11/07/2016
২০০৪ ইউরো ফাইনালের পর ও ২০১৬ সালের ফাইনাল ম্যাচে রোনালদোর কান্নার দৃশ্য
ক্রীড়া ডেস্ক : ২০০৪ সাল। ঘরের মাঠে ইউরোর ফাইনালে পর্তুগালের প্রতিপক্ষ গ্রিস। ১৯ বছর বয়সে সেবার প্রথম ইউরো খেলেছিলেন রোনালদো।
গ্রিসের কাছে পর্তুগাল হেরে যাওয়ার পর অঝোরে কেঁদেছিলেন রোনালদো। পর্তুগালের কোচ ছিলেন লুইস ফিলিপে স্কলারি। তিনি শান্ত করতে পারছিলেন না রোনালদোকে।
২০১৬ সাল। পর্তুগালকে ইউরোর ফাইনালে তুলেছেন রোনালদো। ফাইনালে খেলতে মুখিয়ে ছিলেন তিনি। খেলতে নামলেনও। কিন্তু শুরুতেই ফ্রান্সের দুই খেলোয়াড়ের কড়া ট্যাকেলের মুখে পড়েন। ৯ মিনিটের মাথায় ফ্রান্সের দিমিত্রি পায়েতের সঙ্গে সংঘর্ষের ফলে পায়ে ব্যথা পান।
ব্যথা নিয়েও খেলা চালিয়ে যান। কিন্তু ১৭ মিনিটে অস্বস্তি অনুভব করেন। পাশাপাশি ব্যথা। শেষমেশ শুশ্রূষার জন্য মাঠের বাইরে চলে আসেন। তিন মিনিট শুশ্রূষা নিয়ে পর্তুগালের সমর্থকদের মুখে হাসি ফুটিয়ে আবারও মাঠে নামেন সিআর সেভেন।
কিন্তু ২৫ মিনিটের মাথায় আবারও ব্যথায় কাতরাতে থাকেন। এবার তাকে স্ট্রেচারে করে মাঠের বাইরে নিয়ে আসতে হয়। অঝোরে কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছাড়েন তিনি। অধিনায়কের আর্মব্যান্ড দিয়ে আসেন নানিকে।
২০০৪ সালের পর আবারও কাঁদলেন রোনালদো। তবে তার সতীর্থরা শিরোপা জিতে রোনালদোর মুখে হাসি ফুটিয়েছেন।
11/07/2016
05/07/2016