14/03/2023
বাংলাদেশ ক্রিকেটে অটো চয়েজ।মুস্তাফিজুর রহমান কে নিয়ে কিছু কথা বলি।
👉মুস্তাফিজুর রহমান আজকে অনেক ভালো করেছে।কিন্তু এই রকম বল করলে মুস্তাফিজুর রহমান কোন দিন ভালো মান এর পিচে। এখন ভালো করবে না।
👉সবাই বলবেন যদি ভালো বলার না হতো। আইপিএল কিনেছে কেনো।তাদের জন্য বলছি মুস্তাফিজুর রহমান কে এই বার দিল্লি ক্যাপিটালস ২ টার বেশি ম্যাচ খেলাবে না।
👉 দিল্লি ক্যাপিটাল মুস্তাফিজুর রহমান কে কেনার কারন হলো।১ বাংলাদেশের মারকেটিং প্লেস ধরা ২ অল্প টাকায় বাহাতি ফাস্ট বলার পাবার।
👉মুস্তাফিজুর রহমান ১ নাম্বার সমস্যা।তার বলে গতি কম।
👉তার প্রধান হাতিয়ার কাটার মুস্তাফিজুর এর আগে কাটার বল গুলি সট অফ লেন্থ বল করলে সে গুলি ব্যাটসম্যান বুকে এসে পড়তো আর ব্যাটার কাট সট খেলতে গিয়ে বিট হতো।এখন কাটার ঠিক মতো হয় না।
👉মুস্তাফিজুর রহমান ভালো বাউন্স বল করতে পারে না।মিরপুর বাদে সে অন্য যে কোন পিচে সট বল করলে সেই বল ব্যাটার অনায়াসে পুল সটে বাউন্ডারি মেরে দেয়।
👉যারা ক্রিকেট বুজেন তারা আমার পোস্ট গুলি বুজবে যারা বুজে না তারা গালি দিবে।আবেগ দিয়ে নিয় বিবেক দিয়ে। চিন্তা করুন বাংলাদেশ ক্রিকেট আমুল পরিবর্তন আসবে।
14/03/2023
আমি একটা জিনিস বুজতে পারলাম।
যে দল বাংলাদেশ এসে সিরিজ হারে।
সেই দল বিশ্বকাপ এর মতো। বড়ো কোন ট্রুনামেন্টে। ভালো করে আর বাংলাদেশ শুধু হারতে পারে।
আমি আজকে বলে দিলাম।বাংলাদেশ যদি। এই রকম ধানক্ষেত পিচে খেলে।বাংলাদেশ কোন দিন।ক্রিকেট উন্নতি সাধন করতে পারবে না।
👉বাংলাদেশ বলার দের দেখলাম।বেশির ভাগ বল করলো লেন্থ একটু আগে+ব্যাক অফ লেন্থ বল।কিন্তু ব্যাটিং ট্র্যাক এমন বল করলে।সব বল ব্যাটার রা ওভার দ্যা উইকেট খেলবে আর বল গ্যালারী তে যাবে।এই ভাবে ক্রিকেট টা নস্ট করে ফেলছে।শুধু হোম এডভান্টেজ এর কারনে।আর বাংলাদেশ এর দ্রশক দের কি বলবো।তারা হলো সব আবেগু এখন এক সিরিজ জিতে মাথায় তুলে নিবে।আর যখন বড়ো আসরে সব ম্যাচ হারবে তখন গালি দিবে।এখন হলুদ সাংবাদিক বলছি ভুল গুলো ধরিয়ে দিন। এই রকম যদি চলে এই বার ওডি বিশ্বকাপ বাংলাদেশ সব ম্যাচ হারবে।আর ২০২৪ টি২০ বিশ্বকাপ এর কথা না হয়। বাদ দিলাম।যদি এমন ভাবে হোম এডভান্টেজ কাজে লাগিয়ে। সিরিজ জিতে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ এক ম্যাচ জিতবে না।
14/03/2023
নাজমুল হাসান শান্ত।২০২৩ সালে কিছু রেকর্ড।
👉বিপিএল প্লেয়ার অফ দ্যা ট্রুনামেন্ট।
👉বাংলাদেশ vs ইংলেন্ড টি২০ প্লেয়ার অফ দ্যা টুনামেন্ট।
14/03/2023
লিওনেল মেসি 🤝 আর্লিং হালান্ড
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট স্টেজের কোনও ম্যাচে 5 গোল দিয়েছেন শুধুমাত্র দু'জন ফুটবলার -
🔴 মেসি vs লেভারকুসেন (2012)
🔵 হালান্ড vs লেইপজিগ (2023)
দুই ক্ষেত্রেই রাউন্ড অফ সিক্সটিনের সেকেন্ড লেগের ম্যাচ ছিল, দুই ক্ষেত্রেই প্রতিপক্ষ ছিল জার্মান টিম, দুই ক্ষেত্রেই কোচ ছিলেন পেপ গার্দিওলা!
13/03/2023
INDIA WILL QUALIF IN WOLRD TEST CHAMPIONSHIP🏆
cricket team
13/03/2023
🏆DRAMA DRAMA 🏆
NEW ZELANED WILL WIN BY 2 RUNS🏆
13/03/2023
👉TEST MATCH SERIES ✅
Nz VS SL MATCH PREDICTION
🙏NEW ZELNAD WINNER🏆
13/03/2023
ভালোবাসার আরেক নাম আরজেন্টিনা।
13/03/2023
👉NEPAL VS PNG MATCH PREDICTION🏆
POWERPLAY RUN-45 OVER PNG
TOTAL RUN-230 OVER🏆
MATCH WINNER 👉NEPAL
kEY PLAYER OF THE MATCH✅ASAD BALA, TONY URA, HIKURE,SANDEP LAMICHENE, ASIF SHEIKH,POUDULE, DEPNDRA SING AUREE✅
09/02/2023
নীচের ছবিতে যে দু'টি পিচ দেখতে পাচ্ছেন, সেগুলো ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বানানো পিচ।
প্রথম পিচটি ব্যবহৃত হয়েছিল 2013-14 অ্যাসেজ সিরিজে। চতুর্থ ইনিংসের সময় পিচে এতটাই ফাটল ছিল যে আপনার পকেট থেকে খুচরো পয়সা পড়ে গেলে অতল গহ্বরে তলিয়ে যেত! হ্যারিস-জনসনের আগুনে পেস বা নাথান লিওঁ-র স্পিন - কোনওটাই বুঝে উঠতে না পেরে 150 রানে পরাজিত হয়েছিল ইংল্যান্ড।
দ্বিতীয় পিচটি এই কদিন আগেই দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের প্রথম টেস্টে ব্যবহৃত হয়েছে। পিচ তো না, যেন ঘাসের মধ্যেই খেলা হয়েছিল! 2 দিনের কম সময়ের মধ্যে খেলা শেষ এবং 34 উইকেটের পতন! অস্ট্রেলিয়া সেই ম্যাচেও সহজেই জিতেছিল।
তো প্রশ্ন হচ্ছে, এখন এই আদ্যিকালের গল্প বলছি কেন? এই 'আনফেয়ার' পিচের প্রসঙ্গ কেন তুললাম? তার কারণ হল, সিরিজ শুরুর আগেই টিপিকাল অস্ট্রেলিয়ান কান্নাকাটি শুরু হয়ে গেছে ভারতের পিচ নিয়ে! তাদের অভিযোগ, অস্ট্রেলিয়ার দলে বেশি বাঁ-হাতি ব্যাটার থাকায় ভারত ইচ্ছে করে পিচের একদিকে জল দিচ্ছে না! আরে ভাই, এতই যখন সমস্যা, তাহলে দু-তিনটে ডানহাতি ব্যাটার বেশি খেলানো হোক অস্ট্রেলিয়ার তরফে। যারা প্রথম দলের প্লেয়ার, তাদের খেলাতেই হবে, এমন দিব্যি কে দিয়েছে? কন্ডিশন অনুযায়ী সব দলই তো প্লেয়ার পরিবর্তন করে! ডানহাতি হ্যান্ডসকম্ব তো আছেন! গ্রিনের রিপ্লেসমেন্ট আনা হয়নি কেন? আর স্মিথ-লাবুসেনরা নিশ্চয়ই প্রত্যেক বলে সুইচ হিট মারছেন না আজকাল!
নিজেদের মাঠে সব ঠিক আছে, কিন্তু নিজেদের বিপক্ষে কিছু গেলেই এদের যত সমস্যা! ঘরের মাঠে যেকোনও দল নিজেদের পছন্দের পিচ বানায়। কেউ প্রচুর রান তোলার জন্য হাইওয়ে পিচ বানায়, কেউ স্পিনারদের সাহায্য পাওয়ার জন্য র্যাঙ্ক টার্নার বানায়, কেউ গ্রিন টপ, কেউ ধানক্ষেত ইত্যাদি ইত্যাদি। সবাই জেতার জন্যই পিচ বানায়, কিন্তু এরকম কান্নাকাটি খুব কম দলের সমর্থকদেরই করতে দেখেছি! ভারত ক'দিন আগেই মিরপুর থেকে ম্যাচ জিতে এসেছে, যেখানে বাংলাদেশকে হারানো যথেষ্ট চাপ! এই অস্ট্রেলিয়াও তো এককালে ভারতে এসে ভারতকে সিরিজ হারিয়েছিল। তখন স্লেজিংয়েই বিশ্বাসী ছিল দল, কান্নাকাটিতে নয়! এখন হল টা কী তাহলে?
বছর দুই আগে একটা চোট-আঘাতে জর্জরিত দল নিয়ে গাব্বার মাটি থেকে সিরিজ জিতে ফিরেছিল ভারত। অস্ট্রেলিয়ানদের সেই কান্না এখনও থামেনি মনে হয়! ওয়েলকাম অস্ট্রেলিয়া, খেলা হবে 😌❤️