01/01/2023
ওজন বাড়ান মিল্ক শেক খেয়ে!
এটি বাংলাদেশ বিএসটিআইআর কতৃক অনুমোদিত এবং পরিক্ষিত কোনো সাইড এ-ফে-ক্ট নেই!
আরো বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে করুন অথবা কল করুন পেইজে দেওয়া নাম্বারে!
Informations de contact, plan et itinéraire, formulaire de contact, heures d'ouverture, services, évaluations, photos, vidéos et annonces de Health & wellness Mart BD, Democratic Republic of the.
01/01/2023
ওজন বাড়ান মিল্ক শেক খেয়ে!
এটি বাংলাদেশ বিএসটিআইআর কতৃক অনুমোদিত এবং পরিক্ষিত কোনো সাইড এ-ফে-ক্ট নেই!
আরো বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে করুন অথবা কল করুন পেইজে দেওয়া নাম্বারে!
08/12/2022
গ্রিনিজ যেগুলো একসময় সবার কম প্রিয় ছিল, এখন তালিকার শীর্ষে রয়েছে কারণ তারা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।এইরকম একটি বিশ্বব্যাপী মহামারীতে টিকে থাকতে এবং বেঁচে থাকার জন্য, আমাদের স্বাস্থ্যকরভাবে খাওয়া এবং নিজেদেরকে ফিট এবং ভাল রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
একটি সবুজ ভেষজ যা আক্ষরিক অর্থে যে কোনও কিছু এবং সবকিছু নিরাময়ে ভাল কাজ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় তা হল নিম।
এটি একটি ঔষধি ভেষজ যা চোখের ব্যাধি, ব্রণ, পেট এবং মুখের আলসার নিরাময় করতে পারে।
নিম আপনার রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে এবং আপনাকে শরীরের টক্সিন থেকে মুক্তি পেতেও সাহায্য করে।
নিম দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি কমায় এবং শরীরে ফোলাভাব নিরাময় করে।
সর্বোপরি, আপনি যদি কখনও অসুস্থতা অনুভব করেন তবে নিম এটির চিকিত্সার সেরা বিকল্প।কাঁচা নিম পাতা খাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
07/12/2022
আসসালামু আলাইকুম
আপনি কি মে' দ ভু' ড়ি ও'জন নিয়ে চিন্তিত?
আর নয় অহেতুক দুশ্চিন্তা। আপনাদের জন্য আমরা নিয়ে এসেছি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে অর্গানিক ফুড সাপ্লি মেন্ট।
যা বাংলাদেশ Bangladesh Council of Scientific and Industrial Research (BCSIR) কর্তৃক পরীক্ষিত ও অনুমোদিত। তাই নিশ্চিন্তে হয়ে ওঠুন আরো বেশি ফিট, আরো বেশি আকর্ষনীয়।।
বিস্তারিত জানতে বা অর্ডার করতে সেন্ড মেসেজ অপশনে ক্লিক করুন অথবা নাম্বার সরাসরি কল করুন- 01817253097
07/12/2022
সামান্য একটু সময় নিয়ে দেখুন গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট!
এটি বাংলাদেশ বিএসটিআইআর কতৃক অনুমোদিত এবং পরিক্ষিত ও"জন ক'মান প্রাকৃতিক উপায়ে জুস খেতে খেতে!
আরো বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে করুন অথবা কল করুন- 01817253097
07/12/2022
পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, সকালে উঠে এক গ্লাস পানির পর ফল খেলে শরীর দূষণমুক্ত হবে। হজম ক্ষমতা বাড়বে। আরও বেশি পুষ্টি পাবেন আপনি। তবে সাধারণত সকালের ব্রেকফাস্ট আর দুপুরের খাওয়ার মাঝের সময়ে ফল খাওয়া যেতে পারে। এছাড়া বিকেলে বা সন্ধেয় স্ন্যাকস হিসেবেও ফল বেছে নিন। অর্থাৎ সন্ধ্যার পর ফল খাওয়া যেতেই পারে।
এছাড়া খাওয়ার আগে কয়েক টুকরো ফল খেলে পাকস্থলীতে ফাইবার যায়। যা অন্য খাবার হজম করতে সাহায্য করে। আবার পেটও ভর্তি রাখে। বেশি ফাইবার যুক্ত ফল হল আপেল, ন্যাসপাতি, কলা।
তবে রাতে খাওয়ার পর ফল না খাওয়াই ভালো। কারণ ফলের মধ্যে থাকা চিনি শরীরে বাড়তি এনার্জি জুগিয়ে ঘুমের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। তাই শোওয়ার অন্তত ঘণ্টা দুই আগে ফল খেতেই পারেন।
07/12/2022
লেবু প্রাচীন কাল থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। লেবুর উত্পত্তি এশিয়াতে হয়েছিল এবং লেবু ভারতের আসাম ও চীনে প্রথম ব্যবহৃত হয়েছিল। বেশিরভাগ লোক জলে মিশ্রিত লেবুর রস খান। ভারতে মহিলারা কাপড়ের দাগ দূর করতে লেবু ব্যবহার করেন। বিজ্ঞানীদের মতে, লেবু দীর্ঘদিন ধরে ঔষুধ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। লেবুতে অনেক ভিটামিন এবং পুষ্টিকর গুণ রয়েছে। যা শরীরের অনেক রোগ দূর করে এবং স্থূলত্ব কমাতে সহায়তা করে। আসুন লেবুর সুবিধা এবং বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে তথ্য জেনে নি ।
ওজন কমানোর জন্য: – শরীরের ওজন কমাতে গরম পানিতে লেবুর রস এবং মধু মিশিয়ে প্রতিদিন খেয়ে নিন। কারণ লেবুতে প্রচুর ভিটামিন সি রয়েছে
কিডনিতে পাথরের জন্য: – লেবুর রসের সাথে রক নুন মিশিয়ে খেলে কিডনির পাথরের সমস্যা দূর হয়।
চুলের জন্য: – লেবুর বীজ পিষে মাথায় লাগালে টাক পড়ার সমস্যা কাটিয়ে ওঠা যায় । মাথায় চুল গজায়।
পিম্পলসের জন্য: – চন্দনের পেস্টে লেবুর রস যোগ করুন এবং মুখে লাগান, পিম্পল নিরাময় হয় । আপনার ত্বক ভাল হয়ে যায়।
রক্তচাপের জন্য: – লেবুর রস রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। প্রতিদিন লেবু পান করুন। দাঁতগুলির হলুদভাব দূর করতে: – লেবুর কেটে, লেবুর টুকরো করে নুন লাগিয়ে দাঁতে ঘষুন এবং দাঁতে ঘষলে দাঁতগুলির কুঁচক দূর হবে এবং আপনার দাঁত আগের মতো সাদা এবং চকচকে হয়ে উঠবে।
দাদ ও চুলকানির জন্য: – দাদ বা চুলকানির সমস্যা দূর করতে লেবুর রসে লেবুর রস লাগান। দাদ এবং চুলকানির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। লেবু ত্বক সম্পর্কিত সমস্ত সমস্যার জন্য উপকারী।
নখের জন্য: – নখের উপরে লেবু লাগানো নখকে পরিষ্কার ও চকচকে হয় । কনুইয়ের কালোভাব দূর করতে হলে লেবুও মাখতে পারেন। এটা খুব উপকারী।
পেটের গ্যাসের সমস্যা কাটিয়ে উঠতে: – পেটের গ্যাস বা বদহজমের মতো সমস্যা দূর করতে লেবুর জল খুব কার্যকর।
03/12/2022
মধু প্রকৃতির সবচেয়ে বিস্ময়কর উপহারগুলির মধ্যে একটি, যা প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মধুর অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং ঔষধি ব্যবহার রয়েছে যেমন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো, ওজন কমানো, স্বাদ, পুষ্টিকর, ময়েশ্চারাইজিং, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ইত্যাদি।মধুর অগণিত উপকারিতা রয়েছে, এবং এটি ওজন কমাতে, ফিটনেসের ক্ষেত্রেও উপকারী। ন্যাশনাল হানি বোর্ড পোর্টালে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী এটি চর্বি-মুক্ত, কোলেস্টেরল-মুক্ত, সোডিয়াম-মুক্ত।
মধুর পুষ্টি গুনাগুন-
এক টেবিল চামচ মধুতে শক্তি (64 ক্যালোরি) এবং চিনি (17 গ্রাম) থাকে।
মধুতে বিদ্যমান বৈচিত্র্যময় চিনি হল ফ্রুক্টোজ, গ্লুকোজ, মাল্টোজ এবং সুক্রোজ।
এতে কোনো ফাইবার, ফ্যাট এবং প্রোটিন নেই।
এটির কম জিআই মান রয়েছে, যা রক্তে শর্করার মাত্রার সাথে সম্পর্কিত।
এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফেনোলিক যৌগ রয়েছে।
এটি খনিজ পদার্থে সমৃদ্ধ যেমন আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম।
02/12/2022
রূপকথার ড্রাগনের মতো মিল থাকায় পরিচিতি পেয়েছে ড্রাগন ফল। বর্তমানে সুস্বাদু ড্রাগন ফল বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ডেঙ্গু মোকাবিলায় অন্যতম ভরসা হয়ে উঠছে ড্রাগন ফল। বাজারের সব জায়গায় বিক্রি হচ্ছে এই ‘ট্রপিক্যাল সুপারফুড’। ডায়াবেটিস ও প্রস্টেট ক্যানসারের মোকাবিলায়ও এই ফল বেশ কার্যকর।
চিকিৎসকদের মতে, ড্রাগন ফলে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে। যা রক্তে অণুচক্রিকা বা প্লাটিলেটের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে ডেঙ্গুর চিকিৎসায় এই ফল খুবই কার্যকর। আমাদের অনেক রোগী সুফল পেয়েছেন। পেঁপে পাতার রসের সঙ্গে এটাও অনেকে খাচ্ছেন। তাছাড়া এই ফলে থাকা আয়রন রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। লোহিত রক্তকণিকা উৎপাদনে সহায়তা করে। তাই অ্যানিমিয়া রোগীদের জন্য ভাল।
02/12/2022
পানির অপর নাম জীবন বা জীবনের অপর একটি নাম পানি। তবে সেটি হতে হবে বিশুদ্ধ পানি। এটি পান করে পিপাসা মিটানো পর্যন্তই কেবলমাত্র পানির উপকারীতা সীমাবদ্ধ নয়। পরিমিত পরিমাণে পানি পান করা আপনার শরীরকে বিভিন্ন ধরনের অসুখের হাত থেকে বাঁচাতে পারে। আপনার ত্বককে করে তুলতে পারে উজ্জ্বল। আজকের ব্যস্ত জীবনে নিজের ত্বক ও শরীরের যত্ন নেওয়ার একটুও সময় নেই আপনার হাতে। কিন্তু পরিমানমত পানি খান আপনার শরীর থাকবে শান্ত রক্ষা পাবেন বহু অসুখ থেকে। আজ জেনে নিন পানির ঠিক কতটা উপকারী মানুষের জীবনে।
১) ওজন কমাতে সাহায্য করেঃ অতিরিক্ত ওজন বা ফ্যাট বেড়ে যাওয়া নিয়ে এখন মহিলা থেকে পুরুষ সবাই খুব চিন্তায়। প্রতিদিন সঠিক পরিমানে পানি পান করুন আর নিস্কৃতি পান এই চিন্তার হাত থেকে। পরিমিত পানি আপনার শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমিয়ে দেয় এবং অপ্রয়োজনীয় খিদের হাত থেকে মুক্তি দেয় আপনাকে। পানির মধ্যে যেহেতু ক্যালোরির পরিমান একদম শূন্য তাই আপনার দেহের মেটাবলিসম বাড়াতে সাহায্য করে যা মুক্তি দেয় আপনাকে অতিরিক্ত মেদের হাত থেকে।
২) ইমিউনিটি ক্ষমতা বাড়ায়ঃ এই পাণীয়টি বাড়ায় মানবশরীরের ইমিউনিটি ক্ষমতা। মানবশরীরের প্রায় সমস্ত অসুখ হয় ইমিউনিটি ক্ষমতা কম থাকার জন্য। একটু খেয়াল করে দেখবেন কিছু মানুষ ঘন ঘন অসুস্থ হয়ে পড়েন, এর একমাত্র কারণ হল তাদের দেহের ইমিউনিটি ক্ষমতা বা আত্মরক্ষার শক্তি খুবই কম। তাই নিজেদের দেহের ইমিউনিটি ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য প্রতিদিন খান ১ লিটার পানি।
৩)ত্বক উজ্জ্বল রাখেঃ আপনারা প্রত্যেকেই নিশ্চয় চান আপনার ত্বক ভাল থাকুক। তাহলে আজ থেকেই পরিমিত পরিমাণ পানি খাওয়া শুরু করুন। দিনে ১লিটার পানি পান করা শুধু আপনার স্বাস্থ্য না আপনার ত্বকের জন্য খুব উপকারী।পানি আপনার ত্বককে কোন ধরনের অ্যালার্জী বা ব্রণর হাত থেকে প্রতিরোধ করে। পানি হল আপনার ত্বককে উজ্জ্বল করার সবথেকে সস্তা একমাত্র উপায়।
৪)ব্যাথা থেকে মুক্তিঃ কর্পোরেট অফিস হোক বা অন্য যে কোন কাজ, আজকাল প্রায় সমস্ত কাজই হয় কম্পিউটারের সামনে। কম্পিউটারের সামনে বেশিক্ষন বসে কাজ মানেই স্পন্ডিলাইটিশ থেকে মাথা ব্যাথা যে কোন ব্যাথা হবেই। এই ব্যাথা বেদনাকে খুব একটা আমল না দিলেও বয়সকালে ভয়ঙ্কর রূপ নিতে পারে এগুলি। তাই সেই পর্যায় যাওয়ার আগেই মুক্তি পান ব্যাথার হাত থেকে। কিভাবে মুক্তি পাবেন? খুবই সহজ উপায় অকারনে পানি কম খাবেন না, কাজ করার ফাঁকে খান প্রচুর পরিমানে পানি। এই পানিই আপনাকে মুক্তি দেবে ব্যাথার প্রকোপ থেকে।
01/12/2022
আদাকে আমরা মসলা হিসেবে চিনলেও আদা খাওয়ার ভিন্ন ভিন্ন নিয়ম রয়েছে এবং সেসকল ভিন্ন সেবনবিধির রয়েছে হরেক উপকারিতা। এসকল উপকারিতা সম্পর্কে আমরা অনেকেই অজ্ঞাত বলেই শুধু জ্বর, সর্দি-কাশি উপশমে আমরা আদা ব্যবহার করে থাকি বা বড় জোড় চায়ে আদা মিশিয়ে খেয়ে থাকি। কিন্তু আদার উপকারিতা শুধু প্রাথমিক চিকিৎসায় সীমাবদ্ধ নয়। কথায় বলে, আদা রোগ নিরাময়ে দাদা। আদাতে এমন কিছু পুষ্টি উপাদান আছে যা আমাদের শরীরকে সার্বিকভাবে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।চলুন দেখে নেয়া যাক আদার সেই সাতকাহন-
১। পাকস্থলীর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে।
২। ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে।
৩। ডায়াবেটিস কমায়।
৪। ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।
৫। চুলের যত্নে কার্যকরী।
৬। সর্দি, কাশি, ঠান্ডা লাগা উপশম করে।
৭। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
30/11/2022
চকোলেট খেতে প্রায় প্রতিটি মানুষই ভালোবাসেন। এক্ষেত্রে কোনও বয়সের বেড়াজাল দিয়ে চকোলেট খাওয়াকে আটকানো যায় না। যেমন কম বয়সে মুখে উঠছে চকোলেট, ঠিক তেমনই বয়সকালেও মানুষ এই মিষ্টি খাবার খাচ্ছেন। তবে যে কোনও ধরনের চকোলেটের মধ্যে ডার্ক চকোলেট খেতে পারলেই সবথেকে ভালো হয়। আর এটা শুধু কথার কথা নয়, এমনকী বিভিন্ন গবেষণাতেও উঠে এসেছে এমন বক্তব্য। বিশেষজ্ঞদের দাবি, ডার্ক চকোলেট কম পরিমাণে খেলে শরীরের ভালো হতে পারে। তাই চাইলে আপনি খেতেই পারেন ডার্ক চকোলেট।