19/03/2023
শুভকামনা বদ্দা😍😍😍
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from New generation-bd, Sports, Manama.
19/03/2023
শুভকামনা বদ্দা😍😍😍
18/03/2023
তামিম মুশি বদ্দা দুনুওয়া অলওয়েজ বেস্ট 😍😍
চট্টগ্রামের নেতা দের ময়মনসিংহের নেতাদের থেকে শেখা উচিৎ এলাকার কাজ কিভাবে সরকার থেকে আদায় করতে হয় শহরের অভ্যন্তরীণ রোড আর গ্রামের অভ্যন্তরীণ রোড গুলোর অবস্থা খুবই খারাপ সবাই আছে শুধু মাছের টোপের মত বঙ্গবন্ধু টানেল নিয়ে মাতামাতিতে
10/10/2020
কাল থেকে শুরু তিন দলের লড়াই
ব্যাটিং-বোলিং আর ফিল্ডিংকে মানদন্ড ধরলে তামিমের দল অন্যদতম সেরা। অধিনায়ক তামিম ইকবাল নিজে একাই একাশো। সাথে এনামুল হক বিজয়, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মোহাম্মদ মিঠুন আর ইয়াসির আলী চৌধুরীর মত উইলোবাজ।
সাইফউদ্দীনের মত দেশসেরা পেসবোলিং অলরাউন্ডার। কাটার-মাস্টার মোস্তাফিজ তামিমের দলের প্রধান স্ট্রাইকবোলার। আর বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম সম্ভাবনাময় পেসার শরিফুল ইসলাম (যুব বিশ্বকাপ বিজয়ী দলের প্রধান পেসার) আর খালেদ আহমেদও আছেন পেস বোলিং ডিপার্টমেন্টে।
কাল থেকে মাঠে ক্রিকেট জমবে
16/07/2020
স্বস্তির খবরটা পেতে মাশরাফি বিন মুর্তজাকে অপেক্ষা করতে হলো ২৪ দিন। পরশু তাঁর করোনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছে। তবে মাশরাফির সবকিছুতে যেমন 'শেষ হয়ে হইল না শেষ' ব্যাপারটা থাকে, করোনাতেও আছে।
আক্রান্ত হওয়ার পর তৃতীয় পরীক্ষায় 'নেগেটিভ' হলেও করোনা যে ধাক্কা দিয়ে গেছে, সেখান থেকে মাশরাফির বের হতে আরেকটু সময় লাগবে বলেই মনে হচ্ছে। বিছানা থেকে উঠে দাঁড়াতে কষ্ট হচ্ছে, দৃষ্টিও পরিষ্কার নয়। করোনা যাঁদের কঠিন পরীক্ষা নিচ্ছে, তাঁদের অবশ্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কাটিয়ে উঠতে কিছুটা সময় লাগছেই।
গত মার্চে দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ার পর মানুষকে সচেতন করতে সোচ্চার হন মাশরাফি। ফেসবুকে বারবার আহ্বান জানান ঘরে থাকতে, স্বাস্থ্যবিধি মানতে। সাংসদ বলে ঝুঁকি নিয়ে ছুটে যেতে হয়েছে নিজ এলাকা নড়াইলেও। শেষ পর্যন্ত করোনা ঢুকে পড়েছে মাশরাফির ঘরে। আক্রান্ত হয়েছেন পরিবারের পাঁচজন। আক্রান্ত হয়েছে গৃহপরিচারিকাও। শুরুতে আশঙ্কা ছিল পুরোনো শ্বাসকষ্টটা না আবার মাশরাফিকে ভোগায়! সেটা অবশ্য হয়নি।
আক্রান্ত হওয়ার পরপরই মাশরাফি দুই সন্তানকে পাঠিয়ে দেন নড়াইলে। শারীরিক যন্ত্রণার চেয়ে মানসিক কষ্টটাই ছিল বেশি। গতকাল মুঠোফোনে বলছিলেন, 'ওদের ছাড়া এভাবে থাকা হয় না। মানসিকভাবে খুব এলোমেলো লেগেছে। আমার চেয়ে অবশ্য আমার স্ত্রীরই বেশি কষ্ট হয়েছে।'
করোনায় আক্রান্ত অবস্থায়ই একবার মাশরাফিকে অনলাইনে কথা বলতে হয়েছে লোহাগড়ার মানুষদের সঙ্গে। মাশরাফির বিধ্বস্ত চেহারা দেখে অনেকেই আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন। ইতিবাচক দিক হচ্ছে, মাশরাফির এই তিন সপ্তাহে ওজন কমেনি; বরং ছয় কেজি বেড়েছে। 'বিভিন্ন ফলের রস আর তিন বেলা ভাত খেয়েছি তো, ওজন বেড়েছে। খাবারের স্বাদ ছিল না মুখে, ওষুধের কারণে হয়তো রুচিটা ছিল'—বলছিলেন তিনি।
করোনাভাইরাসের শুরু থেকে একটা কথা মাশরাফি বারবার বলে আসছেন। সবাই যেন নিজের সুরক্ষা নিজে নিশ্চিত করেন। শেষ পর্যন্ত তাঁকেও করতে হলো করোনার সঙ্গে লড়াই। অবশ্য লড়াই মাশরাফির জীবনের অংশ আগে থেকেই। চোটে পড়ে সাতবার শল্যবিদের ছুরির নিচে গেছেন। ডেঙ্গুতে ভুগেছেন। এবার করোনার অভিজ্ঞতাও হলো। মাশরাফি অবশ্য এর মধ্যেও ভালো কিছু খুঁজে পাচ্ছেন। হাসতে হাসতে বলছিলেন, 'আমি বিষয়টাকে এভাবে দাঁড় করিয়েছি, আল্লাহ যাকে বেশি ভালোবাসেন, বারবার তার পরীক্ষা নেন।'
মাশরাফির সব চিন্তা এখন স্ত্রী সুমনা হককে নিয়ে। তিনি এখনো পজিটিভ। তবে স্বস্তির খবর, মাশরাফির চেয়ে তুলনামূলকভাবে কম ভুগতে হচ্ছে তাঁকে। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে সবার উদ্দেশে মাশরাফি আবারও বলেছেন, 'একটা কথাই বারবার বলছি—ঘরে থাকুন, সাবধানে থাকুন।
15/11/2019
রাসেল ডমিঙ্গো বারবার বললেন, দলের কাঠামোগত পরিবর্তন আনতেই হবে। বাংলাদেশ কোচ আজ সংবাদ সম্মেলনে কিছু তিক্ত সত্য তুলে ধরলেন
ইন্দোর টেস্টে সাত ব্যাটসম্যান, চার বোলার নিয়ে খেলতে নামা বাংলাদেশের লক্ষ্য কী, সেটি বোঝা কঠিন নয়। প্রতিপক্ষ ভারত খেলছে ছয় ব্যাটসম্যান, পাঁচ বোলার (তিন পেসার, দুই স্পিনার) নিয়ে—টেস্ট জিততে হলে এটিই আদর্শ সমন্বয়। ইন্দোরে বাংলাদেশ জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নামবে, এটা ভাবার সুযোগ নেই। কিন্তু খেলার আগেই হেরে যাওয়ার মনোভাব কেন?
টেস্ট আঙিনায় ২০ বছরে পা দেওয়া বাংলাদেশ এখনো সঠিক সমন্বয় খুঁজে পায় না। দলে তিন পেসার নিতে পারে না। সব ‘না’-এর উত্তর খুঁজতে গিয়ে রাসেল ডমিঙ্গো আজ সংবাদ সম্মেলনে কিছু তিক্ত সত্য তুলে ধরলেন। বাংলাদেশের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি তাঁর দ্বিতীয় টেস্ট। দুই টেস্টেই বুঝে গেছেন, কী কঠিন চাকরিটা নিয়েছেন! ডমিঙ্গোর কথা, বাংলাদেশ যেভাবে টেস্ট খেলছে, এভাবে বেশি দূর এগোনো যাবে না। বাংলাদেশ কোচের উপলব্ধি ভাঙতে হবে দলের কাঠামো, ‘কোনো সন্দেহ নেই দলের কাঠামোগত বদল আনতে হবে। না হলে ফল একই হতে থাকবে। নির্বাচকদের সঙ্গে বসে সামনে এগোনোর পথ খুঁজে বের করতে হবে। আমাকে চিহ্নিত করতে হবে কোন কোন খেলোয়াড় দলকে সামনে এগিয়ে নিতে পারবে। যদি আমাদের নতুন মুখ নিয়ে এগোতে হয়, কিছুটা সময় ভুগতে হয়, আমার মনে হয় বর্তমানে যা হচ্ছে সেটির চেয়ে খারাপ কিছু হবে না। হ্যাঁ, এই দলে দারুণ কিছু খেলোয়াড় আছে তাদের সম্মান করতে হবে। বাংলাদেশের হয়ে তাদের পারফরম্যান্সকে সম্মান জানাতে হবে। তবে দলের স্বার্থই আপনাকে বড় করে দেখতে হবে।’
ইন্দোর টেস্টে বাংলাদেশ তিন পেসার খেলাতে পারেনি। কেন একজন অতিরিক্ত ব্যাটসম্যান নিয়ে খেলতে নেমেছে, সেটির ব্যাখ্যায় ডমিঙ্গো বলছেন, তাঁর হাতে যে আর কোনো উপায় নেই, ‘যখন আপনার দলের শীর্ষ ছয় ব্যাটসম্যানের গড় ৪৫-৫০ হবে অনায়াসে ৬ ব্যাটসম্যান নিয়ে খেলতে পারেন। ভারতীয় ব্যাটিং লাইনআপ দেখেন। দুর্ভাগ্য, আমাদের তেমন ব্যাটসম্যান নেই। এ ঘাটতি পুষিয়ে নিতে একজন অতিরিক্ত ব্যাটসম্যান নিয়ে খেলছি। যদি আপনি উইকেট না পান তখন শুনতে হবে কেন অতিরিক্ত বোলার নিইনি।’
ভারতের মতো অভিজ্ঞ শক্তিশালী এক দলের বিপক্ষে তারুণ্যনির্ভর এক বাংলাদেশ খেলছে। এখানেই দুই দলের অনেক বড় পার্থক্য। ডমিঙ্গো যে পরিসংখ্যান তুলে ধরলেন, সেটিও ভুল নয়। টেস্টে একমাত্র মুমিনুল হকের ব্যাটিং গড় ৪০-এর ওপরে। মুশফিকুর রহিম আর মাহমুদউল্লাহর ৩০-এর ঘরে। বাকি সবার ৩০-এর নিচে। এই যদি হয় পরিসংখ্যান, একজন কোচ কীভাবে ছয় ব্যাটসম্যান নিয়ে তাঁর রণকৌশল সাজাবেন? ডমিঙ্গোর উপলব্ধি দলের বর্তমান কাঠামো ভাঙতেই হবে, ‘দুই পেসার নিয়ে খেলা সত্যি কঠিন। আমাদের তৃতীয় একজন পেসার খুঁজে বের করতে হবে যে ব্যাটিংও করতে পারে। সাইফউদ্দিন আছে, কিন্তু সে চোটে পড়েছে। দলের যে কাঠামো, এটা নিয়ে ভাবার সময় হয়েছে। বাংলাদেশের বিপক্ষে যারা খেলে তারা বেশির ভাগই ভালো উইকেট বানাবে যেখানে খুব একটা স্পিন কাজ করবে না। আমাদের আরেকজন পেসার খুঁজে পেতে হবে যে সাত কিংবা আটে ব্যাটিং করতে পারে।’
চাইলেই কি টেস্টে দুর্দান্ত পেসার পাবেন ডমিঙ্গো? বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের যে কাঠামো সেটি পেসার তুলে নিয়ে আসার বড় অন্তরায়। ডমিঙ্গোও সেটি জেনে গেছেন এ কদিনে, ‘টেস্ট জিততে হলে আপনার ভালো বোলিং ইউনিট লাগবেই। বাইরে ভালো করতে হলে ছয় বোলার পর্যন্ত লাগে। ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ভালো করছে এভাবেই। তারা যেকোনো কন্ডিশনে দলে পাঁচ কিংবা ছয় বোলার নিতে পারে। সে খেলা দেশে হোক কিংবা বিদেশে। দেশের মাঠে বাংলাদেশের শক্তি অবশ্যই স্পিনে। তবে আমাদের খেলাটায় আরও উন্নতি করতে হবে। আমাদের ফাস্ট বোলারদের সুযোগ দিতে হবে ম্যাচে যেন তারা গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হিসেবে কাজ করে। দিনে ১৮-২০ ওভার করতে পারে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের যে উইকেট সেখানে (পেস বোলারদের পরিচর্যা) অনুমোদন করে না। চার দিনের ম্যাচে ছয়-সাত ওভার বোলিং করে।’
আজ দ্রুত বিরাট কোহলি ফিরে যাওয়ার পর কিছুটা চাপে পড়েছিল ভারতীয় দল। সেটি তারা দ্রুতই কাটিয়ে উঠেছে। ডমিঙ্গোর প্রত্যাশা, তাঁর ছাত্ররা এটা দেখেও কিছু শিখবেন।
29/10/2019
পুরো দেশের মানুষ আজ তাকিয়ে আছে বিসিবির দিকে সাকিবের ব্যাপারে কি সিদ্ধান্ত নেয় তা জানার জন্য, সাকিব আল হাসানকে নিয়ে সরগরম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। ভারত সফরের দল ঘোষণা হবে আজই অথচ তিনি থাকবেন কি-না সেটিই এখনো নিশ্চিত করা হয়নি বোর্ড থেকে।
গণমাধ্যম কর্মীরা অপেক্ষা করছেন গুলশানে বোর্ড সভাপতির বাড়ির সামনে, মিরপুরে শের-এ-বাংলা স্টেডিয়ামে এবং সাকিব আল হাসানের বাসার সামনে।
ওদিকে ভারত সফরের জন্য মঙ্গলবারই দল ঘোষণার কথা রয়েছে যেখানে সাকিব আল হাসান থাকছেন কি না তাও চূড়ান্তভাবে জানা যাবে দল ঘোষণার পর।
সম্প্রতি ক্রিকেটারদের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়ার পর থেকেই আলোচনায় আছেন এবারে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পারফরমার সাকিব আল হাসান। এরপর ভারত সফরের জন্য জাতীয় দলের অনুশীলন ক্যাম্পেও যোগ দেননি তিনি।
পাশাপাশি ক্রিকেটারদের ধর্মঘট চলাকালে একটি টেলিকম কোম্পানির সাথে চুক্তি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন বিসিবি সভাপতি নিজেই।
এর মধ্যে একটি দৈনিকে সাকিব আল হাসানকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন এসেছে এভাবে, দুই বছর আগে সাকিবকে একটি ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব দেয়া হয় যা সাকিব আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল বা বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ডে জানাননি।
প্রতিবেদনে বলা আছে সাকিবকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল ১৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে।
এখনো পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো ক্রিকেট বোর্ড কর্মকর্তা কোনো বক্তব্য দেননি। সাকিব আল হাসানও এই সম্পর্কে এখন পর্যন্ত কোনো কথা বলেননি।
সোমবার রাতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ক্রিকেট অপারেশন্সের প্রধান আকরাম খান বলেন, "সাকিব আল হাসানের যে ভারত সিরিজে খেলা নিয়ে সংশয় সেটা আমি মিডিয়ায় শুনেছি।"
আজ বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল নতুন করে ঘোষণা করবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। যেখানে তামিম ইকবাল ও সাইফুদ্দিন এর পরিবর্তে ক্রিকেটার ঘোষণা করা হবে। আর টেস্ট দল এখনো ঘোষণা হয়নি।
কী আছে আইসিসির আইনে
আইসিসির আইন অনুযায়ী কেউ কোনো জুয়াড়ির কাছ থেকে কোনো অফার পেলে সেটি ক্রিকেটের দুর্নীতি বিরোধী সংস্থা আকসুকে জানাতে হবে।
এটি করতে ব্যর্থ হলে সর্বনিম্ন ছয় মাস থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়েছে এই আইনে।
বাংলাদেশের গণমাধ্যমে আসা খবর অনুযায়ী দু’বছর আগে এ ধরণের একটি প্রস্তাব পেয়ে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন সাকিব আল হাসান, কিন্তু সেটি তিনি আকসুকে জানাননি।
তবে বিসিবি, আইসিসি কিংবা সাকিব আল হাসান- কোনো পক্ষ থেকেই এ বিষযে কোনো বক্তব্য আসেনি। বিবিসি।
05/10/2019
পাপন কাকা এগুলোর দিকে আরেক্টু বেশি নজর দিন,
জাতীয় লিগ আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও আকর্ষণীয় করে তুলতে এবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। যে উদ্যোগটা নিয়ে ভীষণ আলোচিত ও প্রশংসিত হয়েছে—ক্রিকেটারদের ফিটনেসে কোনো ছাড় না দেওয়া। জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের প্রথম দুটি রাউন্ড খেলা বাধ্যতামূলক করা, ভালো উইকেটের প্রতিশ্রুতি দেওয়া তো আছেই। প্রথমবারের মতো জার্সিতে নাম-নাম্বারও চালু হচ্ছে এই জাতীয় লিগ দিয়ে।
জাতীয় লিগ আকর্ষণীয় করে তুলতে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই—খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক। বর্তমানে জাতীয় লিগের প্রথম স্তরে খেলা ক্রিকেটাররা ম্যাচ ফি পান ৩৫ হাজার টাকা, দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচ ফি ২৫ হাজার। দৈনিক ভাতা হিসেবে খেলোয়াড়েরা পান আড়াই হাজার টাকা। জাতীয় লিগে এক ভেন্যু থেকে আরেক ভেন্যুতে যাতায়াতের জন্য শুধু বাস ভাড়াটাই দিয়ে থাকে বিসিবি। কেউ বিমানে যাতায়াত করতে চাইলে সেটি করতে হবে ব্যক্তিগত উদ্যোগে। কদিন আগে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দীন চৌধুরীকে যখন প্রশ্ন করা হলো, এ বছর খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে কিনা, একটু অস্বস্তিতেই পড়ে গেলেন, ‘তেমন না (পারিশ্রমিক বৃদ্ধি)। সব মিলিয়ে হয়তো কিছু বাড়বে, তবে আলাদাভাবে তেমন না।’
১৯৯৯-০০ মৌসুমে শুরু হলেও জাতীয় লিগের ম্যাচ প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট হিসেবে মর্যাদা পায় ২০০০-০১ মৌসুম থেকে। তখন নির্দিষ্টভাবে ম্যাচ ফি না থাকলেও দিন প্রতি ৪০০ টাকা করে পেতেন খেলোয়াড়েরা। ১৯ বছরে ম্যাচ ফি কিংবা সুযোগ-সুবিধা প্রত্যাশা অনুযায়ী বাড়েনি বলেই দাবি ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের এক সিনিয়র খেলোয়াড়ের, ‘জাতীয় লিগের মান বাড়ানোর কথা বলা হচ্ছে, খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা কি বাড়ছে? বিপিএলে দৈনিক ভাতা পাঁচ হাজার টাকা, দলগুলো এক ভেন্যু থেকে আরেক ভেন্যুতে যাতায়াত করে বিমানে। জাতীয় লিগে যেটা আশাই করা যায় না। একটা সময় যখন ১০-১২ হাজার টাকা ম্যাচ ফি ছিল তখন কিন্তু ম্যাচ সংখ্যাও আমাদের বেশি ছিল। এখন কিছুটা বেড়েছে, ম্যাচ সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া আছে। পারিশ্রমিক ভালো থাকলে আমার মনে হয় দেশের অনেক তারকা ক্রিকেটার এখানে খেলার আরও আগ্রহ পেত। যেকোনো কাজে পারিশ্রমিক সব সময়ই একটা নিয়ামক।’
গত বছর ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক প্রায় দুই গুণ বাড়িয়েছে। প্রথম শ্রেণির একটি ম্যাচ খেললে একজন খেলোয়াড় ম্যাচ ফি পাচ্ছেন প্রায় দেড় লাখ টাকা। রাজ্য দলের টিভিসত্ত্ব ও অন্যান্য আয় থাকলে সেটি ২ লাখ ছাড়িয়ে যাচ্ছে অনায়াসে। এমনকি দলগুলোর অনূর্ধ্ব-১৯ দলের একজন খেলোয়াড়ও ম্যাচ প্রতি ৪০ হাজার রুপি পান। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের তুলনা করতে অবশ্য আপত্তি আছে বিসিবির প্রধান নির্বাহীর, ‘ওদের বোর্ডের আয় কত? বিসিসিআইয়ের সঙ্গে আমাদের তুলনা করা ঠিক হবে না।’
তুলনা না হয় করা হলো না, কিন্তু বিসিবিও তো বিশ্বের অন্যতম ধনী ক্রিকেট বোর্ড। একজন ভারতীয় ক্রিকেটার রঞ্জি ট্রফি খেলে ম্যাচ ফি হিসেবে ২ লাখের বেশি পেলেও বাংলাদেশের একজন খেলোয়াড় জাতীয় লিগ খেলে সেটির তিন ভাগের এক ভাগ পারিশ্রমিক আশা করতেই পারেন।
05/10/2019
একজন মানুষ ১৮ কোটি স্বপ্ন
05/10/2019
একজন মানুষ ১৮ কোটির স্বপ্ন,