Jessore Polytechnic Institute, Jessore

Jessore Polytechnic Institute, Jessore

Share

In southwest Bangladesh, Jessore Polytechnic Institute, abbreviated as JPI is one of the oldest leading Polytechnic Institute. Website: www.jpi.edu.bd

Jessore Polytechnic Institute is the most advanced Educational institute in West Bengal. In southwest Bangladesh, Jessore Polytechnic Institute, abbreviated as JPI is one of the oldest leading Polytechnic institute in the area of mid level engineering and technology with more than 45 years of national reputation. JPI prides itself not because of its age but for the depth of its involvement in engi

02/12/2025

👥 📢 জরুরী বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের ইন্সটিটিউট এর আপডেট বিভিন্ন তথ্য ফেইসবুকে সবার জন্য উন্মুক্ত করার লক্ষে JPI এর বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে থেকে ৫ জন ভলান্টিয়ার পেইজ অ্যাডমিন প্রয়োজন।

যারা এই পেইজের মোডারেটর এবং এডিটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এবং পেইজে বিভিন্ন তথ্য শেয়ার করবেন এমনকি এই পেইজ এর হয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের মেসেজের উত্তর প্রদান করতে পারবেন।

উল্লেখ্য যে, এই পেইজটি শুধুমাত্র JPI এর প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের দ্বারা পরিচালিত। কোন শিক্ষক এই পেইজের সাথে সম্পৃক্ত নেই।

শর্তঃ
- আবেদনকারীকে অবশ্যই ইন্সটিটিউটের বর্তমান ছাত্র বা ছাত্রী হতে হবে।
- ফেসবুক পেইজ পরিচালনা সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।

আবেদন করতে করনীয়ঃ
এই পেইজে মেসেজ/ইনবক্স করুন।
ধন্যবাদ। ❤️

22/11/2025

🔥আমাদের এই পেইজের জন্য ৫ জন এডমিন প্রয়োজন।

আপনি যদি...
👉 JPI এর বর্তমান অধ্যায়নরত ছাত্র/ছাত্রী হয়ে থাকেন
👉ফেসবুকের ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা থাকে
👉এই পেইজের এডমিন হতে আগ্রহী হয়ে থাকেন

তবে আপনি চাইলে আবেদন করতে পারেন। আবেদন করতে আপনার ব্যক্তিগত ফেসবুক একাউন্ট থেকে... আপনার নাম, সেমিস্টার, ট্রেড, কেন আপনি এই পেইজের এডমিন হতে চান? লিখে পেইজে ইনবক্স করুন।

এডমিন হলে আপনার দায়িত্ব হবে...
👉পেইজটিতে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে পোস্ট করা।
👉প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন খবর, সংবাদ, তথ্য ইত্যাদি প্রচার করা।
👉পেইজের ইনবক্সে ছাত্রছাত্রীদের মেসেজের রিপ্লে দেওয়া।

উল্লেখ্য যে, এই কাজের জন্য আপনাকে কোন রকমের পারিশ্রমিক দেওয়া হবে না। আপনি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী হিসেবে এবং একজন ভলান্টিয়ার হয়ে এই পেইজটিকে ম্যানেজ করবেন। ফলে আপনি অনেক কিছু শিখতে পারবেন এবং এই কাজের জন্য প্রতিষ্ঠানে আপনার একটা ইম্প্যাক্ট তৈরি হবে।

বিঃ দ্রঃ এই ফেসবুক পেইজটি যশোর পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট-এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ নয়। এটি প্রতিষ্ঠানের অ্যালুমনাই শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরিচালিত একটি ফ্যান পেইজ।

07/03/2020

করোনা ভাইরাসের কারণে গত এক বছরে সারা বিশ্বে মৃতের সংখ্যাঃ ৩৫২৬ জন।

কিন্তু ধূমপান করার জন্য গত এক বছরে সারা বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ৬ লক্ষ !

তাহলে কোনটা বেশী ভয়ের ?

08/07/2019

👥 📢 জরুরী বিজ্ঞপ্তিঃ

আমাদের ইন্সটিটিউট এর আপডেট বিভিন্ন তথ্য ফেইসবুকে সবার জন্য উন্মুক্ত করার লক্ষে JPI এর বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে থেকে ৫ জন ভলান্টিয়ার পেইজ অ্যাডমিন প্রয়োজন।

যারা এই পেইজের মোডারেটর এবং এডিটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এবং পেইজে বিভিন্ন তথ্য শেয়ার করবেন এমনকি এই পেইজ এর হয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের মেসেজের উত্তর প্রদান করতে পারবেন।

উল্লেখ্য যে, এই পেইজটি শুধুমাত্র JPI এর প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের দ্বারা পরিচালিত। কোন শিক্ষক এই পেইজের সাথে সম্পৃক্ত নেই।

শর্তঃ
- আবেদনকারীকে অবশ্যই ইন্সটিটিউটের বর্তমান ছাত্র বা ছাত্রী হতে হবে।
- আবেদনকারীকে ৩য় সেমিস্টার বা তার উপরে অধ্যায়নরত হতে হবে। অর্থাত ১ম ও ২য় সেমিস্টার এর ছাত্র-ছাত্রী গ্রহণযোগ্য নয়।

আবেদন করতে করনীয়ঃ
নিচের এই লিংকে গিয়ে আবেদন করুনঃ
https://goo.gl/forms/2igCg33MsiAq1gUE2

সবাইকে ধন্যবাদ। ❤️

01/03/2019

ফরওয়ার্ড মেসেজ ! আমরা অনেকেই এই নামটি শুনেছি। আর নাম না শুনলেও প্রতিটা মোবাইল বা ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ব্যাক্তি মাত্রই এটার সম্মুখীন হয়েছি।

এখনো বুঝতে না পারলে আপনাকে আরো সহজ করে বলি, ইদানিং আপনার ফোনের ইনবক্সে অথবা ফেসবুকের ইনবক্সে এমন অনেক মেসেজ আপনি পেয়ে থাকতে পারেন, যেখানে বিভিন্ন তথ্য দেওয়া থাকে এবং শেষে বলা হয় এই মেসেজটি আরো ২০ জনকে বা ১০০ জনকে বা ফ্রেইন্ডলিস্টের সবাইকে সেন্ড করতে। বেশীর ভাগ সময় এটা কোন ধর্মীয় তথ্য দিয়ে লেখা হয়, আর এটাকেই ফরওয়ার্ড মেসেজ বলে। আর এসব মেসেজগুলো আমাদের পরিচিত ব্যাক্তিরাই আমাদের পাঠিয়ে থাকে এমন কি এটাও হতে পারে যে আপনিও এ ধরনের মেসেজ পেয়ে অনেক জনকে ফরওয়ার্ড করে সেই মেসেজ পাঠিয়েছেন।

এখন আসল কথায় আসি,

এই ফরওয়ার্ড মেসেজ গুলোতে বিশেষ করে ধর্মীয় অনেক কথা লেখা হয়ে থাকে যাতে এগুলো পড়া মাত্রই অন্যের কাছে কোন চিন্তা ভাবনা না করে বা সত্যতা যাচাই না করেই অনেক মানুষ এর কাছে শেয়ার করে দেওয়া হয়। কেউ জানেও না এই মেসেজ কে বা কারা কিভাবে কবে লিখেছে, অার এই মেসেজ এর তথ্য কতোটুকু সত্য সেটা না জেনেই যখন অন্যের কাছে এটা শেয়ার করা হয় বা ফরওয়ার্ড করা হয় তখন সেই তথ্যের দায় ভারটাও যে শেয়ার করলো বা ফরওয়ার্ড করলো তার উপরেই পড়ে। এবং আপনি জেনে অবাক হবেন এই সব মেসেজ এর দেওয়া তথ্য বেশীর ভাগ সময় ভুল হয় এবং মিথ্যা হয়। এই মেসেজ গুলো শুধু মানুষ এর ইমোশনকে কাজে লাগিয়ে ছড়ানো হয়। এবং এটা অনেকটা ভাইরাসের মতো ছড়িয়ে যায় একজনের ইনবক্স থেকে অন্য জনের ইনবক্সে।

যখন ফেসবুক ছিল না তখন আমাদের ফোনের ইনবক্সেও এরকম অনেক মেসেজ আসতো, এবং এমনকি মেসেজে অনেক হুমকিও থাকতো। বলা হতো এই মেসেজ ২০ জনকে না পাঠালে আপনি কোন খারাপ সংবাদ শুনবেন বা আপনার কোন ক্ষতি হবে। এখন ক্ষতির ভয়ে মানুষ মেসেজ আরো ২০ জনকে সেন্ড করে দিত আবার সেই ২০ জন আরো ২০ করে ৪০০ জনকে সেন্ড করে দিত... এভাবে হাজার হাজার মানুষ এর কাছে মেসেজগুলো পৌছে যেত। যেগুলোর কোন ভিত্তি নেই এবং হুমকি গুলো নিতান্তই মিথ্যা কথা ছাড়া আর কিছুই না। এখন আপনি চিন্তা করুন আপনি যদি কখনও এরকম মেসেজ পাঠিয়ে থাকেন তবে আপনার পাঠানোর কারণে যতোজন এর কাছে ঐসব মিথ্যা বানোয়াট কথা পৌছাবে তার গুনাহের ভাগ কিন্তু আপনিও পাবেন।

কথা হচ্ছে মানুষ এত বোকা কেন?

মানুষ আসলে বোকা না, মানুষ এর আবেগ একটু বেশী। আর বিশেষ করে বাঙালীদের আবেগ তো আরো অনেক বেশী। শুধু কি ফরওয়ার্ড মেসেজ? ফেসবুকের পোস্ট, মিম, ট্রল পেইজ ভাইরাল হওয়ার জন্য খুবই জঘন্যতম কাজ করে থাকে। তারা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনে মানুষকে ইমোশনালি ব্ল্যাকমেইল করে তাদের পেইজ বা পোস্টকে ভাইরাল করে, শেয়ার করতে বাধ্য করে এবং সস্তা লাইকের জন্য ভুল তথ্য মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেয়।

এমন অনেক পোস্ট বা ছবি দেখে থাকবেন যেখানে একটা জামার ছবি দিয়ে বা একটা জুতার ছবি দিয়ে বলা হয় এটা আমাদের নবীজী (সাঃ) এর জুতা বা জামা। কিন্তু সেসব তথ্যের কোন ভিত্তি নেই। এমনকি নবী-রাসূল গণের নাম দিয়ে সরাসরি বানোয়াট মিথ্যা কথাও ছড়ানো হয়, বলা হয় নবীজী (সাঃ) বলেছেন এটা , যার কোন ভিত্তি নেই এবং বানোয়াট কথা। আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না এটা কতবড় মারাত্বক অপরাধ ইসলামের দৃষ্টিতে। হাদীসে বলা আছে যে ব্যাক্তি নবীর নামে মিথ্যা কথা বললো সে যেন জাহান্নামে তার জন্য যায়গা করে নিল। এখন আপনার শেয়ারে বা আপনার ফরওয়ার্ড মেসেজের কারণে এটা অন্যকে বলা হলো এবং যখন এটা অন্যের কাছে যাবে আপনি কি মনে করেছেন আপনার অনেক পূণ্য হয়েছে? কিন্তু আপনি জানতেই পারলেন না যে, জাহান্নামে আপনার জন্য আরাম আয়েশের ব্যবস্থা হয়ে গেল।

এভাবেই তো বড় বড় মিথ্যা আর গুজব গুলো ইন্টারনেটে ছড়ায়, কারণ কিছু মূর্খ্য ইন্টারনেট ব্যবহারকারী আছে যারা না বুঝে, না জেনে চোখ বন্ধ করে সামনে যা পায় দেখা মাত্র শেয়ার করে। তাই আমাদের সকলের উচিত এগুলো থেকে বিরত থাকা এবং যে কোন কিছুই শেয়ার করার আগে জিনিসটা কতোটুকু সত্যি সেটা যাচাই করা।

এবং আপনাদের যাদের শেয়ার বাটন দেখলেই হাত চুলকায় তারা পারলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন। আর না হলে কপি করে আপনার টাইমলাইনে পোস্ট করুন। কারণ সবারই এই জিনিসটি জানা উচিত। যদি ২০ জনকে না পাঠান তবে যারা অবিবাহিত আছেন তাদের কারো বিয়ে হবে না। আর যারা বিবাহিত, তাদের আর কি বলবো তারা এমনিতেই অনেক ঝামেলায় আছেন। 😂

* কালেক্টেড

09/01/2019

👥 📢 জরুরী বিজ্ঞপ্তিঃ

আমাদের ইন্সটিটিউট এর আপডেট বিভিন্ন তথ্য ফেইসবুকে সবার জন্য উন্মুক্ত করার লক্ষে JPI এর বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে থেকে ৫ জন ভলান্টিয়ার পেইজ অ্যাডমিন প্রয়োজন।

যারা এই পেইজের মোডারেটর এবং এডিটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এবং পেইজে বিভিন্ন তথ্য শেয়ার করবেন এমনকি এই পেইজ এর হয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের মেসেজের উত্তর প্রদান করতে পারবেন।

উল্লেখ্য যে, এই পেইজটি শুধুমাত্র JPI এর প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের দ্বারা পরিচালিত। কোন শিক্ষক এই পেইজের সাথে সম্পৃক্ত নেই।

শর্তঃ
- আবেদনকারীকে অবশ্যই ইন্সটিটিউটের বর্তমান ছাত্র বা ছাত্রী হতে হবে।
- আবেদনকারীকে ৩য় সেমিস্টার বা তার উপরে অধ্যায়নরত হতে হবে। অর্থাত ১ম ও ২য় সেমিস্টার এর ছাত্র-ছাত্রী গ্রহণযোগ্য নয়।

আবেদন করতে করনীয়ঃ
নিচের এই লিংকে গিয়ে আবেদন করুনঃ
https://goo.gl/forms/2igCg33MsiAq1gUE2

সবাইকে ধন্যবাদ। ❤️

20/10/2017

বলা হয় শিক্ষাই সবচেয়ে লাভজনক বিনিয়োগ। আমরা জানি শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড । আমরা যতই বলিনা কেন বাংলাদেশে শিক্ষা ততটুকু গুরুত্ব পাচ্ছে না। ১৯৭৪ সালে প্রথম যে শিক্ষা কমিশনের রিপোর্ট বের হয়েছিল সেখানে শিক্ষাকে মানব মূলধন বা সামাজিক পুঁজি হিসেবে স্বীকার করে এতে সর্বোচ্চ বিনিয়োগের কথা বলা হয়েছিল। সেখানে বাজেটে এক চতুর্থাংশ এবং জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল।

আর আজকের সময়ের সঙ্গে তুলনা করলে আমরা দেখব, চলতি অর্থ বছর শিক্ষা খাতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ২ দশমিক ৬ শতাংশ, যা আগের বছর ছিল ১ দশমিক ৮ শতাংশ অর্থাৎ ১৯৭৪ সালে যখন অর্থ ছিল না, দেশের অর্থনীতি মন্দায় পতিত হয়েছিল, খাদ্যাভাব দেখা দিয়েছিল, এখন অর্থাভাব সত্ত্বেও শিক্ষার গুরুত্ব বিশেষ বিবেচনায় নিয়ে বেশি বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিল প্রাথমিক শিক্ষা হবে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত। এরপর থেকে কারিগরি শিক্ষা।

শিক্ষা হবে প্রয়োজন ও চাহিদা ভিত্তিক অর্থাৎ দেশে কোন কারিগরি শিক্ষার চাহিদা বেশি, কোন কোন ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত জনবল দরকার আর কী কী চাহিদা সৃষ্টি করতে হবে। কারিগরি শিক্ষা হবে দেশ ও আন্তর্জাতিক চাহিদা সামনে রেখে। আর উচ্চ শিক্ষায় যাবে তারাই যারা মেধাবী। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর যারাই ক্ষমতায় এসেছে তারাই শিক্ষাকে গতানুগতিক ও গুরুত্বহীন করে রেখেছে।

শিক্ষাখাতে বাজেট কমতে কমতে গত বছর ১ দশমিক ৮ শতাংশ চলে এসেছিল। ইউনেস্কোর নিয়ম অনুসারে প্রতিটি দেশকে শিক্ষাখাতে অন্তত জিডিপির ৬ শতাংশ বরাদ্দ দেয়া উচিত। আমরা কোন দিনও সেটি পাইনি। প্রত্যাশা থাকবে আগামী বছর শিক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দে চলতি বছরের ২ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে অন্তত ৪ থেকে সাড়ে ৪ শতাংশ হবে। শিক্ষাকে গুরুত্ব দিলে দেশ এগোবেই। এ ক্ষেত্রে মালয়েশিয়াকে উদাহরণ হিসাবে ধরা যেতে পারে। মানব সম্পদ হচ্ছে সবচেয়ে বড় পুঁজি। শিক্ষিত দক্ষ জনশক্তিকে বলা হয় মানব মূলধন। কারিগরি শিক্ষা দিয়ে জনগণকে দক্ষ করে তুলবেন তা হবে সবচেয়ে বড় পুঁজি।

18/10/2017

✅ কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব যে অপরিসীম তা আমরা অনেক আগে থেকেই অনুভব করতে সক্ষম হই। এ প্রেক্ষাপটে অতি সম্প্রতি শিক্ষার মানোন্নয়নে এক হাজার ৪০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প সরকারের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) অনুমোদন করে, যেখানে ১০০টি উপজেলায় একটি করে কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ নির্মাণ করা হবে বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সরকার বলছে, মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য কারিগরি শিক্ষার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে তারা। গত সাত বছরে কারিগরি শিক্ষার হার ১১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যেখানে সাত বছর আগে এ হার ছিল মাত্র ১ শতাংশ। এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে আমাদের দেশে কারিগরি শিক্ষার হার ও এ শিক্ষার প্রতি মানুষের আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে।

কারিগরি শিক্ষা গুরুত্ব পায় যখন সরকার আলাদাভাবে কারিগরি শিক্ষা বোর্ড গঠন করে এবং এ শিক্ষার জন্য নতুন নতুন প্রকল্প হাতে নেয়। নব্বইয়ের দশকের শেষের দিক থেকে এ শিক্ষা বিশেষ গুরুত্ব পায় এবং ক্রমান্বয়ে এগিয়ে চলে। মেয়েদের কারিগরি শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত ও আকৃষ্ট করতে মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হয়। জেলা ও উপজেলায় ক্রমান্বয়ে স্থাপন করা হয় টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, যেখানে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক যুগের চাহিদা ও প্রয়োজনকে সামনে রেখে প্রযুক্তিগত শিক্ষা দেওয়া হয়।

এ সময় থেকে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়েও টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। সমানতালে বিভিন্ন টেকনিক্যাল ট্রেনিং কেন্দ্রের মাধ্যমে স্বল্পশিক্ষিত লোকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। এ ছাড়া সরকারের যুব ও ক্রীড়া এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমেও বেকার যুবক ও মহিলাদের বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। আবার সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য ইউসেপ নামের প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের টেকনিক্যাল শিক্ষা দিয়ে আসছে। তবে এত সব আয়োজন সত্যিকার অর্থে একাডেমিক শিক্ষার মধ্যে পড়ে না। এতে শিক্ষা অসম্পূর্ণ থেকে যায়।

দেশের চাহিদা মেটানো ও বিদেশে জনশক্তি রপ্তানিতে ব্যাপক কারিগরি শিক্ষা প্রয়োজন। সরকার এ ক্ষেত্রে সমন্বিত উদ্যোগের দিকে হাঁটছে বলেই আমাদের মনে হয়। সরকার যখন ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘোষণা করছে এবং এগুলোর কাজ এগিয়ে চলছে তখন এখানকার চাহিদা মেটানোর জন্য কারিগরি শিক্ষা ও প্রাথমিক পর্যায়ে ১০০টি কারিগরি স্কুল ও কলেজ নির্মাণের উদ্যোগ কর্মসংস্থান সুযোগে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এখানে স্থানীয় সম্পদ ও স্থানীয় মানবসম্পদ ব্যবহারের এক সুযোগ তৈরি হবে।

এখান থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা কাছাকাছি কোনো অর্থনৈতিক অঞ্চলে কাজ করতে পারবে। তবে ভৌগোলিক বিচারে, আঞ্চলিক, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চাহিদার প্রেক্ষাপটে কারিগরি শিক্ষার ধরনের মধ্যে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। ভিন্ন ভিন্ন শিক্ষা হবে ভিন্ন ভিন্ন চাহিদা পূরণ করার ক্ষেত্র। আবার দেশের বাইরের চাহিদার প্রতিও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। কেননা আমাদের জনশক্তি বিশাল। এখানে বাইরের বাজার না ধরতে পারলে আমাদের পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকে যাবে। আমরা অদক্ষ শ্রমিক রপ্তানিতেই সীমাবদ্ধ থাকব।

সাধারণ ও কারিগরি শিক্ষা-এ দুয়ের মধ্যে গুণগত ও পরিমাণগত পার্থক্য থাকার ফলে বিশ্বের বড় বড় অর্থনৈতিক শক্তিধর দেশ আজকে আরো শক্তিশালী হয়ে উঠেছে এবং গোটা বিশ্ববাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। চীন তাদের মধ্যে অন্যতম। আমাদের অর্থনৈতিক শক্তির চালিকাশক্তি এখনকার সময়ে কৃষি, গার্মেন্ট ও জনশক্তি রপ্তানি। কৃষিক্ষেত্রে কৃষকদের কিছু পরামর্শ প্রদানে বাম্পার ফসল পাওয়া যাচ্ছে। গার্মেন্ট সেক্টরে অদক্ষ নারী শ্রমিক কাজ করছে। আর জনশক্তি রপ্তানিতে আমরা এখনো অদক্ষ ক্যাটাগরিতেই রয়ে গেছি। আমাদের অর্থনৈতিক শক্তির জন্য বিকল্প প্রয়োজন এ কারণে যে কৃষিতে আমাদের সাফল্য ভালো; কিন্তু প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল। আমাদের ঝুঁকির জায়গা গার্মেন্টশিল্প।

ভারত ও ভিয়েতনাম গার্মেন্ট পণ্য রপ্তানিতে এখনো আমাদের পেছনে রয়েছে; কিন্তু ভারত সরকার তার দেশের উদ্যোক্তাদের এবং এ শিল্পে নিয়োজিত শ্রকিকদের এক বিশাল প্রণোদনা দিতে যাচ্ছে। এতে তারা আমাদের ছাড়িয়ে যাওয়ার চিন্তা করছে। কিন্তু আমরা বিষয়টি নিয়ে তেমন ভাবছি না। গার্মেন্ট শ্রমিকদের জন্য তারা কল্যাণ তহবিল গঠন ও প্রভিডেন্ট ফান্ডের ব্যবস্থা করতে যাচ্ছে। রয়েছে এ শিল্পে নিয়োজিত উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা। কোনো কারণে গার্মেন্টশিল্পে ধস নামলে বিকল্প কী। জনশক্তি রপ্তানিতে আমাদের অবস্থা এখন ভালো নয়। মালয়েশিয়া লোক নেওয়ার কথা বলেও আবার পিছপা হয়েছে। আমাদের অর্থনীতিকে নিজেদের মতো করে শক্তিশালী করার প্রত্যয়ে নির্ভরতা কমানোর জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরির বিকল্প নেই।

কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব আমাদের দেশে এতটাই বেশি, যা আমরা এমনকি প্রাত্যহিক জীবনেও পদে পদে অনুভব করি। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ছোটখাটো জিনিসপত্র মেরামতের জন্য হাতের কাছে সময়মতো লোক পাওয়া যায় না। আবার শিক্ষার উদ্দেশ্য যদি হয় প্রায়োগিক কিছু সৃষ্টি করা, সে ক্ষেত্রে আমাদের কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই। সৃষ্টিশীল বিষয় কর্ম সৃষ্টিতে অবদান রাখে। সৃষ্টি বিষয় অন্যের কাছে বিক্রি করেও আমরা লাভবান হতে পারি। আমাদের কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের জন্য কারিগরি শিক্ষা অতীব প্রয়োজন। আমাদের বিশ্বাস, সরকার সেদিকেই তার দৃষ্টি নিবদ্ধ করতে যাচ্ছে। শুধু ১০০টি কেন, প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ নির্মাণ করা হোক। প্রতিটি উপজেলা হয়ে উঠুক শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের একেকটি মিলনকেন্দ্র।

লেখক : অধ্যাপক, সমাজকর্ম বিভাগ
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

10/10/2017

ব্লু-হোয়েল এর আসল কাহীনি
-
কয়েকদিন যাবত ফেসবুকে আর দেশের কয়েকটা থার্ড-ক্লাস অনলাইন-অফলাইন নিউজ পেপারে একটাই নিউজ দেশে ব্লু-হোয়েল গেম আঘাত হেনেছে। এটা নিয়ে কথা বলাটা একটা পাগলামী কারণ জিনিসটা অনেকটা বাচ্চাদের মতো হয়ে যায়। তারপরেও বলতে হচ্ছে যখন দেখছি আমারই পরিবার বা নিকট আত্মীয় ব্যক্তিবর্গরা এবং ফেসবুক ফ্রেইন্ডসরা ব্লু-হোয়েল নামক এই গেইমের কারণে কিঞ্চিৎ ভয় প্রদর্শন করছে।

প্রথমেই বলে রাখি যে, এই ব্লু-হোয়েল নামক জিনিসটাকে যারা মোবাইলের কোন গেম মনে করছেন তাদের জন্য ১ মিনিট নিরবতা পালন করছি, অর্থাৎ এটা মোবাইলের কোন গেম না এমনকি এর কোন নির্দিষ্ট অ্যাপও নেই। তাই ব্লু-হোয়েল এর গেম ডাউনলোড করার জন্য যারা প্লে-স্টোরে গিয়ে সার্চ দিচ্ছেন তাদের আসলে এমনিতেই লজ্জায় সুইসাইড করা উচিত বলে আমি মনে করি। আর আসলে এটাকে কোন গেম বলাটাও একটা বোকামী। এটা আসলে হচ্ছে, আমি একটা পাগল, আমি একটা আননোন পারসোনের কথায় অ্যাডভেঞ্চারের আশায় উঠবো আর বসবো, সে যা করতে বলবে তাই করবো। এবং শেষে সুইসাইড করতে বলবে আর আমি তাই করবো, এরকম কিছু একটা। এটাকে কি তাহলে আমাদের চিরাচরিত কোন গেম বলা যায়? এটা হচ্ছে আসলে একটা বোকামী আর যারা এই রকম কিছু একটার সাথে নিজেকে জড়িয়ে সেই অপরিচিত ব্যক্তিদের কথা শুনে তাদের দেওয়া টাস্ক পূরণ করে তারা হচ্ছে দুনিয়ার সব চেয়ে বড় বোকা। আসলেই তাদের এই দুনিয়ায় বেঁচে থাকার কোন অধিকার নেই। আর এই কথা ব্লু-হোয়েল এর নির্মাতা ধরা পড়ার পরে নিজেই বলেছে।

এবার আসি বাঙালীদের কথায়, আমরা বাঙালীরা হচ্ছি বিশ্বের সব চেয়ে আবাল জাতিদের মধ্যে অন্যতম। এই জাতি হচ্ছে এমন জাতি যারা কোন কিছু না বুঝেই যে কোন কিছুতে রিয়াক্ট করে। যার কারণে কয়েক দিন পর পরই একটা করে নতুন ইসু তৈরী হয় আমাদের ফেসবুক ওয়ালে। এখন যেমন চলছে ব্লু-হোয়েলের ইসু। দুই দিন পরে এই ব্লু-হোয়েল মাটি চাপা পড়ে যাবে আবার অন্য কোন ইসু তৈরী হবে। এর জন্য দায়ী আমাদের মিডিয়া। আমাদের নিউজ মাধ্যম। এরা একটা সিম্পল বিষয়কে জনগণের কাছে এমন ভাবে তুলে ধরে যে সেটা আসলে মনে হয় অনেক বড় একটা ইসু। কিন্তু আসলে কিছুই না। ব্লু-হোয়েল তেমনই একটা জিনিস।

এবার ব্লু-হোয়েল নিয়ে কিছু আসল কথা বলি। বাংলাদেশের কেউ ব্লু-হোয়েল খেলার অনেক আগেই আমার এটা নিয়ে রিসার্চ করা শেষ। এটা আসলে কোন একটা ট্রেডিশনাল গেম না। এটা হলো একটা লিংক, যে লিংকের মাধ্যমে আপনি একটা কমিউনিটিতে যোগদান করতে পারবেন। উদাহরণ হিসেবে যেমন ফেসবুক গ্রুপ, কেউ যদি একটা গ্রুপ এর লিংক পায় তবে যেমন Join রিকোয়েস্ট পাঠাতে পারে। তারপরে সেই গ্রুপের কোন অ্যাডমিন বা মেম্বার সেটা অ্যাক্সেপ্ট করলে আপনার সেই গ্রুপে জয়েন করা হয়ে যায়, ঠিক তেমনই। তো সেই লিংকের মাধ্যমে কেউ আপনার সাথে চ্যাট করতে পারবে বা যোগাযোগ করতে পারবে সেটা হতে পারে হোয়াটস-অ্যাপ বা ভাইবারে বা অন্য কিছুতে। তারপরে সেই অপরিচিত অ্যাডমিন আপনাকে বিভিন্ন টাস্ক দেওয়া শুরু করবে আর আপনার থেকে সে অনেক কিছু জেনে নেবে। আপনার ছবি চাইবে টাস্ক এর নাম করে। এভাবেই মোট ৫০ টা টাস্ককে এমন ভাবে সাজানো হয়েছে যাতে করে আপনি একটার পরে একটা টাস্ক পূরণ করে যেতে পারেন। আর একটা টাস্ক পূরণ করলে আপনাকে সেই গ্রুপের অ্যাডমিন বা অন্যরা খুব বাহবা দিবে যাতে করে আপনার টাস্ক পূরণ করাটা ধীরে ধীরে নেশায় পরিণত হতে থাকবে। আমাদের দেশে যেভাবে স্টার জলসার এক একটা নাটক তৈরী করা হয়, এক পর্ব দেখলে মেয়েদের যেমন এর পরের পর্বটাও দেখতে ইচ্ছা হয় ঠিক তেমনই একটা বিষয় মাত্র। আর এটার শেষের দিকের টাস্ক গুলো অনেকটা আপনার মানুষিক অবস্থার অবনতি ঘটাবে, যেমন ড্রাগস নিতে বলবে। আর এভাবেই একজনকে তারা ধীরে ধীরে একটা মানুষিক রোগী বানিয়ে মৃত্যুর দিকে ধাবিত করতে থাকবে। হ্যা এটা পসিবল, এভাবে মানুষকে মৃত্যুর দিকেও নিয়ে যাওয়া সম্ভব। কারণ মানুষ সব সময় তার জেদের কাছে হার মানে। আর এই টাস্ক গুলো আপনাকে করতে দিয়ে আপনার জেদ তৈরী করে দেওয়ারই চেষ্টা করবে সেই ব্লু-হোয়েল এর অ্যাডমিন। প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে এই ব্লু-হোয়েল এর অ্যাডমিন কারা? যেহেতু এটা একটা কমিউনিটি তাই আপনি চাইলেও হতে পারেন একজন ব্লু-হোয়েল অ্যাডমিন। তবে তার জন্য আপনাকে সেই গ্রুপটা খুজে বের করতে হবে। আর কিছু ট্রেইনিং নিতে হবে একজন কে ব্রেইন ওয়াশ করার। আর কিছুই না।

বাংলাদেশের যে অবস্থা তাতে ব্লু-হোয়েল খুব একটা সুবিধা করতে পারবে না। তাই এটা নিয়ে চিন্তার কিছুই নেই। সমস্যা হচ্ছে আমাদের মিডিয়া। ওরা হচ্ছে মেইন কালপ্রিট। ভুয়া সব নিউজ ছড়িয়ে মানুষের মনে আতংক তৈরী করছে শুধু। তা ছাড়া আর কিছুই না। আর এটাকে ঘিরে কিছু ভুয়া ফরওয়ার্ড মেসেজ ছড়াচ্ছে কেউ কেউ। আর সবাই বলদের মতো সে কথা বিশ্বাস করে সেই মেসেজ গুলো সবাইকে পাঠাচ্ছে। এটা আসলেই একটা বোকামী ছাড়া আর কিছুই না। বরং এই মেসেজ পাঠানোর জন্য স্প্যামিং এর কারণে ফেসবুক থেকে ব্লকও হয়ে যেতে পারেন কেউ কেউ।

সব শেষে, আমরা বাঙালী বলেই যে সব বিষয়ে নাক গলাতে হবে। অযথা ফালতু বিষয় নিয়ে ভয় পেতে হবে। সবাই কে জনে জনে ফরওয়ার্ড মেসেজ পাঠিয়ে সাবধান করতে হবে, এরকমটা আসলেই বড্ড বেমানান আমাদের জন্য। হাজার হলেও আমরা বাঙালী আর বাঙালীরা এতটা বোকা হতে পারে না। কারণ বাঙালীদের সবাই খুব চালাক জাতি বলেই জানে। ইউটিউবে সার্চ দিলে ব্লু-হোয়েল অ্যাডমিনদের সাথে চ্যাটিং এর অনেক মজার ভিডিও দেখতে পাবেন যেখানে বোঝা যায় যে সেই সব ব্লু-হোয়েল অ্যাডমিন গুলোও কতটা বলদ। তাই এখন থেকে আর ব্লু-হোয়েল নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে কোন কাজের কাজ করুন। তাহলেই ভালো কিছু হবে আপনার জন্য। আর তা না করে যদি আবার এটা নিয়ে মাথা ঘামান তবে বলুন আমি আপনাকে লিংক দিচ্ছি, গেইমটা খেলে সুইসাইড করুন। আপনার মত বলদের বেঁচে থাকার কোন অধিকার নেই এই দুনিয়াতে।
-
লেখাঃ
মোঃ কামরুজ্জামান কনক (Káñàk The-Bøss) এর টাইমলাইন থেকে
-
জনসার্থে শেয়ার করুন।

06/10/2017

This is a milestone for us. Thanks to all of this page members! Who is continuously supporting us as a family.

I ❤️ JPI

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Jessore?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Shaikhati, High Court More
Jessore
7400