27/12/2013
sylheter dak... ভক্ত স্কুল ছাত্রের কলার
চেপে ধরলেন ক্রিকেট তারকা সাকিব আল হাসান।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে আম্বার-বিজয় দিবস
টি- টুয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে নিজ দলের ম্যাচ
শেষে ড্রেসিং রুমে ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটিয়েছেন
তিনি। ঐ ভক্তের অপরাধ ছিল সে বিশ্ব সেরা অল
রাউন্ডারের কাছে একটি অটোগ্রাফ চেয়েছিল। এরপর
তিনি তাকে অবজ্ঞা করে চলে যেতে চাইলে শরীর
ছুয়ে অনুরোধ জানিয়েছিল অটোগ্রাফের। অবশ্য,
বিসিবি’র একটি সূত্র দাবী করেছে, সাকিব আল
হাসানকে উদ্দেশ্য করে ঐ স্কুল ছাত্রের জনৈক
আত্নীয় আপত্তিকর মন্তব্য করায় ক্ষুব্ধ
হয়ে উঠেছিলেন সাকিব।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, আবাহনী ও
ইউসিবি- বিসিবি একাদশের মধ্যকার ম্যাচ শুরুর
আগে টস শেষে পুনরায় ড্রেসিং রুমে যাচ্ছিলেন
প্রাইম ব্যাংক দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।
মাঠ থেকে ড্রেসিংরুমে ফেরার
পথে ভিআইপি গ্যালারিতে বসা কয়েকজন ভক্ত তার
অটোগ্রাফ চান। সাকিব কয়েকজনকে অটোগ্রাফও
দেন। এ সময় বৃটিশ বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল
স্কুলের এক ছাত্রও সাকিবের অটোগ্রাফ চায়। কিন্তু
সাকিব তাকে অটোগ্রাফ না দিয়ে চলে যাচ্ছিলেন। এ
সময় ওই ভক্ত সাকিবের শরীর ছুঁয়ে তার
কাছে অটোগ্রাফ দাবী করে। আর এতেই ক্ষুব্ধ
হয়ে উঠেন সাকিব। তিনি পেছন ফিরে এসে কলার
চেপে ধরেন ঐ স্কুল ছাত্রের। পরে উপস্থিত
কর্মকর্তারা সাকিবকে নিয়ে ড্রেসিংরুমে ফিরে যান।
ফিরে এসে কর্মকর্তারা ওই ক্রিকেট ভক্ত স্কুল ছাত্র
ও তার সাথে থাকা অভিভাবকদের মাঠ থেকে বের
করে দেন। অন্য একটি সূত্র দাবী করেছে,
মোহামেডানের সাথে খেলায় এনামুলের সাথে ম্যান
অব দ্যা ম্যাচ হন সাকিব আল হাসান। ম্যান অব
দ্যা ম্যাচের পুরস্কার নেয়ার পর সাংবাদিকরা ওই
ভক্তের সাথে কি হয়েছিল জানতে চাইলে সাকিব বলেন,
‘দর্শকের সাথে আমার কিছুই হয়নি।
এগুলো সাংবাদিকরাই তৈরি করেছেন।’ ঘটনার
কিছুক্ষণ পর জাতীয দলের সাবেক অধিনায়ক, প্রাইম
ব্যাংক দলের কোচ ও বিসিবি’র পরিচালক খালেদ
মাহমুদ সুজন প্রেস গ্যালারীতে এসে সাংবাদিকদের
শাসিয়ে যান, সাকিবের বিষয়ে কোন কিছু না লেখার
জন্য। সুজন এও বলেন, সিলেটে বিজয় দিবস
টুর্ণামেন্টের ম্যাচ আমিই নিয়ে এসেছি। সাকিবের
বিরুদ্ধে মিডিয়ায় কোন কিছু ছাপা হলে টি-
টুয়েন্টি বিশ্বকাপসহ কোন ম্যাচই
আমি সিলেটে হতে দেব না। প্রসঙ্গত: গত ৪ দিনের
ম্যাচে সিলেট বিভাগীয় স্টেডিয়ামে দর্শকদের
মারামারি, টিকেট কালোবাজারি, বিভিন্ন রাজনৈতিক
দলের ক্যাডারদের জোরপূর্বক ঢুকে পড়ার চেষ্টা,
পুলিশের ফাঁকাগুলি বর্ষণের ঘটনাসহ নানা নেতিবাচক
ঘটনা ঘটলেও সিলেটের ক্রিকেটের বৃহত্তর
স্বার্থে গণমাধ্যম কর্মীরা তা এড়িয়ে গেছেন। কিন্তু,
সুজনের হুমকীর ঘটনায় গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝেও
ক্ষোভ লক্ষ্য করা গেছে।