Daulatpur Five Star Club

Daulatpur Five Star Club

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Daulatpur Five Star Club, Sports Club, Maizpara, Narail, Jessore.

15/11/2024

"সামাজিক পেক্ষাপট ও আমাদের করনীয়"
শির্ষক আলোচনা.....
সবার পরামর্শ চাই।

24/04/2024

চড়িই ভাতি ও বদনাম

২ য় অংশ

রান্নার উপকরন ইরান সংগ্রহ করিয়াছে। শুরু হইলো রন্ধন। রাত্রি শেষ হইয়া আসিলো কিন্তু গোস্ত রান্না হইলো না।যতোই অগ্নিদাহ বাড়াইয়া দিয়াছে গোস্তের উপর বুদ বুদ করিয়া ফ্যানা উঠিতে লাগিলো। এ যেনো দুই রন্ধন শিল্পির নতুন অভিঞ্জতার্জন।রাত্রি শেষ,লাখড়ি শেষ তবুও মোদের রন্ধন শেষ হইতেছে না। অবশেষে রন্ধন শেষ করিলাম কিন্তু ডিমের সালনের ঝোল এক কড়াই!

সকল শিক্ষকগন ঘুম থেকে উঠিয়া চুক্ষু মুছিতে মুছিতে খাবার খাওয়া শেষ করিলো, ততোক্ষন সকালের সূর্য্য পূর্বাকাশে উঁকি মারিতেছে।
সকালে বিদ্যাপিঠে যথারীতি ছাত্র ছাত্রী হাজির হইয়াছে।স্যার, আর স্যারেরা আসে না ক্যান,?ছাত্রীর প্রশ্নের উত্তরে বলিলাম তোমার অন্য স্যারেরা সারা রাত্রি জাগিয়া চড়ই ভাতি করিয়াছে তাই বুঝি আজ আসিবে না।
ও তাই বুঝি, আমাদের রান্না ঘরে আম্মা পিঠা ভেজে তেল রেখেছিলো, কে যানি চুরি করে নিয়ে গেছে।স্তব্ধ হইয়া পড়িলাম, কি বলিলে? জি স্যার আমাদের রান্না ঘরে মাছ জাল দেওয়া ছিল, তাও খেয়েছে,আসার সময় আমাদের বৈড়ে নিয়ে এসেছে। ত্বর ত্বর করে বলে দিলো ছাত্রী। বুঝিতে বাকি থাকিলো না এটা ফটিক করিয়াছে।
চোখ কান বন্দ করিয়া বিদ্যাপিঠ ছুটি ঘোষনা করিলাম।
বাড়িতে পৌছোতে না পৌছোতে দাদী বাড়িতে হাজির, তোরা আমার কাঠের ছাচি নিয়ে চড়ই ভাতি করিছির? না দাদী অস্বিকার করার ব্যার্থ চেষ্টা।কলিই হবে তোরা ভিটেই রান্না করিছির? হ্যা।তবে তোমার ছাচি আমরা স্পর্শ করি নাই। বললেই হবে বস্তা ভরে নিয়ে গেছে, আর সারা রাস্তা পড়িছে।আমি সকালে ছাচির চিহ্ন দেখে ভিটেই গেছি। এবারতো মনে হইতেছে ধরা খাইয়া চুপ মারিয়া গেলাম।
বুঝিলাম রাজু যখন বস্তা নিয়ে গমন করিয়াছিলো খেয়াল করেনি যে বস্তাটা ছিদ্র ছিল। চুপ মারিয়া দল বাধিয়া বাজারে চলিয়া গেলাম।কিন্তু সময় তো ধরে রাখা যায় না।বাড়িতে ফিরিতে হবে এতোক্ষন সকল আলোচনার অবশান ঘটিয়াছে।
প্রয়োজনের তাড়নায় কাকার দোকানে রাজুর যাওয়াটা একবারই অনুচিত।যাওয়ার পর যে বাক্যটি কাকা শুনালো এটা শুনতে প্রস্তুত ছিলাম না। হ- কাকা আমাদের বাড়ি থেকে উচ্চ আওয়াজে সাউন্ডবক্সের শব্দ শোনা গিয়াছে।দেখো বেটা তোমাদের সম্প্রদয়ের ছেলেরা হলে সাহস পেতো না।আমার ডিম পাড়া হাস।
হাঁস না খেয়ে ঘু খেতে পারলোনা, রাজু
শান্তনা স্বরুপ বাক্য পদান করিয়া গমন করিলো।

24/04/2024

(স্মৃতির পাতা থেকে নেওয়া।জীবনের একটি অনবাদ্য কাহিনী,

" চড়ই ভাতি ও বদনাম"

মোঃ ইব্রাহিম বিশ্বাস

সূর্য্য পশ্চিম গগনে যাবো যবো করিতেছে,খেলার মাঠে এখনো দুটো স্টাম্প দু পাশে মাথা উচু করিয়া দাড়ায় রইয়াছে।গাঁয়ের ছেলেরা এইমাত্র খেলা শেষ করিয়া বিশ্রাম করিতেছে।আগামী কল্যযে একুশে ফেব্রুয়ারী তাহা কি স্মরণ রহিয়াছে তোমাদের? আমরা, আমাদের বিদ্যাপীঠে শহীদ মিনার না গড়িতে পারি কিন্তু কিছু একটা করিতে তো পারি।কে,হাসানের কথায় যুক্তি আছে বৈকি।সবাই সম্মত্বি প্রদান করিলো, অদ্য নিশীতে চড়ই ভাতি করিতে হইবে।আমাদের মাস্টার মহাশয়দের মাসিক মাইনের টাকাটা এবার, নাই পরিশোধ করিলাম।আর সকলে যদি ঐক্যমত পোষণ করে তাহলে মাইনের টাকাটা নাই খরচা করিলাম।সকলে দ্বিমত করিলো না। সন্ধার আকাশ মিলিয়ে গিয়াছে,পচ্শিমাকাশে, আধাঁ আধাঁ চন্দ্র মেঘের সাথে কানা মাছি খেলিতেছে। মহাশয়গন একত্রিত হইয়া নিজ গাঁয়ের সীমানা পেরিয়ে ভীন্ন গাঁয়ে চড়ই ভাতির বন্দবস্ত করিলো।ফলে এ আয়োজন অন্যমাত্রা পাইলো।কিন্তু এ ভোজনের রন্ধন শালায় কে বা কাহারা পারদর্শি সকলের তজর্নী আমার দিকে।আমি বলিলাম সকল কর্ম তো একজন সম্পাদন করিতে পারিবে না একজন সাহায্যকারি তো লাগিবে।কে, হাসান নিজের হস্ত দুইখানা উচু করিয়া রন্ধন কর্মে সহযোগীতা করার মত পোষন করিলো।কিন্তু কি দ্বারা অদ্য মহা ভোজন করিতে হইবে? কেউ বলিলো ভর্তাভাজি,
কেউ বলিলো মাছ।
কেউ বা আবার হাসির ছলে
চুরি করো হাঁস।।
কেউ গেলো তেল আনিতে
কেউ আনিলো পিয়াজ,
ইমরান গেলো হাঁস আনিতে
কি জানি হয় আজ?

চুলা তৈরী, লাখড়ি আনা, পাতিল যোগাড়,বিদ্যুতের তার টানানো,উচ্চশব্দ যন্ত্র সকল উপকরণ করিয়াছি। অপেক্ষা শুধু ইমরান মহাশয়ের।কখন কি নিয়ে আমাদের নিকট উপস্থিত হইবে কেহ জানি না। এদিক ফটিক গিয়াছে তৈল আনিতে সাথে আনিবে লাখড়ি। কিছুক্ষন বাদে আসিয়াছে বাছা একবোতল তৈল আর হাতে কিছু লাখড়ি। কিন্তু মশলা আনতে ইরান কে পাঠানো হইলো তাহার তো কোন খবর নেই? মোল্লা ত্বর সইতে না পেরে গেলো তাদের খুজতে রাত্রি তখন বারটা।পাশ্বের গাঁয়ের সামসুর ঘুমথেকে উঠিয়া চক্ষু মেলিয়া আসিয়াছে খবর লইতে।ইতিমধ্যে ইমরান মহাশয় হস্তে দুই টা হংস ঝুলাইতে ঝুলাইতে আমাদের মাঝে উপস্থিত হয়।
দেখিয়া সবার চক্ষুচড়ক গাছ।এতো রাতে কার সর্বনাস করেছিস?
সেই সন্ধা থেকে এখন অবদি এ পাড়া ও পাড়ার সকল গপ্প এমরানের সংগ্রহ শালায় যোগাড় করিয়াছে। ( চলবে)

24/06/2020

#গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ড. বিজন কুমার শীল বলেন, করোনাকে অঙ্কুরে বিনাশ করার দুটি পথ খোলা রয়েছে। একটি হচ্ছে, ভিটামিন সি জাতীয় খাবার পেয়ারা, লেবু, আমলকি অথবা ভিটামিন সি ট্যাবলেট খেতে হবে। এর সঙ্গে সম্ভব হলে প্রতিদিন রাতে একটি জিঙ্ক ট্যাবলেট খাবেন। ভিটামিন সি এবং জিংক শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সতেজ, সজীব রাখে এবং প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।

#আরেকটি হচ্ছে কেউ যদি আক্রান্ত হন, যেমন গলাব্যথা, শুকনো কফ ছাড়া কাশি, কাশি হবে কিন্তু কফ বের হবে না। এটা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার প্রথম লক্ষণ। অন্য ইনফ্লুয়েঞ্জাতে আক্রান্তদের হাঁচি, সর্দি ও নাক দিয়ে পানি পড়ে। তবে করোনা ভাইরাস শুকনো কাশি দিয়ে শুরু হয়।

#এক্ষেত্রে সহজ পদ্ধতি হচ্ছে বেশি কড়া না হালকা রং চা বারবার খাওয়া, গরম পানি দিয়ে গার্গল করা। এর চেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে আদা, লবঙ্গ ও একটা গোলমরিচ পানি মিশিয়ে গরম করলে কালোমতো একটা রং হবে। এর সঙ্গে সামান্য মধু বা চিনি দিয়ে চায়ের সঙ্গে খেলে অথবা এই পানি দিয়ে গার্গল করতে হবে। এর ফলে গলায় যে ভাইরাসগুলো থাকে সেগুলো মারা যায়। এছাড়াও গলায় গরম লাগার ফলে রক্তপ্রবাহ বেড়ে যায়। ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে। রং চায়ের এন্টিসেপ্টিক গুণও রয়েছে। বারবার শুকনো কাশির ফলে গলার টিস্যু ফেটে যেতে পারে। চা এই ইনফেকশন রোধ করে।

#আপনার জ্বর হোক বা না হোক, এই মুহূর্তে আমাদের সবার উচিত সকালে ঘুম থেকে উঠে, দুপুরে এবং সন্ধ্যায় গার্গল করা। এর ফলে শরীরে যদি ভাইরাস ঢোকেও তাহলে সেটা আর বাড়তে পারবে না। এটা শুধু করোনা ভাইরাস না আরও অনেক ইনফেকশনকে রোধ করতে পারে। কেউ যদি এটা প্রতিদিন করতে পারে, তাহলে তার আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা খুবই কম।

#করোনা ভাইরাসের কারণে যদি কখনও কারও পেটের সমস্যা দেখা দেয় তাহলে নিমপাতা বেটে সবুজ রসের সঙ্গে এক চামচ হলুদের গুঁড়া পানির সঙ্গে মিশিয়ে সকালে এবং রাতে খেলে তার পেটের ইনফেকশন কমে যাবে। এসময় এমন রোগীকে এন্টিবায়োটিক খাওয়ালে অনেক সমস্যা হয়।

#করোনা ভাইরাসের এই দুর্যোগকালেও যাদের বাইরে কাজ করতে হয়, যেমন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী, সাংবাদিক, স্বেচ্ছাসেবীসহ অন্যদের করণীয় সম্বন্ধে ড. বিজন কুমার শীল বলেন, করোনা ভাইরাস শরীরে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই তো আর আক্রমণ করে না। সময় নিয়ে আস্তে আস্তে শরীরের মধ্যে বাড়তে থাকে।

#এক্ষেত্রে বাসায় ফিরে গরম পানি পান করা, এক কাপ হালকা রং চা খাওয়া, নাক ও মুখ দিয়ে গরম পানির ভাপ নেয়া, পানির মধ্যে এক ফোঁটা মেন্থল দিলে আরও ভালো হয়। তাহলে নাকটা আরও ভালোমতো পরিষ্কার হয়ে যাবে, ফলে #ভাইরাস ঢুকলেও শরীরের মধ্যে বাড়তে এবং সুবিধা করতে পারবে না।

(- #সংগৃহীত)

24/05/2020

সকল বন্ধুদের জানাই
ঈদের শুভেচ্ছা
#ঈদ মোবারক #

22/03/2020
21/02/2020

"চড়ই ভাতি"

অদ্য ক্লাবের সম্মানিত সদস্য বৃন্দদের অংশগ্রহনে অনুস্ঠিত হবে বাৎসরিক চড়ই ভাতি। স্থান -রাজু গার্ডেন। সময়- রাত আট ঘটিকা।সকল সদস্যদের উপস্থিতি ও সার্বিক সহযোগীতা কামনা করছি।

20/02/2020

মাতৃ ভাষা আদায়ের জন্য দিয়ে গেছো তোমাদের প্রাণ,
তোমাদের রক্ত যাবে না বৃথা
স্বপথ করলাম, রক্ষা করবো তোমাদের সম্মান।

Photos from Daulatpur Five Star Club's post 15/02/2020

আড্ডার কিছু মুহূর্ত

09/02/2020

রেজুলেশন:
তাং - ০৭ /০২/২০২০
স্থান : ডিয়া বাড়ি (ঢাকা)

অদ্য ডি এফ সি' র কার্যনির্বাহি সাঃ সভা অনুষ্ঠিত হলো। উক্ত সভায় সংগঠনের তহবিল গঠন,সাংগঠনিক কার্যক্রম শক্তিশালি করা ও অনুষ্ঠানের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
উক্ত বিষয়ে বাস্তবায়ন করার জন্য পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটি হলো:
১) সভাপতি : আনিসুর রহমান
২) সাঃ সম্পাদক : ইব্রাহিম বিশ্বাস
৩) কোষাধক্ষ্য : মনিরুল মোওলা
৪) দপ্তর সম্পাদক : কামরুল মোল্লা
৫) প্রচার সম্পাদক : কামরুল হাসান
কার্যক্রম:
ক) গঠন তন্ত্র পুনঃ লিপিবদ্ধ করা।
খ) ব্যাংক হিসাব খোলা।
গ) সদস্যদের নতুন তালিকাভুক্ত করা।
ঘ) অনুষ্ঠানের জন্য গ্রামবাসির মতামত ও জনমত তৈরী করা।
উক্ত বিষয়ে উপস্থিত সদস্যরা একমত পোষন করে। এবং আগামি দুই সপ্তাহর মধ্যে বাস্তবায়ন করার পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
উলেখ্য অনলাইনে সবাইকে বিষয়টি অবগত করা হলো।
সাঃ সম্পাদক
ডি এফ সি

Photos from Daulatpur Five Star Club's post 29/01/2020
05/07/2019

এই ঈদে সম্ভাবতো আবহাওয়া ভাল থাকবে, তাই এবার কচিকাচার মেলা হলে কেমন হয়, বন্ধরা।

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Jessore?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Maizpara, Narail
Jessore