09/05/2026
এখনো পর্যন্ত টিটুদের নেয়া কোন সিদ্ধান্তের একটিতেও সামান্যতম মতামত দিতে পারেন নি তাবিথ আওয়াল। বাফুফের ভিতরে ভিতরে কী চলছে তার কিছুই জানেন না এই সভাপতি।
২১ সদস্যকে নিয়ে কাজের ব্যর্থতা সম্পর্কে নিজেই জানিয়েছিলেন মিডিয়াকে। এমন সভাপতি পুরো বিশ্বে একজন ই। লজ্জা!
08/05/2026
মিকেলকে কোচ নিয়োগ করলে সিন্ডিকেটের গোপনীয়তা হারানোর ভয়ে কৌশলে বাদ দেয়া হয়েছে তাকে। তিনদিনের ভিতরে কোচের সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত হবে জানালেও চার দিনেও আসেনি কোন সিদ্ধান্ত।
মূলত তাকে বাদ দেয়ার জন্যই এমন পায়তারা করেছে সিন্ডিকেটের দল। তবে এখানেই শেষ নয়, হয়তোবা কোলম্যানকে বাদ দেয়ার জন্যও চলছে যাদুমন্ত্র!
Source: UK-BD Ultras
07/05/2026
🚨 এশিয়ায় কাজ করার অভিজ্ঞতার পাশাপাশি ইয়াং ট্যালেন্টদের নিয়ে কাজ করা এবং তাদেরকে পরিপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে তৈরি করে সফলতা পেয়েছেন এই কোচ। রোজারিও মিকায়েল এৃন একজন কোচ যার হাতে কিউবা মিশেল, অ্যাডাম আব্বাসও যায়ানরা নিরাপদ।
রোজারিওর অন্তর্ভুক্তি বাংলাদেশ ফুটবলের জন্য হতে পারে একটি আশির্বাদ।
🇧🇩
07/05/2026
🚨 যেকোনো সময় ঘোষণা আসতে পারে!
07/05/2026
🚌 সেমিফাইনাল ফার্স্ট লেগে পিএসজি বনাম বায়ার্নের খেলা দেখার পর বোতলসেনাল এর খেলার নাম ফুটবল বাতিল করে নতুন নাম দিয়েছি Bus Parking Simulator.
কেমন হবে উচল ফাইনাল?
05/05/2026
গোল দিলো আর্সেনাল, ডিফেন্সিভ খেলে অ্যাথলেটি!😦
What the Simione?
04/05/2026
একটুর জন্য আজ সেই ঐতিহ্যবাহী বোতলটি ব্যাবহার হলো না!😂
02/05/2026
বাফুফেকে বিক্রি করে দিছে!
গন্ধযুক্ত (💩শিট) যেমন সাইফুল বারি টিটু কিংবা নিলয় বিশ্বাস, এই ধরনের ছোটলোকদের নিয়ে লিখা মানে সময়ের অপচয় করা। তবুও কিছু লিখতে হয়।
কোথাও সিন্ডিকেট হচ্ছে আর সেখানে টিটু নেই তা তো হতে পারে না।
মাস খানেক আগের ঘটনা, বসুন্ধরা কিংসের সাবেক ফিটনেস কোচ খলিল চাকরুন পরিকল্পনা করলেন তিনি AFC-A Licence করবেন। বাফুফে কর্তৃক আয়োজিত এই কোর্সে ভর্তি হওয়ার জন্য বসুন্ধরার কাছে সাহায্য চান খলিল। কিন্তু সাহায্যের বদলে নিলয় বিশ্বাস বললেন, 🚨 তুমি যদি AFC-A Licence করতে চাও, তাহলে তোমাকে Delay Payment মেনে নিতে হবে। তা না হলে তুমি এই কোর্স করতে পারবে না।🚨
নিলয় আরো বলেন, বাফুফেতে আমাদের আধিপত্য আছে। আমরা চাইলে যা ইচ্ছা তা ই করতে পারি। তুমি যদি বেতন নিয়ে চুপ থাকো, আমরা তোমাকে লাইসেন্স পেতে সাহায্য করবো।
অথচ, লাইসেন্স নেয়ার সাথে ক্লাবের বেতনের কোনও যৌক্তিক সম্পর্ক নেই।
খলিল যখন বসুন্ধরার বিরুদ্ধে AFC'র কাছে অভি++গ করেছে, তখন ঐসকল সিন্ডিকেটদের বাচানোর জন্য টিটু বললো, খলিল নাকি কোর্সের জন্য আবেদনই করেন নি। কিন্তু সেটি বলেনি খলিলকে কোর্সের জন্য আবেদন করতে মানা করেছে কে! কারণ, এই সবকিছুর সাথে জড়িত মহাকোচ টিটু।
এভাবেই বসুন্ধরার দালালী করে যাচ্ছে সাইফুল বারি টিটু। বাফুফের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বসে বসুন্ধরার সাথে ১০০% সমঝোতার মাধ্যমে সিন্ডিকেট চালিয়ে যাচ্ছে সাইফুল বারি। যেখানে বসুন্ধরার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার কথা ছিলো, সেখানে সিন্ডিকেট বাচানের জন্য তাদের পক্ষে কথা বলে যাচ্ছে ছোটলোক টিটু।
সে কোথা থেকে কত টাকা কমিশন পায়, সবকিছু বের করতে পারবো। তবে আশা করবো, এর আগেই যেন টিটুকে বাফুফে থেকে বহিস্কার করা হয়।