নভেরা

নভেরা মেয়েরা সাইক্লিং করছি
সাইক্লিং শেখাচ্ছি

20/06/2026

The spirit we own 🧡🧡

05/04/2026

যাতায়াতের জন্য দুর্দান্ত বাহন বাইসাইকেল। সম্ভবত গত এক বছরে বাংলাদেশের মানুষে এই ব্যাপারটা আরও ভালোভাবে বুঝতে পেরেছে। তারা প্রাত্যহিক জীবনে বাইসাইকেলকে কাজে লাগিয়েছে। কয়েক মাস ধরে বাস, ক্যাম্পাস, চা-দোকান থেকে শুরু করে রেস্টুরেন্টে বাইসাইকেল নিয়ে আলোচনা বেড়েছে। এর অন্যতম কারণ সাইকেল চালাতে কোনো জ্বালানি লাগে না। আবার এটি পরিবেশবান্ধব।

বছরের শেষ প্রান্তে এসে, হঠাৎ মনে হয়—কিছু দিন হয়তো শুধু ক্যালেন্ডারের তারিখ নয়,ভেতরে দাগ কেটে যাওয়া স্মৃতি।এই দশ দিনের সা...
01/01/2026

বছরের শেষ প্রান্তে এসে, হঠাৎ মনে হয়—কিছু দিন হয়তো শুধু ক্যালেন্ডারের তারিখ নয়,ভেতরে দাগ কেটে যাওয়া স্মৃতি।

এই দশ দিনের সাইক্লিং প্রশিক্ষণ ঠিক তেমনই এক দাগ।
এই যাত্রার শুরুটা হয়েছিল সনু রানী দাসের একটা ইচ্ছা থেকে।
দলিত কমিউনিটির নারীদের নিয়ে কিছু একটা করতে চেয়েছিলেন তিনি—চুপচাপ, দৃঢ়ভাবে। অনেক দিন আগে তিনি নিজেই নভেরার কাছ থেকে সাইক্লিং শিখেছিলেন। সেই শেখা শুধু ভারসাম্য রক্ষা করার নয়, নিজের ওপর বিশ্বাস রাখারও শিক্ষা ছিল।

সেই বিশ্বাস নিয়েই তিনি আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন—তার কমিউনিটির মেয়েদের জন্য সাইক্লিং প্রশিক্ষণের কথা বলতে।
বছরের শেষ মুহূর্তে এসে, অবশেষে সেই ইচ্ছেটা বাস্তব রূপ পেল।

২৩ ডিসেম্বর থেকে নারায়ণগঞ্জের দলিত সম্প্রদায়ভুক্ত নারীদের সঙ্গে শুরু হলো এই দশ দিনের পথচলা। যাদের সমাজ পরিচ্ছন্নতা কর্মী হিসেবে চিহ্নিত করে। যাদের পরিচয় আর পেশা বারবার সমাজের মূল স্রোত থেকে আলাদা করে রাখে তাদের। ভাষাগত ভিন্নতার কারণে যাদের পড়াশোনার দরজাগুলো প্রায় বন্ধই থেকে যায়। খুব অল্প বয়সে যাদের জীবনের ভার কাঁধে তুলে নিতে হয়।

এই দশ দিনে নানা বয়সের প্রায় ১৫ জন দলিত কমিউনিটির মেয়ে সাইক্লিং শিখেছে।
কিন্তু শেখার চেয়েও বড় ছিল তাদের চোখের আগ্রহ—নতুন কিছু জানার, নিজের গণ্ডির বাইরে পা রাখার আগ্রহ। কথা বলতে বলতে, হাসতে হাসতে, গল্প ভাগ করে নিতে নিতে তৈরি হয়েছে এক অদ্ভুত ভালো লাগা, এক ধরনের নীরব শক্তি।
বারবারই মনে হয়েছে—আমাদের মতো সুযোগ পেলে তারা কত কিছুই না করতে পারত।
সাইক্লিং তাদের জীবনের সব সমস্যার সমাধান নয়, সেটা আমরা জানি।
কিন্তু নিজের মতো করে কিছু করা, একসঙ্গে পথ চলা, একে অন্যের পাশে দাঁড়ানো—এই অভিজ্ঞতা তাদের কমিউনিটির নারীদের মধ্যে যে যৌথতা আর আত্মবিশ্বাস তৈরি করলো, সেটাই বা কম কী?

এই পুরো প্রশিক্ষণটি নিষ্ঠা আর যত্নের সঙ্গে সম্পন্ন করেছে নভেরার ট্রেইনার টিমের মেয়েরা—
Afreen Ahmed Hiya Ayesha The Pinion Hafsa Akter Farhana Manik Tasmin Fariya Esha —তোমাদের সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন। 🌻
আর আরেকটা ধন্যবাদ আমাদের বন্ধু সোহেল রানাকে,,
সুন্দর সব ছবি তুলে দেয়ার জন্য 😍

এই দশ দিনে শুধু তারা নয়, আমরাও সমৃদ্ধ হয়েছি।
নারী উন্নয়ন মানে শুধু সহায়তা নয়—সুযোগ তৈরি করে দেওয়া, বিশ্বাস জাগিয়ে তোলা।
এভাবেই, বছরের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে, নতুন বছরের দিকে পা বাড়ানো গেল দারুণভাবে।
😍🚴‍♀️

নারীর জ্ঞান, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস,মূল্যবোধ,সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা, ভিন্নভাবে বিশ্লেষণের দৃষ্টিভঙ্গি, জীবন সম্...
09/12/2025

নারীর জ্ঞান, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস,মূল্যবোধ,
সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা,
ভিন্নভাবে বিশ্লেষণের দৃষ্টিভঙ্গি, জীবন সম্পর্কে উপলব্ধি/মূল্যায়ন, বৈষম্য কে চিহ্নিত করতে পারার দক্ষতা, প্রতিকূলের বিপরীতে মাথা উঁচু করে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শক্তি,
এইসমস্ত আসলে কেন জরুরী ?

প্রস্তরযুগ,তাম্রযুগ,লৌহ যুগ পেরিয়ে ক্রমবিকাশমান মানবসভ্যতা আজকের যেই জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে,
সেই মানবসমাজের অর্ধেকটা অংশই হোলো নারী।
খুব সহজ সাধারণ সোজাসাপটা সত্যি কথা এটি। কোনো জটিল অংক নয়।

মানুষের বিকাশ শুধুমাত্র জৈবিক সীমার মধ্যে আবদ্ধ হয়ে নেই আর । জৈবিক ধারণার বাইরে গিয়ে আরো বৃহৎ পরিসরে মানুষের যে উন্নত প্রাণী হয়ে ওঠার গল্প,
সে গল্পে মানুষ জ্ঞানী, বুদ্ধিমান, সামাজিক, শৈল্পিক এবং উদ্ভাবনী ক্ষমতা সম্পন্ন!

মানুষ বিমূর্ত চিন্তা করতে পারে!
জটিল সব সমস্যা নিয়ে বিশ্লেষণ,
আর সেসব থেকে উত্তরণের বিকল্প পন্থা,
এইসব কিছুই মানুষের মোটামুটি কয়েক লক্ষ বছরকার জার্নি। কয়েক লক্ষ বছরকার ফলাফল।

মানুষ আবিষ্কার করে ভাষা,
সে লিপিবদ্ধ করে তথ্য,
জ্ঞান-অভিজ্ঞতা-এবং ইতিহাস কে সংরক্ষণ করে,
এবং সেগুলোকে সঞ্চারিত করে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে। সেই পাথরের হাতিয়ার থেকে শুরু করে, চাকা, আগুন,কৃষি,
বাষ্পীয় ইঞ্জিন কিংবা রকেট
শিল্প-সাহিত্য-চিত্রকর্ম
চিকিৎসা বিজ্ঞান কিংবা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা,
এই সমস্ত কিছুই মানুষের আবিষ্কার!
মানুষের! অর্থাৎ নারীর এবং পুরুষের।

নারী কেবল মা হবে, বোন হবে, কন্যা হবে, স্ত্রী হবে,
নাকি এর পাশাপাশি শ্রমিক হবে, চিকিৎসক হবে, শিল্পী হবে, রাজনীতিবিদ হবে,
নারীর চলন কেমন হবে (!), পোশাক কেমন হবে(!),
এইসমস্ত বাহ্যিক আলাপের পাশাপাশি
আরো একটু গভীরে গিয়ে এই আলাপ টা ও জরুরী যে,
নারী আসলে 'মানবসভ্যতার অর্ধেকটা অংশ'!
সুতরাং এই মহাবিশ্বের এক ক্রমবিকাশমান বুদ্ধিবৃত্তিক সত্ত্বা হিসেবে,
নারীর জ্ঞান, দক্ষতা, বিমূর্ত চিন্তা, যুক্তিবাদী ক্ষমতা, জটিল মস্তিষ্কের প্রতিটা নিউরনের প্রায়োগিক ব্যাবহার,
তার শিল্প, সাহিত্য,জীবনবোধ,
তার গবেষণা, উদ্ভাবন, লিপিবদ্ধকরণ,
এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মতে সেসবের স্থানান্তর করণ,
এই সব কিছুই মানুষ হিসেবে তার দায়বদ্ধতার ভেতর পরে।
মানুষ হিসেবে তার মূল্যায়নের ভেতরে পরে।

সুতরাং নারীর শারীরিক, মানসিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, আত্মিক, আধ্যাত্মিক এবং বৈজ্ঞানিক বিকাশ,
ক্রমশ আলোচনা, মূল্যায়ন এবং চর্চিত হবার বিষয়।

এইসমস্ত গভীর আলাপ এর পাশ কাটায়ে,
শুধুমাত্র 'মা' হিসেবেও যদি
কোনো নারীকে মূল্যায়ন করা হয়,
তাহলেও শিশুর সর্বপ্রথম শিক্ষক এবং শিশুর ওপর সর্বাধিক প্রভাব বিস্তারকারী সত্তা হিসেবে,
নারীর শিক্ষা, জ্ঞান, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং পরিণত মূল্যবোধ,
এইসমস্ত এমনকি পুরুষের চেয়েও অধিক গুরুত্ব সহকারে নিশ্চিত করতে পারাটা জরুরী।
কারণ আর যাই হোক, অন্তত মা হিসেবে হলেও,
নারী এবং পুরুষের প্রথম প্রশিক্ষক এবং প্রথম পরিচর্যাকারী সত্তাটি কিন্তু
একজন নারী!

সুতরাং,সকল প্রতিকূলতার বিপরীতে,
সকল ঔদ্ধত্য, উগ্রতা, আগ্রাসন,
ধর্মান্ধতা-সংকীর্ণতা-নিপীড়ন
এইসমস্ত কিছুর বিপরীতে দাঁড়িয়ে,
নারীর জন্য জ্ঞান, শিক্ষা, এবং পরিণত জীবনবোধ এর নিরলস চর্চা টা জরুরি।
নারী ভালো থাকুক শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যে
নারী চর্চিত হোক 'রোকেয়ায়' এবং 'নভেরায়'

রোকেয়া দিবস
৯ ই ডিসেম্বর, ২৫

বিদ্র: বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলার চমৎকার সব অনুপ্রেরনীয় অগ্রজ আপুদের উদ্যোগ,
এবং নারী সাইক্লিস্ট গ্রুপ নভেরা'র যৌথ অংশগ্রহণে,
গত ৫ ই ডিসেম্বর সকালে 'বেগম রোকেয়া'র স্বরণে,রোকেয়া দিবস কে সামনে রেখে, আমরা সাইকেল নিয়ে বেরিয়েছিলাম।
এসময় নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, অধিকার, রোকেয়ার আদর্শকে স্মরণ, এইসমস্তের পাশাপাশি, নারীর নিরাপদ ডিজিটাল স্পেসের দাবীকেও সামনে আনা হয়।

আমরা সাইকেলে বাচ্চাদের কীভাবে নিয়ে যাই? সামনে রডের ওপর ছোটো সীটে বসাই অথবা পেছনে ক্যারিয়ারে বসাই,, তাই না? ইউরোপে সাইক...
16/04/2024

আমরা সাইকেলে বাচ্চাদের কীভাবে নিয়ে যাই?
সামনে রডের ওপর ছোটো সীটে বসাই
অথবা পেছনে ক্যারিয়ারে বসাই,, তাই না?

ইউরোপে সাইক্লিং করতে গিয়ে দেখেছিলাম সাইকেলে বাচ্চাদের জন্য ক্যারিয়ার ব্যবহার করে, যেটা অনেকটা চেয়ারের মতো দেখতে আর বাচ্চাদের জন্য অনেকটা আরামদায়কও বটে। এই সীট অ্যামাজনে কিনতে পাওয়া যায় যার দাম ছ হাজার টাকার বেশী।
সেদিন সকালে আমি আর সুমন্ত তারদহর দিকে সাইকেল নিয়ে গিয়েছিলাম ফেরার সময় এই দুই বোনকে পেলাম, বাচ্চাদের স্কুলে নিয়ে যাচ্ছেন। দূর থেকে দেখতে পেয়ে সাইকেলের গতি একটু বাড়িয়ে কাছে এলাম।
কাছ থেকে দেখে জাস্ট অবাক হয়ে গেলাম, মনে হলো এটা আমরাই পারি , একদম ঠিক পড়ছেন আমরাই পারি।
বাচ্চাকে দূরের স্কুলে নিয়ে যেতে হবে যেখানে সাইকেলই ভরসা কিন্তু বেশিক্ষণ বসে থাকতে বাচ্চার কষ্ট হবে তাই “Jugaad”(জোগার)।
একটা ২০০ টাকার চেয়ার দিয়ে সাইকেলের আরামদায়ক সিট্ বানানো হয়েছে । আমার এতো ভালো লেগেছে ব্যাপারটা । প্রয়োজন অনুযায়ী খুব কম বাজেটে আমরা আমাদের কাজ চালিয়ে নেবার জন্য ব্যবস্থা করে নিতে পারি। বাচ্চা দুটো আরামে চেয়ারে বসে আছে আর মায়েদের সাইকেলের প্যাডেল ঘুরে চলেছে। অনেকগুলো ছবি দিলাম কীভাবে করা এটা দেখানোর জন্য। ভারতবর্ষের বিভিন্ন জায়গায় এই রকম জিনিসপত্র দেখতে পাওয়া যায়। আপনাদের চোখে এমন কিছু পড়লে শেয়ার করতে ভুলবেন না। সেটা হয়তো কারো কাজে লাগতে পারে। সাইকেল চালান, নিজে এবং পরিবেশকে ভালো রাখুন। আজ নতুন বছরের শুরু।

শুভ নববর্ষ । নতুন বছর সবার খুব ভালো কাটুক।
সবাই ভালো থাকুন ।

সাইক্লিস্ট লিপিকা বিশ্বাসের পোস্ট থেকে...
পোস্ট লিংক: https://www.facebook.com/share/p/mJgpfU6wu1DowFru/?mibextid=oFDknk

দৈনিক সংবাদের ২য় পাতায় ধন্যবাদ সাংবাদিক Afsana Moon  🧡
11/03/2024

দৈনিক সংবাদের ২য় পাতায়
ধন্যবাদ সাংবাদিক Afsana Moon 🧡

ধন্যবাদ Dinar Mahmud  💟
10/03/2024

ধন্যবাদ Dinar Mahmud 💟

ইকোসিস্টেম ভেঙে পরছে...উদ্ভিদ এবং প্রাণীকূল একে একে বিলুপ্ত হচ্ছে..ছোট বেলায় যেইসব ফুল দেখেছি,পাখি দেখেছি,ফড়িং দেখেছি সে...
09/03/2024

ইকোসিস্টেম ভেঙে পরছে...উদ্ভিদ এবং প্রাণীকূল একে একে বিলুপ্ত হচ্ছে..ছোট বেলায় যেইসব ফুল দেখেছি,পাখি দেখেছি,ফড়িং দেখেছি সেসবের সমস্তই এখন অদৃশ্য..
কোথাও নির্ভেজাল মাটি নেই..
নদীর তীর জুরে গড়ে তুলছি সিমেন্ট কারখানা..
কলকারখানার বিষাক্ত কেমিক্যালে একে একে নদীদের মৃত্যু ঘটাচ্ছি...
খাল,বিল,পুকুর সমস্তই ভরাট করে করে আমরা কেবল আমাদের ব্যাক্তিগত চাহিদা আর ভোগবিলাসের সহজাত প্রবণতা কে প্রশ্র‍য় দিয়ে যাচ্ছি..

ভাবছিনা এই সব নদী,
এইসব হাওড়,বাওড়,বিল,খালকে কেন্দ্র করে বেঁচে থাকা প্রাণীদের ভাগ্যে
ঠিক কি ঘটছে!
তাদের বাসস্থানের কি হচ্ছে!
তাদের মৃত্যু কিংবা বিলুপ্তি নিয়ে আমরা চিন্তিত নই!
আমরা পাহাড় কাটছি...আমরা বাতাসে মিশিয়ে দিচ্ছি কার্বন...আমরা সমস্ত বন নির্বিচারে উজার করছি...সর্বত্র ছড়িয়ে দিচ্ছি প্লাষ্টিক..
"বাস্তুতন্ত্র"/" ইকোসিস্টেম" নিয়ে নূন্যতম জ্ঞান/সচেতনতাবোধ আমাদের ভেতর নেই..

ইকোসিস্টেমর সহজ ব্যাখা হলোঃ
পৃথিবীর প্রতিটি প্রাণী,প্রতিটি উদ্ভিদ,
পৃথিবীর মাটি,বাতাস,পানি,
এই সমস্ত কিছুই একে অন্যের ওপর নির্ভরশীল।
কোনো একটা প্রাণীকে বিলুপ্ত হতে দিচ্ছি/কোনো একটা উদ্ভিদ কে বিলুপ্ত হতে দিচ্ছি,
এর মানে,আমরা নিজেরাই সেই বিলুপ্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি..

এই মাটি,এই নদী,
এই জল,জঙ্গল,বাতাস,
এই সমস্ত কিছু বিষাক্ত করে দিয়ে
আমরা ইকোসিস্টেমের ভারসাম্যকে নষ্ট করে দিয়েছি।

খুব দ্রুত,
আবারো লিখছিঃ "খুব দ্রুত" আমরা যদি আমাদের পরিবেশকে বাঁচিয়ে তোলার লক্ষ্যে সচেতন না হই,
আমরা যদি প্রতিটি প্রাণী,প্রতিটি উদ্ভিদের বেঁচে থাকার অধিকার নিশ্চিত না করি,
আমরা যদি আমাদের মাটি,পানি এবং বাতাস কে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিশুদ্ধ না করি,
তাহলে ৬ষ্ঠ বারের মতন আমাদের পৃথিবীর প্রাণীরা 'মহাবিলুপ্তির' সম্মুখীন হতে যাচ্ছে..
এবং এই বিলুপ্তির স্রোতে হারিয়ে যাবে "মানুষও"..

শীতলক্ষ্যা'র পাড়ের প্রাচীন বটগাছ সহ প্রায় অর্ধশতাধিক গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। প্রশাসন বলছে নদীর পাড় ঘেঁষে ওয়াকওয়ে নির্মাণসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের কারণে কাটা হয় এত গাছ। বন-বৃক্ষ উজার করা যে উন্নয়ন আমরা তা চাই না। তাই গাছ রক্ষার চলমান আন্দোলনের সাথে যুক্ত হয়ে আমরা আজ শহরে সাইকেল র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করেছি

আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টার মূল বার্তাটুকু মানুষে মানুষে ছড়িয়ে পরুক...
পরিবেশের সমস্ত উপাদানের জন্য মানুষের মধ্যে "ভালবাসা" এবং "সচেতনতার" জন্ম নিক,
মানুষ বুঝুক "উন্নয়ন" ব্যপারটা "পরিকল্পিত" ভাবেও হওয়া সম্ভব।
পরিবেশকে অপরিকল্পিত উন্ননের বলি না বানিয়ে,
মানুষের সাথে পরিবেশের একটা চমৎকার মিথোজীবীতা গড়ে উঠুক...

আসুন গাছ রক্ষার, বন রক্ষার, সবুজ রক্ষার জন্য ঐক্যবদ্ধ হই।

ছবি কৃতজ্ঞতা: আরিফ বুলবুল, জয় কে রয় চৌধুরী, দিনার মাহমুদ, শুভ দেব।

Address

Narayanganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নভেরা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category