ইন্ডিয়ার সাথে বাংলাদেশে কিভাবে খেলবে নভেম্বরে সেটা আমরা দেখব জনগণ😡
CricNews
খেলার সকল আপডেট জানতে পেইজটি ফলো করে আমাদের সাথেই থাকুন🥰 comilla
এত সহজ জয়ের পরেও এতো উল্লাস কেন ??
১০১ রান করে কোয়ালিফাই করার পরেও, ম্যাচ জিতার জন্য এতো আপ্রাণ চেষ্টা কেন ??
উত্তর একটাই, "এশিয়ার ২য় সেরা বিতর্ক" !!
এশিয়া কাপের এতোটা বছর হয়ে গেলো, আইসিসি প্রত্যেকবার চেষ্টা করলো যেনো "ইন্ডিয়া-পাকিস্তান" ফাইনাল হয়, কিন্তু এখন অবধি একবারের জন্যেও আইসিসির পরিকল্পনা সফল হয়নি, কেন??
উত্তর একটাই, "শ্রীলঙ্কা" !!
এই দলটার ইতিহাস, অভিজাত্য, কোনো কিছুর অভাব নেই !!
সাংগা, মাহেলা, মুরালি, মালিঙ্গার গোল্ডেন জেনারেশন অবসরের পর, বিশ্বের কাছে হুট করেই "ছোট দলের কাতারে" পড়ে যায় শ্রীলঙ্কা !!
কিন্তু মাথায় রাখবেন, নামটা তো 'শ্রীলঙ্কা'।
তাদের ক্রিকেটে "চ্যাম্পিয়নদের" রক্ত মিশানো !!
শ্রীলঙ্কা দল কখনোই ছোট দল নয়।
শ্রীলঙ্কা দল কখনোই হারিয়ে যাওয়ার নয় !!
ক্রিকেট, অর্জন, কিংবা ঐতিহ্য,
সবমিলিয়ে এশিয়াতে ২য় সেরা হলো "শ্রীলঙ্কা"।
এখানে বিতর্কের কোনো সুযোগ নেই, একদম নেই !!
বাংলাদেশ কি এশিয়া কাপের সুপার ফোরে যেতে পারবে?
এশিয়া কাপের ইতিহাসে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত তিন বার ফাইনাল খেলেছে— ২০১২, ২০১৬ এবং ২০১৮ সালে। দলে তখন পঞ্চপান্ডব ছিল, পার্থক্যটা আসলে এখানেই!
যদিও তিনবার ফাইনাল খেলেও শিরোপা জেতা হয়নি। তবে তিনবার ফাইনাল খেলেছে দল এবং ভাল ফাইট দিয়ে খুবই ক্লোজ থেকে হেরে গেছে দল...সেটাও ছিল পঞ্চপান্ডবদেরই সম্মিলিত পারফরম্যান্সের ফল।
পঞ্চপান্ডবরা বাংলাদেশ দলের সম্পদ ছিল, শক্তি ছিল....
|
লা-লিগায় রিয়াল সোসিয়েদাদ কে ২-১ গোলে হারিয়ে জয়ের ধারা অব্যাহত রাখলো রিয়াল মাদ্রিদ 🤍
দু-দিন আগে রবিচন্দ্রন অশ্বিন বলেছেন; দুর্বল বাংলাদেশের সঙ্গে খেললে, ক্রিকেটের সৌন্দর্য্য নষ্ট হয়ে যায়। আজ তার কথার দাঁতভাঙা জবাব দিলেন, জাকের আলি অনিক।
বাংলাদেশী উইকেটরক্ষকের মতে, মাঠে চুরি করেই বড় দল হয়েছে ভারত। অশ্বিনকে লজ্জাবোধ রাখার পরামর্শও দিলেন জাকের। দর্শক, আপনি কি জাকেরের সঙ্গে একমত?
| | |
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন বাংলাদেশের দুই ব্যাটার, লিটন দাস ও তানজিদ তামিম। তাদের ধারাবাহিক পারফরম্যান্স তাদেরকে শীর্ষ রান সংগ্রাহকদের তালিকায় জায়গা করে দিয়েছে।
লিটন দাস ১৫ ইনিংসে ৪১৭ রান সংগ্রহ করেছেন এবং তার শক্তিশালী ব্যাটিং প্রতিপক্ষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অপরদিকে, তানজিদ তামিম ১৩ ইনিংসে ৩৯৩ রান নিয়ে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন এবং তার গড় ও স্ট্রাইক রেট দারুণ প্রশংসিত হয়েছে।
🏏 ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি রান সংগ্রাহক (আইসিসির ফুল মেম্বার দেশ)
🇳🇿 টিম সেইফার্ট – ১০ ইনিংসে ৪৪৫ রান
🇧🇩 লিটন দাস – ১৫ ইনিংসে ৪১৭ রান
🇵🇰 হাসান নাওয়াজ – ১৭ ইনিংসে ৪১৩ রান
🇵🇰 সালমান আলি আঘা – ১৬ ইনিংসে ৪০৮ রান
🇧🇩 তানজিদ তামিম – ১৩ ইনিংসে ৩৯৩ রান
আপনি লিটন দাসকে ১০ ম্যাচ খেলান, সে ১০ ম্যাচে ১টা ফিফটি আর ২টা ইম্প্যাক্টফুল ইনিংস উপহার দিবে।
আপনি সৌম্য সরকারকে ১০ ম্যাচ খেলান, সে ১০ ম্যাচে ১টা ফিফটি আর ৪টা ইম্প্যাক্টফুল ইনিংস উপহার দিবে।
আপনি তানজিদ তামিমকে ১০ ম্যাচ খেলান, সে ১০ ম্যাচে ৩টা ফিফটি আর ৩টা ইম্প্যাক্টফুল ইনিংস উপহার দিবে।
আপনি পারভেজ হোসেন ইমনকে ১০ ম্যাচ খেলান, সে ১০ ম্যাচে ১টা সেঞ্চুরি, ৩টা ফিফটি আর ৩টা ইম্প্যাক্টফুল ইনিংস উপহার দিবে।
আর আপনি যদি নাঈম শেখকে ১০ ম্যাচ খেলান, তাহলে আপনি নিজেই ক্রিকেট দেখা ছেড়ে দিবেন।
এটাই বাস্তব 🙂
বাংলাদেশে আর ফেরার সম্ভাবনা নেই সাকিব আল হাসানের!
বাংলাদেশ ক্রিকেটের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র সাকিব আল হাসানের দেশে ফেরার সম্ভাবনা কার্যত শেষ হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নানা আলোচনা-সমালোচনা চললেও বিসিবি এবং সংশ্লিষ্ট মহল তাঁর প্রত্যাবর্তন নিয়ে আশাবাদী ছিল। সাবেক ক্রিকেটার থেকে শুরু করে বোর্ডের শীর্ষ কর্তারা সাকিবকে ফেরানোর পক্ষে জোরালো বক্তব্য দিয়েছেন। কিন্তু ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে সাকিবের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি পোস্ট দেশের ক্রীড়া মহল ও মন্ত্রণালয়ে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, সেই পোস্টের কারণে তাঁর জন্য অবশিষ্ট সামান্য সুযোগও শেষ হয়ে গেছে। বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে সাকিবের অবদান নিঃসন্দেহে অনস্বীকার্য। তিনি একদিকে বিশ্বমানের অলরাউন্ডার, অন্যদিকে দেশের হয়ে অসংখ্য জয় এনে দিয়েছেন। তবে বর্তমান বাস্তবতা অনুযায়ী, তাঁর দেশে ফেরার দরজা আপাতত পুরোপুরি বন্ধ। এ সিদ্ধান্ত ক্রিকেটপাগল ভক্তদের মনে হতাশা তৈরি করলেও, এটি দেশের ক্রীড়া প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের প্রতিফলন।
▪️ দৈনিক ইত্তেফাক
🚨এশিয়া কাপের পরপরই মাঠে নামবে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। দুই দলের মধ্যে হবে ছয় ম্যাচের সীমিত ওভারের সিরিজ— তিনটি টি-টোয়েন্টি ও তিনটি ওয়ানডে।
🏏 টি-টোয়েন্টি সিরিজ
🔹 ১ম ম্যাচ: ২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার)
🔹 ২য় ম্যাচ: ৪ অক্টোবর (শনিবার)
🔹 ৩য় ম্যাচ: ৬ অক্টোবর (সোমবার)
🏆 ওয়ানডে সিরিজ
🔹 ১ম ম্যাচ: ৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার)
🔹 ২য় ম্যাচ: ১১ অক্টোবর (শনিবার)
🔹 ৩য় ম্যাচ: ১৪ অক্টোবর (মঙ্গলবার)
📌 সিরিজটি মূলত ২০২৪ সালের এএফটিপি সূচি অনুযায়ী ভারতের গ্রেটার নয়ডায় হওয়ার কথা ছিল। তবে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে তা পিছিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত আফগানিস্তানের আতিথেয়তায় এবার আমিরাতে আয়োজনের পরিকল্পনা হয়েছে।
১৬ বছর আগে আজকের এই দিনে, জিম্বাবুয়ের দেয়া ৩১৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে একদিনের ক্রিকেটে ১৫০ এর বেশি রান করেন তামিম ইকবাল।
ফেইসবুকে হারিয়ে যাওয়া ক্রিকেটারের এক পোস্টে একটা নামে চোখ আটকে গেলো। ক্রিকেটার ঠিকই, আবার রকস্টারও। হেলমেটের নিচে ব্যান্ডেনা বেঁধে বোলারদেরকে ধুলোয় মিশিয়ে দিচ্ছেন। আয়েশি ভংগিতে ফ্লিক করে ছয় মারছেন। ছোট আর্ম পুলে কেমন যেন উদাসীন ঔদ্ধত্য। বিশাল বপু নিয়ে স্লো মিডিয়াম পেস দিয়ে উইকেট নিচ্ছেন। আবার গালিতে লাফিয়ে পড়ে লুফে নেয়া ক্যাচগুলোও মনে পড়ে। কী এক আফসোস!
বাবা-মায়ের সংসারে ভাংগন জেসির ছোটবেলাতেই। বন্ধু-বান্ধবের বাড়ির সোফা থেকে সোফায় কাটিয়েছেন বেড়ে ওঠার সময়টাতে। জেসির জন্য কেউ ছিল না, দুনিয়ার কঠোরতা বুঝতে শিখতে হয়েছে কম বয়সেই। ক্ষণিকের বিস্মরণ মিলতো ব্যাট আর বলে। ইনডোরে, ধারেকাছের পার্কে। জীবনের প্রতি জিঘাংসা অনূদিত হলো উইলোতে। কী তীব্র ঘৃণা!
জেসির মুক্তি খুঁজেছিলো আরেকটা জিনিসে। অ্যালকোহল। রাত-দিনের বিভেদ থাকতো না। প্র্যাক্টিস কিটে ধুলো জমতো। স্কোরবোর্ডে নাম উঠতো না। প্রতিভার জোরে ছাড় পেয়েছে ছেলেটা। একদিন নিউজিল্যান্ডের হয়েও খেললো। মারকুটে ব্যাটিং নজরে কাড়লো সবার। নির্ভেজাল বিনোদন, চার-ছক্কার ফুলঝুরি। আলো আসলো, চিরদিনের তরেই!
আলো থাকেনি। রান করেছেন, উইকেট নিয়েছেন। টুক করে ডুব দিয়েছেন অ্যালকোহলে। দল থেকে বাদ পড়েছেন। এই রোদ, আবার জমকালো মেঘ। একসময় নিজেই সরে এসেছিলেন। অ্যালকোহল বাদ দিয়েছেন, ঘাম ঝরিয়ে ওজন কমিয়েছেন। জেসির ফিরে আসার গল্পে শুধু সময়ের অপেক্ষা।
এরপর আকাশটা হারিয়ে যাচ্ছিল চিরতরে। ক্রাইস্টচার্চে বারে বাইরে হামলায় চলে গিয়েছিলেন কোমায়। এই টানা-পোড়েনের জীবনের হয়তো শেষ। নাহ, জেসি ফিরেছেন। কিছুদিন খেলেছেন। কোরি অ্যান্ডারসনের সেঞ্চুরি রেকর্ডের দিনে ৪৬ বলে করেছেন সেঞ্চুরি। টেস্ট দলে নাম আসবে এবার, এমন একটা সময়ে 'এ" দলের ডাকে সাড়া দেননি। এই খ্যাতি, মিডিয়ার আলো, চাপ - লাজুক ছেলেটা সইতে পারেনি। নিয়ত হাওয়াবদলের অধ্যায় শেষ করেছেন নিজেই। শেষ ম্যাচ যখন খেলেছেন, বয়স মাত্র ২৯।
১৮ টেস্টে গড় ৪০.৯৩। ৪৮ ওয়ানডেতে স্ট্রাইক রেট ৯৫.৩১। বল হাতে সম্মানজনক ৩৪.৩৩ গড় এই ফর্মেটে। নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৮৮ ম্যাচ খেলা তাঁর অমিত প্রতিভার প্রতি অবিচার। তবে রাইডার নিজের মতন বাঁচতে চেয়েছেন। অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড কিংবা ভারত নয় - দিনশেষে লড়াইটা নিজের সাথেই। অতীত নামক দানবটার সাথে। সবকিছু যদি এমন না হতো...
যারা দেখেছেন, ওয়েলিংটনের এই ওপেনারকে মনে রাখবেন নিশ্চয়ই। ধীরস্থির কিউইদের মধ্যে যিনি নিপাতনে সিদ্ধ। ঐ কোকাবুরা ব্যাটের জাদু দেখার জন্য সারাদিন টিভিসেটের সামনে বসে থাকা যায়। আহত এক মন। জাত ব্যাটসম্যান। ক্রিকেটের আনন্দ যতটুকু, সবটুকু প্রকৃতি ঢেলেছিল জেসি রাইডারের ব্যাটে!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
Narayanganj
1461