Hill-tracts football fans group of Bangladesh

Call Directions Contact the business

Hill-tracts football fans group of Bangladesh আমাদের স্লোগান:
উন্নত করি পার্বত্য অঞ্চলের ফুটবল।
মাদক ছেড়ে মাঠে চল,
একসাথে লড়ি,
প্রতিভায় গড়ি আগামীর বাংলাদেশ।

গোলবারের নিচে নেতৃত্বের পার্থক্য....🏇🇧🇩ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের ২৮ অস্ট্রেলিয়ার মতো নিয়মিত বিশ্বকাপ খেলা একটি দলের বিপক্ষে ...
03/10/2026

গোলবারের নিচে নেতৃত্বের পার্থক্য....🏇🇧🇩

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের ২৮ অস্ট্রেলিয়ার মতো নিয়মিত বিশ্বকাপ খেলা একটি দলের বিপক্ষে মিতুল মারমা গোলবারের নিচে থাকলে শুধু গোল ঠেকান না, পুরো ৯০ মিনিট ডিফেন্ডারদের সতর্ক করে রাখেন। 🧤

পেনাল্টি সেভ থেকে শুরু করে বারবার চিৎকার করে ডিফেন্সের অবস্থান ঠিক করে দেন। ফলে দলও অনেক বেশি সংগঠিত থাকে...!

অন্যদিকে, গত ০২ দিন আগে ফিফা এশিয়ান কাপের ম্যাচে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের ১১৮ ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে মেহেদী হাসান শ্রাবনের গোলবারের নিচে গনে গনে ৯ গোল হজম।
ডিফেন্ডাররা আক্রমণে উঠে গেলে পিছনের অংশে সমন্বয়ের অভাব, আর গোলবারের নিচে গোলকিপারের নেতৃত্বও তেমন চোখে পড়েনি। মিতুল যখন ভুল করে তখন তার ১৪ গোষ্ঠীসহ উদ্ধার করে ফেলে বাংলাদেশ ফুটবলের কিছু সংগঠক।

গোলবারের নিচে একজন গোলকিপার শুধু শট সেভ করেন না, ডিফেন্সকে নেতৃত্ব দেন, সতর্কও করেন এবং পুরো ব্যাকলাইনকে সংগঠিত করে রাখেন 🧤🇧🇩

মিতুল মারমা থাকলে অন্তত গোলবারের পেছন থেকে একজনকে তো চিৎকার করে বলতে শোনা যায়, “ডিফেন্স ঠিক করো 🔥 ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে সেদিন গোলও কম হজম করতো অন্তত ০৯/ নয় নয়টি গোল খেয়ে বাড়ি ফিরতে হতো না বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলকে।

লেখা✍ বান্দরবানের ফুটবল সংগঠক (হ্লারাঅং মারমা) সহযোগিতায় অ্যাডমিন।

যে যতটা পারছে, এই মানুষটাকে নিয়ে হাসিঠাট্টা করছে। অথচ তারাই আবার সম্মান খুঁজে বেড়ায়।সত্যি বলতে, এই মানুষটার জাতীয় দলকে দ...
02/10/2026

যে যতটা পারছে, এই মানুষটাকে নিয়ে হাসিঠাট্টা করছে। অথচ তারাই আবার সম্মান খুঁজে বেড়ায়।

সত্যি বলতে, এই মানুষটার জাতীয় দলকে দেওয়ার হয়তো আর কিছুই বাকি নেই। তবুও এই বয়সে এসে সে একটু জিততে চায়, যতদিন পারে ফুটবলটাকে উপভোগ করতে চায়। এত বছর যে মানুষটা দেশের জন্য নিজের সবটুকু দিয়েছে, সে আরও সম্মান ডিজার্ব করে।

রোনালদোর সঙ্গে এখন কোচ, সতীর্থ—অনেকের সম্পর্কও হয়তো আগের মতো নেই। অথচ এটাই বাস্তবতার একটা কঠিন উদাহরণ। স্বার্থপর এই পৃথিবীতে প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে অনেকেই মানুষটাকেই ভুলে যেতে চায়।

কিন্তু রোনালদো অন্যায় কখনো সহজে মেনে নেয়নি, এখনও নেয় না। আশা করি, সামনে সপ্তাহে আসল ঘটনার কারণটা জানতে পারব।

তবে একজন ভক্ত হিসেবে আমার একটা চাওয়া থাকবে—রোনালদো, আর জাতীয় দলে ফিরো না। যারা তোমার এত বছরের অবদান ও কদর করতে জানে না, তারা হয়তো তোমাকে পাওয়ার যোগ্য নয়।

অথচ দেখো, প্রতিপক্ষ দলের একজন খেলোয়াড়ও গতকাল তোমার ‘Siuuu’ উদযাপন করে বুঝিয়ে দিয়েছে—একজন কিংবদন্তিকে কীভাবে ভালোবাসতে ও সম্মান করতে হয়। 7️⃣🐐

লেখা: এডমিন।

জাতীয় দলের গোলরক্ষক মিতুল মারমা  ভালো সময়টাকেও বাংলাদেশ ফুটবল সর্মথকদের একটি অংশ স্বাভাবিক ভাবে মেনে নেয়নি। মিতুলের সিন্...
02/10/2026

জাতীয় দলের গোলরক্ষক মিতুল মারমা ভালো সময়টাকেও বাংলাদেশ ফুটবল সর্মথকদের একটি অংশ স্বাভাবিক ভাবে মেনে নেয়নি। মিতুলের সিন্ডিকেটের কারণে নাকি জাতীয় দল থেকে আনিসুর রহমান জিকুকে বাদ দেয়া হয়েছে।

ম্যাচে, মিতুল ভুল করলে সব দোষ যেন মিতুলের উপর! দেখা গেছে ম্যাচ চলাকালীন কিছু উগ্র বাংগালী গ্যালারির ভিতরে ডুকে মিতুলকে গালাগাল করতে। অন্যদিকে শ্রাবণ ভুল করলে ডিফেন্স এবং দলের প্লেয়াদের নিয়ে সমালোচনা হয়।

#যাইহোক,মিতুলের সাফল্য আমাদের কিছু কথা,যারা দেশের ফুটবলকে অনুসরণ করেন না,আপনারা দূরে থাকুন 👊 🇧🇩

বাংলাদেশ ফুটবলের গোলবারে নিচে এই সময়ের সবচেয়ে আলোচিত নামগুলোর মধ্যে একটি মিতুল মারমা। মিতুলকে নিয়ে কথা বলতে গেলে তার আগে আনিসুর রহমান জিকোর কথা অবশ্যই আসবেই। একটা সময় জিকো ছিলেন লাল-সবুজের গোলবারের অন্যতম নির্ভরতার নাম। কিন্তু সময়ের বাস্তবতায় জাতীয় দলের বাইরে চলে যাওয়ার পর সেই জায়গায় মিতুল ধীরে ধীরে নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রাখতে শুরু করেন।

আর সেই স্বাক্ষরটা মোটেও হঠাৎ করে আসেনি।
মালদ্বীপ, ভারত, ভুটান, হংকং, অস্ট্রলিয়া, নেপাল সিঙ্গাপুরের মতো কঠিন আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলোতে মিতুলকে আমরা দেখেছি একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সেভ করতে, ম্যাচে নিজেকে উজার করে দিতে। কখনো একা দাঁড়িয়ে প্রতিপক্ষের নিশ্চিত গোলের সামনে দেয়াল হয়ে, কখনো আবার দুর্দান্ত পজিশনিং ও দুই পায়ে বল নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ডিফেন্সকে আত্মবিশ্বাস জোগাতে।

২০২৪-২৫ মৌসুমে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে মিতুলের পরিসংখ্যানই তার সবচেয়ে বড় পরিচয়। ১৫ ম্যাচে ১১টি ক্লিনশিট; অর্থাৎ প্রায় ৭৩ শতাংশ ম্যাচে গোল হজম না করে ম্যাচ শেষ করেছিলেন তিনি। লিগে ক্লিনশিটের হিসেবে মিতুল ছিলেন সবার ওপরে। একই সময়ে গোলরক্ষকদের পরিসংখ্যানে মিতুলের ৭ গোল হজমের বিপরীতে ১৬ ম্যাচের রেকর্ডও তার ধারাবাহিকতার প্রমাণ দেয়।
জাতীয় দলেও তার ওপর আস্থার প্রতিফলন দেখা গেছে। ২০২৬ সালে মিতুল ৯টি ম্যাচেই শুরু থেকে গোলবার সামলেছেন এবং মোট ৭৫৮ মিনিট মাঠে ছিলেন।

#তবুও আশ্চর্যের বিষয় হলো, মিতুলের ভালো সময়টাকেও বাংলাদেশের ফুটবল সমর্থকদের একটি অংশ স্বাভাবিকভাবে নিতে পারেনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে মাঠের গ্যালারি; বিভিন্ন সময়ে তাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ কিংবা চাপ তৈরি করা হয়েছে। অনেকের ধারণা ছিল, মিতুলের কারণেই নাকি আনিসুর রহমান জিকো জাতীয় দলে সুযোগ পাচ্ছেন না।

কিন্তু ফুটবলে আবেগের পাশাপাশি বাস্তবতাও দেখতে হয়।
একজন গোলরক্ষককে জাতীয় দলে সুযোগ দেওয়া বা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত কোচের। আর জিকো ক্লাব পর্যায়েই যখন নিয়মিত একাদশে জায়গা পাচ্ছিলেন না, তখন জাতীয় দলের একাদশে তার জায়গা পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন থাকাটাই স্বাভাবিক। এখানে মিতুলকে দায়ী করার কোনোভাবে যুক্তি নেই। আমরা আবারও বলছি মিতুল কারও জায়গা কেড়ে নেয়নি। মিতুল নিজের জায়গা নিজের মেধা এবং পারফরম্যান্স দিয়ে নিজেকে সে তৈরি করেছে।

#এবার আসি শ্রাবণের কথায়....!
মেহেদী হাসান শ্রাবণ নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের একজন প্রতিভাবান ও উদীয়মান গোলরক্ষক। বসুন্ধরা কিংসের মতো দলের গোলবার সামলানো সহজ কাজ নয়। প্রতিপক্ষের আক্রমণের মান, শটের গতি এবং ম্যাচের চাপ-সবকিছু বিবেচনায় নিলে শ্রাবণের সামর্থ্য নিয়ে সন্দেহ করার সুযোগ নেই।

কিন্তু প্রতিভা আর অভিজ্ঞতা এক জিনিস নয়।
মিতুলের বয়স কম হলেও জাতীয় দল ও ক্লাব ফুটবলে তার যে ম্যাচ-অভিজ্ঞতা তৈরি হয়েছে, পজিশনিং, বলের গতি বোঝা, দুই পায়ে খেলা এবং চাপের মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সেই অভিজ্ঞতার একটা আলাদা মূল্য আছে।
তাই শ্রাবণকে সমর্থন করা যেমন জরুরি, তেমনি মিতুলকেও তার প্রাপ্য সমর্থন দেওয়া আমাদের জরুরি।
আমি শ্রাবণকে গালি দেওয়ার পক্ষে নই। আমরা কোনো খেলোয়াড়কে হেয় করার পক্ষেও নই। শ্রাবণ আমাদেরই খেলোয়াড়, মিতুলও আমাদেরই খেলোয়াড়। তারা জিতলে বাংলাদেশ জিতে যায়। তারা হারলে আমাদেরই মন খারাপ হয়।

কিন্তু প্রশ্ন হলো; একজন খেলোয়াড় যখন খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যায়, তখন আমরা কি তাকে আরও ভেঙে দেব, নাকি তাকে ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি দেব?

মিতুলের ক্ষেত্রেও সেটাই প্রযোজ্য।
একজন গোলরক্ষকের জন্য আত্মবিশ্বাস কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটা ফুটবল বোঝা মানুষ নিশ্চয়ই জানেন। গোলরক্ষকের একটি ভুল পুরো ম্যাচের ফল বদলে দিতে পারে। আবার একই গোলরক্ষক পরের ম্যাচেই তিন-চারটি অবিশ্বাস্য সেভ করে দলকে জয় এনে দিতে পারে।

মিতুলের সাম্প্রতিক কিছু ভুল নিয়ে আলোচনা হতেই পারে। সমালোচনাও হতে পারে। কিন্তু সেই সমালোচনা যেন একজন তরুণ খেলোয়াড়ের আত্মবিশ্বাস ভেঙে দেওয়ার অস্ত্র না হয়ে যায়।

#কারণ আমরা ভুলে গেলে চলবে না;

এই মিতুলই একসময় বাংলাদেশের গোলবারে দাঁড়িয়ে অসংখ্যবার দলকে বাঁচিয়েছে। এই মিতুলই কঠিন ম্যাচে প্রতিপক্ষের চোখে চোখ রেখে দাঁড়িয়েছে।
এই মিতুলই ১৫ ম্যাচে ১১টি ক্লিনশিট রেখে প্রিমিয়ার লিগের সেরা ক্লিনশিট রেকর্ড গড়েছেন।

মিতুল, তোমাকে ফিরতেই হবে। কারণ তোমার সেরা সময় আমরা দেখেছি। তোমার সামর্থ্য আমরা জানি। তোমার সেই দুর্দান্ত সেভগুলো অসভ্য ফুটবল ফ্যান্সরা ভুলে গেলেও আমরা এখনও ভুলিনি।

তুমি আবারও ছন্দে ফিরবে! এই বিশ্বাসটা তোমার নিজের ওপর রাখিও 🙏🌼🥀

কারণ
তুমি জিতলে শুধু ১১ জন খেলোয়াড় জেতে না,
জিতে লাল-সবুজের ১৮ কোটি হৃদয় 🇧🇩💚💐🦿

লিখেছেনঃ রাঙামাটির ফুটবল সংগঠক (অতুল চাকমা) সার্বিক সহযোগিতায় প্ল্যাটফর্মের অ্যাডমিন।




ইন্দোনেশিয়ার সাথে ৯-২ গোলে হারের কয়েক ঘণ্টা পরই নারী ভাড়া করে নাইট ক্লাবে মদের পার্টি ও ফূর্তি করছেন সাদ উদ্দিন। তাঁর সঙ...
02/10/2026

ইন্দোনেশিয়ার সাথে ৯-২ গোলে হারের কয়েক ঘণ্টা পরই নারী ভাড়া করে নাইট ক্লাবে মদের পার্টি ও ফূর্তি করছেন সাদ উদ্দিন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সোহেল রানাও। ভাড়া করা সেই নারী নিজের এক্স (X) অ্যাকাউন্টে তুলে ধরেছেন তাঁদের পার্টির ছবি ও ভিডিও কমেন্ট বক্সে দেখেন 🫦


বাংলাদেশের হয়ে প্রথম এভারেস্টের থ্রী হাইয়েস্ট পাসের কংমালা পাসের পর আজ ২য় পাস চো লা পাস  ৫,৪২০ মিটার (১৭,৭৮২ ফুট) সামিট ...
01/10/2026

বাংলাদেশের হয়ে প্রথম এভারেস্টের থ্রী হাইয়েস্ট পাসের কংমালা পাসের পর আজ ২য় পাস চো লা পাস ৫,৪২০ মিটার (১৭,৭৮২ ফুট) সামিট সম্পন্ন করেছেন সাইক্লিস্ট বীর কুমার তঞ্চগ্যা 🌼🇧🇩🏇🦿

গোলবারে বল ডুকার পরেই গোলকিপার জাম্প করে😣বেশি না হাফ টাইমের আগে ৬ টা খাইলাম...🙂এখনও ৪৫ মিনিট বাকি বাংলাদেশ কি পারবে কাম ...
01/10/2026

গোলবারে বল ডুকার পরেই গোলকিপার জাম্প করে😣
বেশি না হাফ টাইমের আগে ৬ টা খাইলাম...🙂
এখনও ৪৫ মিনিট বাকি বাংলাদেশ কি পারবে কাম ব্যাক করতে....?
এখন কোথায় মিতুল মারমা আউট "জিকু ইন' স্লোগান দেয়া সাইকো ভক্তরা...?

পাহাড়ের মাটি শুধু সুন্দর নয়, গর্বও জন্ম দেয় 🌼🏄‍♀️🏇🇧🇩বলছিলাম "খই খই সাই মারমার কথা",,,,,,,,,,আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের...
30/09/2026

পাহাড়ের মাটি শুধু সুন্দর নয়, গর্বও জন্ম দেয় 🌼🏄‍♀️🏇🇧🇩

বলছিলাম "খই খই সাই মারমার কথা",,,,,,,,,,আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের টেবিল- টেনিস তারকায় প্রথম-রৌপ্য পদক জয়ী খই খই সাই মারমা। সুত্র অনুযায়ী বর্তমানে পড়াশোনা করছেন (BKSP) বাংলাদেশ ক্রিড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।

পাহাড়ের বসবাসরত আদিবাসী তরুণদের প্রায় সময় কোটা নিয়ে সমতলের বাঙালীদের কাছে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে কিংবা খোঁটা মারতে শুনতে হয়। কিন্তু হ্যাঁ পাহাড়ের শিক্ষার মান অনুযায়ী কোটা আমাদের অবশ্যই প্রয়োজন। তবুও আমাদের প্রমাণ করে খই খই সাইদের মতো এগিয়ে যেতে হবে। পাহাড়ের প্রতিটি ছেলে-মেয়ে এভাবেই যদি চ্যালেঞ্জ নিয়ে এগোয়, তাহলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একদিন লাল সবুজের নামের সাথে পাহাড়ের নামও সবচেয়ে বড় পরিচয় হয়ে ওঠবে 🇧🇩

রাঙ্গামাটির রাজস্থলীর এক সাধারণ কৃষক পরিবারের সন্তান খই খই সাই। বেড়ে ওঠেছেন পার্বত্য রাঙামাটির দূর্গম এলাকার রাজস্থলী চুশাক পাড়ার এক ছোট্ট গ্রামে।

বান্দরবানের কোয়ান্টাম স্কুলের হলরুম থেকে শুরু হওয়া তাঁর যাত্রা এখন আন্তর্জাতিক মঞ্চে পৌঁছেছে। ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে রুপা জেতার মাধ্যমে খই খই দেখিয়ে দিয়েছেন প্রতিকূলতা, দারিদ্র্য ও সীমিত সুযোগের মধ্যেও স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়া সম্ভব।

তিনি প্রমাণ করেছেন প্রতিভা যদি লালন করার সুযোগ পায় পাহাড়ি গ্রামের এক সাধারণ মেয়েও দেশের ক্রীড়ার মানচিত্র বদলে দিতে পারে। পরিবারকে একটি ভালো ঘর বানিয়ে দেওয়ার স্বপ্ন থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে আরও বড় সাফল্যের লক্ষ্য খই খই যেতে চান বহু দূর।

খই খই সাইয়ের এই সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি আমাদের সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করে। হাসিমুখে রুপার পদক ঝুলিয়ে থাকা তাঁর ছবি যেন বলে অদম্য ইচ্ছাশক্তি থাকলে পাহাড় থেকে উঠে আসা মেয়েও বিশ্বমঞ্চে দেশের পতাকা উড়িয়ে দিতে পারে।

আমাদের পার্বত্য ফুটবল প্ল্যাটফর্ম এর পক্ষ থেকে আমরা খই-খই সাই মারমাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই আরও উজ্জ্বল হোক আপনার ভবিষ্যৎ।

ধন্যবাদ (অ্যাডমিন প্যানেল)।




#খইখইসাইমারমা
#টেবিলটেনিস
#বাংলাদেশক্রীড়া
#স্বপ্নযাত্রা

চলমান সম্প্রীতির বান্দরবান ফুটবল টুর্নামেন্ট – ২০২৬ইং অনুষ্ঠিত হওয়া নিয়ে বান্দরবান জেলার ফুটবল রেফারি সমিতির পক্ষ থেকে অ...
29/09/2026

চলমান সম্প্রীতির বান্দরবান ফুটবল টুর্নামেন্ট – ২০২৬ইং অনুষ্ঠিত হওয়া নিয়ে বান্দরবান জেলার ফুটবল রেফারি সমিতির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, এর দায় কিন্তু বান্দরবান জেলা ফুটবল এসোশিয়েশন এড়াতে পারেন না..!

সাবেক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং বাংলাদেশ ফুটবলের লাইসেন্স প্রাপ্ত রেফারি সাট্টো প্রিও চাকমা বলেছেন...
২৩ সেপ্টেম্বর থেকে বান্দরবান জেলা পর্যায়ে শুরু হয়েছে।“সম্প্রীতির বান্দরবান ফুটবল টুর্নামেন্ট – ২০২৬”।

এবারের আন্তঃজেলা পর্যায়ে ছেলেদের ৬টি ও মেয়েদের ৬টি—মোট ১২টি দল অংশগ্রহণ করেছে। এর আগে কয়েকদিন পূর্বে এই টুর্নামেন্টের আন্তঃউপজেলা পর্যায়ের খেলাগুলো স্ব-স্ব উপজেলার অংশগ্রহণের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়েছে।

তবে অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানতে পারলাম, জেলা পর্যায়ের খেলাগুলো পরিচালনার দায়িত্ব পুনরায় সুদূর কক্সবাজার জেলা থেকে রেফারি আনা হয়েছে।

আমাদের প্রশ্ন এখানেই।
বান্দরবান সদর উপজেলা পর্যায়ের ফুটবল ম্যাচগুলোতে আমরা বান্দরবানের রেফারিরাই প্রায় নিয়মিত দায়িত্ব পালন করে আসছি। সম্মানি তুলনামূলকভাবে নগণ্য হলেও আমরা কখনো পরিচালনা কমিটির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করিনি। বরং নিজেদের সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে প্রতিটি ম্যাচ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালনা করার চেষ্টা করেছি এবং করে আসছি।

বান্দরবানে বর্তমানে বাফুফে স্বীকৃত ৫/৬ জন রেফারি রয়েছেন। একজন রেফারিকে বাফুফের পদোন্নতি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ফিটনেস টেস্ট ও লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে কতটা পরিশ্রম, সময় ও ত্যাগ স্বীকার করতে হয়—সেটি হয়তো সংশ্লিষ্ট অনেকেই জানেন না। জানলে হয়তো স্থানীয় রেফারিদের প্রতি আরও ইতিবাচক ও সহযোগিতামূলক মনোভাব তৈরি হতো।

আরও একটি বিষয় উল্লেখ করা প্রয়োজন।
“সম্প্রীতির বান্দরবান ফুটবল টুর্নামেন্ট – ২০২৬”-এর বান্দরবান সদর উপজেলা পর্যায়ে শুরুতে স্থানীয় স্বীকৃত রেফারিদের বাদ দিয়েই খেলা পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রথম দিনের প্রথম ম্যাচেই নিয়োগকৃত রেফারিদের নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ ওঠার পর দ্বিতীয় দিন থেকে বান্দরবানের স্বীকৃত রেফারিদের দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরবর্তীতে তাদের দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে টুর্নামেন্টের খেলাগুলো সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

তাহলে আমাদের কিছু স্বাভাবিক প্রশ্ন থেকেই যায়—
#বান্দরবানের ফুটবল বা ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যদি নিজ জেলার রেফারি, কোচ ও খেলোয়াড়দের পর্যাপ্ত সুযোগ না দেন, তাহলে তারা সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা কোথা থেকে পাবে...?

#বান্দরবানের স্থানীয় রেফারি, কোচ ও খেলোয়াড়দের নিজেদের জেলার টুর্নামেন্টে কাজ ও খেলার সুযোগ করে দেওয়ার দায়িত্ব কার?
#স্থানীয় রেফারিরা যদি নিয়মিত ছোট-বড় টুর্নামেন্ট পরিচালনার সুযোগই না পান, তাহলে তারা কীভাবে নিজেদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করবেন?

#কক্সবাজার থেকে আগত রেফারিরা কি ফুটবলের ১৭টি আইনের বাইরে গিয়ে খেলা পরিচালনা করবেন?
নিশ্চয়ই নয়। তাহলে স্থানীয় স্বীকৃত রেফারিদের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্নটা কোথায়....?
#কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে যদি স্থানীয় রেফারি, কোচ ও খেলোয়াড়রা বারবার উপেক্ষিত হন, তাহলে আগামী প্রজন্মের তরুণরা খেলাধুলায় আসার আগ্রহ ও উৎসাহ কতটা পাবে...?
#সবশেষে আমাদের প্রশ্ন—বান্দরবানের স্বীকৃত রেফারিরা কি এমন কোনো ভুল বা অপরাধ করেছেন, যার কারণে একটি জেলা পর্যায়ের টুর্নামেন্ট পরিচালনার জন্যও বান্দরবানের বাইরে থেকে রেফারি আনতে হয়? আমরা কারও বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে চাই না। আমরা চাই স্থানীয় প্রতিভার মূল্যায়ন হোক।
বান্দরবানের রেফারি, কোচ ও খেলোয়াড়রা সুযোগ পেলে তারাও নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করতে পারবেন এটাই আমাদের বিশ্বাস।

আমরা বাইরের জেলার রেফারিদের বিরোধিতা করছি না। তারা তাদের যোগ্যতা ও দক্ষতা দিয়ে দায়িত্ব পালন করবেন এটাই স্বাভাবিক।

কিন্তু একইসঙ্গে নিজ জেলার স্বীকৃত রেফারিদের প্রতি আস্থা, সম্মান ও সুযোগ দেওয়াটাও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব বলে আমরা মনে করি।

একজন রেফারি, একজন কোচ কিংবা একজন খেলোয়াড়কে তৈরি হতে অনেক সময়, পরিশ্রম ও ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। তাই তাদের মূল্যায়ন করা মানে শুধু একজন ব্যক্তিকে মূল্যায়ন করা নয় সম্প্রতি বান্দরবানের ফুটবলের ভবিষ্যৎকে মূল্যায়ন করা।

#স্থানীয় প্রতিভাকে সুযোগ দিন।
#যোগ্যতাকে মূল্যায়ন করুন।
# বান্দরবানের ফুটবলকে এগিয়ে নিতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করুন।
সম্প্রীতির বান্দরবান ফুটবল টুর্নামেন্ট – ২০২৬ সফল হোক। বান্দরবানের ফুটবল আরও এগিয়ে যাক।❤️⚽



তাও দিনশেষে মিতুলের দোষ, কারণ মিতুল মারমা  নাকি বাংলাদেশ ফুটবলের সিন্ডিকেটের মূল হোতা🤦‍♂️ছবি ইডিটঃ অংসিং মারমা...
28/09/2026

তাও দিনশেষে মিতুলের দোষ, কারণ মিতুল মারমা নাকি বাংলাদেশ ফুটবলের সিন্ডিকেটের মূল হোতা🤦‍♂️

ছবি ইডিটঃ অংসিং মারমা...

"কোটা কোনো দয়া নয়, এটি আমাদের প্রাপ্য অধিকার।"এই দৃশ্যটি বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার গজালিয়া এলাকার। প্রতিদিন নীল ইউনিফ...
27/09/2026

"কোটা কোনো দয়া নয়, এটি আমাদের প্রাপ্য অধিকার।"

এই দৃশ্যটি বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার গজালিয়া এলাকার। প্রতিদিন নীল ইউনিফর্ম পরা একদল কোমলমতি শিশুকে এভাবেই নদী বা খাল পেরিয়ে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যেতে হয়। একটি মাত্র ব্রিজের অভাবে এই শিশুদের হাঁটুজল পাড়ি দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছাতে হয়। শুধু লামা উপজেলায় নয়, পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকাগুলোতে এর চেয়েও ভয়ংকর ভোগান্তির চিত্র অহরহ রয়েছে।

একবার ভাবুন তো, শিক্ষাগ্রহণে তাদের প্রতিদিনের প্রতিবন্ধকতা কতটা তীব্র! বর্ষাকালে যখন নদীর পানি বেড়ে যায়, তখন তাদের অবস্থা কী হয়? ভেজা কাপড়, নষ্ট হয়ে যাওয়া বইখাতা আর শারীরিক ক্লান্তি নিয়ে তারা ক্লাসে বসে। শহরের একটি শিশু যখন নিশ্চিন্তে মসৃণ পথে বা গাড়িতে চড়ে স্কুলে যায়, পাহাড়ের শিশুটিকে তখন প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করে শিক্ষার আলো নিতে হয়। দুজনের starting line কি কখনো এক?

অথচ, এই দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে, হাজারো প্রতিবন্ধকতা জয় করে যখন পাহাড়ের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বা চাকরির প্রতিযোগিতায় আসে, তখন অনেকেই তাদের 'কোটা' নিয়ে খোঁটা দেন। 'মেধা নেই', 'কোটার জোরে টিকেছে'—এমন নানা অপমানজনক কথা ছুঁড়ে দিতে দ্বিধা করেন না।

যারা এসি রুমে বসে সমঅধিকার আর মেধার মাপকাঠি নির্ধারণ করেন, তারা ভুলে যান যে সমতলের আর পাহাড়ের সুযোগ-সুবিধার মাঝে পাহাড়সম বৈষম্য রয়েছে। কোটা কোনো দয়া বা করুণা নয়; বরং রাষ্ট্রীয়ভাবে পিছিয়ে রাখা কাঠামোগত এই বৈষম্যকে কিছুটা কমিয়ে আনার একটি ন্যূনতম উপায় মাত্র।

যাদের প্রতিদিন স্কুলে যাওয়ার পথেই জীবনযুদ্ধের পরীক্ষা দিতে হয়, তাদের সাথে সমান সুযোগ পাওয়া শহরের শিক্ষার্থীর প্রতিযোগিতা কখনোই ন্যায্য হতে পারে না। শিক্ষার পথে এমন বৈষম্য যতদিন থাকবে, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য কোটার প্রয়োজনীয়তাও ঠিক ততদিনই থাকবে।

যারা প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিত তাদের কোটা অধিকার যাতে সুনিশ্চিত হয়, সেজন্য তুলনামূলক সুবিধাপ্রাপ্ত যারা তাদেরকে এই বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে এবং প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিতদের সুযোগ দিতে হবে।

ছবি: Susanta Tanchanya

#শিক্ষার_অধিকার #বান্দরবান #লামা #পার্বত্যচট্টগ্রাম #কোটা_প্রসঙ্গ

Address

Chittagong
Rangamati

Telephone

+8801875896293

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hill-tracts football fans group of Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Hill-tracts football fans group of Bangladesh:

Shortcuts

Share

Category