01/05/2026
Happy Labour Day!
Joypurhat
জয়পুরহাট জেলা রাজশাহী জেলার উত্তর প্রান্তে অবস্থিত।
জয়পুরহাট জেলার উত্তরে দিনাজপুর জেলা ও ভারত। পূর্বে গাইবান্ধা ও বগুড়া জেলা, দক্ষিণে বগুড়া এবং নওগাঁ জেলা , পশ্চিমে নওগাঁ জেলা এবং ভারত অবস্থিত।
01/05/2026
Happy Labour Day!
14/04/2026
শুভ নববর্ষ ১৪৩৩
30/03/2026
সারাদেশে হামের প্রাদূর্ভাব দেখা দেয়ায় জরুরি সতর্কতা মেনে চলা আবশ্যক।
লক্ষন---
হঠাৎ জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, মুখে ঘা, চোখ লাল বর্ণ ধারন করা, মুখমন্ডল সহ সারা দেহে ল্যাল র্যাশ। গুরুতর সংক্রমনে নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
শিশুদের উপরিউক্ত লক্ষন দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।
যেহেতু হাম শ্বাসনালীতে সংক্রমন ঘটায় - বাচ্চাদের মাস্ক ব্যবহারের ব্যবস্থা করে দিন।
হাম দ্রুত সংক্রমনশীল ও ছোঁয়াচে রোগ৷ শিশুর নিরাপত্তার স্বার্থে বাইরের মানুষের সাথে সাক্ষাৎ কমান, হাসপাতালে আনাগোনা আছে এমন ব্যক্তিদের থেকে দূরে রাখুন।
⚠️⚠️⚠️ যেসব বাচ্চারা "এম আর" টিকার ডোজ মিস করেছে তাদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করুন।
The sky slowly fades into shades of gold and orange, reminding me to slow down, breathe, and enjoy the beauty of the moment. 🌅
20/02/2026
ডিসি বারী’ এখন প্রশাসনের ‘বস’
ছিলেন ঢাকার জেলা প্রশাসক (ডিসি)। তার আগে মানিকগঞ্জে একই পদে ছিলেন। এরপর নিজ এলাকায় পরিচিতি পান ‘ডিসি বারী’ নামে। বলছি জয়পুরহাট-২ (আক্কেলপুর, ক্ষেতলাল ও কালাই) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মো. আব্দুল বারীর কথা।
শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হওয়ায় যাকে ২০০৭ সালে ওয়ান-ইলেভেন সরকার বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করে। এরপর তিনি ওএসডি থেকেই অবসরে যান। সেই ডিসি বারীই এখন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী। পরিচিতজনের মুখে মুখে এখন ডিসি বারীই জনপ্রশাসনের ‘বস’।
এবারের নির্বাচনে মো. আব্দুল বারী ধানের শীষ প্রতীকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৬৫ হাজার ৫৪৮ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন। মরহুম জাফের আলী মণ্ডল ও মরহুমা মিছিরুন্নেছা বেগম দম্পতির এই ছেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ শেষ করেন। পরে ১৯৮২ (বিশেষ) বিসিএস ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।
আব্দুল বারী প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও), উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (এনজিও), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, সিনিয়র সহকারী সচিব পদে বিভিন্ন স্থানে দায়িত্ব পালন করেন।
২০০১ সালের ২৩ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পরিচালক (প্রশাসন) পদে যোগদান করেন। সেখানে প্রায় এক বছর এক মাস দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০০৩ সালের জুন মাস থেকে এক বছর এক মাস মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদে চাকরি করে ২০০৪ সালের জুন মাসে ঢাকা জেলা প্রশাসক হন। সেখানে দুই বছর দুই মাস দায়িত্ব পালন শেষে ২০০৬ সালের আগস্ট থেকে একই বছরের নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ছিলেন। ২০০৬ সালের নভেম্বর থেকে ২০০৭ সালের ৩০ মার্চ ন্যাশনাল নিউট্রিশন প্রোগ্রামের নির্বাহী পরিচালকের পদে দায়িত্ব পালন করেন।
এরপর থেকে তাকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়। ওএসডি থাকা অবস্থায় ২০১৪ সালে পিআরএল এবং ২০১৫ সালে পূর্ণ অবসরে আসেন।
অবসরে আসার পর প্রায় ৫ বছর ৮ মাস তিনি পেনশন পাননি। সে সময় তিনি অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতিও পাননি। ছাত্রজীবনে ১৯৭৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ হাবিবুর রহমান হল সংসদ নির্বাচনে আব্দুল বারী মুজিববাদী ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে সহ-ক্রীড়া সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি জিয়াউর রহমানের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে বিএনপিতে যোগ দেন। ১৯৮০ সালে তিনি গ্রাম সরকার প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হন। চাকরিজীবনে আব্দুল বারী বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১০ সালে তার বিরুদ্ধে একটি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করা হয়েছিল। দীর্ঘ সময় প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় সেই মামলাটি প্রত্যাহার করা হয় এবং তাকে ভূতাপেক্ষভাবে সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আব্দুল বারীর এই প্রত্যাবর্তনকে জয়পুরহাটের সাধারণ মানুষ দেখছেন এলাকার উন্নয়নের এক নতুন দিগন্ত হিসেবে। দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি একটি দক্ষ ও জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে তুলবেন—এমনটাই প্রত্যাশা এলাকার মানুষের। তার এই সাফল্যে এখন খুশির জোয়ার বইছে বলি শিবসমুদ্র গ্রামসহ পুরো জয়পুরহাট জেলায়।
সুত্রঃ কালের কণ্ঠ।
17/02/2026
Md Abdul Bari, the newly elected MP from Joypurhat-2 is set to become the state minister for the Ministry of Public Administration
Link in comments
Akkelpur F U Pilot High School
Cricket Championship Tournament
Season-2
2026
https://www.facebook.com/share/v/1LXhAQN5L4/
12/02/2026
জয়পুরহাট-২
(কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর)
মোট কেন্দ্রঃ ১০৪
প্রাপ্ত ফলাফলঃ ১০৪
আব্দুল বারী (বিএনপি)
ধানের শীষ = ১,৫৭,১২৮
এস এম রাশেদুল আলম সবুজ (জামায়াত)
দাঁড়িপাল্লা = ৯১,০১২
৬৬ হাজার ১১৬ ভোটের ব্যবধানে বিএনপির প্রার্থী আব্দুল বারী বেসরকারী ভাবে জয়লাভ করেছে।
11/02/2026
8️⃣4️⃣ Points of গণভোট ২০২৬ 📃
১। বাংলা রাষ্ট্রভাষা হবে এবং সকল মাতৃভাষা সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত হবে।
২। বাঙালি ও আদিবাসী নির্বিশেষে সকল নাগরিক কেবল “বাংলাদেশি” নামে পরিচিত হবেন।
৩। সংবিধান সংশোধনের জন্য সুপারমেজরিটি এবং মৌলিক ধারার ক্ষেত্রে গণভোট বাধ্যতামূলক হবে।
৪। সংবিধান সংশোধনকে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিতকারী ৭ক ও ৭খ অনুচ্ছেদ বাতিল করা হবে।
৫। পঞ্চম ও ষষ্ঠ তফসিলসহ অন্তর্বর্তী বিধানসমূহ বাতিল করা হবে।
৬। জরুরি অবস্থা ঘোষণার ক্ষমতা সীমিত করা হবে এবং মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত থাকবে।
৭। বাঙালি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ পরিবর্তিত হয়ে রাষ্ট্রের মৌলিক নীতি হবে—সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার ও ধর্মীয় সম্প্রীতি।
৮। বাংলাদেশকে বহুজাতিক, বহুধর্মীয় ও বহুসাংস্কৃতিক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
৯। মৌলিক অধিকারসমূহ সম্প্রসারিত, সুরক্ষিত ও কার্যকর করা হবে।
১০। রাষ্ট্রপতি সংসদের উভয় কক্ষের গোপন ব্যালটে নির্বাচিত হবেন।
১১। রাষ্ট্রপতি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধানদের স্বাধীনভাবে নিয়োগ দেবেন।
১২। রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের জন্য একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া প্রবর্তন করা হবে।
১৩। রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদানের ক্ষমতা আইনগত নীতিমালার আওতায় প্রয়োগ করা হবে।
১৪। কোনো ব্যক্তি মোট দশ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।
১৫। প্রধানমন্ত্রী একযোগে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রধান হতে পারবেন না।
১৬। সংবিধানসম্মত ও বিস্তারিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন করা হবে।
১৭। বাংলাদেশে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ ব্যবস্থা চালু করা হবে।
১৮। উচ্চকক্ষে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে ১০০ সদস্য থাকবে।
১৯। উচ্চকক্ষ আইন পর্যালোচনা করবে, তবে স্থায়ী ভেটো ক্ষমতা থাকবে না।
২০। উচ্চকক্ষের সদস্যদের যোগ্যতা নিম্নকক্ষের সমমানের হবে।
২১। সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব প্রতি নির্বাচনে ন্যূনতম ৫% করে বৃদ্ধি করে ১০০ আসনে উন্নীত করা হবে। তবে এটি পুরোপুরি কোটা নয়; দলীয় মনোনয়নে নারীর অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করে কোটা কেবল একটি অস্থায়ী সহায়ক ব্যবস্থা হিসেবে থাকবে।
২২। রাজনৈতিক দলসমূহ ধাপে ধাপে কমপক্ষে ৩৩% নারী প্রার্থী মনোনয়ন দেবে।
২৩। সংসদের উভয় কক্ষে একজন করে ডেপুটি স্পিকার বিরোধী দল থেকে মনোনীত হবেন।
২৪। সংসদের গুরুত্বপূর্ণ নজরদারি কমিটির সভাপতির পদ বিরোধী দল পাবে।
২৫। অর্থ বিল ও অনাস্থা ভোট ছাড়া সংসদ সদস্যরা দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দিতে পারবেন।
২৬। জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক চুক্তি সংসদের অনুমোদন সাপেক্ষ হবে।
২৭। প্রতি আদমশুমারি বা সর্বোচ্চ দশ বছর পর সংসদীয় আসন পুনর্নির্ধারণ করা হবে।
২৮। প্রধান বিচারপতি আপিল বিভাগের বিচারকদের মধ্য থেকে নিয়োগ পাবেন।
২৯। আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠতম বিচারক প্রধান বিচারপতি হবেন।
৩০। প্রয়োজন অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের বিচারক সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে।
৩১। সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগের জন্য বিচারিক নিয়োগ কমিশন গঠন করা হবে।
৩২। বিচারিক নিয়োগ কমিশন সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে।
৩৩। বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা সংবিধানে স্পষ্টভাবে নিশ্চিত করা হবে।
৩৪। সার্কিট বেঞ্চের পরিবর্তে বিভাগীয় স্থায়ী বেঞ্চ প্রতিষ্ঠা করা হবে।
৩৫। বিচারকদের শৃঙ্খলা ও অপসারণে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল শক্তিশালী করা হবে।
৩৬। অধস্তন আদালতের বিচারকদের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ সুপ্রিম কোর্টের হাতে ন্যস্ত হবে।
৩৭। স্থায়ী রাষ্ট্রীয় আইন কর্মকর্তা (গভর্নমেন্ট অ্যাটর্নি) সার্ভিস গঠন করা হবে।
৩৮। নির্বাচন কমিশনাররা স্বচ্ছ ও বহুদলীয় প্রক্রিয়ায় নিয়োগ পাবেন।
৩৯। সংবিধান অনুযায়ী একজন ন্যায়পাল নিয়োগ দেওয়া হবে।
৪০। তিনটি স্বাধীন সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা করা হবে।
৪১। মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক সংসদীয় প্রক্রিয়ায় নিয়োগ পাবেন।
৪২। দুর্নীতি দমন কমিশনকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে উন্নীত করা হবে।
৪৩। ব্যক্তিগত স্বার্থে সাংবিধানিক ও আইনগত ক্ষমতার অপব্যবহার নিষিদ্ধ করা হবে।
৪৪। স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্বাচন কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে।
৪৫। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহ পূর্ণ আর্থিক স্বায়ত্তশাসন ভোগ করবে।
৪৬। স্থানীয়ভাবে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তারা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন।
৪৭। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা পাবে।
৪৮। সংসদ ও সংসদ সদস্যদের অধিকার ও দায়বদ্ধতা নির্ধারণে পৃথক আইন প্রণয়ন করা হবে।
৪৯। সংসদীয় আসন পুনর্নির্ধারণে তাৎক্ষণিক সংস্কার গ্রহণ করা হবে।
৫০। বিচারকদের জন্য বাধ্যতামূলক আচরণবিধি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা হবে।
৫১। অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদের জন্য পৃথক আচরণবিধি প্রবর্তন করা হবে।
৫২। সুপ্রিম কোর্টের জন্য স্বাধীন প্রশাসনিক সচিবালয় গঠন করা হবে।
৫৩। একটি স্বাধীন ফৌজদারি তদন্ত সংস্থা প্রতিষ্ঠা করা হবে।
৫৪। মামলার জট কমাতে বিচারক সংখ্যা ও বিশেষ আদালত বৃদ্ধি করা হবে।
৫৫। জাতীয় আইন সহায়তা সংস্থাকে অধিদপ্তরে উন্নীত করা হবে।
৫৬। বিচারক ও আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশ বাধ্যতামূলক হবে।
৫৭। আদালত ব্যবস্থাপনা সংস্কার ও পূর্ণাঙ্গ ডিজিটালাইজেশন করা হবে।
৫৮। মধ্যস্থতা ও সালিশ সংক্রান্ত আইন আধুনিকায়ন করা হবে।
৫৯। আইনজীবীদের আচরণবিধি আধুনিক ও রাজনীতিমুক্ত করা হবে।
৬০। রাজনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট আইনজীবী সংগঠন বার নির্বাচনে নিষিদ্ধ হবে।
৬১। বিচারকদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা পক্ষপাতমূলক আচরণ হিসেবে গণ্য হবে।
৬২। তথ্য অধিকার আইন শক্তিশালী ও সম্প্রসারিত করা হবে।
৬৩। অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট সংশোধন করে স্বচ্ছতার সঙ্গে সামঞ্জস্য করা হবে।
৬৪। গণহত্যা ও নির্বাচনী জালিয়াতি তদন্তে স্বাধীন কমিশন গঠন করা হবে।
৬৫। স্থায়ী জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন প্রতিষ্ঠা করা হবে।
৬৬। সাধারণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে পৃথক সরকারি কর্ম কমিশন থাকবে।
৬৭। নিরীক্ষা ও হিসাব বিভাগ পৃথক করা হবে।
৬৮। কুমিল্লা ও ফরিদপুর নামে দুটি নতুন প্রশাসনিক বিভাগ গঠন করা হবে।
৬৯। একটি স্বাধীন পুলিশ কমিশন প্রতিষ্ঠা করা হবে।
৭০। অবৈধ আয়কে বৈধ করার যেকোনো আইনগত প্রথা নিষিদ্ধ করা হবে।
৭১। স্বার্থের সংঘাত রোধে পৃথক আইন প্রণয়ন করা হবে।
৭২। প্রকৃত মালিকানা নিবন্ধনের মাধ্যমে অর্থপাচার ও দুর্নীতি প্রতিরোধ করা হবে।
৭৩। রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের অর্থায়ন সম্পূর্ণ স্বচ্ছ করা হবে।
৭৪। জনপ্রতিনিধিদের বার্ষিক সম্পদ ও আয় বিবরণী প্রকাশ বাধ্যতামূলক হবে।
৭৫। রাজনৈতিক দলগুলো দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মনোনয়ন বা পদায়ন করবে না।
৭৬। দুর্নীতি দমন কমিশনারদের যোগ্যতার পরিধি সম্প্রসারণ করা হবে।
৭৭। দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যক্রম নিয়মিত পর্যালোচনার আওতায় আনা হবে।
৭৮। দুর্নীতি মামলায় পূর্বানুমতির বিধান বাতিল করা হবে।
৭৯। কর গোপনীয়তা আইন দুর্নীতি তদন্তে বাধা হতে পারবে না।
৮০। বেসরকারি খাতের দুর্নীতিকে স্বতন্ত্র অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।
৮১। আর্থিক স্বচ্ছতার জন্য কমন রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ডস গ্রহণ করা হবে।
৮২। জাতীয় দুর্নীতিবিরোধী কৌশল প্রণয়ন করা হবে।
৮৩। সকল সরকারি সেবা সম্পূর্ণভাবে ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় করা হবে।
৮৪। বাংলাদেশ ওপেন গভর্নমেন্ট পার্টনারশিপে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেবে।
22/04/2025
Have a nice day!
19/04/2025