19/03/2026
আসক্তি আমাদের দুঃখের কারণ।
ɪꜰ ʏᴏᴜ ᴡᴀɴᴛ? ᴛʜᴇɴ ʏᴏᴜ ᴄᴀɴ ᴡʀɪᴛᴇ ᴛᴏ ᴍᴇ, ɪ ᴡɪʟʟ ʟɪꜱᴛᴇɴ ᴛᴏ ʏᴏᴜʀ ᴘʀᴏʙʟᴇᴍꜱ.🫂
𝑰 𝒂𝒎 𝒂 𝒕𝒓𝒂𝒊𝒏𝒆𝒓, 𝒂𝒔 𝒘𝒆𝒍𝒍 𝒂𝒔 𝒂 𝒎𝒊𝒏𝒅 𝒎𝒐𝒕𝒊𝒗𝒂𝒕𝒐𝒓.🫵🏻
https://chithi.me/puffypockets ✍🏻
19/03/2026
আসক্তি আমাদের দুঃখের কারণ।
13/02/2026
"আমি তাকে দিচ্ছি কারণ আমি দিতে চাই, বিনিময়ে সে আমাকে কী দিল তা আমার দেখার বিষয় নয়"_
যম(অপরিগ্রহ)
Restock
31/01/2026
আয়ুর্বেদিক বা স্বাস্থ্যসম্মত নিয়ম অনুযায়ী আদর্শ অনুপাত ধরা হয় ৩৩% (এক-তৃতীয়াংশ) করে।
28/01/2026
আপনার শরীরের ধরন (Body Type) চিনে নিয়ে নিচের তালিকা থেকে আপনার জন্য উপযোগী ডায়েটটি বেছে নিন:
১. বাত (Vata) - যদি আপনি রোগা হন এবং ত্বক শুষ্ক থাকে
বাত প্রকৃতির মানুষের হজম ক্ষমতা অনিয়মিত হয় এবং তারা প্রায়ই ঠান্ডা অনুভব করেন।
কী খাবেন: গরম, আর্দ্র এবং পুষ্টিকর খাবার। ঘি, মিষ্টি ফল (কলা, আম), রান্না করা সবজি এবং আদা-দারুচিনি মেশানো দুধ।
কী এড়িয়ে চলবেন: কাঁচা সালাদ, অতিরিক্ত ঠান্ডা পানীয়, শুকনো খাবার (যেমন- পপকর্ন বা চিপস) এবং তিতা স্বাদের খাবার।
২. পিত্ত (Pitta) - যদি আপনি মাঝারি গড়নের এবং আপনার মেজাজ দ্রুত গরম হয়
পিত্ত প্রকৃতির মানুষের হজম শক্তি খুব ভালো কিন্তু তাদের শরীরে তাপ বেশি থাকে।
কী খাবেন: ঠান্ডা ও প্রশান্তিদায়ক খাবার। শসা, তরমুজ, নারিকেল পানি, মিষ্টি শাকসবজি এবং প্রচুর পানি। রান্নায় ধনিয়া ও মৌরি ব্যবহার করুন।
কী এড়িয়ে চলবেন: অতিরিক্ত ঝাল, ভাজাপোড়া, টক দই, ভিনেগার এবং ক্যাফেইন (চা-কফি)।
৩. কফ (Kapha) - যদি আপনি স্থূলকায় হন এবং শরীর ভারী লাগে
কফ প্রকৃতির মানুষের মেটাবলিজম ধীর গতির হয় এবং তারা খুব সহজেই ওজন বাড়িয়ে ফেলেন।
কী খাবেন: গরম, হালকা এবং শুকনো খাবার। বার্লি, জোয়ার-বাজরা, করলা, মেথি এবং ঝাল মসলাযুক্ত খাবার।
কী এড়িয়ে চলবেন: মিষ্টি খাবার, দুগ্ধজাত পণ্য (চিজ, মাখন), অতিরিক্ত লবণ এবং দিনের বেলা ঘুমানো।
Momta Islam Mitul
Certified
Hatha yoga trainer
26/01/2026
"আমি নিজের শান্তির জন্য তাকে ক্ষমা করে দিচ্ছি এবং মুক্ত করছি। আমার সুখ অন্যের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল নয়।"
25/01/2026
🤰🏻গর্ভাবস্থায় ব্যায়াম করার লিস্ট বা পরামর্শ।
১. মার্জারিআসন ও বিটিলাসন (Cat-Cow Pose):
এটি পিঠের ব্যথা কমাতে এবং মেরুদণ্ড নমনীয় রাখতে সবচেয়ে কার্যকর। এটি শিশুর সঠিক পজিশনে আসতেও সাহায্য করে।
২. বদ্ধ কোণাসন (Bound Angle Pose/Butterfly):
পেলভিক ফ্লোর বা কুঁচকির পেশি প্রসারিত করতে সাহায্য করে, যা পরবর্তীকালে প্রসবের সময় কাজে লাগে। তবে খুব জোরে ঝাঁকুনি দেবেন না।
৩. বীরভদ্রাসন ২ (Warrior II):
পা এবং কোমরের শক্তি বাড়ানোর জন্য এটি দারুণ। তবে ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রয়োজনে দেয়ালের সাহায্য নিতে পারেন। এটি আত্মবিশ্বাস এবং মানসিক স্থিরতা বাড়ায়।
৪. উত্থিত ত্রিকোণাসন (Extended Triangle Pose):
শরীরের দুপাশের পেশি প্রসারিত করতে এটি সাহায্য করে। তবে খেয়াল রাখবেন পেটে যেন কোনো চাপ না পড়ে।
৫. তড়াসন (Mountain Pose):
সঠিক অঙ্গবিন্যাস (Posture) বজায় রাখার জন্য এটি নিয়মিত করা উচিত, কারণ এই সময় পেটের ভারে শরীরের কেন্দ্রবিন্দু (Center of gravity) বদলে যায়।
প্রাণায়াম: অনুলোম-বিলোম এবং ভ্রামরী প্রাণায়াম মানসিক প্রশান্তি ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করবে। তবে কুম্ভক (শ্বাস আটকে রাখা) একেবারেই করবেন না।
সতর্কতা। 🖐🏻
উপুড় হয়ে শোয়া নিষেধ: এই সময় উপুড় হয়ে বা একেবারে চিৎ হয়ে বেশিক্ষণ শুয়ে থাকা আসনগুলো এড়িয়ে চলুন। বাম কাতে শোয়া বা আধশোয়া হয়ে বিশ্রাম নিন।
পেটে চাপ নয়: এমন কোনো টুইস্টিং বা বাঁকানো আসন করবেন না যা সরাসরি জরায়ু বা পেটে চাপ সৃষ্টি করে।
25/01/2026
মেনে নিতে শিখো, সংসারে থেকেও তুমি সংসারী নও,তুমি এক চিরন্তর অভিযাত্রী। মানুষের স্মৃতি থেকে মুছে যাওয়া এক ধরনের আধ্যাত্মিক মৃত্যু। আর প্রতিটি মৃত্যুর পরই থাকে এক মহিমান্বিত পূর্ণ জন্ম। 🧬❤️
21/01/2026
Mind, Body & Soul Alignment practice daily.
আজ একুশে জুন বিশ্ব যোগ দিবস।
অতঃপর যোগাসন সম্পর্কে কিছু ধারনা।🙂
যোগাসনের উপকারিতা
শারীরিক ও মানসিক ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করে।
শরীরে জমে থাকা বিষ (টক্সিন) দূর করতে যোগাসন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
যোগাসন আমাদের পেটের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ—যেমন পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদান্ত্র, যকৃৎ কার্যকর করে। ফলে হজমশক্তি উন্নত হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
চাপ দূর করতে যোগাসনের বিকল্প নেই।
শরীরের রক্তসঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে যোগাসন, যার ফলে অভ্যন্তরীণ শক্তিপ্রবাহের মাত্রা বেড়ে যায়, ফলে আমরা কর্ম–উদ্যমী হয়ে উঠি।
শরীর মন ও আত্মার একত্রকরণের মাধ্যমে যোগাসন কোনো একটি বিষয়ের প্রতি একাগ্রতা আনতে সহায়তা করে।
মনের চঞ্চলতা কমায়, ধৈর্যশক্তি বাড়ায়।
মেয়েদের পিরিয়ডের সময় ব্যথা নিরাময় করতে সাহায্য করে, নারীদের ডিম্বাশয় ভালো থাকে। ফলে প্রজননক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।
যোগাসন বিচলিত–বিক্ষিপ্ত মনকে শান্ত করতে সাহায্য করে। এতে চিন্তা করার দক্ষতা বাড়ে এবং আমরা সৃজনশীল হয়ে উঠতে পারি।
যোগাসন করার সময়
অনেকেই চিন্তা করেন এই ব্যস্ততাময় জীবনে সময় কোথায় যোগাসনের, তাঁদের জন্য বলছি। খাবার গ্রহণের দুই ঘণ্টার মধ্য ব্যতীত দিনের যেকোনো সময় যোগাসন করা যেতে পারে। যোগবিজ্ঞান অনুসারে বলা যায় যে সূর্যোদয়ের দুই ঘণ্টা আগে যখন প্রকৃতি থাকে শান্ত, পরিশুদ্ধ এবং আমাদের অন্ত্র, পাকস্থলী সম্পূর্ণ ফাঁকা থাকে, তখন যোগাসনের জন্য উপযুক্ত সময়। প্রকৃতির এই অফুরান প্রাণশক্তি আমাদের অবচেতন মনের ওপর প্রভাব বিস্তার করে। এ জন্য আমরা একটি সুন্দর দিন শুরু করতে পারি। সময়ের অভাবে যোগাসন থেকে বিরত না থেকে আমরা যদি আমাদের কাজের ফাঁকে ফাঁকে কিছু অনুশীলন করি, তবে সারা দিন প্রাণবন্ত থাকা যাবে।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
যোগাসন অনুশীলনের জন্য কোনো বয়সসীমা নাই, যেকোনো বয়সের নারী–পুরুষ যোগাসন করতে পারেন। তবে একা একা অনুশীলন না করে কোনো দক্ষ প্রশিক্ষকের সহায়তা নেওয়া ভালো।
গর্ভাবস্থায় যোগব্যায়াম অনুশীলন খুবই উপকারী। তবে অনুশীলনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
শরীরের ওপর অতিরিক্ত জোর দিয়ে অথবা শরীরে ব্যথা নিয়ে যোগাসন চর্চা করা ঠিক না, সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
যোগাসন অনুশীলনের জন্য জায়গাটি হবে এমন—যেখানে অবাধে বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা রয়েছে। আবার ঘরের বাইরেও অনুশীলন করা যেতে পারে, তবে খেয়াল রাখতে হবে পরিবেশটি যেন কোলাহলমুক্ত মনোরম হয়। খুব বেশি গরম বা ঠান্ডা জায়গায় যোগাসন অনুশীলন করা ঠিক না।
যোগাসনের জন্য ম্যাট ব্যবহার করা ভালো। ম্যাট না থাকলে মোটা কাপড়, কাঁথা বা কম্বল ব্যবহার করা যেতে পারে। খেয়াল রাখতে হবে, ম্যাট বা জায়গাটি যেন পিচ্ছিল না হয়।
যোগাসন চর্চার আগে ঠান্ডা পানিতে গোসল করা যেতে পারে। এতে শরীর ও মন সতেজ থাকবে।
যোগাসনের পোশাক হবে হালকা এবং আরামদায়ক। অনুশীলনের সময় চশমা, ঘড়ি খুলে রাখতে হবে।
যোগাসন অনুশীলন করার জন্য শুধু নিরামিষ খাবার খেতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। তবে পরিমিত ও সহজপাচ্য খাবার খাওয়া ভালো। সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা জরুরি।
যোগাসন অনুশীলনের সময় বিশ্রাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি আসনের মধ্যে বিশ্রাম নিতে হবে।
যোগাসনের উপকারিতা এক দিনে পাওয়া যাবে না। নিয়মিত বুঝে ও জেনে প্রয়োজন অনুযায়ী আসনগুলো অনুশীলন করলে অনেক ভালো ফল পাওয়া যাবে।