04/07/2023
এমি মার্তিনেজ নয়,পুরো সফরের দায়িত্বে থাকা স্পন্সর প্রতিষ্ঠানই দায়ী গতকালকের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য!
অনেকেই গতকাল থেকে ক্যাপ্টেন জামাল বিগার দ্যান এমি মার্তিনেজ নামক পোস্ট দিয়ে জামাল এর সাথে হওয়া ঘৃণ্য কাজের প্রতিবাদ করছেন।তবে এক্ষেত্রে এমি মার্তিনেজ কখনোই মাধ্যম নন প্রতিবাদ জানানোর বা তিনিই কারণ নন গতকালকের ঘটনার।সম্পূর্ণ ঘটনার ব্যাখ্যা ও প্রকৃত কালপ্রিট সম্পর্কে জানুন এখানেই...
ঘটনার শুরু এমি মার্তিনেজের সাথে ভারতীয় ক্রীড়া উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তের সাক্ষাৎ থেকে,শতদ্রুর ঘোষণা ভারতে আসবেন এমি,একই সাথে এমির ইচ্ছা প্রকাশ বাংলাদেশ ঘুরে যাওয়ার।তবে অনেকটাই মলিন হয়ে যায় এই সম্ভাবনা ।শেষ মূহুর্তে নেক্সট ভেঞ্চারের আয়োজিত অনুষ্ঠানের সুবাদে বাংলাদেশ ঘুরে কলকাতা যাওয়ার সুযোগ হয় এমি মার্তিনেজের। নেক্সট ভেঞ্চারের কর্মকর্তাদের মতে সকাল সাড়ে দশটা পর্যন্ত ছিলো এমি মার্তিনেজ এর সাথে তাদের সময়কাল,এরপরের সব প্ল্যান বর্তায় এমি মার্তিনেজের সাথে থাকা কর্তা বা শতদ্রু দত্তের ওপর।
সুতরাং গতকাল যখন জামাল দাঁড়িয়ে ছিলেন কোলাহলের মাঝে,টিমের একজন কর্মকর্তা যদিও গিয়েছিলেন শতদ্রুর কাছে দেখা করানোর বিষয় নিয়ে কথা বলতে-শতদ্রু অনেকটা হালকা ধাক্কাতেই ইগ্নোর করে দেন তাঁকে।সম্পূর্ণ সময় এমি মার্তিনেজ এর দায়িত্ব ছিলো শতদ্রু দত্তের ওপর,এবং শতদ্রুর অনিচ্ছাতেই জামালদের সাথে এমি'র স্বল্প সময়ের সাক্ষাৎ করার সম্ভাবনা মাটিতে মিশে যায়।
এমি মার্তিনেজ বুঝেন একটি দেশের ফুটবল ক্যাপ্টেনের গুরুত্ব।এমি'র নলেজে এই বিষয়টি থাকলে অবশ্যই তিনি হয়তো নিজে থেমেই দেখা করতেন জামালদের সাথে।ফুটবলারদের প্রতি ফুটবলারদের সম্মান অন্য লেভেলে থাকে সবসময়,এবং "এমি মার্তিনেজের কাছে ভারতের তুলনায় বাংলাদেশের গুরুত্বই যেন বেশি!" বারবার তাঁর নানা কথায় এই বিষয়টিই আমরা দেখতে পেয়েছি।আমাদের উচিত তাই কালপ্রিট হিসেবে চিহ্নিত করতেই হয়,সফরে এমি'র দায়িত্বে থাকা শতদ্রু দত্তকেই চিহ্নিত করা উচিত।এমি মার্তিনেজ বা জামাল ভূঁইয়া,দুই ফুটবল ব্যক্তিত্ব এর সাক্ষাৎ যেন অনেকটাই আমাদের জন্য স্বপ্নের দ্বার খুলে যাওয়ার মতো বিষয়-যেটা আজ না হলেও;হবে কোনো না কোনো এক সময়!
08/07/2022