ERS 2023

ERS 2023

Share

রোমান্টিক ভিডিও এবং ফানি ভিডিও

02/10/2025

উপকারের আশায় ডাব খাচ্ছি..
আবার দাড়িয়ে খাচ্ছি...
আগে দাম করে নিয়ে ১০ টাকা কম দেওয়ার ধান্দা করছি.
১৫০টাকা দিয়ে পানি খাচ্ছি
পাশেই ১০ টাকার জন্যে ক্ষুদার্থ হাত পেতে আছে দেওয়ার প্রয়োজন মনেই করছিনা।
উপকার টা করার মালিক কে???
ডাব উপকার করার ক্ষমতা রাখে?
ডাব নিজেই নিজেকে কাটার হাত থেকে বাচাতে পারেনা💔

02/10/2025
Photos from ERS 2023's post 02/10/2025

জরুরী হোল বাটন অপারেটর সাব-কন্ট্রাক্ট যোগাযোগ ০১৯৬২৪৭৯৩৪৭

02/10/2025

“বান্ধবীর চাচার সাথে আমার বিয়ে হয়ে গেল—মানুষ শুনলে কী বলবে?”
সবকিছু এক মুহূর্তে ওলট-পালট হয়ে গেল। নিজের বান্ধবীর চাচার সঙ্গে আমার বিয়ে হয়েছে—কলেজে আমি মুখ দেখাবো কীভাবে! এগুলো ভাবতে ভাবতেই চোখ দিয়ে টপটপ করে পানি পড়ছিল তরীর। এই তো কবুল বলার সঙ্গে সঙ্গেই বর কোথায় যেন হাওয়া হয়ে গেল—তার খবর নেই। এক ঘণ্টা ধরে বসে আছি।

তাকে কখনো দেখিনি, সে ইতালিতে থাকে। যখন আমি গেট দিয়ে প্রবেশ করি, দেখি বর স্টেজে বসে আছে। দেখে পুরোই শক খেয়েছিলাম—জান্নাতের চাচা! এটা ভাবতে অবাক লেগেছিল।

তারা এখন বসে আছে শহরের সুনামধন্য এক কমিউনিটি সেন্টারে। এসেছিল বিয়ে খেতে, কিন্তু নিজেই এখন বউ। মাথা নিচু করে বসে আছে তরী, পরনে সিম্পল একটা শাড়ি—যেমন দাওয়াত খেতে গিয়ে মানুষ যেরকম পড়ে। মাথায় হিজাব। তার মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দেওয়ার মতো কেউ নেই। তবে ভুল হবে যদি বলি কেউ নেই—বান্ধবীটা আছে। জান্নাতই তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়েছে, সবকিছু মেনে নিতে বলছে।

সে সৎ মায়ের সংসারে থাকে। সেখানে যে কী জ্বালা—! বাবা থেকেও নেই, সৎ মা যা বলে তাই হয়।

একটা খারাপ কিছু হলে মানুষ বলে—আল্লাহ যা করেন, ভালোর জন্যই করেন। কিন্তু আমার মতো অভাগীর সঙ্গে কি কখনো ভালো হয়? ব্যাকুবের মতো চোখ দিয়ে পানি পড়ছিল, অথচ এই চোখের পানি তো কত বছর আগেই শুকিয়েছিল। আজ আবার কেন জেগে উঠলো—ভাবতেই ঠোঁটের কোণে ভেসে উঠলো তাচ্ছিল্যের হাসি।

দাওয়াতি অতিথিরাও অবাক। বিয়ে খেতে এসে এমন বদল—যার সঙ্গে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল সে পালিয়েছে। ছেলেটা আজকেই বিয়ে করবে, জেদের কাছে হার মেনে পরিবারের সবাই তরীকে রাজি করালো। সৎ মা তো বরাবরই লো-ভী—বড়লোক বাড়িতে মেয়ে বিয়ে দিলে অনেক লাভ। এক কথায় রাজি। কেমন করে মেয়েকে রাজি করালো—কেউ বুঝলো না।

“এই তরী, ওঠ। এখন আমাদের যেতে হবে। এখান থেকে যেতে আধা ঘণ্টা লাগবে। দাদীমা অনেক ঝামেলা করছে, এখনই বের হতে হবে।”

মাথা তুলে তরী তাকালো বান্ধবী জান্নাতের দিকে। জান্নাত আতঙ্কিত চোখে তাকালো—তরীর চোখ যেন লাল টুকটুকে, মনে হয় টোকা দিলে র-ক্ত ঝরবে। আচ্ছা, মেয়েটা কি কাঁদছে? কেন জানি একবার কান্না করলো, চোখের পানি গড়ালো, কিন্তু আর নয়।

“জানিস জান্নাত, আমি অভাগী সবখানে ঝামেলা।” —ঠোঁটে তাচ্ছিল্যের হাসি।

“শোন তরী, জীবনে ওঠা-নামা থাকবেই। আর আমার চাচ্চু অনেক ভালো মানুষ। তুই খুব ভালো থাকবি। দাদীমা একটু ঝামেলা করবে, কিন্তু তার কারণ আছে। পরে সব শুনবি।”

পেছন থেকে জান্নাতের বাবার গলার স্বর ভেসে এলো—

“জান্নাত, তাড়াতাড়ি আয়। অনেক রাত হলো, দেরি হচ্ছে। তরীকে সঙ্গে নিয়ে আয়।”

বলে তিনি সামনে এগিয়ে গেলেন।

জান্নাত তরীর হাত ধরে হাঁটতে লাগলো। পেছন থেকে শোনা গেল কয়েকজন মহিলার ফিসফিসানি

“জামাই ছাড়া বউ কীভাবে শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছে, দেখো!”

“আমার তো মনে হয় ছেলে মেয়েটাকে পছন্দ করেনি। ছেলে এত সুন্দর—আকাশের চাঁদ, আর কোথায় কী! মেয়ের হয়তো অনেক লো-ভী আছে, না হলে স্বামী ছাড়া শ্বশুরবাড়ি যায় কেমন করে?”

সব কথা কানে এলো। জান্নাত ফিরে এসে মহিলাদের সামনে দাঁড়িয়ে বলল—

“তোমাদের বিয়েতে দাওয়াত দিয়েছি, খেয়েছেন, এখন গিফট দিয়ে চলে যাও। তোমাদের আর দরকার নেই। গ্রামের সিসি ক্যামেরা , এখন শহরে আছে।”

মহিলারা থমকে গেল। তারা কি গিফট দিবে না। এ মেয়েটা কেমন কথা বলল!

জান্নাত তরীর হাত ধরে গেটের সামনে এলো। ওখানে বাবা-মা টেবিলে বসে হাসাহাসি করছে। অথচ মেয়ের বিদায়ের সময় বাবা-মা অনেক কাঁদেন—এখানে কিছুই হলো না। তরী অবাক চোখে তাকালো বাবার দিকে। মনে হলো—সে ম-রে গেলেও বাপের চোখে পানি আসবে না।কত বিয়ে সে দেখেছে মেয়ে বিদায়ের সময় বাবা কান্না করে মেয়ে কান্না করে। আর আমার বাবা আসর জমাইছে।

চোখাচোখি হলো। বাবা উঠে এসে শুধু বলল—

“কিছু লাগবে?”

তরী অবাক হলো। এ কেমন কথা? ইচ্ছে করছিল বলতে—“আব্বু, আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি। তোমাকে রেখে যাচ্ছি, অথচ তুমি আমায় ভালোবাসো না।” কিন্তু বলা হলো না।

পেছন থেকে সৎ মা এসে বলল—

“কিরে, তাড়াতাড়ি যা। দেরি হচ্ছে। সবাই বসে আছে তোমাদের জন্য।”

জান্নাত হাত ধরে গাড়িতে বসালো।

“তুই যাদের জন্য কষ্ট পাস, তারা তোর জন্য কষ্ট পায় না—এটা তোকে কতবার বলেছি।”

তরী জানালার বাইরে তাকিয়ে রইল।

“জান্নাত, তুই ভিতরে আয়।সে ওখানেই থাকুক দরজার বাইরে…”

চলবে…

এক সন্ধ্যাময় প্রেম

কেমন হয়েছে অবশ্যই জানাবেন, ভালো হলে লিখব না হলে লেখব না। ভুল হলে ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন।
# #

গল্পটির পরবর্তী পর্ব পড়তে গল্প টা ভালোবাসার পেজটি ফ-লো দিয়ে রাখুন

02/10/2025

যমুনা নদীর পারে

01/10/2025

অনেক নারীকেই বলতে শুনি—
"পুরুষ মানুষ শুধু মেয়েদের শরীর বোঝে, মন বোঝে না।"

এই কথা শুনে কখনও কখনও ভাবি—
আপনার সেই সঙ্গী যদি আপনার ভালোবাসা, যত্নের মাঝেও তার শারীরিক চাহিদা পূরণ না করতে পারে,
তখন সে যদি অন্য কারো দিকে তাকায়, তখন আপনি কী বলবেন?

অভিযোগটা সবার আগে আপনি করবেন, তাই না?

আমি একমত—
যে পুরুষ শুধু শরীর বোঝে, মন ছুঁতে চায় না, সে কারো জীবনসঙ্গী হওয়ার যোগ্য নয়।

তবে তাই বলে পুরুষের শারীরিক চাহিদাকে অস্বীকার করবেন?

একজন খাঁটি পুরুষ খুব বেশি কিছু চায় না—
একটু যত্ন, একটু অনুপ্রেরণা, আর একজন নারীর কাছে মানসিক শান্তি।
আর এই মানসিক শান্তির সঙ্গেই কিন্তু শারীরিক চাওয়াগুলো ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

পুরুষ যদি নারীর শরীরের প্রতি আকর্ষণ অনুভব না করতো,
তবে কেনই বা সে একজন নারীর প্রেমে পড়বে?
নারীর শরীর আর মনের আলাদা কোনো ঠিকানা নেই—একটাকে বুঝলে, অন্যটাও অনুভব করতে হয়।

যে পুরুষ তার সঙ্গীর থেকে সবটা পেয়েও অন্য নারীকে খোঁজে,
সে নিঃসন্দেহে চরিত্রহীন।

কিন্তু যে পুরুষ তার চাওয়াগুলো নিজের সঙ্গীর কাছেই রাখতে চায়,
আর সেই চাওয়াগুলো অপূর্ণ থেকে যায়—তাকে আপনি কী বলবেন?

নারীর মন বোঝা সহজ নয়,
তবে মন বোঝার পরেও যদি সেই নারী শুধু পুরুষদের দোষ দিয়েই যায়,
তবে প্রশ্ন আসে—সে নিজে তার সঙ্গীর মনের ভাষা বুঝলো কবে?

সব পুরুষ যদি কেবল শরীরের প্রতি লোভী হতো,
তবে মা-বোনেরা কি নিরাপদে ঘরে থাকতে পারতেন?

না, পারতেন না।

আজও পৃথিবীতে অনেক পুরুষ আছেন—
যারা প্রেমিক, স্বামী, ভাই কিংবা বাবা হয়ে নারীর জন্য ছায়ার মতো দাঁড়িয়ে থাকেন।
তারা কেবল শরীর বোঝেন না, বোঝেন দায়িত্ব, বোঝেন ভালোবাসা।

সব পুরুষ এক নয়।
সব নারীও এক নয়।

সংসার বা সম্পর্কটা টিকিয়ে রাখতে চাইলে,
মন আর শরীর—দুটোকেই গুরুত্ব দিতে হয়।
দুটি দিকেই বোঝাপড়া তৈরি হলেই শান্তি আসে।
না হলে শুধু দোষারোপ চলতেই থাকে, সম্পর্ক দাঁড়ায় না।

>>>>গল্পটি ভালো লাগলে অবশ্যই একটি শেয়ার করবেন,,,,

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Ghazipur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


গাজীপুর
Ghazipur