টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ১৫ জনের দল ঘোষণা করছে বিসিবি।🏏🏆
১.মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ(ক্যাপ্টেন)
২. সাকিব আল হাসান
৩ মুশফিকুর রহিম
৪. লিটন দাস
৫.মোহাম্মদ নাইম শেখ
৬.সৌম্য সরকার
৭.নুরুল হাসান সোহান
৮.আফিফ হোসেন ধ্রুব
৯.মোস্তাফিজুর রহমান
১০.শেখ মাহেদি হাসান
১১.মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন
১২.শামীম হোসেন পাটোয়ারী
১৩.নাসুম আহমেদ
১৪.তাসকিন আহমেদ
১৫.শরিফুল ইসলাম।
Roni Sports Info
Welcome to my "RONISPORTS INFO" Page. Here I make all kinds of information videos of the game and b
30/08/2021
উইকেট রক্ষকের দায়িত্ব দিতে হিমশিম বাংলাদেশ দলের নির্বাচকদের।বাংলাদেশ দলে এখন উইকেট কিপার হিসেবে যোগ্য ৩ ক্রিকেটার। মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস এবং নুরুল হাসান সোহান। মুশফিকুর রহিম জিম্বাবুয়ে সফরের টি-টোয়েন্টিতে ছিলেন না। তিনি না থাকায় বাংলাদেশ দলের উইকেটকিপারের দায়িত্ব সামলেছিলেন নুরুল হাসান। দুর্দান্ত কিপিং করেছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজেও মুশফিকের অনুপস্থিতিতে কিপারের দায়িত্ব ছিল নুরুলের কাঁধেই। কিন্তু নিউজিল্যান্ড সিরিজে সিনিয়র মুশফিকুর রহিম থাকায় কিপিং করবেন মুশফিক–নুরুল দুজনই। আজ বাংলাদেশ দলের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো জানিয়ে দিয়েছেন নিউজিল্যান্ড সফরে দায়িত্ব ভাগাভাগি করে কিপিং করবেন নুরুল আর মুশফিক। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে নুরুলের হাতেই থাকবে গ্লাভস। পরের দুই ম্যাচে মুশফিককে দেখা যাবে উইকেটের পেছনে। এরপর পঞ্চম ম্যাচে এসে নাকি উইকেটকিপারের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে এসেছে নিউজিল্যান্ড দল, প্রথমটি হবে ১ সেপ্টেম্বর। শেষ ম্যাচটি হবে ১০ সেপ্টেম্বর। সব কটি ম্যাচই হবে মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে। বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টার দিকে শুরু হওয়ার কথা ম্যাচগুলো। অস্ট্রেলিয়া সিরিজে সন্ধ্যা ৬টার দিকে খেলা শুরু হলেও এবার নিউজিল্যান্ড দর্শকের কথা ভেবে এগিয়ে আনা হচ্ছে সময়।
নিউজিল্যান্ডের বাংলাদেশ সফরের সূচি
১ সেপ্টেম্বর
১ম টি-টোয়েন্টি, মিরপুর
৩ সেপ্টেম্বর
২য় টি-টোয়েন্টি, মিরপুর
৫ সেপ্টেম্বর
৩য় টি-টোয়েন্টি, মিরপুর
৮ সেপ্টেম্বর
৪র্থ টি-টোয়েন্টি, মিরপুর
১০ সেপ্টেম্বর
৫ম টি-টোয়েন্টি, মিরপুর
শুভকামনা বাংলাদেশ দলের জন্য।
28/08/2021
পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে এসেছে নিউজিল্যান্ড দল। ঢাকায় এসে পৌঁছেছে কিউইরা। অকল্যান্ড থেকে রওনা দিয়েছিল নিউজিল্যান্ড।
এর আগে অস্ট্রেলিয়া এসে বিমানবন্দরের রানওয়ে থেকেই হোটেলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল। তবে নিউজিল্যান্ডের তেমন চাওয়া ছিল না। সাধারণ নিয়মে ইমিগ্রেশন শেষেই হোটেলে গেছেন নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটাররা। জৈব সুরক্ষা বলয়ের নিয়ম অনুযায়ী তিন দিন কোয়ারেন্টিনে থাকবেন তাঁরা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে এটিই বাংলাদেশের শেষ সিরিজ। নিউজিল্যান্ড স্কোয়াডে অবশ্য নেই তাদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলের কেউ। বাংলাদেশে আসা দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ২০১৭ সালে সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি খেলা টম ল্যাথাম। নিউজিল্যান্ড দলের তিনজনের এখনো আন্তর্জাতিক অভিষেকই হয়নি।
আজ ঢাকায় এসেছেন নিউজিল্যান্ড স্কোয়াডের ১৩ জন। ব্যাটসম্যান ফিন অ্যালেন ও অলরাউন্ডার কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম ঢাকায় এসেছেন আগেই। ইংল্যান্ডে দ্য হান্ড্রেড খেলে ঢাকায় এসেছেন তাঁরা গত ২০ আগস্ট। এরপর হোটেলে কোয়ারেন্টিনে আছেন তাঁরা। এর আগে ১৭ আগস্ট এসেছিলেন নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের তিন পর্যবেক্ষক।
22/08/2021
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১৭ অক্টোবর শুরু হবে ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। শীর্ষ আট দলে থাকতে না পাড়ায় বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ড খেলতে হবে বাংলাদেশ দলকে। ১৭ অক্টোবর শুরুর দিনই বাংলাদেশের খেলা। বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ স্কটল্যান্ড খেলা শুরু হবে রাত ৮ টায়। ১৯ অক্টোবর দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ খেলবে ওমানের বিপক্ষে এটিও রাত ৮ টায়। প্রথম রাউন্ডের শেষ ম্যাচ ২১ অক্টোবর, পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে বিকেল ৪ টায়।
শুভকামনা বাংলাদেশ দলের জন্য।
22/08/2021
টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে নিউজিল্যান্ড বাংলাদেশে আসবে ২৪ আগস্ট। তবে এর আগেই কিউই স্কোয়াডের দুজন ক্রিকেটারের বাংলাদেশ আসার কথা নিশ্চিত করেছিল বিসিবির একটি সূত্র। ব্যাটসম্যান ফিন অ্যালেন ও অলরাউন্ডার কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম গত শুক্রবার সকালে চলেও এসেছেন। ঢাকা পৌঁছে এখন হোটেল রুমে কোয়ারেন্টিনে আছেন দুজন। অবশ্য অ্যালেন ও ডি গ্র্যান্ডহোমের আগেই ১৭ আগস্ট সফর–পূর্ববর্তী পরিস্থিতি দেখতে বাংলাদেশে এসেছেন নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের তিন পর্যবেক্ষক। তাঁদের মধ্যে আছেন দলের ম্যানেজার মাইক স্যান্ডল, কোভিড কর্মকর্তা অ্যান্ড্রু লাভ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপক টেরি মিনিশ। বাংলাদেশ সফরে নিউজিল্যান্ড খেলবে পাঁচটি টি-টোয়েন্টি। ১ সেপ্টেম্বর হবে সিরিজের প্রথম ম্যাচ। সিরিজের সব কটি ম্যাচই হবে মিরপুরের শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে। তবে এবারও মাঠে প্রবেশ করতে পারবেন না কোনো দর্শক।
টি ২০ তে দুই দেশের ২ তারকা, টাইগারের মুস্তাফিজ এবং বিপরীতে ক্যাঙ্গারুর মিচেল স্টার্ক। ২ জনেরি বোলিং অ্যাকশন যেমন দুদার্ন্ত তেমনি তুলুনাটাও কম নয়। মিচেল স্টার্ক ৩৯ ম্যাচ খেলে উইকেট শিকার করেছেন ৪৮ টি। বিপরিতে মুস্তাফিজ ৪৩ ম্যাচ খেলে উইকেট শিকার করেছেন ৬১ টি। উইকেট শিকারে যেরকম তেমনি রয়েছে ইকোনমিও মুস্তাফিজ ৮.০২ বিপরীতে স্টার্ক ৭.১৫। বাকিটা দেখা যাবে মাঠে, এপর্যন্তই।
এটা কিরকম শর্ত আরোপ করলো অজিদ। কোন বল বাউন্ডারি হলে সে বল দিয়ে আর খেলবে না। এমনকি খেলা চলাকালীন মাঠে কোনো মাঠকর্মীও ঢুকতে পারবে না আর ক্যামেরাম্যান বা সম্প্রচার কর্মীরাও থাকতে পারবে না বাউন্ডারির ১৫ মিটার দূরত্বের ভিতরে। এতো কিছু শর্ত মাথা বুজেও নিয়েও কি মন জয় করতে পারবে অজিদের!
02/08/2021
কোথায় হারিয়ে গেলেন এবং কেনো হারিয়ে গেলেন হিটম্যান সাব্বির রহমান!
২০১৬ ঢাকায় টি-টুয়ান্টি ফরম্যাটের এশিয়া কাপে সাব্বির রহমান ছিলেন ম্যান অফ দ্যা টুর্নামেন্ট!
যেখানে ভিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, তিল্করত্নে দিলশান, শোয়েব মালিক, শহিদ আফ্রিদিদের মধ্যে সাব্বির হন সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক।
৫ বছর আগের সাব্বির আর এখনকার সাব্বিরের মাঝে তফাৎ আকাশপাতাল!
01/08/2021
Amader ai channel tike Subscribe korun...Thank You
My channel information// "RONISPORTS INFO" ভিডিওটি আমি আমার চ্যানেল সম্পর্কে বলেছি। খেলা সম্পর্কিত ভিডিও পেতে দয়া করে আমার চ্যানেল টিকে সাবস্ক্রাইব করে বে....
30/07/2021
বাংলাদেশ বনাম অস্ট্রেলিয়া টি২০ সিরিজ।
মিচেল স্টার্ক, জশ হেইজেলউড, অ্যাডাম জ্যাম্পা, অ্যাশটন অ্যাগার…
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ সিরিজ জিততে পারবে কিনা, এই প্রশ্নের উত্তর সম্ভবত লুকিয়ে এখানেই। এই বোলারদের কতটা সামলাতে পারবে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা…
বাংলাদেশে আসা অস্ট্রেলিয়া দলটা খর্বশক্তির। তবে শক্তি কমার ধাক্কা লেগেছে মূলত ব্যাটিংয়ে। ওয়ার্নার-ফিঞ্চ-স্মিথ-ম্যাক্সি-স্টয়নিস নেই। বোলিংয়ে কেবল প্যাট কামিন্স ছাড়া মূল সবাই আছেন। কেন রিচার্ডসন ও জাই রিচার্ডসন যদিও নেই, তবে মূল আক্রমণের অন্যরা আছেন…
যথারীতি নতুন বল ও পুরনো, দুই সময়েই স্টার্ক হবেন মূল হুমকি। তাকে নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। এখানে আসার আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে যদিও টি-টোয়েন্টি সিরিজে একটি ম্যাচ ছাড়া অন্য ম্যাচগুলোয় ভালো করেননি। লম্বা বিরতির পর তখন হয়তো মরচে ছাড়াতে একটু সময় লেগেছে। পরে ওয়ানডে সিরিজে আগুন বোলিং করেছেন। ৩ ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়ে সিরিজ সেরা হয়ে বাংলাদেশে এসেছেন…
হেইজেলউড সীমিত ওভারের ক্রিকেটে কখনোই সেভাবে থিতু হতে পারেননি। কিংবা অস্ট্রেলিয়া তার থিতু হওয়ার প্রয়োজন দেখেনি, টানা খেলায়নি। মূলত টেস্টের জন্য তাকে জমিয়ে রেখেছে। তবে যখনই সুযোগ পেয়েছেন, খারাপ করেননি। ওয়েস্ট ইন্ডিজে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভালো শুরুর পর আর ভালো করতে পারেননি। তবে ওয়ানডেতে ছিলেন দুর্দান্ত…
এমনিতে মিরপুরের উইকেটে তার সুবিধা করতে পারার কথা নয়। এই উইকেটে গতি নেই, মুভমেন্ট নেই, বাউন্স নেই। তবে হেইজেলউডের স্কিলেরও তো কমতি নেই! সুইং করানোর ক্ষমতা তার সহজাত। উচ্চতার কারণে বাউন্স তিনি সব উইকেটেই কিছুটা আদায় করতে পারেন। বিশেষ করে, উইকেটে বল যদি গ্রিপ করে, স্টপ করে, হেইজেলউডের বাড়তি বাউন্স বিপদের কারণ হতে পারে। তিনি হুমকি হবেন মূলত নতুন বলে…
আমাদের এমনিতেই লিটন-তামিম-মুশফিক নেই। নতুন বলে স্টার্ক ও হেইজেলউড তিন-চার উইকেট তুলে নিলে বড় বিপদ হবে…
পেস আক্রমণে এছাড়া রাইলি মেরেডিথ আছেন। গতি অনেক, কিন্তু লাইন-লেংথ কিছুটা এলোমেলো। জেসন বেহরেনডর্ফ আছেন, উইকেটে সুইং-মুভমেন্ট না থাকলে বড় হুমকি হওয়ার কথা নয়। অ্যান্ড্রু টাই আছেন, স্লোয়ার-ইয়র্কার মিলিয়ে স্লগ ওভারে অনেক সময়ই দারুণ কার্যকর, তবে অধরাবাহিক। ওয়েস অ্যাগার সম্ভাবনাময়, কিন্তু একদমই অনভিজ্ঞ..
এছাড়া মিচেল মার্শ আছেন। মিরপুরের উইকেটে মোইজেস হেনরিকেস ও ড্যানিয়েল ক্রিস্টিয়ানের কাটারও তারা কাজে লাগাত চাইতে পারেন…
এই মেরেডিথ-বেনরেনডর্থ-টাই-মার্শরা, ধারহীন নন অবশ্যই। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এইটুকু তো সামলাতে হবেই! স্টার্ক-হেইজেলউডই গড়ে দিতে পারেন মূল পার্থক্য...
স্পিনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ অবশ্যই জ্যাম্পা। সীমিত ওভারের সত্যিকারের ক্লাস বোলার এখন। রান আটকানো, উইকেট শিকার, সবই করেন। তার গুগলি দুর্দান্ত। ক্রিজের চতুর ব্যবহার করে অ্যাঙ্গেল বদলান ক্রমাগত। সঙ্গে অ্যাশটন অ্যাগার এখন অনেক পরিণত। একসময় খুব সাদামাটা স্পিনার ছিলেন। এখন স্কিল যেমন বেড়েছে, খুব বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংও করেন। টি-টোয়েন্টিতে তার ৬ উইকেট আছে, ৫ উইকেট আছে, হ্যাটট্রিক আছে....
এই দুজনের জুটিও দারুণ, পরস্পরকে কমিপ্লিমেন্ট করেন…
এছাড়াও স্পিনে অ্যাশটন টার্নার হাত ঘোরাবেন নিশ্চিত। স্কোয়াডে বিকল্প আছেন লেগ স্পিনার মিচেল সোয়েপসন। রিজার্ভ আছেন আরেক লেগ স্পিনার তানভির স্যাঙ্ঘা…
ব্যাটিংয়ে সেই অর্থে বড় নাম কিংবা প্রতিষ্ঠিত ম্যাচ উইনার নেই একজনও। তার মানে এই নয় যে ব্যাটিং তাদের একদম যাচ্ছেতাই। জশ ফিলিপি, অ্যাশটন টার্নার, বেন ম্যাকডারমট নিজেদের দিনে বেশ বিপজ্জনক। তবে বাস্তবতা হলো, এই কন্ডিশনে ও মন্থর উইকেটে তারা অনভিজ্ঞ এবং তাদের আটকে রাখা কঠিন হওয়ার কথা নয়। ব্যাটিংয়ের মূল দায়িত্বটা পালন করতে হবে মিচেল মার্শ, ম্যাথু ওয়েড, মোইজেস হেনরিকেস ও অ্যালেক্স কেয়ারিকে…
তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজে টি-টোয়েন্টি সিরিজে কেবল মার্শ ছাড়া তারা কেউ ভালো করেননি। শেষ ওয়ানডেতে ওয়েড ফিফটি করেছেন বটে। তবে টি-টোয়েন্টিতে তারা কেউ ছন্দে নেই। মিরপুরের উইকেটে ছন্দে ফেরাটা সহজ হওয়ার কথা নয়...
মার্শ অবশ্য তিন নম্বরে নতুন ভূমিকায় দারুণ ফর্মে আছেন। পরের দিকে ক্রিস্টিয়ান ঝড় তুলতে পারেন। তার পরও এই ব্যাটিং লাইন আপ বড় দুর্ভাবনা হওয়া উচিত নয়...
অস্ট্রেলিয়ার বোলিং কতটা সামলাতে পারবে বাংলাদেশ, সেটির ওপরই হয়তো নির্ভর করবে সিরিজের ভাগ্য …
কয়েকদিন আগে যেটা লিখেছি, এটা বড় সুযোগ। নিজ আঙিনায় এমন অস্ট্রেলিয়াকে সবসময় পাওয়া যাবে না...
সুযোগটি লুফে নাও্......
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Address
Rangpur
5680