07/06/2026
যুক্তরাজ্য সরকারের প্রতিরক্ষা বিনিয়োগ পরিকল্পনা (DIP) প্রকাশে দীর্ঘ বিলম্ব দেশের নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক বিশ্বাসযোগ্যতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে বলে মন্তব্য করেছে সংসদের পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি। কমিটির চেয়ারম্যান Geoffrey Clifton-Brown সরকারের কাছে এ বিলম্বের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এখনও সশস্ত্র বাহিনীকে যুদ্ধ-প্রস্তুত করতে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা, অবকাঠামো ও জনবলের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। এদিকে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, Royal Navy-এর পাঁচটি অ্যাস্টিউট-শ্রেণির সাবমেরিনই বর্তমানে রক্ষণাবেক্ষণের কারণে ডকে রয়েছে।
সরকার বলেছে, তারা প্রতিরক্ষা খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে এবং আসন্ন NATO Summit 2026-এর আগেই পরিকল্পনাটি প্রকাশ করা হবে। তবে সমালোচকদের মতে, বিলম্বের ফলে মিত্র দেশগুলোর কাছে যুক্তরাজ্যের অবস্থান ইতোমধ্যেই দুর্বল হয়েছে।
07/06/2026
ইংল্যান্ডে সামাজিক আবাসনের (সোশ্যাল হাউজিং) চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে বিশাল ব্যবধান দেখা দিয়েছে। আবাসন বিষয়ক দাতব্য সংস্থা Shelter-এর এক গবেষণায় দেখা গেছে, বর্তমানে ১৩ লাখের বেশি পরিবার সামাজিক আবাসনের অপেক্ষমাণ তালিকায় রয়েছে। কিন্তু গত বছর মাত্র ১২,১৯৮টি নতুন সামাজিক আবাসন নির্মিত হয়েছে। বিস্তারিত কমেন্টে
07/06/2026
নাইজেল ফারাজের সমুদ্রতীরবর্তী বাড়ি ঘিরে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। যুক্তরাজ্যের রিফর্ম ইউকে নেতা Nigel Farage কেন্টের গ্রেটস্টোনে অবস্থিত তার পুরোনো বাড়িকে বিলাসবহুল আধুনিক বাসভবনে রূপান্তরের পরিকল্পনা করেছেন, যার ব্যয় প্রায় ৭ লাখ পাউন্ড হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চার শয়নকক্ষ, সমুদ্রমুখী বারান্দা, লিফট, লগ বার্নার এবং ছয়টি টয়লেটসহ বাড়িটি সংস্কারের অনুমোদন ইতোমধ্যে পেয়েছে। এদিকে, ফারাজ বর্তমানে ক্রিপ্টো ধনকুবের Christopher Harborne-এর কাছ থেকে পাওয়া ৫০ লাখ পাউন্ডের উপহার যথাযথভাবে ঘোষণা না করার অভিযোগে তদন্তের মুখে রয়েছেন।
বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছে, নিরাপত্তার জন্য দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা ওই অর্থের কোনো অংশ সরাসরি বা পরোক্ষভাবে ব্যক্তিগত সম্পত্তি উন্নয়নে ব্যবহৃত হয়েছে কি না। তবে ফারাজের মুখপাত্র দাবি করেছেন, বাড়ি পুনর্নির্মাণের পরিকল্পনা শুরু হয়েছিল ওই অর্থ পাওয়ার অনেক আগেই এবং এখনো কোনো নির্মাণকাজ শুরু হয়নি।
06/06/2026
যুক্তরাজ্যের খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা বিভিন্ন ঝুঁকির মুখে রয়েছে বলে সতর্ক করেছে কোল্ড চেইন ফেডারেশন (CCF)। সংস্থাটি জানিয়েছে, জ্বালানি সংকট, সাইবার হামলা এবং চরম আবহাওয়ার কারণে দেশের খাদ্য সরবরাহ শৃঙ্খল মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হতে পারে।
CCF প্রধান ফিল প্লাক বলেন, খাদ্য সংকটের সম্ভাবনা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি এবং বিষয়টিকে সরকারের “তাৎক্ষণিক জাতীয় অগ্রাধিকার” হিসেবে নেওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাজ্যের খাদ্য ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত প্রস্তুতির ঘাটতি রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাজ্য তার খাদ্যের এক-তৃতীয়াংশের বেশি আমদানির ওপর নির্ভরশীল, যা কয়েকটি প্রধান বন্দরের মাধ্যমে প্রবেশ করে ফলে সরবরাহ ব্যবস্থা সহজেই ব্যাহত হতে পারে।
সংস্থাটি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে কোল্ড স্টোরেজ ও খাদ্য পরিবহন কেন্দ্রগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
তবে সরকার বলেছে, খাদ্য খাত ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় অবকাঠামোর অন্তর্ভুক্ত এবং সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে তারা প্রযুক্তি ও কৃষি উৎপাদনে বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছে।
06/06/2026
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী Keir Starmer ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ব্রিটিশ গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছেন। এই মন্তব্য আসে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট JD Vance-এর বক্তব্যের পর, যেখানে তিনি ব্রিটিশ কিশোর Henry Nowak-এর হত্যাকাণ্ডকে ইউরোপে ব্যাপক অভিবাসনের সঙ্গে যুক্ত করেন।
ডাউনিং স্ট্রিট এক বিবৃতিতে জানায়, কিছু ব্যক্তি গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপ ও সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। তারা নওয়াক পরিবারের ইচ্ছার প্রতি সম্মান জানানোর আহ্বান জানায়, কারণ পরিবারটি চায় না হেনরির মৃত্যু ঘিরে আরও ঘৃণা বা উত্তেজনা ছড়াক।
হেনরি নওয়াককে হত্যার দায়ে ব্রিটিশ-জন্ম সিখ যুবক Vickrum Digwa যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছেন। এ ঘটনাকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু ডানপন্থী রাজনীতিক ও ব্যক্তিত্ব যুক্তরাজ্যের পুলিশ ও বিচারব্যবস্থার সমালোচনা করেছেন।
তবে স্টারমার জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাজ্যে পুলিশ “ভয় বা পক্ষপাত ছাড়াই” কাজ করে এবং দেশের রাজনীতি সংকটের সময়েও মানুষকে একত্রিত করার কাজ করা উচিত।
05/06/2026
যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল অডিট অফিস (NAO)-এর এক প্রতিবেদনে রাজপরিবারের বিভিন্ন সদস্যের আবাসন ও ভাড়া সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। প্রতিবেদনে দেখা যায়, রাজকীয় দায়িত্ব পালন না করলেও প্রিন্সেস বিট্রিস ও প্রিন্সেস ইউজেনি রাজপ্রাসাদের বাসভবনে কম ভাড়ায় বসবাস করছেন, যার ব্যয় বহন করছেন রাজা তৃতীয় চার্লস।
এছাড়া ডিউক ও ডাচেস অব এডিনবার্গ দীর্ঘমেয়াদি লিজে নেওয়া ব্যাগশট পার্ক এস্টেটের কিছু অংশ বাণিজ্যিকভাবে ভাড়া দিয়ে ব্যক্তিগত আয় করেছেন। অন্যদিকে প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্সেস ক্যাথরিন উইন্ডসরের একটি সম্পত্তির জন্য বছরে £৩০৭,২০০ ভাড়া প্রদান করেন।
বিস্তারিত কমেন্টে