দোকানদার : ভাই বি!*ষ দিয়া কি করবেন..?🤔
আমি : আ-ত্মহ* ত্যা করব!!🥴
দোকানদার : কেন ভাই..?😐
আমি : কিছু কিছু জিনিস আছে কা/উকে
বোঝানো যায় না।😎
দোকানদার : মানে..?🙄
আমি : আজ সকালে আমি গরুর দু-ধ দোহাচ্ছিলাম!!🥵
হঠাৎ করে গরুটা বাম
পা দিয়ে লা*থি মা/রতে লাগল!!😣
আমি বাধ্য হয়ে বাশের সাথে বাম পা বে-ধে রাখলাম!!😥
এরপর গরুটা ডান পা দিয়ে লাথি মা!*রা শুরু করল!!🤕
আমি এবার গরুর ডান পা ও বাশের সাথে শ"ক্ত করে বা'ধলা'ম!!🤥
অবশেষে লেজ দিয়ে বাড়ি মা"রতে লাগল.ভাবলাম লেজটাও বে/ধে রাখি.!😪
কিন্তু লেজ বাধার জন্য কিছু পেলাম না!!☹️
শেষ মেষ নিজের বেল্ট খুলে বাধতে লাগলাম!!🤦
বেল্ট খোলার কারণে আমার প্যান্ট হঠাৎ
করে খু*লে গেল!!🙆
এমন সময় আমার ব-উ গোয়ালে এসে আমাকে ঐ অবস্থায় দেখলো।
এখন আপনিই বলুন আমি আমার ব- উ-কে
কি করে তা বোঝাব.??🤧
ব-উ আমাকে ছে/ড়ে বা/পের বাড়ি চলে গেছে। এ জী!বন আমি আর রাখতে চাইনা!!🙅
দোকানদার : ভাই টা- কা দেওয়া লাগবে না ফ্রীতে বি- ষ নিয়া যান...🙂
Sajim
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sajim, Sport & recreation, Sh*talpur, Satkhira.
কীপটেমির চরম সীমা🤣🤣🤣
সেদিন সকালে হরেনদার সঙ্গে দেখা । দাঁত মাজছিল । আমাকে দেখে থু করে পিক ফেলে বলল , " দুশটা টাকা আমার জলে চলে গেল জানিস ! "
বললাম , " কেন ? কিকরে ? "
হরেনদা বলল , " আরে দুশ টাকা দিয়ে একটা পাঞ্জাবী কিনেছিলাম । বছর-দুই পরেছি । দেখি হাতাগুলো আর ঝুলপকেট ছিঁড়ে লটপট করছে । দিলাম হাতা আর ঝুলটা কেটে , পাঞ্জাবীটার বুক পেট বরাবর দিলাম চালিয়ে কাঁচি ।
হয়ে গেল ফতুয়া ।
সেটাও বছর-দুই পরেছি । তারপর হল কি - তারও তলার দিকটা ছিঁড়ে-খুঁড়ে গেল । দুশ টাকার জিনিস ফেলে দেব ? চালালাম কাঁচি ।
হাতাগুলো ছোটো হল । হাইটও কমে গেল । বৌ এর সুন্দর ব্লাউজ হয়ে গেল ।
বৌ সেটা দুবছর পরল। আর পরা যায় না । হাতা আর তলা একেবারে ঝুরঝুরে হয়ে গেল । তাবলে কি দুশ টাকার জিনিস ফেলে দেব ?
আবার কাঁচি ।
পুরো হাতা আর ধারগুলো কুচকুচ করে কেটে দিলাম।
একটা সুন্দর রুমাল হয়ে গেল ।
সেটাও কমসেকম দুবছর তো ব্যবহার করেইছি ।
তারপরে সেও আর চলে না ।
কিন্তু ফেলে তো দেওয়া যায় না । দুশ টাকা বলে কথা ।
সরু সরু করে রুমালটাকে কেটে বেশ কয়েকটা প্রদীপের সলতে বানালাম।
প্রদীপ জ্বলে । কিন্তু ছাইগুলো কি ফেলে দেব ? দুশ টাকা তো কম নয় ।
ছাইগুলো সব জড়ো করে রেখেছিলাম । তাতেই আজ দাঁত মাজছিলাম । এই থুথুর সঙ্গে আজ সব জলে চলে গেল । দুশ টাকা । বড় আফশোস হচ্ছে ভাইরে !"
কচ্ছপ আর খরগোশের গল্পটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু মজার বিষয় হল আমরা গল্পের শুধু প্রথম অংশটাই পড়েছি।
আপনি কি জানতেন যে, এই গল্পের আরো ৩ টি অধ্যায় আছে! যা হয়তো আমরা কেউ কেউ পড়েছি বা শুনেছি, কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই পড়িনি।
গল্পের বাকি অংশটুকু এবার জেনে নিন,,
১ম অংশ:
এই অংশটা আমরা ছোটবেলায় বইয়ে পড়ছি। এখানে খরগোশ ঘুমিয়ে যায়, আর কচ্ছপ জিতে যায়। প্রথমবার হেরে যাওয়ার পর খরগোশ বিশ্লেষণ করে দেখল তার পরাজয়ের মূল কারণ 'অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস।' তারমানে অতি আত্মবিশ্বাস যে কারো জন্যই ক্ষতিকর। আর কচ্ছপ বুঝল, লেগে থাকলে সাফল্য আসবেই!
২য় অংশ:
হেরে যাওয়ার পর এবার খরগোশ আবারো কচ্ছপকে দৌড় প্রতিযোগিতায় চ্যালেঞ্জ করল আর কচ্ছপও রাজী হল।
এবার খরগোশ না ঘুমিয়ে দৌড় শেষ করল এবং জয়ী হল। খরগোশ বুঝল, মন দিয়ে নিজের সামর্থের পুরোটা দিয়ে কাজ করলে দ্রুত সফল হওয়া যায়।
আর কচ্ছপ বুঝল, ধীর স্থির ভাবে চলা ভালো, তবে কাজে উপযুক্ত গতি না থাকলে প্রতিযোগীতা মূলক পরিবেশে জয়ী হওয়া অসম্ভব!
৩য় অংশ:
কচ্ছপ এবার খরগোশকে আরেকবার দৌড় প্রতিযোগিতার আমন্ত্রন জানালো। খরগোশও নির্দিধায় রাজী হয়ে গেল। তখন কচ্ছপ বলল, "একই রাস্তায় আমারা ২ বার দৌড়েছি, এবার অন্য রাস্তায় হোক।" খরগোশও রাজী। অতএব নতুন রাস্তায় দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু হল।
যথারীতি খরগোশ জোরে দৌড় শুরু করে দিল। কচ্ছপও তার পিছন পিছন আসতে শুরু করল। কচ্ছপ যখন খরগোশ এর কাছে পৌঁছাল, দেখল খরগোশ দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু দৌড়ের শেষ সীমানায় যেতে পারেনি।
কারণ দৌড়ের শেষ সীমানার আগে একটি খাল আছে। কচ্ছপ খরগোশ এর দিকে একবার তাকালো, তারপর তার সামনে দিয়ে পানিতে নেমে খাল পার হয়ে দৌড়ের শেষ সীমানায় পৌছে প্রতিযোগিতা জিতে গেল।
খরগোশ বুঝল, শুধু নিজের শক্তির উপর নির্ভর করলেই হবে না, পরিস্থিতি আর বাস্তবতা অনুধাবন করাও ভীষণ প্রয়োজনীয়! আর কচ্ছপ বুঝল, প্রথমে প্রতিযোগীর দূর্বলতা খুজে বের করতে হবে, তারপর সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে হবে।
গল্প কিন্তু এখানেই শেষ নয়!
চতুর্থ অংশ:
এবার খরগোশ কচ্ছপকে আরেকটি দৌড় প্রতিযোগিতার জন্য আহবান জানালো এই একই রাস্তায়। কচ্ছপ ও রাজী। কিন্তু এবার তারা ঠিক করল, প্রতিযোগী হিসেবে নয়, বরংএবারের দৌড়টা তারা দৌড়াবে সহযোগী হিসেবে!
শুরু হল প্রতিযোগিতা। খরগোশ কচ্ছপকে পিঠে তুলে দৌড়ে খালের সামনে গিয়ে থামলো।এবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠ
বহুদিন আগে আমার বাবা তার খালি জমিতে একটা গরিব পরিবারকে থাকতে দিয়েছিলেন।
বেশ কয়েক বছর পর বাবা বাড়ি করার জন্য জমিটা ছাড়তে বললে তারা ছাড়তে রাজি হলো না। পরে অনেক কসরত করে, টাকা পয়সা দিয়ে তাদেরকে সরানো হয়েছিল।
শুনে যা বুঝলাম, তাহলো একটা জমিতে অনেকদিন থাকলে নাকি তাতে তার অধিকার জন্মে যায়।
আমিতো অবাক। দয়া করে থাকতে দিয়েছে। কোথায় কৃতজ্ঞ হবে, তানা উল্টো দখল করে বসে আছে। ভাবলাম জমির ব্যাপারতো
তাই লোভ সামলাতে পারেনি।
আমি যেখানে থাকি সেখানে এক রিক্সাওয়ালা আছে আমার দেশি। বাজারে সে থাকলে আমি তার রিক্সাতেই আসি। বাজার থেকে আমার বাসা পর্যন্ত ভাড়া ৪০ টাকা ফিক্সড। তবে আমি নিয়মিত ৫০ টাকা দিতাম।
একদিন আমার কাছে খুচরা ৪৫ টাকা ছিলো। ঐ টাকাই দিলাম। টাকাটা দেয়ার সাথে সাথে একরকম চিৎকার করে উঠলো, “ আর ৫ টাকা ? " আমি কিছুক্ষন চুপ থেকে বললাম, " ভাড়াতো ৪০ টাকা, বাকি ৫ টাকা ফেরত দেন। "লোকটা হেসে বলল না সবসময়তো ৫০ টাকা দেন তাই কইলাম। ভাবলাম থাক গরিব মানুষতো, তাই এমন করলো।
আমার এক প্রতিবেশী।
রোজ বাচ্চাকে স্কুলে দিতে যায়। তার গোয়ালাটা সে ফেরার আগে দুধ নিয়ে আসে। আমি বাড়িতে না থাকায় সেই দুধ নেয়ার দায়িত্বটা আমার কাজের লোকের উপর পড়ে।
প্রতিবেশি হিসেবে এটুকু উপকারতো করতেই হয়। একদিন আমার কাজের লোকটি কোথাও একটা কাজে বেড়াতে গেছে, দুধটা আর নেয়া হয়নি।
আমি বাসায় ফেরার পর উনি এসে বলল,
" আপনার কাজের লোক কোথায়? "
-- একটু বেড়াতে গেছে।
--আমাকে আগে বলল না। এখন দেখেনতো আমার ছোট ছেলেটা কি খাবে ?
আগে বললে আমি অন্য কাউকে দায়িত্ব দিতাম।
--ভাবি ও হয়তো ভুলে গেছে।
--না যাই বলেন কোনো দায়িত্ব নিলে ঠিক ভাবে পালন করতে হয়।
--ভাবি ও হয়তো আপনার এই দায়িত্বের জন্য উপযুক্ত পারিশ্রমিক পায়না তাই অবহেলা করেছে। আপনি বরং দায়িত্বটা অন্য কাউকে দিয়েন।
সে কিছুক্ষন আমার দিকে তাকিয়ে থেকে গটগট করে চলে গেলো।
ভাবলাম, অল্প শিক্ষিত মহিলাতো তাই এমন আরকি।
আমার এক কলিগ। গর্ভবতী হয়ে অফিসে কাজ করেন, আমি তার কষ্ট দেখে তার একটা কাজের দায়িত্ব নিজে থেকেই নিলাম।
সে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে গেলো। সে ফিরেও এলো। তাকে কাজটা ফিরিয়ে দিতে চাইলে সে গরিমসি শুরু করলো। ভাবটা এমন যে কাজটা আমারই ছিলো। এবার ভা
🥀শিক্ষা যদি হয় জাতির মেরুদণ্ড🥀তাহলে কুরআন হচ্ছে
মুসলিমদের হৃদপিন্ড🥀
🥰Allahamdulillah🥰
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Sh*talpur
Satkhira