23/03/2020
মিরপুরে গতকাল যে লোক মারা গেলেন করোনায়,তার সাথে মসজিদে নামায পরা একজন (৬০+) আজকে মারা গেলেন।তার মাঝে করোনা আক্রান্ত হওয়ার উপসর্গ ছিল,কিন্তু করোনা পজেটিভ কিনা IEDCR জানায় নি।তাই এখনো করোনায় মৃতের সংখ্যা দুই জন ই।
আজ সকালেই লন্ডন ফেরত একজন করোনার উপসর্গ নিয়ে আইসোলেশনে থাকা অবস্থায় মারা গিয়েছেন।কিন্তু যেহেতু করোনার টেস্ট করা হয়নি,তাই তিনি নিউমোনিয়া বা শ্বাসকষ্টের জন্য মারা গিয়েছেন।করোনায় না।তাই এখনো করোনায় মৃতের সংখ্যা দুই জন ই।
ঢাকা মেডিকেলে করোনা আক্রান্ত যে রোগী মারা গেল,তাকে চিকিৎসা দিয়েছে বলে যে চারজন ডাক্তার কোয়ারান্টাইনে গেলেন, উনাদের মধ্যে একজনের করোনার উপসর্গ দেখা দিলে তিনি IEDCR কে জানান তার করোনা টেস্ট করার জন্য।তারা জানিয়েছে তার টেস্ট IEDCR করবেনা কারণ তিনি বিদেশ ফেরত নন।IEDCR শুধু বিদেশ ফেরতদেরই পরীক্ষা করবে।
অথচ WHO থেকে বলা হয়েছে করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে আসা সবার টেস্ট করতে হবে।সেখানে আমাদের দেশে PPE ছাড়া যে ডাক্তার তাকে চিকিৎসা করলো তারই টেস্ট করা হচ্ছেনা।কারণ টেস্ট কিটই নেই।
এদিকে গতকাল যিনি মারা গিয়েছেন করোনায়,তিনি কার থেকে আক্রান্ত হয়েছেন তা জানা যায় নি। গত কিছুদিনে বিদেশ ফেরত কারো সংস্পর্শে ও আসেননি তিনি।এর মানে হচ্ছে করোনার কমিউনিটি ট্রান্সমিশন শুরু হয়ে গিয়েছে।And it is high time to lock down this country। কিন্তু আমাদের এখনও ভোট চলছে।সব অফিস-আদালত চলছে।এমনকি বিদেশ থেকেও মানুষ আসছে।
আরেকটা ব্যাপার হল যেহেতু এই লোকটি কার থেকে করোনায় আক্রান্ত হলেন,জানা যায় নি,তাই হতেই পারে যার থেকে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি এখন মারা গিয়েছেন, কিন্তু IEDCR টেস্ট করেনি বলে করোনায় আক্রান্ত মৃতের সংখ্যা এখনো ২ জন।
আর তিনি যদি মরে নাও যান,তাহলেও তিনি এয় কয়দিনে কম হলেও একশোর উপরে মানুষকে করোনা আক্রান্ত করেছেন।কিন্তু যেহেতু IEDCR টেস্ট করেনি,তাই এখনো মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৭ জন।
এভাবেই No kit,No test,corona is under control নীতিতে আমাদের সরকার ইতালি-আমেরিকা থেকেও সফল ভাবে করোনা প্রতিরোধ করছে।