Madhupur Runners Community

Madhupur Runners Community

Share

Go and Run

10/05/2025

গরমের কারণে খুলতে পারি না সরমে
আজাইরা আলাপ শুনবেন না

02/04/2022
25/11/2021

# **Anatomy of Running Shoes **

লং ডিসটেন্স রানিং এর ক্ষেত্রে নিজের পায়ের জন্য যথাযথ জুতা নির্বাচনকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলা হয়ে থাকে। নিজের পায়ের গঠন ও পরিমাপ অনুযায়ী সঠিক জুতা নির্বাচন করা অনেক সময়ই কঠিন হয়ে পড়ে। একটি ভুল মাপের বা গঠনের জুতা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই একজন রানারের জন্য ইনজুরির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে একটি রানিং শু এর এনাটমি জানা থাকলে এই সমস্যা থেকে সহজেই উত্তরণ সম্ভব। রানিং শু এর গঠন সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান না থাকলে অনেক দাম দিয়ে বিভিন্ন ব্রান্ডের জুতা কিনেলেও সেটি আপনার ডেইলি ট্রেইনিং এবং রেস ডে তে কাঙ্খিত পারফরমেন্স দিবে না। তাই আজ আমরা একটি আদর্শ রানিং শু এর গঠন নিয়ে আলোচনা করবো।

আলোচনার সুবিধার্থে রানিং শু কে আমি প্রধানত ২টি ইউনিটে বিভক্ত করবোঃ

(ক) আপার ইউনিট (Upper Unit) ও

(খ) সোল ইউনিট (Sole Unit)

এবার আসা যাক বিস্তারিত আলোচনায়।

**আপার ইউনিটঃ** আপার বা জুতার উপরিভাগ আবার কয়েকটি অংশ নিয়ে গঠিত। পিছন থেকে সামনের দিকে-

**১) হিল কাউন্টার (Heel Counter):** জুতার পিছনের দিকে যে শক্ত অংশের মধ্যে আমাদের পায়ের গোড়ালি আটকে থাকে তাকে হিল কাউন্টার বলে। হিল কাউন্টার সাধারণত শক্ত মেটেরিয়াল দিয়ে তৈরি করা হয় যা রানিং এর সময় আপনার পায়ের গোড়ালিকে স্থির রেখে প্রপার কুশনিং ও স্ট্যাবিলিটি প্রদান করবে। হিল কাউন্টারের উপরিভাগে থাকে হিল ট্যাব যা একিলিস টেন্ডনকে বাইরের আঘাত হতে রক্ষা করে।

**২) হিল কলার (Heel Collar): **জুতার যে অংশটি আপনার কোমল পা কে চতুর্দিক থেকে ঘিরে রাখবে এবং বাহিরের আঘাত থেকে রক্ষা করবে তাকে হিল কলার বলে। জুতার প্রকৃতি ভেদে কলারের উচ্চতা কম-বেশি হয়।

**৩) টাং (Tongue) বা জিবহাঃ** জুতার উপরিভাগের যে বর্ধিত অংশটি ফিতার নিচে থাকে এবং ফিতার ঘর্ষন থেকে আপনার পা কে রক্ষা করে তাকে টাং বা জিবহা বলে। জুতা পড়া এবং খোলার ক্ষেত্রে টাং আপনাকে পর্যাপ্ত জায়গা প্রদান করবে এবং আপনি সহজে জুতা পড়তে পারবেন। মডেল ভেদে টাং পাতলা কিংবা মোটা মেটেরিয়ালের হয়। আজকাল জুতার ওজন কমানোর জন্য পাতলা কাপড়ের টাং এর ব্যবহারই বেশি দেখা যায়। ট্রেইল শু তে টাং দুদিকে আটকানো থাকে যাতে বাহির থেকে পাথরের টুকরা/বালি ইত্যাদি না ঢুকে।

**৪) আইলেটস (Eyelets) এবং লেইস/ফিতাঃ** জুতার লেইস বা ফিতা আমরা সবাই চিনি তাই এটা নিয়ে কথা বলার কিছু নেই কিন্তু জুতা কেনার সময় লেইসের ম্যাটেরিয়াল খেয়াল রাখতে হবে যাতে দৌড়ানোর সময় নট খুলে না যায়। জুতার ফিতা যে ছিদ্রগুলোর মধ্য দিয়ে আটকানো হয় তাদেরকে আইলেটস বলা হয়।

**৫) মূল উপরিভাগ বা আপার প্রপার (Upper Proper):** একটি জুতার যে অংশটি আপনার পায়ের পাতাকে সোলের সাথে আটকে রাখে তাকে আপার প্রপার বলে। এই অংশের ফেব্রিকস এবং গঠনের ওপর জুতার ব্রিথেবিলিটি নির্ভর করে। এই অংশে সাধারণত ম্যাশ/নীট ব্যবহার করা হয়। অনেক রানিং শু তে ফেব্রিকের উপরে ওভারলে (Overlay) থাকে যা আপার ফেব্রিক অংশে স্ট্রাকচার প্রদান করে। ট্রেইল শু এবং ভেজা ট্রাকে দৌড়ানোর জন্য কিছু মডেলে এই অংশে আলাদা শিল্ড থাকে। জুতার ব্রান্ডের নাম বা লোগো সাধারণত এই অংশেই প্রিন্টেড থাকে।

**৬) টো বক্স (Toe Box):** জুতার উপরিভাগের সামনের দিকে যে অংশে পায়ের আঙ্গুলগুলো সুরক্ষিত থাকে তাকে টো-বক্স বলে। প্রপার রানিং এর জন্য টো-বক্স খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জুতা পড়ার পরে এই অংশে পায়ের সবচেয়ে প্রশস্ত অংশ অর্থাৎ আঙ্গুলগুলো ফ্রিলি মুভ করবে, অনেকটা পায়ের আঙ্গুল দিয়ে পিয়ানো বাজানোর মতো রিল্যাক্স থাকতে হবে। পায়ের সবচেয়ে লম্বা আঙ্গুলটি কিছুতেই জুতার সামনের অংশ স্পর্শ করবে না, আইডিয়ালি আঙ্গুল থেকে সামনের ওয়াল পর্যন্ত হাতের বুড়ো আঙ্গুলের প্রস্থ সমান ডিসট্যান্স থাকতে হবে। এই অংশটি টাইট হলে লং রানে ব্ল্যাক টো-নেইল (Black Toe-nail) হতে পারে যা কষ্টদায়ক এবং রানিং পারফরমেন্সকে ক্ষতিগ্রস্থ করতে পারে।

**সোল ইউনিট (Sole Unit): **একটি জুতার সোল ইউনিটের সাধারণত ২ টি অংশ থাকে। যথাঃ মিড সোল এবং আউট সোল। এই দুটি অংশ আলাদাভাবে প্রস্তুত করা হয় এবং পরবর্তীতে আঠা দিয়ে লাগানো হয়।

**১) মিড সোল (Mid Sole):** মিড সোলকে এক কথায় জুতার প্রাণ বলা যায়। আপার এবং আউট সোলের মাঝে মিড সোলের অবস্থান। এই অংশটি একজন রানারের দৌড়ানোর সময় Shock absorb/ Energy return করে, প্রয়োজনীয় কুশনিং প্রদান করে এবং সে কতটুকু আরামের সাথে দৌড়াতে পারবে তা নির্ধারন করে। মিডসোল সাধারণত ফোমের তৈরি হয়ে থাকে। বিশ্বখ্যাত ব্রান্ডগুলো বিভিন্ন উপাদানের ফোম ব্যবহার করে থাকে, যার মধ্যে EVA (Ethylene vinyl acetate) এবং PU (Polyurethane) এর ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। EVA তুলনামূলকভাবে হালকা, অধিক ব্যবহারে এই ফোমের রিবাউন্ড ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়; তাই এটি কম টেকসই হয়। PU ভারী এবং এটি দৌড়ানোর সময় বাউন্স প্রদান করবে এবং এটি বেশি টেকসই হয়। কিছু কিছু কোম্পানী হাইটেক শু গুলোতে মিডসোলে কার্বন প্লেট, এয়ার ব্যাগ কিংবা জেল ব্যবহার করে থাকে।

**২) আউট সোল (Out Sole):** মিডসোলের নিচে অর্থাৎ জুতার সবচেয়ে নিচের পার্ট হলো আউট সোল। আউট সোল দৌড়ানোর সময় প্রয়োজনীয় গ্রীপ/ট্রাকশন প্রদান করে এবং পাথর/পিচ/ময়লা থেকে জুতাকে রক্ষা করে। এই অংশের উপরই সবচেয়ে বেশি প্রেশার পরে তাই এই অংশটি তাড়াতাড়ি ক্ষয় হয়। এটি সাধারণত রাবারের তৈরি হয়। রাবার হিসেবে কার্বন রাবার (টায়ার রাবার) বা ব্লাউন রাবার (Blown or Air Injected rubber) কিংবা এই দুটির কম্বিনেশন ব্যবহার করা হয়। কার্বন রাবার সোল শক্ত কিন্তু বেশি টেকসই হয়। ট্রেইল রানিং শু কেনার ক্ষেত্রে আউটসোল দেখে কেনা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ।

**৩) ইন সোল (In sole):** রানিং শু তে মিডসোলের উপরে আরেকটি পাতলা ফোমের রিমুভবেবল ইন সোল থাকে। জুতার এই অংশটি শক লাইনার হিসেবে কাজ করে। এটি প্রয়োজনে কাস্টমাইজ করা যায়। যাদের ফ্ল্যাট ফুট কিংবা ওভার প্রনেটেড (Over Pronated) ফুট রয়েছে তাঁদের ইনসোলে আলাদা সাপোর্ট যোগ করা যায়।

*রানিং শু এর এনাটমিক্যাল গঠন ভালভাবে জানার জন্য নিম্নোক্ত আরও কয়েকটি বিষয় জানা দরকারঃ*

**লাস্ট (Last):** লাস্ট হলো একটি জুতার ত্রিমাত্রিক মডেল যার উপর একটি জুতার আকৃতি এবং আপার অংশ কিভাবে মিডসোলের সাথে সংযুক্ত থাকবে তা নির্ধারন করে। লাস্ট সাধারণত ৩টি গঠনের হয়ঃ *Curved, Semi-carved এবং Straight*. রেসিং শু গুলো সাধারণত Curved lasting এর হয় এবং জুতোগুলো হালকা, স্পিডি কিন্তু কম সাপোর্টিভ হয়। Straight lasting এর শু গুলোতে ওভার প্রনেটেড পায়ের স্ট্যাবিলিটির জন্য আলাদা সাপোর্ট থাকে তাই এটি একটু ভারি হয়। Semi Carved lasting এর শু গুলো হাইব্রিড এবং বর্তমানে বেশিরভাগ রানিং শু এই গঠনের হয়ে থাকে যা একই সাথে স্পিড এবং স্ট্যাবিলিটি প্রদান করে।

**মিডিয়াল পোস্ট (Medial Post):** মিডিয়াল পোস্ট জুতার মিডসোলে এংকেলের নিচে অবস্থিত এবং দ্বিগুন ঘনত্বের EVA ফোম দিয়ে তৈরি করা হয় যা Over Pronated পায়ের জন্য প্রয়োজনীয় সাপোর্ট প্রদান করে এবং এংকেল বোনকে অত্যাধিক প্রেশার থেকে রক্ষা করে। এজন্য স্ট্যাবিলিটি এবং মোশন কন্ট্রোল শু গুলোতে মিডিয়াল পোস্টের ব্যবহার দেখা যায়।

**শাংক (Shank) অথবা ফুট ব্রিজ:** শাংক হচ্ছে জুতার মাঝামাঝি অংশে হিল এবং ফোরফুটের মধ্যে অবস্থিত শক্ত বস্তু যা রানিং শু কে হঠাত বেঁকে যাওয়া বা মোচড়ানো থেকে বাঁচায়। এটি থাকলে জুতা পায়ের আর্চ (arch) বরাবর সহজে বাঁকা হবে না এবং জুতা শক্ত থাকবে ফলে আপনার পা যেকোনো দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাবে।

**হিল টু টো ড্রপ (Heel to Toe Drop):** একটি জুতার হিল অংশের সোল এবং সামনের (ফোর ফুট) অংশের সোলের উচ্চতার পার্থক্য কে হিল টু টো ড্রপ বলা হয়ে থাকে। সাধারনভাবে অধিকাংশ রানিং শু তে ১০-১২ মিমি ড্রপ থাকে। হিল টু টো ড্রপের ওপর অনেকাংশে আপনার রানিং মেকানিকস নির্ভর করবে। মিড ফুট এবং ফোর ফুট স্ট্রাইকারদের চাইতে হিল স্ট্রাইকারদের সোল হিলের দিকে বেশি পুরুত্বের থাকলে ভাল হয়।

*সবাইকে ধৈর্য্য সহকারে আর্টিকেলটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। কপি-পেস্ট না করার অনুরোধ রইলো। তবে নির্দ্বিধায় শেয়ার করতে পারেন। *

ছবিঃ গুগল থেকে সংগৃহীত।

Copyright: Shoes & Slides

Photos from Madhupur Runners Community's post 13/07/2021

অলস হয়ে গেছি

04/07/2021

দৌড় কে ভালোবাসি
নিজেও দৌড়ের উপর থাকি
অন্য কেউ দৌড়ের ওপর রাখি

04/07/2021

Flying

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Gazipur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


জয়দেবপুর
Gazipur