Sadhin Banglatv

Sadhin Banglatv স্বাগতম Sadhin Banglatv তে (স্বাধীন বাংলা টিভি) আপনার বিশ্বস্ত সংবাদ ও বিনোদনের ঠিকানা!

Sadhin Bangla TV" is a live news channel that provides the latest news updates from Bangladesh. "Sorbosesh" is the program that covers the latest news from all over the country, including Dhaka. You can get exclusive news reports from "Sadhin Bangla TV" and stay updated with the latest happenings in Bangladesh. Stay tuned for live news updates on all domains including politics, economics, sports, entertainment, and more,
office House 43 Ground Floor Road 30 Rupnagar Mirpur Dhaka

10/09/2026

রিকশা চালক থেকে কোটিপতি মালেকের মামলায় জামিন পেলেন সোহেল; বাজার কমিটির পদ দখল ও শালিস বাণিজ্যের বিরুদ্ধে ক্ষোভ, আসামির অবস্থান শনাক্তের দাবি পুলিশের
​প্রতিবেদক, পটুয়াখালী:
রিকশা চালক থেকে রাতারাতি অঢেল সম্পদের মালিক বনে যাওয়া চিহ্নিত মাদক কারবারি মালেকের দায়ের করা মামলায় আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন প্রধান আসামি সোহেল। তাঁর জামিনের খবর এলাকায় পৌঁছালে সাধারণ মানুষ, স্থানীয় তরুণ-যুবক ও সচেতন মহলের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে।
​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা মালেক গত কয়েক বছরে একটি শক্তিশালী মাদক সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। মাদক কারবারের মাধ্যমে স্বল্প সময়ে বিপুল অর্থ ও অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলে রাতারাতি কোটিপতি বনে যান তিনি। নিজের অপকর্ম ঢাকতে এবং প্রভাব বিস্তার করতে সোহেলসহ প্রতিবাদী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তিনি একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
​এলাকার একাধিক সচেতন ব্যক্তি জানান, এই মাদক ব্যবসায়ী মালেকের মূল হাতিয়ার রাজনৈতিক খোলস বদল। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে প্রতিটি নির্বাচনে নিজ বাসায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও ফ্যাসিস্টদের জন্য ভূরিভোজের ব্যবস্থা করে প্রভাব বিস্তার করত সে। ৫ই আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সে রাতারাতি খোলস পাল্টে ফেলে। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় কিছু বিএনপি নেতার ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করে তাদের ম্যানেজ করার মাধ্যমে সে স্থানীয় বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদকের পদটিও বাগিয়ে নিয়েছে। শুধু তাই নয়, এলাকায় কয়েকটি চেয়ার-টেবিল বসিয়ে ভুঁইফোড় অফিস খুলে এখনো সেই পুরোনো ফ্যাসিস্ট মতাদর্শের লোকজনদের সাথে নিয়েই দেদারসে ‘শালিস বাণিজ্য’ ও চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে, যা বর্তমানে পুরো এলাকায় ওপেন সিক্রেট।
​এদিকে সোহেলকে হত্যার উদ্দেশ্যে সশস্ত্র হামলা চালানো মালেকের ছেলে ‘কালচার’ ওরফে ‘ইয়াবা রিপন’ ঘটনার পর থেকেই এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছে। দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও দুর্ধর্ষ এই হামলাকারী গ্রেপ্তার না হওয়ায় স্থানীয় জনমনে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
​আসামি আটকের বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানিয়েছেন, "আমরা আসামির লোকেশন শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছি, অচিরেই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে।"
​স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জোর দাবি:
​চিহ্নিত মাদক কারবারি মালেককে বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে অপসারণ করে কমিটি পুনর্গঠন করতে হবে।
​পুরোনো দোসরদের নিয়ে এলাকায় গড়ে তোলা অবৈধ অফিস ও শালিস বাণিজ্য অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
​সোহেলের ওপর হামলাকারী ‘কালচার’ ওরফে ‘ইয়াবা রিপন’কে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
​রিকশা চালক থেকে কোটিপতি হওয়া মালেকের আয়ের উৎস তদন্ত করে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে হবে।
Sadhin Banglatv

08/09/2026

আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বিরুদ্ধে লিখিত মহলে চলছে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা। এরই মধ্যে কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলতাফ হোসেন চৌধুরীর একটি বক্তব্য নিয়ে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ওই ভিডিওতে আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টিকে নিয়ে কিছু গুরুতর অভিযোগ করতে শোনা যায়।
ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ২০০১ সালে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া পটুয়াখালী সফরে এলে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে কয়েকজন ব্যক্তি সেখানে এসেছিল বলে তিনি দাবি করেন। একই বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, ওই ব্যক্তিদের ভারতে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছিলেন স্নেহাংশু সরকার কুট্টি।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে উত্থাপিত এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
রাজনৈতিক মহলের অনেকের ধারণা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই বক্তব্য এবং এর প্রতিবাদকে কেন্দ্র করেই হয়তো আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বিরুদ্ধে কোনো লিখিত অভিযোগ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে পৌঁছাতে পারে।
তবে আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বিরুদ্ধে আদৌ কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে কি না, দিয়ে থাকলে অভিযোগের বিষয়বস্তু কী এবং কারা সেই অভিযোগে স্বাক্ষর করেছেন—এসব বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।
দলীয় দ্বন্দ্বে ব্যস্ত রাজনীতি?
এদিকে সংশ্লিষ্ট মহলের অনেকের অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যখন পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে রাষ্ট্রের উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলছে, তখন পটুয়াখালীর রাজনীতিতে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সাধারণ মানুষের সমস্যা ও জনস্বার্থের বিষয়গুলোর চেয়ে কে কখন কার বিরুদ্ধে অভিযোগ করবেন, কে কাকে রাজনৈতিকভাবে ঘায়েল করবেন কিংবা কার বিরুদ্ধে কী ধরনের অভিযোগ তোলা হবে—এসব বিষয় নিয়েই রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের একটি অংশ বেশি ব্যস্ত।
তাদের আশঙ্কা, এ ধরনের অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও দলীয় দ্বন্দ্ব দীর্ঘায়িত হলে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মূল লক্ষ্য থেকে নেতাকর্মীরা দূরে সরে যেতে পারেন। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট কার্যক্রম।
স্বাধীন বাংলা টিভি ভাইরাল অডিও, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিও এবং উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য ও প্রামাণ্য তথ্য পাওয়া গেলে বিষয়টি নিয়ে আরও বিস্তারিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে

08/09/2026

আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগের দাবি, স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ চুন্নু মিয়ার
সম্প্রতি পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আব্দুর রশিদ চুন্নু মিয়া ও আলহাজ আলতাফ হোসেন চৌধুরীর মধ্যকার কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে পটুয়াখালীজুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা।
ভাইরাল ওই অডিও রেকর্ডে আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে চুন্নু মিয়ার কাছে জানতে চাইতে শোনা যায়, তার বিরুদ্ধে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে কি না।
কথোপকথনে আলতাফ হোসেন চৌধুরী দাবি করেন, ওই লিখিত অভিযোগে চুন্নু মিয়ার স্বাক্ষরের পাশাপাশি পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টির স্বাক্ষরও রয়েছে।
তবে জবাবে চুন্নু মিয়াকে অভিযোগটি দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করতে শোনা যায়। তিনি বলেন, তিনি আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বিরুদ্ধে এমন কোনো লিখিত অভিযোগ দেননি। একই সঙ্গে তার স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
রাজনৈতিক মহলে বাড়ছে আলোচনা
এদিকে এই অডিও রেকর্ডকে ঘিরে পটুয়াখালীর রাজনৈতিক মহলে চলছে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা। এরই মধ্যে কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলতাফ হোসেন চৌধুরীর একটি বক্তব্য নিয়ে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ওই ভিডিওতে আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টিকে নিয়ে কিছু গুরুতর অভিযোগ করতে শোনা যায়।
ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ২০০১ সালে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া পটুয়াখালী সফরে এলে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে কয়েকজন ব্যক্তি সেখানে এসেছিল বলে তিনি দাবি করেন। একই বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, ওই ব্যক্তিদের ভারতে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছিলেন স্নেহাংশু সরকার কুট্টি।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে উত্থাপিত এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
রাজনৈতিক মহলের অনেকের ধারণা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই বক্তব্য এবং এর প্রতিবাদকে কেন্দ্র করেই হয়তো আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বিরুদ্ধে কোনো লিখিত অভিযোগ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে পৌঁছাতে পারে।
তবে আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বিরুদ্ধে আদৌ কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে কি না, দিয়ে থাকলে অভিযোগের বিষয়বস্তু কী এবং কারা সেই অভিযোগে স্বাক্ষর করেছেন—এসব বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।
দলীয় দ্বন্দ্বে ব্যস্ত রাজনীতি?
এদিকে সংশ্লিষ্ট মহলের অনেকের অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যখন পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে রাষ্ট্রের উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলছে, তখন পটুয়াখালীর রাজনীতিতে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সাধারণ মানুষের সমস্যা ও জনস্বার্থের বিষয়গুলোর চেয়ে কে কখন কার বিরুদ্ধে অভিযোগ করবেন, কে কাকে রাজনৈতিকভাবে ঘায়েল করবেন কিংবা কার বিরুদ্ধে কী ধরনের অভিযোগ তোলা হবে—এসব বিষয় নিয়েই রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের একটি অংশ বেশি ব্যস্ত।
তাদের আশঙ্কা, এ ধরনের অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও দলীয় দ্বন্দ্ব দীর্ঘায়িত হলে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মূল লক্ষ্য থেকে নেতাকর্মীরা দূরে সরে যেতে পারেন। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট কার্যক্রম।
স্বাধীন বাংলা টিভি ভাইরাল অডিও, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিও এবং উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য ও প্রামাণ্য তথ্য পাওয়া গেলে বিষয়টি নিয়ে আরও বিস্তারিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।

07/09/2026

পটুয়াখালীর ২ নং বাঁধঘাট এলাকায় অনলাইন জুয়া ও পর্নোগ্রাফিবিরোধী অভিযানে আটক ২: পুলিশের পদক্ষেপকে সাধারণ মানুষের সাধুবাদ

​পটুয়াখালী প্রতিনিধি:
পটুয়াখালী সদর থানার ২ নম্বর বাঁধঘাট এলাকায় অনলাইন জুয়াবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।
​অভিযান চলাকালে সন্দেহভাজনদের মুঠোফোন তল্লাশি করে একাধিক অনলাইন ক্যাসিনো ও জুয়ার অ্যাপসসহ পর্নোগ্রাফির সুস্পষ্ট প্রমাণ পায় পুলিশ সদস্যরা। তাৎক্ষণিকভাবে অপরাধমূলক আলামতসহ ওই দুইজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়।
​উল্লেখ্য, এর আগে পটুয়াখালীর জৈনকাঠী এলাকায় অনলাইন ক্যাসিনোর জুয়ার টাকা না পেয়ে পরিবারের সামনেই নিজ ঘরে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল এক যুবক। শুধু পটুয়াখালীই নয়, সারা দেশেই এই সর্বনাশা ক্যাসিনো ও জুয়ায় জড়িয়ে তরুণ ও যুবসমাজ ধ্বংসের মুখে পড়ছে এবং প্রতিনিয়ত নানা অপ্রীতিকর ও মর্মান্তিক ঘটনা ঘটছে।
​সামাজিক অবক্ষয় ও অপরাধ রোধে পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশের এই সময়োপযোগী ও কঠোর পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ। তরুণ প্রজন্মকে রক্ষায় পটুয়াখালী জেলা পুলিশের এমন বিশেষ অভিযান নিয়মিত অব্যাহত রাখার জোর দাবি জানিয়েছেন সুশীল সমাজ ও সচেতন এলাকাবাসী।
​ #ব্রেকিংনিউজ #পটুয়াখালী #অনলাইনজুয়া #আইনশৃঙ্খলা #পুলিশঅভিযান #সদরথানা #যুবসমাজরক্ষা স Sadhin Banglatv

04/09/2026

যোগ্য প্রার্থী পেলে দায়িত্ব ছেড়ে দেবেন রাত ১০টার পরও জনগণের মুখোমুখ...

04/09/2026

যোগ্য প্রার্থী পেলে দায়িত্ব ছেড়ে দেবেন রাত ১০টার পরও জনগণের মুখোমুখি বদরপুরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।

পটুয়াখালী প্রতিনিধি:
রাত তখন প্রায় ১০টা।
পটুয়াখালী সদর উপজেলার ২ নং বদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. বাবুল হোসেনের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে তখনও ছিল সাধারণ মানুষের উপস্থিতি।
এলাকার বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে এবং মানুষের খোঁজখবর নিতে রাতেও সেখানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এ সময় আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে তাঁর ব্যক্তিগত ভাবনা জানতে চাওয়া হলে, তিনি বলেন
“আমি নির্বাচন করতে চাচ্ছি না। যোগ্য ও ভালো একজন প্রার্থী পেলে তাঁর হাতেই দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে চলে যাব। দেখি সামনে কী হয়।”
তাঁর এমন বক্তব্যকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন স্থানীয় অনেকেই।
তবে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে তাঁর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কী হবে, তা সময়ের সঙ্গে স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
পটুয়াখালী থেকে, লোকমান মৃধা।

19/08/2026

পটুয়াখালীর বাউফলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল।

19/08/2026

ছাত্রলীগ নেতা নাকি ষড়যন্ত্রের শিকার? ফাঁসির আসামি শাকিল! প্যারোলে মুক্তিতে তোলপাড়!

দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করা আলোচিত বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রফিকুল ইসলাম ওরফে শাকিল, প্যারোলে মুক্তি পেয়ে পটুয়াখালীতে তাঁর মায়ের জানাজায় অংশ নিয়েছেন। জানাজা শেষে কড়া পুলিশি পাহারায় তাঁকে পুনরায় যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার আসর নামাজের পর, পটুয়াখালী শহরের করভবন জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে তাঁর মা সাহিদা বেগমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। মায়ের মৃত্যুর পর যশোর কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে পটুয়াখালীতে পৌঁছান ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত এই আসামি। জানাজা শেষ হওয়ামাত্রই কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাঁকে আবার যশোর কারাগারে নিয়ে যায় পুলিশ।
তৎকালীন সময়ে দেশের সবচেয়ে আলোচিত ও লোমহর্ষক ঘটনাগুলোর একটি ছিল বিশ্বজিৎ দাস হত্যাকাণ্ড। ২০১২ সালের ৯ই ডিসেম্বর, তৎকালীন ১৮ দলীয় জোটের সরকার পতনের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্ক সংলগ্ন এলাকায় সরকারবিরোধী আইনজীবীরা মিছিল বের করেন। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণের পর আইনজীবীদের ওপর চড়াও হয় ছাত্রলীগ। ঠিক সেই মুহূর্তে পথচারী বিশ্বজিৎ দাসকে শিবির কর্মী সন্দেহে ধাওয়া করে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। প্রাণ বাঁচাতে বিশ্বজিৎ নিকটস্থ ভবনে আশ্রয় নিলেও সেখানে ঢুকে তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। প্রকাশ্য দিবালোকে ক্যামেরার সামনে ঘটে যাওয়া এই নির্মম দৃশ্য তৎকালীন সময়ে দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার হলে তীব্র জনরোষের সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে দীর্ঘ আইনি লড়াই ও নানা চড়াই-উতরাই শেষে ২০১৭ সালের ৬ই আগস্ট হাইকোর্ট চূড়ান্ত শুনানিতে দুজনের ফাঁসির রায় বহাল রাখেন। যার মধ্যে অন্যতম প্রধান দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন এই রফিকুল ইসলাম ওরফে শাকিল।
দীর্ঘদিন পর ফাঁসির আসামি শাকিল প্রকাশ্যে মায়ের জানাজায় অংশ নেওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। জানাজার আগে বক্তব্য দেন শাকিলের ভাই, স্থানীয় যুবদল নেতা শাহীন। তিনি অভিযোগ করে দাবি করেন, তাঁদের পুরো পরিবার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। বিরোধী মতাদর্শের পরিবারের সদস্য হওয়ার কারণেই শাকিলকে এই মামলায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জড়িয়ে প্রধান আসামি করা হয়েছে।
তবে স্থানীয়রা বলছেন, তাঁর ভাই বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত থাকলেও শাকিল নিজে ছিলেন ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় নেতা। তৎকালীন সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনেও তাঁর সক্রিয় রাজনৈতিক পরিচয় ফলাও করে প্রচার করা হয়েছিল।

#বিশ্বজিৎ #হত্যা

19/08/2026

ছাত্রলীগ নেতা নাকি ষড়যন্ত্রের শিকার? ফাঁসির আসামি শাকিল! প্যারোলে মুক্তিতে তোলপাড়!

দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করা আলোচিত বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রফিকুল ইসলাম ওরফে শাকিল, প্যারোলে মুক্তি পেয়ে পটুয়াখালীতে তাঁর মায়ের জানাজায় অংশ নিয়েছেন। জানাজা শেষে কড়া পুলিশি পাহারায় তাঁকে পুনরায় যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
​মঙ্গলবার আসর নামাজের পর, পটুয়াখালী শহরের করভবন জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে তাঁর মা সাহিদা বেগমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। মায়ের মৃত্যুর পর যশোর কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে পটুয়াখালীতে পৌঁছান ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত এই আসামি। জানাজা শেষ হওয়ামাত্রই কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাঁকে আবার যশোর কারাগারে নিয়ে যায় পুলিশ।
​তৎকালীন সময়ে দেশের সবচেয়ে আলোচিত ও লোমহর্ষক ঘটনাগুলোর একটি ছিল বিশ্বজিৎ দাস হত্যাকাণ্ড। ২০১২ সালের ৯ই ডিসেম্বর, তৎকালীন ১৮ দলীয় জোটের সরকার পতনের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্ক সংলগ্ন এলাকায় সরকারবিরোধী আইনজীবীরা মিছিল বের করেন। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণের পর আইনজীবীদের ওপর চড়াও হয় ছাত্রলীগ। ঠিক সেই মুহূর্তে পথচারী বিশ্বজিৎ দাসকে শিবির কর্মী সন্দেহে ধাওয়া করে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। প্রাণ বাঁচাতে বিশ্বজিৎ নিকটস্থ ভবনে আশ্রয় নিলেও সেখানে ঢুকে তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। প্রকাশ্য দিবালোকে ক্যামেরার সামনে ঘটে যাওয়া এই নির্মম দৃশ্য তৎকালীন সময়ে দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার হলে তীব্র জনরোষের সৃষ্টি হয়।
​পরবর্তীতে দীর্ঘ আইনি লড়াই ও নানা চড়াই-উতরাই শেষে ২০১৭ সালের ৬ই আগস্ট হাইকোর্ট চূড়ান্ত শুনানিতে দুজনের ফাঁসির রায় বহাল রাখেন। যার মধ্যে অন্যতম প্রধান দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন এই রফিকুল ইসলাম ওরফে শাকিল।
​দীর্ঘদিন পর ফাঁসির আসামি শাকিল প্রকাশ্যে মায়ের জানাজায় অংশ নেওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। জানাজার আগে বক্তব্য দেন শাকিলের ভাই, স্থানীয় যুবদল নেতা শাহীন। তিনি অভিযোগ করে দাবি করেন, তাঁদের পুরো পরিবার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। বিরোধী মতাদর্শের পরিবারের সদস্য হওয়ার কারণেই শাকিলকে এই মামলায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জড়িয়ে প্রধান আসামি করা হয়েছে।
​তবে স্থানীয়রা বলছেন, তাঁর ভাই বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত থাকলেও শাকিল নিজে ছিলেন ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় নেতা। তৎকালীন সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনেও তাঁর সক্রিয় রাজনৈতিক পরিচয় ফলাও করে প্রচার করা হয়েছিল।

Part 3

19/08/2026

ছাত্রলীগ নেতা নাকি ষড়যন্ত্রের শিকার? ফাঁসির আসামি শাকিল! প্যারোলে মুক্তিতে তোলপাড়!

দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করা আলোচিত বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রফিকুল ইসলাম ওরফে শাকিল, প্যারোলে মুক্তি পেয়ে পটুয়াখালীতে তাঁর মায়ের জানাজায় অংশ নিয়েছেন। জানাজা শেষে কড়া পুলিশি পাহারায় তাঁকে পুনরায় যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
​মঙ্গলবার আসর নামাজের পর, পটুয়াখালী শহরের করভবন জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে তাঁর মা সাহিদা বেগমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। মায়ের মৃত্যুর পর যশোর কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে পটুয়াখালীতে পৌঁছান ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত এই আসামি। জানাজা শেষ হওয়ামাত্রই কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাঁকে আবার যশোর কারাগারে নিয়ে যায় পুলিশ।
​তৎকালীন সময়ে দেশের সবচেয়ে আলোচিত ও লোমহর্ষক ঘটনাগুলোর একটি ছিল বিশ্বজিৎ দাস হত্যাকাণ্ড। ২০১২ সালের ৯ই ডিসেম্বর, তৎকালীন ১৮ দলীয় জোটের সরকার পতনের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্ক সংলগ্ন এলাকায় সরকারবিরোধী আইনজীবীরা মিছিল বের করেন। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণের পর আইনজীবীদের ওপর চড়াও হয় ছাত্রলীগ। ঠিক সেই মুহূর্তে পথচারী বিশ্বজিৎ দাসকে শিবির কর্মী সন্দেহে ধাওয়া করে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। প্রাণ বাঁচাতে বিশ্বজিৎ নিকটস্থ ভবনে আশ্রয় নিলেও সেখানে ঢুকে তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। প্রকাশ্য দিবালোকে ক্যামেরার সামনে ঘটে যাওয়া এই নির্মম দৃশ্য তৎকালীন সময়ে দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার হলে তীব্র জনরোষের সৃষ্টি হয়।
​পরবর্তীতে দীর্ঘ আইনি লড়াই ও নানা চড়াই-উতরাই শেষে ২০১৭ সালের ৬ই আগস্ট হাইকোর্ট চূড়ান্ত শুনানিতে দুজনের ফাঁসির রায় বহাল রাখেন। যার মধ্যে অন্যতম প্রধান দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন এই রফিকুল ইসলাম ওরফে শাকিল।
​দীর্ঘদিন পর ফাঁসির আসামি শাকিল প্রকাশ্যে মায়ের জানাজায় অংশ নেওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। জানাজার আগে বক্তব্য দেন শাকিলের ভাই, স্থানীয় যুবদল নেতা শাহীন। তিনি অভিযোগ করে দাবি করেন, তাঁদের পুরো পরিবার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। বিরোধী মতাদর্শের পরিবারের সদস্য হওয়ার কারণেই শাকিলকে এই মামলায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জড়িয়ে প্রধান আসামি করা হয়েছে।
​তবে স্থানীয়রা বলছেন, তাঁর ভাই বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত থাকলেও শাকিল নিজে ছিলেন ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় নেতা। তৎকালীন সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনেও তাঁর সক্রিয় রাজনৈতিক পরিচয় ফলাও করে প্রচার করা হয়েছিল।

Address

47 Road No. 30
Mirpur
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sadhin Banglatv posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sadhin Banglatv:

Shortcuts

Share