ট জাস্টিফাইড!!তার ১০০% কন্ট্রিবিউশন এর পরেও যখন টিম হারে,তখন কিন্তু তাকেও গালি খেতে হয়!!
বি:দ্র:বেশি এক্সপেকটেশন অবশ্যই প্রেসার তৈরী করে!!ছোটবেলায় আমি যখন গান এর কম্পিটিশন এ যাইতাম!!ভালোভাবে গাইতে পারব তো??এই টেনশনে আধা গান গেয়ে হারমোনিয়াম ফেলে উল্টা দিকে দৌড় দিতাম!!আমাদের ছেলেগুলা তবুও শেষ পর্যন্ত খেলে!!আমাদের উচিত তাদেরকে উত্সাহ এবং গালি দুইটাই কম দেয়া তাতে হয়ত প্রেসার কিছুটা রিলিজ হবে............!!!
কার্টেসী ঃ @রাখী নাহিদ
তবুও বাংলাদেশ!
এত জঘন্য ওয়ার্ল্ড টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পরেও বাংলাদেশ!!
নভেম্বরের বাংলাওয়াশের পর টানা তিনটা নির্মম টুর্নামেন্ট/সিরিজ উপহার দেওয়ার পরেও বাংলাদেশ!!!
ছিল বাংলাদেশ!!!!
আছে বাংলাদেশ!!!!!
থাকবে বাংলাদেশ!!!!!!
হ্যা হৃদয়েই
31/03/2014
বাংলাদেশের মানুষের ভুইলা যাওয়া স্বভাব আছে, তাই এই ছবিটা প্রোফাইল পিক হিসেবে দিলাম ।
30/03/2014
Group Meeting at Chobir Hat :-) !
অনেকগুলো হার আর টীম ম্যানেজমেন্ট নিয়ে বাংলাদেশ দল হতাশ । সাথে হতাশ ক্রিকেট প্রেমী বাংলাদেশীরা ।
আজ দুপুর ৩.৩০ -এ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে তারা ।
নিজের মনটাকে একটা কথা বলেই আপাতত শান্তনা দিতে হচ্ছে যে "ইন্ডিয়ার একটানা ২৮বার এবং পাকিদের একটানা ১২বারের মত হারার রেকর্ড রয়েছে "।
আজকে জয় দিয়ে আমাদের হতাশাগ্রস্থ থেকে মুক্তি দিবে টাইগাররা এটাই আমাদের প্রত্যাশা ।
ছয় মাস আগের দলটাকে হারিয়ে খুঁজছেন? দৃশ্যত সেই দলটা প্রায় হারিয়েই ফেলেছি আমরা, অথচ টিমমেট বদলায় নি মোটেই, বদলে গেছে টিমের চিন্তাধারা, চেতনা, ড্রেসিংরুমের পরিবেশ কিংবা জয়ের স্বদিচ্ছা!
এই দলের কাছ থেকে যদি বেটার ক্রিকেট আশা করতেই হয় তবে বেশ কিছু পরিবর্তন অত্যন্ত জরুরী। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে বিসিবি শুধু আয়ই করতে চায় ব্যয় করে কোন মানসিকতা তাদের নেই! একজন ভালো কম্পিউটার এনালিস্ট নেই দলে, নেই একজন আন্তর্জাতিকমানে কোচও! আপদকালীন কোচকেই হঠাত করে করে দেয়া হয়েছিল মূল কোচ অথচ তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট টিমে কোচিং এর কোন অভিজ্ঞতাই নেই। দলে পরিকল্পনাহীনতার ছাপটাও স্পষ্ট, টিম ম্যানেজমেন্ট স্পষ্টভাবেই অকার্যকর ভূমিকা রাখছে। প্রতি ম্যাচ একই ভুল বারবার ফিরে আসছে অর্থাৎ ভুল থেকে শিক্ষা নেবার কোন অবস্থা তাদের নেই অথবা শিক্ষা দেবার মতো শিক্ষকই দলে নেই!
তাই কিছু পরিবর্তন এবার না হলেই নয়ঃ
১) একজন অভিজ্ঞ, বিশ্বমান সম্পন্ন, প্রোফেশনাল ব্যাটিং কোচ এনে প্রধান কোচ করা উচিৎ।
২) ইংলিশ/অস্ট্রেলিয়ান কোন প্রোফেশনাল পেস বোলিং কোচ আনা জরুরী।
৩) দলে প্রচুর স্পীনার, একজন স্পেশালিষ্ট স্পীন বোলিং কোচ খুব বেশী জরুরী।
৪) অফফর্মে থাকা ক্রিকেটারদের বিশ্রাম দেয়া, হোক সে তামিম বা অন্যকেউ। বিশ্রাম অর্থ তার ক্যারিয়ার শেষ করে দেয়া নয় বরং ফর্মে ফিরতে সাহায্য করা, ফিটনেস ইত্যাদি নিয়ে স্পেশালিষ্টদের সাহায্য তাদের কাছে পৌঁছে দেয়া।
৫) সিলেকশন কমিটিতে আমূল পরিবর্তন এনে সাবেক ক্রিকেটারদের ইনভলভ করা।
৬) ক্যাপ্টেন ও কোচকে কাজের পূর্ণ স্বাধীনতা দেয়া।
৭) জেলা ও বিভাগ ভিত্তিক 'পেসার হান্ট' কার্যক্রম জোরেশোরে শুরু করা।
কার্টেসীঃ বাংলাদেশ ক্রিকেট
আবেগ ভালো, কিন্তু আবেগের বাড়াবাড়ি নয়। বাংলাদেশ ক্রিকেট দল নিয়ে আমরা উচ্ছ্বাস দেখাই, অহংকার করি, কখনও হয়তো একটু বেশিই করি - কিন্তু এটাই স্বাভাবিক, নিজের দেশের দল বলে কথা। খেলা কখনই শুধু খেলা নয় যখন তা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে হয়- নিজের দেশের সম্মান জড়িত হয়ে পড়ে তখন। তবে তারপরও দিন শেষে খেলা খেলাই এবং এটাই স্পোর্টসম্যানশিপ। আর নিজের দল ভালো করলে কোলে তুলে নাচব আর খারাপ করলেই মাটিতে ফেলে দিব এটা কেমন মানসিকতা?! খারাপ সময়েই সমর্থনটা বড় বেশি দরকার। খেলোয়াড়দের শুধু দোষ দিলে আসল সমস্যার সুরাহা কখনই হবেনা। কতদিন ধরে আমাদের কোন স্থায়ি কোচ নেই, বোলিং কোচকে বিদায় দেয়া হয়েছে, ফিল্ডিং কোচ নাই কোন, বোর্ডের ভিতর রাজনীতি আর স্বজনপ্রীতি, টিম ম্যানেজমেন্টে মিসম্যানেজমেন্টে ভরপুর------- সমস্যা/গলদ তো আসলে সেই গোড়াতেই। ভাবুন, দলের সাথে থাকুন, বোর্ডের জবাবদিহিতা চান। নাহলে ক্রিকেটের প্রতি আমাদের যে প্রত্যাশা তা কখনই পুরন কখনই হবেই না।ক্রিকেট বোর্ডের কর্ণধারদেরও বলি, ক্রিকেট মানেই বানিজ্য, ভারতের এই কনসেপ্ট থেকে বের হয়ে আসুন, খালি বানিজ্য করতে গেলে অবস্থা হবে ওই লুঙ্গি খুইলা মাথায় পাগড়ি বাধার মতো। #বড়ভাইশান্তু
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
Dhaka