27/06/2026
রাইসা যখন অফিস থেকে ফিরল, তার শরীর ও মন দুটোই ছিল বিধ্বস্ত। আসলে রাইসার এই ক্লান্তির শুরু কিন্তু সকাল থেকেই। রাতে ঠিকঠাক ঘুম না হওয়া, সকালে তাড়াহুড়ো করে ব্রেকফাস্ট স্কিপ করা আর সারাটা দিন ডেস্কে বসে একনাগাড়ে কাজ করা - কোনো শারীরিক নড়াচড়া বা এক্সারসাইজ ওর রুটিনেই ছিল না।
ফলে শরীর এমনিতেই ক্লান্ত ছিল, আর তার ওপর যোগ হয়েছিল মানসিক চাপ।
আমাদের শরীর যখন দীর্ঘক্ষণ অলস বসে থাকে এবং পর্যাপ্ত ঘুম পায় না, তখন মস্তিষ্কে কর্টিসল নামক স্ট্রেস হরমোন বাড়ে এবং সেরোটোনিন বা ভালো লাগার হরমোন কমে যায়।
রাইসার ক্ষেত্রেও ঠিক তাই ঘটেছিল। ওর শরীর ও মস্তিষ্ক তাৎক্ষণিক শক্তির জন্য এবং মনকে ভালো করার জন্য শর্টকাট খুঁজছিল।
আর চকোলেট কেক বা ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের মতো রিফাইনড কার্বোহাইড্রেট ও চিনি মুহূর্তের মধ্যে মস্তিষ্কে ডোপামিন হরমোন নিঃসরণ করে এক মিথ্যা আনন্দের সৃষ্টি করে।
অলস লাইফস্টাইল আর ব্যায়ামহীন জীবনের কারণেই রাইসা খুব সহজেই ইমোশনাল ইটিংয়ের ফাঁদে পড়ে গেল।
এখন আপনি বলতে পারেন এক্সারসাইজ এর সাথে খাবারের কি সম্পর্ক?
স্বাস্থ্যকর লাইফস্টাইল ও এক্সারসাইজকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে এই সমস্যা থেকে পুরোপুরি মুক্তি পাওয়া সম্ভব আসুন জানি!
১/ এক্সারসাইজের মাধ্যমে ন্যাচারাল মুড বুস্টার তৈরি করা।
যখনই মানসিক চাপ বা একাকীত্ব থেকে কিছু খেতে ইচ্ছা করবে, তখন রান্নাঘরে না গিয়ে অন্তত ১৫-২০ মিনিটের জন্য একটু ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ কিংবা জোরে হাঁটা শুরু করুন। এক্সারসাইজ করলে শরীর থেকে এনডোরফিন নামক হরমোন নিঃসৃত হয়, যাকে 'ফিল-গুড' হরমোন বলা হয়। এটি প্রাকৃতিকভাবে আপনার মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমিয়ে দেবে, ফলে খাবারের মাধ্যমে আর সাময়িক শান্তি খোঁজার প্রয়োজন পড়বে না।
২/পর্যাপ্ত ও গভীর ঘুম নিশ্চিত করা।
অগোছালো লাইফস্টাইলের সবচেয়ে বড় লক্ষণ হলো অনিয়মিত ঘুম। গবেষণা বলে, ঘুম কম হলে শরীরে গ্রেলিন নামক ক্ষুধার হরমোন বেড়ে যায় এবং লেপটিন নামক পেট ভরার হরমোন কমে যায়। ফলে পরদিন জাঙ্ক ফুড বা মিষ্টি খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা জাগে। তাই প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো এবং ৭-৮ ঘণ্টার নিরেট ঘুম ইমোশনাল ইটিংয়ের তাড়না অনেকটাই কমিয়ে দেয়।
৩/এক্টিভ লাইফস্টাইল ও মাইন্ডফুলনেস চর্চা করা।
সারাদিন এক জায়গায় বসে না থেকে অলসতা কাটানোর চেষ্টা করুন। লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহার করা, কাজের ফাঁকে প্রতি ঘণ্টায় ৫ মিনিটের জন্য একটু হেঁটে নেওয়া শরীরকে সচল রাখে। এর পাশাপাশি প্রতিদিন ৫-১০ মিনিট 'মাইন্ডফুল ব্রিদিং' বা গভীরভাবে শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করুন। এটি আপনার স্নায়ুকে শান্ত রাখবে, ফলে আবেগের বশে হুট করে খাবার মুখে তুলে দেওয়ার প্রবণতা কমে আসবে।
৪/পুষ্টিকর খাবার ও সঠিক সময়ে খাওয়ার অভ্যাস করা।
ক্রাশ ডায়েট করা বা হুটহাট খাবার বাদ দেওয়া (যেমন ব্রেকফাস্ট বা লাঞ্চ না করা) লাইফস্টাইলের বড় ভুল। দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়, যা পরবর্তীতে ইমোশনাল ইটিংকে আরও উস্কে দেয়। তাই ডায়েটে পর্যাপ্ত প্রোটিন, ফাইবার, শাকসবজি ও হেলদি ফ্যাট রাখুন। যখন শরীর ভেতর থেকে পুষ্টি পাবে, তখন অসময়ে উল্টোপাল্টা খাওয়ার "ক্রেভিং" বা লোভ নিজে থেকেই মরে যাবে।
৫/পানি পানের সঠিক অভ্যাস করুন।
অনেক সময় আমাদের শরীর ডিহাইড্রেটেড বা পানির পিপাসায় ভুগলে মস্তিষ্ক সেটাকে 'ক্ষুধা' মনে করে ভুল সংকেত পাঠায়। অলস লাইফস্টাইলে অনেকেই পর্যাপ্ত পানি পান করেন না। তাই যখনই হুট করে কিছু খেতে ইচ্ছে করবে, প্রথমে এক গ্লাস হালকা গরম পানি বা সাধারণ পানি পান করুন। দেখবেন, অনেক সময় পানির পিপাসা মিটে গেলেই খাওয়ার অস্বাস্থ্যকর ইচ্ছাটা চলে যায়।
শেষে বলবো,
ইমোশনাল ইটিং কোনো স্থায়ী রোগ নয়, এটি মূলত একটি অস্বাস্থ্যকর লাইফস্টাইলের প্রতিফলন। প্রতিদিনের জীবনে সামান্য একটু শারীরিক পরিশ্রম বা এক্সারসাইজ যুক্ত করা, সময়মতো ঘুমানো আর পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে শরীর ও মনের ভারসাম্য ফিরে আসে। আর মন যখন শান্ত থাকে, তখন খাবারের ওপর আবেগের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা অনেক সহজ হয়ে যায়।
আপনার যদি জীমে যাওয়ার সময় না থাকে বা কি করবেন একা একা ভেবে না পান তাহলে ওমেন্স ফিটনেস এর অনলাইন জীম ক্লাসে ভর্তি হয়ে যান....!
আমরা কোনো ম্যাজিক বা যাদুকরী কিছু করি না।
আমরা করি,
- বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে Strength Training ও কার্ডিও
- ব্যালেন্সড ডায়েট
- সঠিক লাইফস্টাইল গাইডলাইন
আমরা আপনাকে গাইডলাইন দিবো,আর আপনি যদি ধৈর্য ধরে নিয়মিত ফলো করেন, ইনশাআল্লাহ কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসবেই।
ভর্তি হতে বা বিস্তারিত জানতে পেইজে যোগাযোগ করতে পারেন।
27/06/2026
শুধু মুখে জিম-ডায়েট না বলে, ওমেন্স ফিটনেসের ফিমেইল অনলি লাইভ এক্সারসাইজ ক্লাসের খোঁজ নিন! 🤫
27/06/2026
অতিরিক্ত খাওয়া এড়াতে যা করবেন ⬇️
27/06/2026
অর্ধেক বছর শেষ হতে চললো! অথচ হেলদি একটা রুটিন এখনো করতে পারলেন না, তাই তো?
কিভাবে শুরু করবেন কনফিউজড। সকালের রুটিন নেই আবার রাত জাগাও একটা সমস্যা।আনহেলদি লাইফস্টাইল, নানা রকমের অসুখ-বিসুখ ও ঘুম না হওয়া যেনো নিত্যদিনের সমস্যা।
একা একা কোনো কাজে আগানোও যায় না।
এই সমস্যাগুলো যদি হয়ে থাকে আপনার তাহলে আমাদের অনলাইন লাইভ এক্সারসাইজ ক্লাস আপনারই জন্য।
📣𝐎𝐧𝐥𝐢𝐧𝐞 𝐖𝐨𝐫𝐤𝐨𝐮𝐭 𝐂𝐥𝐚𝐬𝐬 𝐏𝐫𝐨𝐠𝐫𝐚𝐦, 𝐍𝐞𝐰 𝐁𝐚𝐭𝐜𝐡-এর এডমিশন চলছে....
🎯ওয়ার্কাউট ক্লাসে ভর্তির লাস্ট ডেট ০৪ই জুলাই
𝐖𝐨𝐦𝐞𝐧'𝐬 𝐅𝐢𝐭𝐧𝐞𝐬𝐬-এর অনলাইন ক্লাসগুলো জুম অ্যাপের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
✅ আমাদের ফিটনেস প্রোগ্রামের বিস্তারিত:
▪ লাইভ ওয়ার্কআউট ক্লাস (Zoom)
▪ সপ্তাহে ৪ দিন | মাসে ১৬টি ক্লাস
▪ কাস্টমাইজ নিউট্রিশনাল গাইডলাইন
▪ ডেইলি প্রগ্রেস মনিটরিং
▪ ২৪/৭ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ সাপোর্ট
▪️ হেলদি রেসিপি ই-বুক
🎯 টানা ৩ মাসের জন্য এনরোল করলে ৫০০/- ডিস্কাউন্ট।
🎯 টানা ৬ মাসের জন্য এনরোল করলে ১০০০/- ডিস্কাউন্ট।
🎯 আপনিসহ আরেকজন বান্ধুবী আনলে, আপনি ও আপনার বান্ধুবী দুইজন ২০০৳+২০০৳ ডিস্কাউন্ট পাবেন(অবশ্যই একদিনে একসাথে এনরোল করতে হবে এই ডিস্কাউন্ট পেতে)
🌟প্রতি মাসে মোট ১৬টি লাইভ জুম ক্লাস
▪️Funtional HIIT, Strength Training & Conditioning Training, Stretching, Mobility & Face Exercise Session.
⏰ কার্ডিও ও স্ট্রেন্থ সেশনের সময়কাল: ১ ঘণ্টা
⏰ স্ট্রেচিং, মোবিলিটি সময়কাল: ৪০ মিনিট
↪️ ক্লাস হবে : শনি,সোম,বুধ ও বৃহঃ
ব্যাচ:
সকাল ৬:১৫ থেকে ৭:১৫
বিকেল ৪.৩০ থেকে ৫.৩০
রাত ৮.০০ থেকে ৯.০০
--এছাড়া সময় ফিক্সড - ঠিক সময়ে ক্লাস শুরু হয়--
🌸[যেকোনো একটায় আপনার সুবিধা অনুযায়ী ক্লাস করার সুবিধা]
📌 গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা :
-ক্লাসে ক্যামেরা অন রাখা বাধ্যতামূলক
-কোনো পুরুষ থাকা যাবে না(স্ট্রিক্টলি মেইনটেইন করা হয়)
-একবার পেমেন্ট সম্পন্ন হলে তা ফেরতযোগ্য নয়।
-একমাসের পেমেন্ট দিয়ে পরবর্তী মাসে ট্রান্সফার করা যাবে না।
-আমাদের নন-রিফান্ড নীতিটি সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য।
-যদি নিয়মিত সময় দিতে পারবেন বলে নিশ্চিত থাকেন, তবেই রেজিস্ট্রেশন করার অনুরোধ রইলো।নিশ্চিত হয়ে তবেই পেমেন্ট সম্পন্ন করুন।
📩 আপনার সিট'টি দ্রুত বুকড করুন।
✍️ Meem Sauda Certified Fitness Coach
ISSA Certified Trainer,
Fitness with gomzi international institution & CPD Certified Fitness Coach. Fitness Nutrition Coach.
Specially trained in muscle buildup, fat loss, weight maintenance, and strength training.
নিজেকে ভালোবাসুন
নিজের ও পরিবারের যত্ন নিন❤️❤️
📌রেজিস্ট্রেশন করতে Women's Fitness পেইজে মেসেজ করুন।
26/06/2026
পরিবর্তন চান অথচ কম্ফোর্ট জোন ছাড়তে পারছেন না?
অনেকেই অভিযোগ করেন আপু আমি তো নিয়ম মেনে ডায়েট-এক্সারসাইজ করছি, তাও ওজন কমছে না কেন? খুব হতাশ লাগে!
আমাদের অনেকেরই এই আক্ষেপটা থাকে। কিন্তু কখনো কি একটু গভীরভাবে ভেবে দেখেছেন, আপনার ডায়েট বা এক্সারসাইজ রুটিনটা আপনার জন্য আসলেই কতটা চ্যালেঞ্জিং হচ্ছে?
আজকে খুব শান্ত মাথায় একটা বৈজ্ঞানিক সত্য বোঝার চেষ্টা করি। কেন কম্ফোর্ট জোন থেকে বের না হলে পরিবর্তন আসে না, আর কেনই বা শেষমেশ আমাদের হতাশ হতে হয়।
আমাদের শরীর খুব বুদ্ধিমান সবসময় নিজেকে একটা আরামদায়ক অবস্থায় রাখতে পছন্দ করে। সেটা খাওয়া,ঘুম,বিছানা,ড্রেস থেকে শুরু করে সবকিছু। সমস্যার শুরু হয় যখন আমরা হেলদি লাইফ স্টাইল ফলো করতে এসেও সেইম কম্ফোর্ট জোন খুঁজি ।এক্সারসাইজের ক্ষেত্রে আপনি যখন প্রতিদিন একই গতিতে, কোনো বাড়তি কষ্ট ছাড়াই ২০ মিনিট একটু হাত-পা নাড়ান, শরীর তখন সেটাতে অভ্যস্ত হয়ে যায়। যতক্ষণ না আপনি ওয়ার্কআউটের ইন্টেন্সিটি একটু বাড়াচ্ছেন আরেকটু বেশি নিজেকে পুশ করা বা মাসলে একটু চাপ ফিল করা বা ডাম্বেলের ওয়েট বাড়ানো ততক্ষণ বডি নতুন করে ফ্যাট বার্ন করার কোনো তাগিদই পায় না।
ডায়েটের ক্ষেত্রেও সেইম কাহিনি হয়।ধরুন আপনার শারীরিক কন্ডিশন অনুযায়ী এমন কিছু খাবার আছে যা আপনার জন্য ঠিক নয় বলে বাদ দিতে বলা হয়েছে। কিন্তু ঐ যে আপনার ভালো লাগে বলে আপনি সেটাই অপশন হিসেবে চাচ্ছেন বা খাচ্ছেন ফলাফল আপনার পরিবর্তন ভিজিবল হবেনা।ডায়েট মানে শুধু কম খাওয়া নয়, বরং অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস পুরোপুরি বদলে ফেলা। আমরা অনেক সময় মনকে সান্ত্বনা দিতে গিয়ে একটু-আধটু চিট মিল খেয়ে ফেলি। কিন্তু এই ছোট ছোট ছাড়গুলোই আমাদের অজান্তে পুরো সপ্তাহের কষ্টটাকে নষ্ট করে দেয়।
যখন আমরা কম্ফোর্ট জোনে থেকে অর্ধেক এফোর্ট দিই, তখন সাময়িকভাবে মনে হয় আমরা অনেক কষ্ট করছি। কিন্তু ভেতরে ভেতরে বডিতে কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন আসে না।
ফলাফল? আকাঙ্ক্ষিত রেজাল্ট না পাওয়া। আর যখন দিনের পর দিন কোনো পরিবর্তন দেখা যায় না, তখন স্বাভাবিকভাবেই মনে তীব্র হতাশা চলে আসে। একপর্যায়ে মনে হয় আমাকে দিয়ে হয়তো হবেই না এবং আমরা হাল ছেড়ে দিই। অথচ ভুলটা ছিল এফোর্টের তীব্রতায়।
পরিবর্তন সহজে আসে না, আর এটাই স্বাভাবিক। তবে কিছু ছোট ছোট মাইন্ডসেট বদলে আপনি এই লুপ থেকে বের হতে পারেন-
➡️ ধীরে ধীরে চ্যালেঞ্জ বাড়ান
প্রতিদিন নিজেকে একটুখানি পুশ করুন। গত সপ্তাহে যে ব্যায়ামটা সহজ লাগছিল, এই সপ্তাহে সেটার রেপস আরেকটু বাড়িয়ে দিন। শরীরকে একটু নতুন চ্যালেঞ্জ দিন।
➡️ সততা বজায় রাখুন
নিজের ডায়েট চার্টের প্রতি ১০০% সৎ থাকুন। ছোটখাটো ফাঁকিবাজিগুলো বন্ধ করলে দেখবেন রেজাল্ট কত দ্রুত আসে।
➡️ কষ্টটাকে পজিটিভলি নিন ওয়ার্কআউটের সময় যে ক্লান্তি বা সোরনেস হয়, সেটা কিন্তু আপনার বডি শেপে আসার লক্ষণ। ওটাকে ভয় না পেয়ে এনজয় করতে শিখুন।
কম্ফোর্ট জোন আমাদের সাময়িক আরাম দেয় ঠিকই, কিন্তু আমাদের স্বপ্নের ফিট বডিটা থাকে এই জোনের ঠিক বাইরে। হতাশা ঝেড়ে ফেলে নিজেকে আরেকটু চ্যালেঞ্জ করুন। একটুখানি কষ্টই কিন্তু আপনার কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন এনে দিতে পারে!
26/06/2026
মাইশা আপুর (ছদ্মনাম) এই মাসের বডি মেজারমেন্টের একটা বাস্তব ঘটনা আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করি, যা আমাদের অনেকেরই চেনা গল্প।
আপুর গত মাসে প্রোগ্রেস ভালো ছিল, কিন্তু এই মাসে এসে দেখা গেল ওজন প্রায় ১.৫ কেজি কমলেও কোমর বা হিপের মেজারমেন্টে গত এক সপ্তাহে তেমন কোনো পরিবর্তন আসেনি। স্বভাবতই আপু কিছুটা হতাশ হয়ে ভেবেছিলেন তাঁর প্রোগ্রেস হয়তো থমকে গেছে।
কিন্তু ফিটনেস বিজ্ঞানের ভাষায় বললে, তাঁর প্রোগ্রেস মোটেও থামেনি, বরং তাঁর শরীর এখন একটি অত্যন্ত স্বাভাবিক স্লো ফেইজ বা মানিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
আসলে ফিটনেস জার্নিটা কখনো সোজা রাস্তার মতো হয় না, এটা পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রাস্তার মতো। জার্নির শুরুতে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি ও গ্লাইকোজেন দ্রুত ঝরে যায় বলে মেজারমেন্টে বড় পরিবর্তন চোখে পড়ে।
কিন্তু কিছুদিন পর যখন আসল ফ্যাট লস বা চর্বি গলার প্রক্রিয়া শুরু হয়, তখন শরীর কিছুটা ধীরগতিতে রেসপন্ড করে।
বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে লোয়ার বেলি, হিপ কিংবা থাই হলো সবচেয়ে জেদি চর্বির জায়গা (Stubborn Fat)।
বডি চাইলেই নির্দিষ্ট কোনো এক জায়গার ফ্যাট আগে কমাতে পারে না, যাকে 'স্পট রিডাকশন' বলা হয়। শরীর তার নিজস্ব জেনেটিক প্যাটার্ন অনুযায়ী চারপাশ থেকে ধীরে ধীরে ফ্যাট কমায়।
তাছাড়া মেজারমেন্ট যখন অলরেডি একটি লিন বা স্লিম রেঞ্জে চলে আসে (যেমনটা আপুর ক্ষেত্রে ২৯.২ ইঞ্চি কোমর), তখন শেষের কয়েক ইঞ্চি কমানো সবসময়ই একটু বেশি ধৈর্যের পরীক্ষা নেয়।
মাত্র এক সপ্তাহের মেজারমেন্ট একই থাকা মানেই ফ্যাট লস বন্ধ হওয়া নয়, ভেতরে ভেতরে শরীরের কম্পোজিশন বদলানোর কাজ ঠিকই চলতে থাকে।
তাই এমন পরিস্থিতিতে এসে ডায়েট, ওয়ার্কআউট বন্ধ করে দেওয়া বা হতাশ হওয়া যাবে না।
বরং শরীরকে নতুন উদ্দীপনা দিতে ওয়ার্কআউটের তীব্রতা বা ডাম্বেলের ওজন সামান্য বাড়ানো উচিত, সাথে দৈনিক প্রোটিনের পরিমাণ (ওজন অনুযায়ী প্রায় ৯০-১০০ গ্রাম) ঠিক রাখা জরুরি।
সেই সাথে সারাদিনের ছোটখাটো হাঁটাচলা বাড়িয়ে ৮-১০ হাজার স্টেপস পূরণ করা এবং সবসময় সকালে খালি পেটে মেজারমেন্ট নেওয়ার নিয়ম বজায় রাখা দরকার।
মনে রাখবেন, ওজন স্কেলের নম্বর বা ফিতার মাপ প্রতিদিন আপনার মনের মতো হবে না।
এই জার্নিতে ১.৫ কেজি ওজন কমাও একটা দারুণ জয়। তাই মেজারমেন্ট এক জায়গায় আটকে থাকলে ভেঙে না পড়ে ধৈর্য এবং কনসিস্টেন্সির ওপর ভরসা রাখতে হবে।
আগামী কয়েকটা সপ্তাহ ওজন কমানোর পেছনে না ছুটে বডি কম্পোজিশন সুন্দর করার দিকে নজর দিলেই এই জেদি ফ্যাটও একদিন গলতে বাধ্য হবে!
আমরা কোনো ম্যাজিক বা যাদুকরী কিছু করি না।
আমরা করি,
- বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে Strength Training ও কার্ডিও
- ব্যালেন্সড ডায়েট
- সঠিক লাইফস্টাইল গাইডলাইন
আর এটাই বড় মেডিসিন সুস্থ ও ফিট থাকার।
আমাদের নতুন ব্যাচের লাইভ এক্সারসাইজ ক্লাস এর এডমিশন চলছে......জুলাই এর প্রথম উইক থেকে ক্লাস শুরু।
রেজিস্ট্রেশন ক্লোজ হওয়ার আগে আপনার সিট বুকড করুন।
26/06/2026
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন:
জুমার দিন,
আমার উপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করো। কারণ আমার উম্মতের দরুদ জুমার দিন আমার কাছে পৌঁছানো হয়। যে ব্যক্তি আমার ওপর সবচেয়ে বেশি দরুদ পাঠ করবে, সে কিয়ামতের দিন আমার সবচেয়ে নিকটবর্তী হবে।
[সহীহ আত-তারগিব:১৬৭৩]