16/12/2024
বাড়িত কেউ নেই... 🤫🙆
আজ প্রথম করতে যাচ্ছি..!
এতদিন বন্ধুদের কাছে শুনেই গেছি, করতে নাকি অনেক মজা। কিন্তু কখনো সুযোগ হয়নি, আর সাহসের অভাবে করতে পারি নাই.।😥
কিন্তু আজ সাহস করে ঢুকলাম রুমে। আজ করবোই আমি...🙈🙈
বন্ধুদের কাছ থেকে টিপস নিলাম কিভাবে করলে ভালো হবে, আর কি কি করলে সব থেকে বেশি মজা হবে..🤤😋
মনে হয় আজ সবকিছু ঠিকমতো করতে পারবো।
যখন থেকে বুঝতে শিখেছি তখন থেকেই আমার নিজে করার খুব ইচ্ছা 🤗 আজ মনে হয় আমার ইচ্ছাটা পূরণ হবে।😇
তাই আজ আমি নিজেই মিষ্টার নুডলসের এই মসলার প্যাকেট টা নিয়ে নুডলস রান্না করতে যাচ্ছি 😅🥴🥴
11/09/2022
Alhamdulillah for everything in my life❤️
20/01/2022
#হে আমার প্রিয় বোন,,,,,
খাদিজা (রা:) ৪০ বছর বয়সে নবী (সা:) বিয়ে করেছিলেন এবং আল্লাহ তাকে ছয়টি সন্তানের মা হওয়ার তৌফিক দান করেছেন
আয়েশা (রা:) ১১ বছর বয়সে বিয়ে করেছিলেন কিন্তু আল্লাহ তাকে কোনো সন্তান দেননি
মারিয়াম (রা:) কখনই বিয়ে করেননি এবং তিনি ছিলেন বিশ্বের নারীদের মধ্যে সেরা
আসিয়া (রা:) সর্বকালের সবচেয়ে খারাপ মানুষ ফিরাউনের স্ত্রী ছিলেন
খাওলা (রা:) অন্যতম সাহাবীয়া ও ইসলামের যোদ্ধা ছিলেন কিন্তু তিনি কখনো বিয়ে করেননি
"আল্লাহ পাক এসব জান্নাতি রমনীদের ভাগ্য একেকজনের একেক রকম ভাবে লিখেছিলেন,জাতির জন্য উদাহরণ সরূপ করেছেন
আজ এই রমনীরা কোটি কোটি মুসলমানদের কাছে বিশেষ ভাবে সম্মানিত এবং প্রেমময় হয়েছেন, সময় সবকিছু দেখিয়েছে
তাই আমার প্রিয় বোনেরা, আপনার বয়স কতই হোক না কেন বা আপনার জীবন যতই কঠিন হোক না কেনো, আমাকে বলুন যে, মরিয়ম (রা:) কখনও বিবাহিত হয়নি বলে তাকে আপনি অবজ্ঞা করবেন?
আয়েশা (রা:) কখনও মা হননি, এই সত্যকে অবমাননা করবেন?
খাদিজা রাঃ ৪০ বছর বয়সে বিয়ে করেছিলেন এবং নবী করীম (সা:) তার চেয়ে ছোট বলে কি এই সত্য অপ্রকাশিত ছিল ?
আসিয়া (রা:) যে অত্যাচারীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন তা কি তাকে হতাশ করেছিল?
না! এই সমস্ত রমনীরা তাদের বিশ্বাস এবং তাদের কাজ দ্বারা সর্বোচ্চ মর্যাদা অর্জন করেছেন .. সুতরাং আপনি যা-ই করছেন না কেন, লোকেরা আপনাকে কী বলবে বা ভাববে তা নিয়ে আপনি কেন চিন্তা করবেন?
আপনি এখনও বিয়ে করেননি? আপনার এখনও সন্তান নেই? তাতে কি? এটি আপনার হাতে বা কারও হাতে নয়, এটা আল্লাহর হাতে!
মানুষের এসব কথায় কেন এত গুরুত্ব দিতে হবে?
আল্লাহ আপনার অস্তিত্বের পূর্বে আপনার ভাগ্য লিখেছিলেন
আপনার কাজ আল্লাহর ইবাদাত করা এবং তাঁর গোলামের মতো জীবনযাপন করা
আপনি এমন হৃদয় এমন আত্মার একজন মহিলা হন, যে এখানে তার আখিরাতের জন্য কাজ করতে এসেছেন
আপনি একটি অভ্যন্তরীণ আত্মা যা তাঁর স্রষ্টার কাছে ফিরে আসবে,তাই আপনার জীবন এখন কেমন তা বিবেচনা করবেননা,
কখনও ভুলে যাবেন না যে, এই জীবনটি একটি পরীক্ষা এবং আমরা এই পৃথিবীতে যা চাই তা আমাদের কখনও চিরকাল থাকবে না !
প্রতিটি মানুষই দুনিয়াতে বিয়ে বা শিশু বা চাকরি বা দারিদ্র্যতা বা অন্য কোনও পরীক্ষার দ্বারা পরীক্ষিত হয় তাই লোকের কথায় মন না দিয়ে আরও বেশি দ্বীনদার হওয়ার দিকে মনোনিবেশ করুন।
অবশ্যই আপনার উজ্