14/02/2024
মায়ের শাল দুধে থাকে যত পুষ্টি
বাচ্চা যত বুকের দুধ টানবে তত মায়ের সুখানুভূতি তৈরি হবে, তত প্রোল্যাকটিন উৎপাদন হবে। ফলে মায়ের বুকের দুধের পরিমাণ বাড়বে।
ডেলিভারি বা সিজারের পর বাচ্চাকে নিয়ে মায়েরা একটা স্বাভাবিক সমস্যা থাকে, যে বাচ্চা দুধ পাচ্ছে না।
এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্ত্রী রোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ ডা. দীনা লায়লা হোসেন।
বাচ্চা জন্মের পর সাধারণত যে মেইন মিল্ক লেট ডাউন হয়, সেটা হচ্ছে বাচ্চার জন্মের তিনদিন পর। তাহলে প্রথম দিন এবং দ্বিতীয় দিন যে শাল দুধ পাওয়া যায় মায়ের, সেটাই বাচ্চার জন্য উপকারী। বাচ্চার যেটুকু পুষ্টির দরকার, এই শাল দুধ থেকে সে পরিমাণ পুষ্টি পাওয়া যায়। সুতরাং বাচ্চার জন্মের প্রথম দুই দিন সেই শাল দুধটাই বাচ্চাকে দিতে হবে।
শাল দুধটা পরিমাণে কম থাকে, তবে এটা ধবধবে সাদা থাকে না। সেজন্য মায়েরা একটু বিভ্রান্ত হন। এই দুধ বাচ্চার জন্য কতটা উপকারী হবে, বাচ্চার পেট ভরবে কিনা, এসব ব্যাপারে।
শিশু মায়ের গর্ভে যে সুন্দর পরিবেশে ছিল, সেই সুন্দর পরিবেশ থেকে যখন দুনিয়াতে আসে, তখন দুনিয়ার এইসব ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া সব কিছুর বিরুদ্ধে শিশুর শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে, মায়ের বুকের এই শাল দুধ।
তারপর বাচ্চার ইলেকট্রোলাইট দরকার হয়, পানির দরকার হয়, এসব কিছুই শাল দুধ থেকে পাওয়া যায়। এছাড়া বাচ্চার যে পরিমাণ গ্লুকোজ দরকার প্রোটিন দরকার সেটাও শাল দুধে থাকে।
সুতরাং দুধ আসছে না বলে যে সকল মায়েরা অস্থির হয়ে যায়, যে সকল মায়েরা নতুন মা হন তারা তো আসলে বুঝেন না। এক্ষেত্রে পরিবারের আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে যারা বয়স্ক আছেন কিংবা যারা এই সময়টা পার করে এসেছেন তারা নতুন মায়েদের কাউন্সেলিং করবেন। তারা নতুন মায়েদের বোঝাবেন যে, প্রথমে যে দুধ আসে সেটাই বাচ্চার জন্য দরকার, এখান থেকেই বাচ্চা সব ধরনের পুষ্টি পাবে।
কারণ বাচ্চা এখন মাত্র দুনিয়াতে এসেছে, সে যে এখনই খুব বেশি খাবে তা তো নয়। এই বাচ্চার জন্য যতটুকু খাবার দরকার ততটুকু খাবারই আল্লাহ মায়ের কাছে দিয়েছেন। আল্লাহ যদি এর থেকে বেশি দিত এবং সেটা যদি বাচ্চা না খেত, তখন দেখা যেত যে মায়ের বুকে ব্যথা হতো, মায়ের কষ্ট হতো। সুতরাং বাচ্চার জন্মের প্রথম দুইদিন যতটুকু দুধ প্রয়োজন, ততটুকু দুধই বাচ্চার জন্য আসে। এটাই বাচ্চাকে খাওয়াতে হবে। এটা খাওয়ার পরে বাচ্চার যে পুষ্টির প্রয়োজন, তার সবটুকু পূরণ হয়।
তবে কিছু আছে এর থেকে আলাদা। এক্ষেত্রে যেসব মায়েদের আনকন্ট্রোলড ডায়াবেটিস থাকে, বাচ্চা অনেক বড় থাকে, সেক্ষেত্রে হয়তোবা আরেকটু বেশি পুষ্টির প্রয়োজন হতে পারে। সেক্ষেত্রে বাচ্চার ওজনের উপর ভিত্তি করে, বাচ্চার বাড়তি খাবারের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু সেটা শতকরা খুব কমই হয়ে থাকে। যদি দরকার হয় সেক্ষেত্রে ডাক্তাররা পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
সাধারণত ডেলিভারির পর প্রথম দুই দিন যে শাল দুধ মায়ের থেকে পাওয়া যায় সেটাই বাচ্চার খাবার হিসেবে যথেষ্ট।
মায়ের দুধ পানের সময় বাচ্চা মায়ের নিপল বা বোটা চুষলে মায়ের শরীরে এক ধরণের সুখানুভূতি সৃষ্টি হয়। বাচ্চার এ স্টিমুলেশন বা সুখানুভূতি মায়ের মস্তিষ্কে যায়। ফলে মায়ের শরীর থেকে এক ধরনের হরমোন তৈরি হয়। যার নাম প্রোল্যাকটিন। প্রোল্যাকটিনের কাজ হলো মায়ের বুকে দুধ তৈরি করা। বাচ্চা যত বুকের দুধ টানবে তত মায়ের সুখানুভূতি তৈরি হবে, তত প্রোল্যাকটিন উৎপাদন হবে। ফলে মায়ের বুকের দুধের পরিমাণ বাড়বে।
বাচ্চা কান্নাকাটি করলে অনেকে মনে করেন বাচ্চা দুধ ঠিকমতো পাচ্ছে না। তখন বাচ্চাকে মায়ের দুধ না দিয়ে কৌটার দুধ দেন। মায়ের বুকের দুধ টেনে খেতে বাচ্চার কিন্তু কিছুটা পরিশ্রম করতে হয়। এতে বাচ্চার ভালো হয়। তার মাঢ়ি, চোয়াল গঠিত হয়। কৌটার দুধ দিলে বাচ্চার কষ্ট করতে হয় না। তাই সে এক সময় মায়ের দুধ টেনে খাওয়া বন্ধ করে দেয়। বাচ্চা না দুধ টানলে মায়ের সুখানুভূতি হয় না এবং হরমোন তৈরি হয় না। ফলে মায়ের বুকের দুধ উৎপাদন কমে যায়।
আরেকটা জিনিস আমার যেটা মনে হয় যে, মাকে খুব অস্থির করে রাখা হয়, বাচ্চাকে দুধ খাওয়াচ্ছে না, না খেতে পারলে বাচ্চার কি হবে, তখন নতুন মায়েরা খুব প্যানিক হয়ে যায়। এই জিনিসটা কিন্তু সম্পূর্ণ একটা সার্কেল বা রিদমের ব্যাপার।
বাচ্চা যখন মায়ের বুকে সাক করবে, সেখান থেকে রিফ্লেক্স যাবে ব্রেইনে, ব্রেইন থেকে হরমোন আসবে, দুধ তৈরি হবে এবং নিপল এর মাধ্যমে বাচ্চার কাছে যাবে। যখনই সেখানে হরমোন, নার্ভাল সিস্টেম সবকিছু ইনভলভ থাকে, তখন কিন্তু একটা মাকে পরিবারের সদস্যরা সাপোর্ট দিয়ে স্ট্রেস-ফ্রি রাখতে হবে। মাকে কোন স্ট্রেসের মধ্য দিয়ে যেতে দেয়া যাবে না।
এমনিতেই সে নতুন মা হয়েছে, জীবনের একটা নতুন পর্বে প্রবেশ করেছে। সবকিছুতে তার মানিয়ে নিতে অসুবিধা হবে। তার মধ্যে পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজনরা যদি তাকে স্ট্রেস দিতে থাকে, তখন এই স্ট্রেসফুল কন্ডিশন নতুন মাকে অনেকখানি বাধা দেয়। এটা লাক্টেশন ফেইলিওরের অনেকখানি কারণ।
মায়েদের সাহস দিতে হবে এসময়। মা কে বোঝাতে হবে যে এই বিষয়গুলো স্বাভাবিক। যদি অস্বাভাবিক কিছু হয় তাহলে আমরা ডাক্তার, নার্স তাদের হেল্প নিয়ে ইনশাআল্লাহ এ বিষয়গুলো মোকাবেলা করা সম্ভব।
সূত্র: ডক্টর টিভি
14/02/2024
ঋতু পরিবর্তনের সময় অবশ্যই করণীয়
শীতের শেষে হালকা ঠাণ্ডা বাতাসের সঙ্গে শীতের শুস্কতা বইছে প্রকৃতিতে। এই সময়টাতে না খুব বেশি ঠাণ্ডা বা খুব বেশি গরম থাকে না। মোটামুটি সুন্দর একটি আবহাওয়া।
কিন্তু বেলা বাড়তে না বাড়তেই রোদ, হালকা গরম শুরু হতে থাকে। এই গরম আর হালকা ঠাণ্ডার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ে আমাদের শরীরে। ঋতু পরিবর্তনের বিভিন্ন রোগবালাই শুরু হতে থাকে।
আবহাওয়ার তারতম্য, ঋতু পরিবর্তন, বাতাসে আর্দ্রতার ওঠানামার কারণে জ্বরের প্রকোপ দেখা দেবে। ঋতু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট এই জ্বর বেশিরভাগই ভাইরাসজনিত।
ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাস যখন বেড়ে যায়, তখন ভাইরাল ফিবা্র, ভাইরাল রাইনাইটিস, সাইনোসাইটিস এগুলো হয়। আর আমাদের শরীরের সঙ্গে যে একটি ভারসাম্য থাকে এখানে পরিবর্তন হয়। পরিবর্তন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক সময় কাশি হয়, সর্দি হয়। ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে শরীরের পরিবর্তন হয়, এটি হলো প্রধান কারণ।
কি কি রোগ নিয়ে সাবধান থাকতে হয়
শীত শেষ হতে থাকলে প্রধানত শ্বাসতন্ত্রের রোগ বাড়ে বেশি। শীতে বাতাসের তাপমাত্রা কমার সঙ্গে আর্দ্রতাও কমে যায়, যা শ্বাসনালির স্বাভাবিক কর্ম প্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত করে। ফলে ভাইরাসের আক্রমণ সহজ হয়। এছাড়া ধূলোবালির পরিমাণ বেড়ে যায়। ঠান্ডা, শুষ্ক বাতাস হাঁপানি রোগীর শ্বাসনালিকে সরু করে দেয়, ফলে হাঁপানির সমস্যা বাড়ে।
এছাড়া নাক বন্ধ হয়ে যায়। অনবরত পানি ঝরতে থাকে। হাঁচি আসে। হালকা জ্বর, শরীর ব্যথা, মাথা ব্যথা, শরীর ম্যাজ ম্যাজ করা, দুর্বল লাগা ও ক্ষুধামন্দা দেখা দেয়। এটা মূলত শ্বাসতন্ত্রের ওপরের অংশের রোগ।
ইনফ্লুয়েঞ্জার ক্ষেত্রে যে লক্ষণগুলো দেখা দেয়- জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, গলা খুশখুশ করা, হাতে-পায়ে ব্যথা বা শরীর ম্যাজম্যাজ করা ইত্যাদি। ইনফ্লুয়েঞ্জা হলে ভয় না পেয়ে বিশ্রাম, পুষ্টিকর খাদ্য, প্রচুর পরিমাণে পানি পান ও ভিটামিন সি-যুক্ত খাবার গ্রহণ করতে হবে। গলাব্যথা বা গলা খুশখুশ করলে গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে গড়গড়া করলে আরাম মিলবে।
শীতের শেষে ফুসফুস নয়, সাইনাস, কান ও টনসিলের প্রদাহও বাড়ে। এসব ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো। এছাড়া যাদের হাঁপানি বা অনেক দিনের কাশির সমস্যা যেমন ব্রংকাইটিস আছে, এই আবহাওয়ায় তাদের কষ্টও বাড়ে।
শীতের শুষ্কতায় অনেকের ত্বক ফেটে যায় এবং চর্মরোগ দেখা দেয়। শীত খুব তীব্র হলে হৃদযন্ত্রের রক্তনালি সংকুচিত হয়ে হার্ট অ্যাটাকও হতে পারে। শীতের শেষে মশার খুব উপদ্রব বাড়ে। তাই মশাবাহিত রোগ থেকে সাবধান।
কুসুম গরম পানিতে লেবু ও মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। তুলসী পাতার রস, আদার রস, বাসক পাতার রস, কালিজিরা প্রভৃতি ঔষধি দ্রব্যের ব্যবহারও উপসর্গ কমাতে পারে। যদি রোগের তীব্রতা বেড়ে যায়, সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া আবশ্যক।
শিশুদের জন্য নিউমোনিয়া একটি সাধারণ রোগ। নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে অবশ্যই দ্রুত চিকিত্সকের শরণাপন্ন হতে হবে। গ্রহণ করতে হবে যথাযথ ব্যবস্থা চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী।
ঠাণ্ডা পানি, ঠাণ্ডা খাবার পরিহার করা, বাইরে বের হওয়ার সময় স্কার্ফ বা মাফলার দিয়ে মাথা, কান ও নাক ঢেকে রাখা, হাতে ও পায়ে মোজা ব্যবহার করা প্রয়োজন। কোনো খাবারে যদি অ্যালার্জি থাকে, তবে সেটি এড়িয়ে চলতে হবে। বাড়িতে বা কর্মক্ষেত্রে আপনার ঘরটিকে যতটা সম্ভব উষ্ণ রাখতে চেষ্টা করুন। এছাড়া যদি ইনহেলারে অভ্যস্ত হয়ে থাকেন, তবে সেটি সঙ্গে রাখুন।
শীতের শেষে সময়টাতে সুস্থতা নিশ্চিত করতে গ্রহণ করতে পারেন এই পদক্ষেপগুলো:
ঠাণ্ডা খাবার ও পানীয় পরিহার করা।
পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্য গ্রহণ, কাঁচাসবজির সালাদ, ভিটামিন ‘এ’ ও ‘সি’যুক্ত ফলমূল গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা, যা রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে দেহকে রাখবে সুস্থ।
নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন করা।
নিয়মিত ও পরিমিত কায়িক পরিশ্রম।
আপনার ঘরবাড়ি তথা ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা।
হাত ধোয়ার অভ্যাস করা, বিশেষ করে নাক মোছার পর পর; বাইরে থেকে আসার পর এবং খাদ্যবস্তুর সংস্পর্শে আসার আগে হাত ধোয়া।
ধূমপান পরিহার করা।
ঘরের দরজা-জানালা খুলে পর্যাপ্ত পরিমাণে আলো-বাতাস প্রবেশের সুযোগ করে দিয়ে একটি নির্মল বসবাসের পরিবেশ নিশ্চিত করা।
13/02/2024
ভালো অভিভাবক হতে চান?
পজিটিভ পেরেন্টিংয়ের টিপস জেনে নিন
সন্তানকে ভালো শিক্ষা দিতে আমরা সবাই চাই। কিন্তু ভালো অভিভাবক হওয়া সহজ নয়। কারণ তার জন্য নিজেকেও অনেক বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। ভালো অভিভাবক হওয়ার কয়েকটি টিপস এখানে আলোচনা করা হল।
পেরেন্টিং টিপস
এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক:
মা-বাবা হওয়া যে কোনও ব্যক্তির জীবনের সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্ত। তবে সন্তানের লালন-পালন ও সন্তান মানুষ করা অত্যন্ত দায়িত্বের কাজ। বর্তমানে সন্তান লালন-পালনে নানান জটিলতা দেখা দিচ্ছে। শুধু ভালো মা-বাবা হয়েই নিজের দায়িত্ব পূরণ করলে হবে না, পাশাপাশি সন্তানের ওপর নজরদারিও চালাতে হবে। ছোটবেলার শিক্ষা সারা জীবন মনে থাকে। সন্তানের মানসিক অবস্থা বুঝে তাদের চিন্তাভাবনা উন্নত করা, ভালো কাজ করার জন্য অনুপ্রাণিত করা ভালো অভিভাবকদের লক্ষণ। শুধু সন্তানের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা পূরণ করলেই হবে না, বরং জীবনে ভারসাম্যের গুরুত্বও বোঝাতে হবে তাদের। ইতিবাচক লালন-পালন বা পজিটিভ পেরেন্টিং কী ভাবে করবেন, সে বিষয় জানানো হল এখানে—
বাচ্চাদের শক্তির সন্ধান করুন
বাচ্চাদের মধ্যে আত্মসম্মান বোধ জাগিয়ে তোলার জন্য তাদের শক্তি ও প্রতিভা খুঁজে বার করা অত্যন্ত জরুরি। এর ফলে বাচ্চার সঙ্গে জড়িত নানান সমস্যার সমাধান সম্ভব। অভিভাবক যখন সন্তানকে অপমানিত না-করে বা ভয় না-দেখিয়ে কিছু বলেন, তখন তারা সেটি শুনতে ও বুঝতে ভালোবাসে।
তাই সন্তানের শক্তি ও প্রতিভা বুঝে সেই অনুযায়ী বাচ্চাদের ব্যবহার পরিবর্তনের চেষ্টা করা উচিত।
প্রশংসা করুন, পুরস্কার দিন, শাস্তি নয় :
অভিভাবক যখন কোনও কাজের জন্য সন্তানের প্রশংসা করেন বা তাদের পুরস্কৃত করেন, তা হলে সেটি তাদের উৎসাহিত করে। বাচ্চাদের উৎসাহিত করলে, তারা নিজে থেকেই নিজের ভুলগুলি ধরতে শুরু করবে। এর ফলে ইতিবাচক পদ্ধতিতে তাদের ভুল শুধরানোর কাজ করতে পারবেন।
সন্তানের রাগ বা ঠাট্টায় আবেগপ্রবণ প্রতিক্রিয়া জানাবেন না
বাচ্চা রেগে গেলে বা কোনও অপ্রয়োজনীয়, অর্থহীন কথা বলে বসলেও, কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবেন না। এর ফলে বাচ্চারা নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে ও আপনার কথাও মনোযোগ সহকারে শুনবে।
দুই সন্তানের মধ্যে তুলনা করবেন না:
দুই সন্তানের অভিভাবক হওয়া চ্যালেঞ্জের বিষয়। এ ক্ষেত্রে দুই সন্তানের প্রতিই সমান মনোভব পোষণ করার ওপর জোর দেওয়া হয়। কাউকে কারও সঙ্গে তুলনা করবেন না বা ভেদাভেদ সৃষ্টি হতে পারে এমন কিছু বলে বসবেন না। উভয়কেই এক সমান ভালোবাসুন ও যত্ন দিন।
লাগাতার সহযোগিতা করে যান
বর্তমানে বাচ্চাদের সমস্ত মনঃস্থিতি বুঝে ওঠা কঠিন হতে পারে। এর জন্য প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শও নিতে পারেন।
ইতিবাচক কথা বলুন:
সন্তান মা-বাবার সঙ্গে প্রায়ই কথা বলতে চায়। তাই, তাদের সঙ্গে ইতিবাচক কথা বলুন। এতে ভালোবাসা ও যত্ন উভয়েরই ছোঁয়া থাকে, সে দিকে লক্ষ্য রাখবেন। শুধু কথা বলার জন্য কথা বলবেন না, বরং ইতিবাচক ব্যবহারের সঙ্গে তাদের সময় দিন।
ইন্টারনেটে সঠিক ব্যবহারের প্রতি নজর রাখুন:
আজকাল সমস্ত বাচ্চাই ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকে। তবে বাচ্চারা এখানে কী দেখছে, কী সার্চ করছে, সে সবের প্রতি নজর রাখা উচিত।
ভারসাম্য বজায় রাখুন:
বাচ্চাদের চাহিদা পূরণ করতে করতে অভিভাবকরা নিজের আশা-আকাঙ্খা পূরণ করে উঠতে পারেন না। পরবর্তীকালে এ কারণে অভিভাবকরা রেগে যান এবং সেই রাগ গিয়ে পড়ে সন্তানের ওপর। এর ফলেও সন্তানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাই বাচ্চার ও নিজের চাহিদা, আশা-আকাঙ্খা পূরণের মধ্যে ভারসাম্য থাকা অত্যন্ত জরুরি।
বাচ্চার রোল মডেল আপনিই:
বাচ্চারা যে হেতু মা-বাবার ব্যবহারই অনুসরণ করে, তাই ভুলেও বাচ্চাদের সঙ্গে এমন ব্যবহার করবেন না বা এমন কোনও কথা বলে বসবেন না, যা আপনারা নিজেরাই বাচ্চাদের কাছ থেকে প্রত্যাশা করেন না। তাই বাচ্চাদের জন্য রোল মডেল হওয়া অত্যন্ত জরুরি।
পরাজয় স্বীকার করবেন না:
সন্তানের প্রতি নিজের বিশ্বাস ও প্রত্যাশা কখনও ত্যাগ করবেন না। সন্তানের তরফে কোনও বিপরীত পরিস্থিতির মুখে পড়লেও, তাদের সঠিক পথে আনার চেষ্টা করে যান। পরাজয় স্বীকার করে নেওয়া কোনও সমস্যার সমাধান হতে পারে না।
13/02/2024
বয়সন্ধিকালে শারীরিক এবং মানসিক পরিবর্তন I
কিশোরীদের বয়ঃসন্ধিকালে শরীর ও মনে নানা ধরনের পরিবর্তন ঘটে। এ সময় চিন্তা-চেতনার সঙ্গে সঙ্গে শারীরিকভাবে মানসিকভাবে বেড়ে উঠতে থাকে তারা।
এটি মূলত কৈশোর ও যৌবনের একটা মধ্যবর্তী পর্যায়ে হয়ে থাকে। ১০-১৩ বছরের মধ্যে যে কোনো সময় মেয়েদের বয়ঃসন্ধিকাল শুরু হয়।
এ সময়ে নিজের জীবন পছন্দ-অপছন্দ, দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে ওঠে। এ সময় কিশোরীরা স্বাধীনভাবে কিছু ভাবতে শুরু করে সিদ্ধান্ত নিতে শুরু করে।
হরমোনের প্রভাবে বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন দেখা যায় শরীরে। কখনো রাগ করে কখনো আবার খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দেয়, কখনো আবার খুব বেশি খায়, ঠাণ্ডা মেজাজে থাকে।
ওই সময়টাতে বাবা-মায়ের বা অভিভাবককে বিশেষ ভূমিকা পালন করতে হয়। কারণ তাদের আচার-আচরণ অনেক ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়।
তাদের বিশ্বাসের জায়গাটা এ সময় সবার আগে অর্জন করতে হবে। তার পর বুঝিয়ে ধীরে ধীরে বলতে হবে। তাদের ওপর হাত তোলা কিংবা খারাপ আচরণ করা যাবে না।
বয়ঃসন্ধিকালে মেয়েদের প্রজনন ক্ষমতা বিকাশ হয়। তাই অবশ্যই কীভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হয়, এটি যেমন স্কুলের দায়িত্ব, সেই রকম বাবা-মায়েরও দায়িত্ব।
বয়ঃসন্ধিকালীন সবার আগে কিশোরীদের শেখাতে হবে কীভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হয়। কারণ হাইজিন মেইনটেইন না করলে মারাত্মক সংক্রমণ দেখা দেয় শরীরে।
এছাড়া মাসিক চক্র ব্যবস্থাপনা সময় খুবই জরুরি বিষয়। কারণ মাসিকের সময় ন্যাপকিন প্যাড বা কাপড় ব্যবহার করে অবশ্যই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। স্যানিটারি ন্যাপকিন ওয়ান টাইম ব্যবহার করতে হয়। প্রতি ৬ ঘণ্টা পর পর পরিবর্তন করতে হয়।
কাপড় ব্যবহার করলে অবশ্য ভালোমতো পরিষ্কার করে শুকনা কাপড় ব্যবহার করতে হবে। যদি ঠিকমতো এই ব্যবস্থাপনাগুলো না করা হয়, তা হলে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ হতে পারে। এ সংক্রমণের ফলে মেয়েদের জরায়ু, ফেলোপিয়ান টিউব ব্লকসহ নানাবিধ জটিলতা তৈরি করে প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
এই সময়ে বেশি বেশি পুষ্টিকর খাবার, সমৃদ্ধ খাবার ভিটামিন সি জাতীয় খাবার খেতে হবে।
কৈশোর বয়সটা শরীর গঠনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময সুষম খাবার ও সঙ্গে এক্সারসাইজ এবং নিয়মমতো ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানো দরকার।
লেখক: সহকারী পরিচালক, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতাল।
05/10/2023
চিরতরে ব্রণ দূর করার ঘরোয়া উপায়
রাতজাগা, দুশ্চিন্তা, রোদে পোড়া- এমন নানা কারণে মুখে ব্রণ হতে পারে। একটু সচেতন থাকলেই কিংবা কয়েকটি পদ্ধতি অনুসরণ করলেই ব্রণ থেকে মুক্তি মেলে।
মুখ ধোয়া: ব্রণ দূর করার প্রথম ধাপ হচ্ছে সঠিকভাবে মুখ ধোয়া। তাই বলে আপনাকে দিনে বারবার মুখ ধুতে হবে না। এটি আবার হিতে বিপরীত হতে পারে। সকালে-দুপুরে-রাতে নিয়ম করে বার তিনেক মুখ পরিষ্কার করলেই চলবে।
ঠান্ডা পানি ব্যবহার না করে গরম পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। মুখ মুছতে নরম তোয়ালে ব্যবহার করবেন। সাবান ব্যবহার না করে ভালো কোম্পানির ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে ফেলতে হবে।
কখনোই ব্রণে নখ দিয়ে খোঁচাখুঁচি করবেন না। এমন করলে দাগ পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা বেশি। প্রচুর পরিমাণ শাকসবজি ও ফলমূল খান। পর্যাপ্ত পানি পান করুন। নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন। অনিদ্রায় যেমন ব্রণের প্রবণতা বাড়ে, তেমনি অতিরিক্ত ঘুমের কারণেও ব্রণ হতে পারে। দুশ্চিন্তামুক্ত জীবন যাপন করতে চেষ্টা করুন।
ঘরোয়া উপায়ে আর যা করতে পারেন-
১. সরিষাতে প্রচুর পরিমাণে স্যালিসিলিক এসিড রয়েছে, যা খুব সহজেই ব্রণের জীবাণুকে ধ্বংস করে। সামান্য সরিষা গুঁড়ার সঙ্গে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ব্রণ দূর হওয়ার পাশাপাশি ব্রণের দাগও দূর হবে।
২. প্রথমে মুখের যেখানে যেখানে ব্রণ আছে, সেগুলোর ওপর লেবুর রস দিন। এবার পুরো মুখে ডিমের সাদা অংশ মাস্কের মতো করে লাগান। ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি ব্রণ দূর করার পাশাপাশি মুখের কালচে ভাবও দূর করবে।
৩. ঘুমানোর আগে তুলায় লেবুর রস লাগিয়ে ব্রণের ওপর দিয়ে রাখুন। এভাবে সারারাত রেখে দিন। দেখবেন, সকালে ব্রণ শুকিয়ে যাবে এবং নিজে নিজে মুখ থেকে খসে পড়বে।
৪. বরফ দিয়েও ব্রণের চিকিৎসা শুরু করতে পারেন। প্রথমে ত্বককে ভালোভাবে পরিষ্কার করুন। একটি বরফের টুকরোকে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে কয়েক মিনিট ব্রণের ওপর রাখুন। বরফ সরাসরি ত্বকে লাগাবেন না। পাঁচ মিনিট বিরতি দিয়ে আবার ব্যবহার করুন।
৫. ব্রণ সারাতে যেকোনো ওষুধ সেবনের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী দুই-তিন মাস পর্যন্ত ওষুধ সেবন করতে হতে পারে। পাশাপাশি ক্রিম, জেল বা লোশন ব্যবহার করা যায়। সন্ধ্যার পর বা রাতে ব্যবহার করার জন্য আলাদা কিছু ক্রিম পাওয়া যায়। এসব ক্রিম অতিমাত্রায় ব্যবহার করার কারণে নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে।
02/10/2023
অনলাইনে শপিং করলে এই বিষয় গুলি অবশ্যই খেয়াল রাখুন ঠকে যাওয়া থেকে বাঁচুন I
সম্প্রতি আমাদের দেশ ‘Digital Bangladesh’ গড়ার লক্ষ্যে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। বর্তমান সময়ে মানুষ অফলাইন কেনাকাটার থেকে অনলাইন কেনাকাটায় বেশি সুবিধাজনক বলে মনে করছেন। Ecommerce প্ল্যাটফর্ম গুলিতে গ্রাহকসংখ্যার জনপ্রিয়তা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। কিন্তু অনেক সময় দেখা গেছে অনলাইন কেনাকাটার ক্ষেত্রে আমাদের নানান সমস্যায় পড়তে হয়েছে।
তাই ভবিষ্যতে এমন সমস্যার হাত থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য আমাদের বেশ কিছু জিনিস লক্ষ্য রাখা অবশ্যই প্রয়োজন।
অনলাইনে শপিং করলে কোন কোন বিষয় গুলি অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে?
প্রথমত কোন প্রোডাক্ট কেনার আগে অবশ্যই আপনি জেনুইন ওয়েবসাইট অর্থাৎ অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ব্যবহার করুন। অযথা ফালতু কোন Big Discount লিংক বা গুগলের ফেক নিউজ থেকে কেনাকাটা করতে যাবেন না। এর ফলে আপনাকে পড়তে হতে পারে চরম সমস্যায়।
পাবলিক প্লেসে ফ্রি ওয়াইফাই কানেক্ট করে কখনোই অনলাইন কেনাকাটা করবেন না। এক্ষেত্রে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হয়ে যাবার অনেকটা ভয় থেকে যায়। তাই সুরক্ষিত ইন্টারনেট ব্যবহার করাই শ্রেয়।
প্রোডাক্ট কেনার আগে অবশ্যই তার দামের ব্যাপারটি মাথায় রাখুন। প্রয়োজনে বিভিন্ন ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম এর সাহায্য নিয়ে সেই একই প্রোডাক্টের দাম তুলনা করে দেখতে পারেন। কারণ অনেক সময় দেখা যায় বিভিন্ন ই-কমার্স প্লাটফর্মে একই প্রডাক্টের বিভিন্ন দাম নির্ধারণ করা থাকে। তাই প্রোডাক্ট কেনার আগে অবশ্যই দাম সম্পর্কে সচেতন হোন।
অনলাইন কেনাকাটার ক্ষেত্রে প্রোডাক্ট এর ভালো-মন্দ তখনই বিচার করা হয় যখন দেখা যায় প্রোডাক্টের রিভিউ রেট ভাল রয়েছে। তাই যে কোন প্রোডাক্ট কেনার ক্ষেত্রে প্রোডাক্ট এর কতগুলি রিভিউ রয়েছে। আর সেগুলি যথাযথ কিনা সেটা দেখতে একদমই ভুলবেন না।
প্রোডাক্ট কেনার সময় প্রোডাক্ট রিটার্ন পিরিয়ড বা রিপ্লেসমেন্ট পিরিয়ড কতদিন রয়েছে সেই দিকে অবগত হন। আপনি যদি কোনো কারণবশত প্রোডাক্ট রিটার্ন করতে চান সেই ক্ষেত্রে অবশ্যই নজর রাখুন আপনি প্রোডাক্টটি রিটার্ন করছেন না রিপ্লেসমেন্ট করছেন।
তাই যদি আপনার প্রোডাক্ট এ কোন সমস্যা দেখা দেয়। তখন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রোডাক্ট এর যথাযথ খামতির কারণ ব্যাখ্যা করুন। আর সেটি কোম্পানির কাছে রিটার্ন বা রিপ্লেসমেন্ট করুন।
যেকোনো জিনিস অর্ডার করার পর সেটি অনলাইনে পেমেন্ট করার থেকে ক্যাশ অন ডেলিভারি পেমেন্ট করাই ভালো। এক্ষেত্রে আপনার টাকা চুরি হবার ভয় থাকে না। এছাড়াও আপনি যদি একান্তই মনে করেন অনলাইন পেমেন্ট ব্যবহার করবেন তবে সেক্ষেত্রে পেমেন্ট ডিটেলস পুট করার আগে সচেতন হোন। আর এই ডিটেলস কোনো মতেই কারোর সাথেই শেয়ার করবেন না।
প্রডাক্ট ডেলিভারি দেওয়ার সময় প্রোডাক্ট বক্সটি অবশ্যই ভালোভাবে চেক করে নিন। এবং সম্ভব হলে প্রোডাক্ট Unboxing করার সময় একটি Video বানিয়ে রাখুন।
অনলাইন কেনাকাটা এখন অনেকটাই সুবিধাজনক হয়ে গেছে। প্রোডাক্ট অর্ডার করার পর সেটি যদি আপনি ক্যানসেল করতে চান। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেটি নির্ভাবনায় ক্যানসেল করুন। এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে 72 ঘন্টার মধ্যে আপনার টাকা রিফান্ড পেয়ে যাবার সুবিধাও রয়েছে।
যদি কোন ক্ষেত্রে আপনার টাকা রিফান্ড না হয় তবে সে ক্ষেত্রে কোম্পানির দেওয়া অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে যোগাযোগ করুন। অযথা কোন ফেক ওয়েবসাইট বা কাস্টমার কেয়ার নম্বরে দ্রুত সাহায্যের আশ্বাস পেতে যোগাযোগ করবেন না।
সর্বোপরি অনলাইনে কেনাকাটা যেমন আমদের সুবিধা দিয়েছে। তেমনই তা থেকে অনেকেই অসুবিধার সম্মুখীনও হন। তার এই সমস্ত নিয়ম গুলি মেনে চলুন। সচেতন ভাবে শপিং করুন। আর শ্রেষ্ঠ থাকুন।
02/10/2023
Online purchases offer several benefits to consumers, which have contributed to the growth of e-commerce and its popularity. Some of the key advantages of online shopping include:
Convenience: One of the most significant benefits of online shopping is convenience. Shoppers can browse and purchase products from the comfort of their homes or any location with an internet connection. This eliminates the need to travel to physical stores, saving time and effort.
Wide Selection: Online stores typically offer a vast range of products and brands, giving consumers access to a wider selection than what may be available at a local store. This allows shoppers to find precisely what they're looking for and explore different options easily.
Price Comparison: Online shopping enables consumers to compare prices across multiple retailers quickly. Many price comparison websites and tools are available, helping shoppers find the best deals and discounts, ultimately leading to potential cost savings.
24/7 Availability: Online stores are open 24/7, allowing customers to shop at any time that suits their schedule. This is especially beneficial for those with busy lifestyles or unconventional working hours.
Product Reviews and Ratings: Online platforms often provide customer reviews and ratings for products. This information can be valuable for making informed purchase decisions and gauging the quality and reliability of a product.
Convenience in Payment: Online payment methods are diverse and convenient. Shoppers can use credit/debit cards, digital wallets, online banking, or even pay on delivery, providing flexibility in how they choose to pay.
Home Delivery: Most online retailers offer home delivery services, which means products are delivered to the customer's doorstep. This eliminates the need to carry heavy bags or arrange transportation for bulky items.
No Pressure Sales: Online shopping avoids the pressure often associated with in-store sales tactics. Shoppers can take their time to research and make decisions without feeling rushed or coerced by salespeople.
Easy Returns and Refunds: Many online