STPL SEASON 06 এর উদ্বোধনী ম্যাচের পূর্বে। 😄
Pitch Pirates 2014
জয়পুরহাট সদর থানা উচ্চ বিদ্যালয় ২০১৪ ব্যাচের ক্রিকেট টিমের অফিসিয়াল পেজ। অদ্বয় ১৪, জয়পুরহাট সদর থানা উচ্চ বিদ্যালয় ২০১৪ ব্যাচের ক্রিকেট টিমের অফিসিয়াল পেজ।
বৃষ্টিস্নাত দিনেও চলুক ক্রিকেট 😁
আসসালামু আলাইকুম।
আশা করি সকলেই ভালো আছেন।
STPL সিজন ০৬ এর বিভিন্ন ইস্যু,হিসাব নিকাশ এবং সেমিফাইনাল ম্যাচের বিতর্কিত ঘটনার প্রেক্ষিতে আজকে STPL সিজন ০৬ পরিচালনা কমিটি এবং সকল ব্যাচের মধ্যে এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সিজন ০৬ এর সকল আয় ব্যায়ের হিসাব নিকাশ দাখিল শেষে বিভিন্ন ব্যাচের পক্ষ থেকে তাদের অভিযোগ শোনেন বড় ভাইয়েরা।
২০১৪ ব্যাচের পক্ষ থেকে জানানো অভিযোগের প্রেক্ষিতে কমিটি তাদের সীমাবদ্ধতা,আম্পায়ারিং এর ভুল, ছোট খাটো মিস ম্যানেজমেন্ট স্বীকার করে নেয়।
একই সাথে ২০১৪ ব্যাচের পক্ষ থেকেও হিট অফ দ্যা মোমেন্টে তাদের ইমোশনের জায়গা থেকে তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় যেটুকু নেগেটিভ কমেন্ট করেছে তার জন্যে তারাও তাদের ভুল স্বীকার করে নেয়।
পরিশেষে STPL আমাদের প্রানের জায়গা।আগামী দিন গুলোতে এই টুর্নামেন্ট যেন আরো বেশি স্বচ্ছতা আরো বেশি সুষ্ঠু সুন্দর ভাবে আয়োজিত হয় সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করে মিটিং শেষ হয়।
আমরা ২০১৪ ব্যাচ প্রত্যাশা করি এবারের আয়োজনের ভুল ত্রুটি গুলো সামলে আগামী দিন গুলোতে STPL তার সমহিমায় আরো এগিয়ে যাবে।
অদ্বয় ১৪ এবং Pitch Pirates 2014 এর পক্ষ থেকে সবার জন্যে শুভকামনা রইলো।
সেমিফাইনাল ম্যাচ।
টুর্নামেন্ট এর সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ ৩টা ম্যাচের একটা ম্যাচ। টুর্নামেন্ট শুরুর সময়ের শিডিউলে সেই ম্যাচ শুরু হওয়ার কথা ছিল সকাল ৮ টায়। পরে আগামীকাল কখন সময় চেঞ্জ হয়ে সকাল ৯টা হয়েছে। আমাদের অনেকেই সেটা জানতেও পারে নি।
সকাল ৯টার সময়ে আমরা সকলেই উপস্থিত থাকলেও বিপক্ষ টিমের দু একজন মাত্র উপস্থিত ছিলেন। এবং হাস্যকর কথা হলো ৯টায় ম্যাচ শুরুর টাইম থাকলেও ৯টায় কমিটির পক্ষ থেকে মাত্র একজন উপস্থিত ছিলেন। এই অবস্থায় শুরুতেই একটা বিশৃঙ্খলার সূচনা করে প্রায় আধা ঘন্টা পরে খেলা শুরু করে কমিটি।
বিপক্ষ টিমের একজন বোলার চাক বল করে। ম্যাচ শুরুর আগে টসের সময় কমিটির কাছে আমরা বিনীত ভাবে জানাই যে, ভাই আমাদের কোনো চাক বোলার নাই।আমরা চাক বল করবো না।আমরা চাক বল খেলবো না। কমিটি আশ্বাস দিল চাক বল খেলতে হবে না।
সেকেন্ড ইনিংসে বোলিংয়ে এসে সেই বোলার চাক বল করা শুরু করলো। প্রথম ওভার শেষে আবারও কমিটির কাছে বিনীত ভাবে জানানো হলো যে ভাই বল চাক করতেছে।এক ওভার করে ফেলেছে।আর যেন উনি বল না করে। কমিটি আশ্বাস দিল ঐ বোলার আর বল করবে না।
এরপর আবার সেই একই বোলার বল করলো।মাঠে ঝামেলা হলো।এবার কমিটি মাঠে গেল। দুই টিমের সাথে কথা হলো।আমাদেরকে কমিটির তরফ থেকে আশ্বাস দিল চাক হলে আম্পায়ার নো বল দিবে।ঠিক তারপরেই আবারও সেই চাক।
ব্যাটসম্যান আম্পায়ারকে চাকের কথা বললে আম্পায়ার বলে ইন্টারন্যাশনাল ম্যাচেও নাকি চাক আছে। আরেকজন ব্যাটসম্যান চাকের কথা বললে আম্পায়ার বলতেছে আচ্ছা হোক হোক।একজন আম্পায়ার একটা সেমিফাইনাল ম্যাচে এই ধরনের কান্ডজ্ঞানহীন পক্ষপাতিত্ব মূলক কর্থাবার্তা কীভাবে বলতে পারে আমাদের জানা নেই।
এত সব অনিয়মের পরে আমরা খেলতে না চাইলে কমিটির পক্ষ থেকে নানা রকম তালবাহানা শুরু করা হয়। একজন বলেন, আমাদের রান কম জন্যে আমরা ঝামেলা করছি। সেই ভাই হয়তো জানেন কিনা জানি না যে গত ২টা ম্যাচ আমরা ১০ উইকেটে জিতেছি। গতকাল আমরা ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ২০১৫ কে ১০ উইকেটে হারিয়েছি। কমিটির আরেক জন বলেন আমাদের ব্যাটসম্যান কেন বল ছেড়ে দিল না। অথচ তার আগের বলেই অপর প্রান্তে থাকা ব্যাটসম্যান আম্পায়ারকে চাকের কথা জানালে সে নির্বিকার ভাবে সেটা পাশ কাটিয়ে যায়। মাঠে দুইটা আম্পায়ার, মাঠের বাইরে কমিটির এত জন মানুষ এতসব কিছু থাকার পরেও চাক হচ্ছে নিয়মিত, সেটা যদি ব্যাটসম্যানকে ধরতে হয়। তাহলে আম্পায়ার, কমিটি এসবের কি প্রয়োজন এটাও আমাদের বোধগম্য হয় না।
কমিটির কাছে কোনটা নায্য কোনটা অনায্য এইটা তারা একবারের জন্যেও বিবেচনায় আনেন নাই। তারা ২০১২ ব্যাচের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করে এই বোলার ছাড়া খেলতে পারবি কিনা! এ যেন কমিটির টিম!
এরপর ২০১২ ব্যাচের সিদ্ধান্ত মোতাবেক কমিটি তখন জানায় যে ওই বোলারের ২ ওভার হয়ে গেছে, এরপরে সে আর বল করবে না।এই শর্তে আমাদের খেলতে হবে। অথচ ১০ ওভারের খেলায় একজন বোলার সর্বোচ্চ বলই করতে পারে ৩ ওভার।২ ওভার করে ফেলেছে।এরপর আর ওনার বল করা না করায় কিছু যায় আসে না।এই সামান্য জিনিসটুকু কমিটি বোঝার প্রয়োজন বোধ করে নাই।
আমরা তখন দাবি জানাই যে ঐ বোলারের দুই ওভার করেছে।এর মধ্যে তার শেষ ওভার টা বাদ দিতে হবে। এই শর্তে আমরা খেলতে রাজি। তা না হলে আমরা খেলবো না।১২ ব্যাচকে জয়ী ঘোষণা করে দিক কমিটি।
যেহেতু কমিটি শুধু স্পেসিফিক কয়েকটা ব্যাচের জন্যেই। বাকি ব্যাচের খুব একটা প্রয়োজন তাদের নেই। এই কারণে আমাদের কোনো কথাকে তারা কর্নপাত করার প্রয়োজন বোধ করে নাই। তারা আমাদেরকে ৫ মিনিট সময় দেয় আমাদের ডিসিশন জানানোর জন্যে।অন্যদিকে কমিটি নিজে কোনো সিদ্ধান্ত না দিয়ে, ১২ ব্যাচের দেওয়া সিদ্ধান্তকেই কমিটি নিজের সিদ্ধান্ত হিসেবে গ্রহন করে সেটাতে অটল থাকে। আমরাও আমাদের সিদ্ধান্ত অনড় থাকি। এবং কমিটি ১২ ব্যাচকে জয়ী ঘোষণা করে।
কমিটির এই পক্ষপাত মূলক আচরণ, এবং এই ধ্বজভঙ্গ আম্পায়ারিং এর বিরুদ্ধে সদর থানা উচ্চ বিদ্যালয় এর ২০১৪ ব্যাচের টিম পিচ পাইরেটস ধিক্কার জানাচ্ছে এবং তিব্র নিন্দা জানাচ্ছে। একই সাথে কমিটির এই ব্যাচ ভিত্তিক পক্ষপাত মূলক আচরণ পরিবর্তন না হওয়া অবধি পিচ পাইরেটস টিম সদর থানা প্রিমিয়ার লীগ বয়কট ঘোষণা করছে।
আমাদের সাথে থাকার জন্যে আমাদের সকল শুভাকাঙ্ক্ষীকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ।
২য় ম্যাচ ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ১৫ কে ১০ উইকেটে হারিয়েছে পিচ পাইরেটস।
অভিনন্দন পিচ পাইরেটস টিমকে।
আলহামদুলিল্লাহ
প্রথম ম্যাচ ১০ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ।
07/06/2025
STPL SEASON 06 এ Pitch Pirates 2014 এর প্রথম প্রতিপক্ষ Fire 97
দুই দলের জন্যেই শুভ কামনা রইলো।
চমক থাকছে আজ রাত ১০:৩০ মিনিটে.....
আপনি কি জেগে থাকবেন?
06/06/2025
গতকাল ০৫ জুন ২০২৫, সার্কিট হাউজ মাঠে পিচ পাইরেটস টিমের সকল সদস্য, অদ্বয় ১৪ এর সদস্যবৃন্দ এবং সম্মানিত স্পনসর বৃন্দের উপস্থিতিতে এক জমকালো আয়োজনের মধ্যে দিয়ে সদর থানা প্রিমিয়ার লিগ সিজন ০৬ উপলক্ষ্যে পিচ পাইরেটস টিমের জার্সি উন্মোচন করা হয়। 🤩
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Joypur
5900