11/04/2026
প্রশ্ন যখন স্বার্থ তখন রাস্তা ধরব অসৎ।আবার ইনসাফের কথা হবে মুখে মুখে ভিতরে ব্যাপক স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে করব দূর্নীতি।
বলছিলাম সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানার তারালী ইউনিয়নে অবস্থিত তারালী কেন্দ্রীয় আলিম মাসরাসার চতুর্থ শ্রেণীর কর্মকর্তা নিয়োগের ব্যাপারে চরম দূর্নীতি অনিয়ম আর অমানবিকতার চিত্র ফুটে উঠেছে।
কয়েক মাস আগে উক্ত প্রতিষ্ঠানে পিয়ন পদে একটা পদ খালি ছিল।উক্ত পদে নিযুক্ত করার জন্য প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপালের সাথে নলতা ইউনিয়নের পাইকাড়া গ্রামের একজন যুবকের চুক্তি হয়েছিল।কিন্তু প্রিন্সিপাল মহোদয় উক্ত পদে নিজের ছেলেকে নিযুক্ত করেন।এবং উক্ত যুবককে আলিম শ্রেণীর একটা প্রস্তাবিত পদে দরখাস্তের জন্য বলা হয়।যে পদের বেতনের নিশ্চয়তা ছিলনা।এতে যুবক অসীকৃতি জানায়।সাথে সাথে ওই যুবককে কিন্তু দীর্ঘদিন বিনা বেতনে চাকরি করিয়েছিলেন প্রতিষ্ঠান প্রধান মাওলানা আবু দাউদ আনসারী সাহেব।
এখন প্রশ্নে আসি উক্ত প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এবং বাকি সদস্যগুলো কি করছিলেন তারা কেন প্রতিবাদ জানাননি?
উক্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত একজন আয়া ছিলেন।তিনি অনত্র ভাল চাকুরি লাভের কারনে স্বীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেন।এখন উক্ত পদে প্রতিষ্ঠান প্রধানের মেয়েকে নিযুক্ত করা হয়।
এবার আসুন একজন প্রতিষ্ঠান প্রধানের বাসায় কতজন সরকারী চাকুরিজীবি থাকলে চাহিদা পূরণ হয়?বাবা ছেলে এবং মেয়ে তিনজন একই মাদরাসার কর্মচারী।বাহ কি নিখুঁত সমীকরণ?
এবার আসুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কোন পত্রিকায় প্রকাশ হয়েছিল সেটাও তারা বলতে পারছেন না।আর মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও বাকি সদস্যরা কি তবে এই কারচুপির সঙ্গে জড়িত?
যেখানে উক্ত পদগুলোতে গরীব অসহায় ও সেই সাথে সাথে যোগ্য ব্যক্তিদের নিযুক্ত হওয়ার কথা ছিল।কিন্তু কেন এই বৈষম্য কেন নিয়োগ বোর্ডের নামে এই দূর্নীতি।এটা কি ইনসাফের আওতায় পড়ে?
ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের বলব এই সমস্ত অপকর্মের দ্বায় আপনারা এড়াতে পারবেন না।ইহকাল এবং পরকালে আপনাদের জবাবদীহি করতে হবে।উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত সকল লেবাসধারীদের ইনসাফের নমুনা এগুলো।ধন্যবাদ।
জনস্বার্থে পোস্ট টি শেয়ারের অনুরোধ রইল।
08/04/2026
৪৮ ঘন্টা শেষ হতে আর মাত্র কয়েক ঘন্টা বাকি,,,কথা ছিলো তারা ভয়ে পালিয়ে যাবে। অথচ গোটা একটা জাতি সব ভয়ভীতি উপেক্ষা করে,রাজপথে নেমে এসেছে। মুহমুহ আল্লাহু আকবর ধনীতে,কেপে উঠছে ইরানের শহর এবং রাজপথ।।💝
এই সভ্যতার শেষ কি সম্ভব??
06/04/2026
দড়ি ও বাঁশ বেয়ে মসজিদে যাওয়া নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার নগর ইউনিয়নের বড়দেহা গ্রামের সেই অন্ধ মুয়াজ্জিন আলহাজ্ব মোঃ আঃ রহমান মোল্লা ১২০ বছর বয়সে ৫ এপ্রিল ২০২৬ রবিবার সন্ধা ৬ টা ৩০ মিনিটে বার্ধক্য জনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাইহি রাজিউন)
04/04/2026
“গরীব ঘরের রাজকন্যা”—নাকি আমাদের অসুস্থ সৌন্দর্যপূজার আরেকটি প্রকাশ?
সিলেটের জিন্দাবাজারে ফুল বিক্রি করা একটি ছোট্ট মেয়ের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। অসংখ্য মানুষ তার “মিষ্টি হাসি”, “কিউট চেহারা”, “সুন্দর চোখ” দেখে আবেগে ভেসে যাচ্ছেন। কেউ তাকে বলছেন “গরীব ঘরের রাজকন্যা”, কেউ আবার দীর্ঘ স্ট্যাটাস লিখে তার সৌন্দর্যের প্রশংসা করছেন।
কিন্তু একটি প্রশ্ন কি আমরা নিজেদের করেছি?
যারা আজ এই মেয়েটিকে নিয়ে এত আবেগ, ভালোবাসা আর অনুভূতি প্রকাশ করছেন, তারা কি রাস্তায় থাকা অন্য শিশুদের নিয়েও এমনভাবে ভাবেন?
বাস্তবতা হলো—না, আমরা ভাবি না।
প্রতিদিন এই দেশের রাস্তায় অসংখ্য শিশু ফুল বিক্রি করে, টিস্যু বিক্রি করে, পানি বিক্রি করে। কেউ জুতা পালিশ করে, কেউ ভিক্ষা করে। তাদের বেশিরভাগই কোনোদিন ভাইরাল হয় না, তাদের জন্য কেউ “রাজকন্যা” বা “রাজপুত্র” শব্দ ব্যবহার করে না।
কারণ তারা আমাদের চোখে “সুন্দর” নয়।
এই মেয়েটি সুশ্রী বলেই আমরা তাকে নিয়ে আবেগী হয়ে উঠেছি। তার ছবি শেয়ার করে, তার গল্প লিখে আমরা যেন নিজেদের মানবিক দেখানোর একটা সুযোগ পাচ্ছি।
এমনকি শুনলাম, একজন ধনী ব্যক্তি তার ভবিষ্যৎ জীবনের দায়িত্ব নিয়েছেন। নিঃসন্দেহে এটা ভালো উদ্যোগ। কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায়—তিনি কি সত্যিই সব রাস্তার শিশুর দায়িত্ব নিতে এগিয়ে আসতেন? নাকি এই মেয়েটি সুন্দর এবং ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়ে গেছে বলেই এই উদ্যোগটি সামনে এসেছে?
এই ভাইরাল হওয়ার সংস্কৃতির মধ্যেই যেন আমাদের মানবিকতা বন্দি হয়ে গেছে। আজকাল সহানুভূতিও যেন ভাইরালিটির উপর নির্ভর করে।
অথচ আমাদের কথা বলা উচিত ছিল রাস্তায় থাকা প্রতিটি শিশুকে নিয়ে। সেই সব শিশুদের নিয়ে, যারা দারিদ্র্যের কারণে স্কুলে যেতে পারে না। যারা সামাজিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত। যারা ছোট বয়সেই কঠিন জীবনের বোঝা বইতে বাধ্য হয়।
তারা দেখতে সুন্দর হোক বা কালো হোক, মোটা হোক বা রোগা—তাতে কী আসে যায়?
মনে রাখা দরকার, প্রতিটি শিশুই ফুলের মতো সুন্দর। আল্লাহ্ প্রত্যেক মানুষকেই উত্তম ও সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন। পৃথিবীতে “অসুন্দর শিশু” বলে কিছু নেই।
তাই শুধু একটি ভাইরাল মুখকে কেন্দ্র করে আবেগ দেখানো নয়, আমাদের দরকার দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। দরকার এমন এক মানবিকতা, যা সৌন্দর্য বা ভাইরালিটির উপর নির্ভর করে না।
কারণ সত্যিকারের মানবিকতা তখনই প্রকাশ পায়, যখন আমরা সব শিশুকে সমান চোখে দেখতে শিখি।
কিংকর্তব্যবিমূঢ় বিবেক
02/04/2026
ফুল বিক্রেতা নিজেও জানে না—সে নিজেই একটা ফুল 🌼
বাংলাদেশের দ্বিতীয় লন্ডন Sylhet শহরের
Zindabazar Point-এ এই পিচ্চিটা ফুল বিক্রি করে…
ওরে দেখে একটা কথাই মাথায় আসলো—
“হাজারও ফুল পথের ধারে ফোটে,
সব ফুলের কপালে কি আর ফুলদানি জোটে 💔”
এই ছোট্ট মেয়েটার হাসির আড়ালে লুকানো আছে হাজারো কষ্ট,
যে বয়সে স্বপ্ন দেখার কথা, সে বয়সেই বাস্তবতার সাথে লড়াই…
কেউ ফুল কিনে ভালোবাসা দেখায়,
আর সে—নিজেই একটা ফুল হয়েও জীবনের জন্য ফুল বিক্রি করে… 🌼
আপনারা কি মনে করেন এই বিষয়টি নিয়ে?
10/03/2026
প্রথমে হাদিকে হ-ত্যা করাইলো তারপর ইন্ডিয়ায় পালিয়ে গেলো সেই হ-ত্যা কারী। ইন্ডিয়ায় এতোদিন নিরাপদে আশ্রয় নিলো। ইউনুস সরকার ক্ষমতা বুঝিয়ে চলে গেলেন। হাদি হ-ত্যা-কারী ফয়সাল করীম মাসুদ কে গ্রেফতার করা হলো। এখন নাকি সেই হাদি হ-ত্যা-কারী নিজেই এর হ-ত্যা-র পেছনে কারারা সেটা বলবে। সে ঠিক করবে কে কে এর পেছমে জড়িত।
আবার ইন্ডিয়া বাংলাদেশে না পাটিয়ে নাকি ১৪ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে। অন্যদিকে গো-মুত্রখুর রেন্ডিয়ান সাংবাদিকরা নিউজ চ্যানেলরা পোস্ট দিতেছে হাদির হ-ত্যা কারী নাকি এতোদিন যারা হাদির জন্য আন্দলোন করেছে সেই সহপাঠীরা।
আচ্ছা আমরা এতো বোকা না যে এসব নোংড়া রাজনীতির রকেট সাইন্স বুঝতে পারবো না।😎👍
সংগৃহীত
Hasnat Abdullah