Diamond Mohunbagan DLS

Diamond Mohunbagan DLS

Share

sports related news

২ বনাম ৩ এবং ১১ বনাম ১২, শনিবার একই দিনে নামছে মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল 17/02/2024

ইসকা নাম হে চাটন💥💥🎋😎😎😎

২ বনাম ৩ এবং ১১ বনাম ১২, শনিবার একই দিনে নামছে মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল একটি দল, যারা তিন নম্বর থেকে আইএসএলের শীর্ষে ওঠার মরিয়া চেষ্টা করছে। অপর দলটি পয়েন্ট তালিকায় শেষ থেকে দ্বিতীয়। তা....

Photos from Diamond Mohunbagan DLS's post 08/12/2023

ময়দান ক্রিকেটের আঙিনায়
অষ্টম পর্ব :
আমি স্বেছায় মাঠের টানেই আবার ২০০৪-০৫ মরশুমে ফিরে এসেছিলাম প্রশিক্ষক হিসাবে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করতে। হাইকোর্ট ক্লাবের প্রশিক্ষক হয়ে আমার কলকাতা ক্লাব ক্রিকেটে হাতে খড়ি তবে যেহেতু দীর্ঘ দিনের চেনা ময়দান তাই প্রথম থেকেই কোনো রকম চাপ অনুভব করেনি। সেই মরশুমে ওই ক্লাবের ক্যাপ্টেন ছিল এখন এনসিএ ফ্যাকাল্টি রাজীব দত্ত ও আবার ভাল বন্ধু ছিল তাই আমি খুব উপভোগ করেছিলাম ময়দানে এই নতুন ভূমিকায়। এই হাই কোর্ট ক্লাবের কোচ থাকাকালীন একদিন হঠাৎ করেই কলকাতা ময়দানের অন্যতম প্রধান দল মোহনবাগান ক্লাব সেই মরশুমে খুব একটা ভালো ক্রিকেট খেলতে পারেনি এমনকি লীগ চ্যাম্পিয়ানশিপের দৌড়ে অবনমন এর খেলাও খেলতে হয়েছিল। সেই রকম পরিস্থিতিতে আমায় সেই সময়ের মোহনবাগান কর্তা দীপঙ্কর হাজরা হাইকোর্ট মাঠে এসে পরের মরশুমে মোহনবাগান দলের প্রশিক্ষক হাওয়ার প্রস্তাব দেন। পরবর্তী কালে মোহনবাগানের তৎকালীন সচিব অঞ্জন মিত্র আমায় বলেন ভালো করে মোহনবাগান দল তৈরি করতে। আর খেলোয়াড় জীবনে দুই প্রধান দলে বেশ কিছু বছর মাঠে কাটিয়েছিলাম যখন যে প্রধান দলে খেলেছি সেই দলের হয়েই একশো ভাগ নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করতাম কিন্তু আজ বলতে দ্বিধা নেই ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগান ক্লাবের আমাদের বাঙালিদের একটা আলাদা অনুভূতি থাকে তাই মোহনবাগান ক্লাবের কোচ হিসাবে যুক্ত হাওয়া টা আমার কাছে গর্বের ছিল অবশ্যই । যাইহোক আমি হাইকোর্ট ক্লাবে দুই মরশুম কোচিং করানোর পর ২০০৬-০৭ সালে মোহনবাগানের কোচের দায়িত্বে এসে আমি কালীঘাট থেকে ঋদ্ধিমান সাহাকে আর শ্যামবাজার ক্লাব থেকে দেবব্রত দাস, পলাশ ভৌমিক, কমল হাসান মন্ডল, সৌগত দত্ত শিলিগুড়িতে গিয়ে এদের কোচ আমার প্রাক্তন সতীর্থ জয়ন্ত ভৌমিকের (কালীঘাট ক্লাবে একসঙ্গে খেলছি) চার ছাত্রকে মোহনবাগানে সই করিয়েছিলাম এবং পলাশকে দলের নেতৃত্বের দ্বায়িত্ব দিলেও পরে নিজের ব্যবসার জন্য পলাশ নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ায়। ঋদ্ধিমান সাহা মোহনবাগানে সেই মরশুমে আসার আগে কালীঘাট ক্লাবের হয়ে খুব ভালো পারফর্ম করেছিল কিন্তু আমি ওকে মোহনবাগানে প্রাকটিস চলাকালীন রোজ দেখতাম কিভাবে নিজেকে প্রতিমুহূর্তে তৈরি করত সর্বোচ্চ লেভেলের ক্রিকেট খেলার জন্য আর খুব কম কথা বলত আর প্রচন্ড মনোযোগ দিয়ে প্র্যাকটিস করতো। দেখলেই খালি ক্যাচিং দিতে বলতো বিশ্বাস করুন ওকে ক্যাচ দিতে দিতে আমি ক্লান্ত হয়ে যেতাম কিন্তু ওর মধ্যে কোনো ক্লান্তি কোনোদিন দেখিনি। আমার খেলোয়াড় জীবনে যেমন ডেভিড দা (উৎপল চ্যাটার্জি) কে দেখতাম একদম ডিসিপ্লিন লাইফ এবং কঠিন পরিশ্রম করতে ঠিক তেমন আমি ঋদ্ধিমানকে খুব কাছ থেকে দেখতাম একইরকম ডিসিপ্লিন লাইফে থেকে নিরলস পরিশ্রম করতে দুই প্রজন্মের এই দুই ক্রিকেটারের যেমন খুব মিল। ঋদ্ধিমানের পরিশ্রম আর ক্রিকেটের প্রতি ভালবাসা দেখে আমি নিশ্চিত ছিলাম যে ও অবশ্যই জাতীয় সম্পদ হবেই একদিন তাই আমি ওকে সবসময় বলতাম যে পাপালি তোর ইণ্ডিয়া খেলা কেও আটকাতে পারবেনা। ঋদ্ধিমান শুধুমাত্র কঠোর পরিশ্রম করে বিশ্বের সেরা উইকেট কিপার হতে পেরেছে তাই একজন প্রাক্তন খেলোয়াড় এবং বর্তমান কোচ হিসাবে আমি আগামী প্রজন্মকে এটাই বলবো কঠিন পরিশ্রম আর সুশৃঙ্খল জীবন যাপন করলে সফল হবেই। ২০০৭-০৮ সালে মোহনবাগান আগের বছরের তুলনায় ভালো খেলেছিল এবং সম্ভবত আমরা এ.এন.ঘোষ ট্রফির ফাইনালেও উঠেছিলাম কিন্তু তারপরের মরশুমে আমরা দুটো ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হই যার মধ্যে আমাদের সেরা টুর্নামেন্ট পি.সেন ট্রফি ছিল এবং সেই বছর ভারতীয় দলের তারকা বিরাট কোহলি এল বালাজি এবং মণীশ পান্ডে আমাদের মোহনবাগানের হয়ে খেলেছিল তাই এই প্রজন্মের সেরা প্লেয়ার বিরাট কোহলি কে দেখার অভিজ্ঞতা আমার কাছে কোচ হিসাবে বাড়তি পাওনা। পি সেন ট্রফির ফাইনালে বিরাটের ব্যাটিং দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম আমরা সবাই। কোহলি ছাড়াও এই মরশুমে মোহনবাগানের হয়ে বিখ্যাত শ্রীলঙ্কান বাঁহাতি জোরে বোলার চামিন্ডা ভাস আমাদের হয়ে জে.সি.মুখার্জি ট্রফি খেলতে এসেছিলেন। একজন বিশ্ব বন্দিত এই ক্রিকেটার দারুণ ভদ্র এবং মাটিতে পা রেখে চলা একজন মানুষকে দেখেছিলাম আমরা। এর মাঝে একটা কথা বলা দরকার মোহনবাগানে আমার কোচ হয়ে দ্বিতীয় মরশুম শুরুর আগে ময়দানে ফুটবল মরশুমে একদিন আমি মোহনবাগানের ফুটবল খেলা দেখতে মাঠে যাই সেখানেই আমি মোহনবাগানের কর্তা সৃঞ্জয় বোসের সাথে দেখা আমি ওনাকে বলি ফুটবল টিম দারুন হয়েছে সেই শুনে শৃঞ্জয় আমায় ক্রিকেট টীম ভালো করে করতে বলেন সেই মত আমি সেবছর মোহনবাগান দল করি এবং বাংলার সেরা ব্যাটসম্যান মনোজ তিওয়ারিকে মোহনবাগানে সই করাই এবং মনোজ বরাবরের মতই দারুন ব্যাট করেছিল। আমরা পি.সেন ট্রফি তে যেমন বিরাট কোহলি, মণীশ পান্ডে, বালাজি দের পেয়েছিলাম তেমন আবার চামিন্ডা ভাস কে জেসি মুখার্জি ট্রফিতে পেয়েছিলাম এগুলো সম্ভব হয়েছিল সৃঞ্জয় বোসের জন্যেই । যাইহোক চামিন্ডার কিন্তু মোহনবাগানের ক্রিকেটার থেকে ক্লাবের পরিবেশ খুবই পছন্দ হয়েছিল এবং আমাদের ইয়ং ইরেশ, রাজা দের নানা রকম বোলিং পরামর্শও দিয়েছিল এবং ওই কয়েকদিনেই আমাদের ক্লাবের সব ক্রিকেটারদের সাথে একদম মিশে গিয়ে একটা ভাল পরিবেশ তৈরি করতে সাহায্য করেছিল। চামিন্ডা ভাসের ইরিশ সক্সেনার বোলিং আর দেবব্রত দাসের ( রাজা ) ব্যাটিং খুব পছন্দ হয়েছিল। আমরা ফাইনালে কালীঘাটের কাছে ওয়াকওভার পেয়েছিলাম কারণ ওরা মনে হয় সিএবি কে ফাইনালটা পিছিয়ে দিতে অনুরোধ করেছিল কিন্তু সিএবি সেটা প্রত্যাখ্যান করে সেই কারণে। সেটাই বোধহয় কলকাতা ময়দানে কোনো প্রতিযোগিতায় ফাইনালে প্রথম বার কোনো দল ওয়াকওভার দিয়েছে! যদিও আমাদের যা টিম ছিল খেলা হলেও আমাদের জেতার সম্ভবনা অনেক বেশি ছিল। আমরা সেবার লীগের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গলের কাছে পরাস্ত হয়ে লীগ হাতছাড়া করলেও জেসি আর পি. সেন ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম। কিছু কারণবশত পরের মরশুমের জন্য মোহনবাগানের কোচের ভূমিকায় থাকতে পারিনি।তবে মোহনবাগানে আমার খেলোওয়ার এবং কোচিং জীবনে একটা ঘটনা বলছি, আমি যখন মোহনবাগানের ক্রিকেটার ছিলাম আমার সতীর্থ ছিলেন চেতন শর্মা যার ১৯৮৭ বিশ্ব কাপে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক আছে আবার পরবর্তী কালে আমি কোচ থাকাকালীন চামিন্ডা ভাস খেলেন ওনারও ২০০৩ সালে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বিশ্ব কাপে হ্যাটট্রিক আছে। আর আমি কোচ বা খেলোয়াড় না থাকলেও মোহনবাগান কর্তাদের অনুরোধে টাউন ক্লাব থেকে ভারতীয় তারকা বোলার মোহাম্মদ সামিকে মোহনবাগানে এনে দিতে সাহায্য করি আর সেই শামিও ২০১৯ বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করেন ! তাই বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিককারি তিনজন বোলারই মোহনবাগান খেলেছেন এবং তাদের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে আমি যুক্ত হতে পেরে আজকে নিজেকে গর্বিত মনে করি।

মোহনবাগান ছাড়ার পর আমায় একদিন সেই সময় বি.এন.আর ক্লাবের অধিনায়ক সোহম ঘোষ আমায় তাদের ক্লাবের কোচ হতে অনুরোধ করে এবং ওদের ক্লাবের পিকে বোস স্যারের সাথে আমার সাক্ষাৎ করিয়ে দেয় এবং ওনার সাথে কথা বলার পর কোচ হতে রাজি হই। সেবছর বি.এন.আর দলে অমিত ব্যানার্জী, সৌরভ মণ্ডল, অনির্বাণ গুপ্ত, সোহম সহ সব অনেক ভালো প্লেয়ার ছিল আমরা কোনো ট্রফি না জিতলেও ভালই খেলেছিল টীম।

আসলে কলকাতা ক্লাব ক্রিকেটে ক্লাবের প্রশিক্ষক হাওয়ার পেছনে আর্থিক লাভবান হাওয়ার দিকটা কোনো প্রশিক্ষকই এখনও হয়তো ভাবে না কারণ আমার মনে হয় যারাই কোচ হোন মূলত আবেগটাই বেশি কাজ করে। বি.এন.আরের কোচ থাকাকালীন ভবানীপুরের কর্তা আমাদের ময়দানের বুবু দা (চিত্রক মিত্র, যিনি সিএবির প্রাক্তন সচিব এবং ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সহ সভাপতি ছিলেন ) আমায় তার ক্লাবের কোচ হাওয়ার প্রস্তাব দেয়। আমি মোহনবাগানের কোচ থাকাকালীন বুবুদার সাথে আমার সম্পর্ক ভালো মতই গড়ে উঠেছিল কারণ উনি সম্পর্কে মোহনবাগানের তৎকালীন সহসচিব সৃঞ্জয় বোসের শ্বশুরমশাই তাই উনিও মোহনবাগানের খেলা দেখতেন আসতেন সেখান থেকেই আমার ওনার সাথে আমার আলাপ, শ্যামবাজারের কোচ লাল্টু দা আমাকে ভবানীপুর ক্লাবের কোচের দ্বায়িত্ব নিতে উৎসাহিত করেন। বুবুদা আমাকে বলেছিলেন তুমি মোহনবাগানে ভালই কোচিং করেছ আমাদের মাঝারি মানের টিম তুমি নিজের মতো করে টিম করে দ্বায়িত্ব নাও এই কথার পর আমার নিজের কাছে একটা চ্যালেঞ্জ হিসাবেই আমি ২০১০ সালে তৎকালীন ক্লাব ক্রিকেটে একদম মাঝারি মানের দল ভবানীপুর ক্লাবের কোচ হিসেবে নিজেকে যুক্ত করি কারণ আগেই বলেছি নিজের কাছে চ্যালেঞ্জ ছিল আমার যে একটা ছোট দলকে বড় দল হিসাবে গড়ে তুলবো। কোচ হিসাবে আমি প্রথমেই হাইকোর্টের মত দলকে কোচিং করেছিলাম এবং তারপর মোহনবাগানের মত ক্লাবে কোচিং করিয়ে আমার কাছে দুই ধরনের ক্লাবের অভিজ্ঞতা ছিল তাই আমার নিজের উপর ভরসা ছিল যে একদিন ভবানীপুর ক্লাবকে ময়দান ক্রিকেটে একটা শক্তি হিসাবে তুলে ধরতে পারবো। এই চ্যালেঞ্জ নিয়েই আমার ভবানীপুর দলের যাত্রা শুরু ২০০৯-১০ । ক্রমশঃ
~সংগৃহীত

Photos from Mohun Bagan & Football's post 23/10/2023

💚❤️

দুর্গা পুজোয় বাংলাকে উপহার! ম্যাচের সেরা ও ৩টি বিশ্বরেকর্ড গড়লেন মহম্মদ শামি 23/10/2023

ভারতের ও মোহনবাগানের গর্ব মহম্মদ শামী💚❤️💙

দুর্গা পুজোয় বাংলাকে উপহার! ম্যাচের সেরা ও ৩টি বিশ্বরেকর্ড গড়লেন মহম্মদ শামি ODI World Cup 2023 India vs New Zealand Mohammed Shami create multiple records in IND vs NZ match ICC World Cup 2023: বিশ্বকাপে পরপর পাঁচটি ম্যাচ জিতে লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌছে গিয়েছে ভার....

মোহনবাগানের নৌকায় দেবীর আগমন, ৫০তম বছরে চমক সবুজ-মেরুনের ‘আদি’ মাঠের পুজোয় 19/10/2023

https://www.anandabazar.com/west-bengal/kolkata/theme-of-shyam-square-durga-puja-is-history-mohun-bagan-club-dgtls/cid/1468210

মোহনবাগানের নৌকায় দেবীর আগমন, ৫০তম বছরে চমক সবুজ-মেরুনের ‘আদি’ মাঠের পুজোয় এখন ময়দানে স্থায়ী ঠিকানা হলেও বার বার মাঠ বদল হয়েছে ঐতিহাসিক মোহনবাগান ক্লাবের। তৃতীয় মাঠটি ছিল উত্তর কলকাতার শ্...

30/09/2023

It's Zzzjangiya power 💥💨😶

30/09/2023

😎😎

29/09/2023

বিগত বেশ কয়েকদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় কেরালা সমর্থকরা মোহনবাগান কে নিয়ে বাজে কথা রটাচ্ছে, কারন তাদের মতে তারা ভারতীয় ফুটবলে সবচেয়ে বেশী দর্শক আনতে সক্ষম হয়েছে‌।
এবার চলুন কিছু fact দেখে নেওয়া যাক। ২০১৬-১৭ সিজন অবধি আই লীগ ছিলো ভারতের প্রথম ডিভিশন লীগ, ২০১৭-১৮ থেকে আইএসএল সেই তকমা লাভ করে;
এবারে চলুন ভারতের টপ টিয়ার লীগের attendance এর রেকর্ড বইটা খোলা যাক।

ভারতীয় ফুটবলের প্রথম ডিভিশনের কোনো এক সিজনে average attendance এর দিক দিয়ে শীর্ষস্থানে আছে মোহনবাগান।
২০১৫-১৬ আই লীগ সিজনে মোহনবাগানের গড় attendance ছিলো ৩৭,০১৮, যা এখনও রেকর্ড।
আইএসএলে কোনো এক সিজনে সর্বোচ্চ গড় attendance এর রেকর্ড কেরালার, যাদের ২০১৭-১৮ মরসুমে গড় অ্যাটেন্ডেন্স ছিলো ৩১,৭৬৩; সেবছর দ্বিতীয় ডিভিশনে খেললেও মোহনবাগানের গড় অ্যাটেন্ডেন্স ছিলো ৩৪,৮৭২!

২০১৮-১৯ সিজনে:
কেরালা- ১৭,১২৫; মোহনবাগান - ১৭,৬৪৬
২০১৯-২০ সিজনে:
কেরালা- ১৭,৫১৬; মোহনবাগান - ১৯,১৩৫

২০/২১ ও ২১/২২ সিজনে দর্শক ছাড়াই খেলা হয়েছে।
২০২২-২৩এ রিমুভ এটিকে আন্দোলন চললেও নক-আউট স্টেজ মিলিয়ে, মোহনবাগানের অ্যাভারেজ অ্যাটেনডেন্স ২৮,২০২; কেরালার? ২৭,৮২৫

এখনো অবধি যতদিন মোহনবাগান ও কেরালা ভারতীয় ফুটবলের দুটো ডিভিশনে একসাথে খেলেছে, মোহনবাগান কেরালার থেকে বেশী attendance রাখতে সক্ষম হয়েছে!

পোস্ট টি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন, দেখিয়ে দিন মোহনবাগান সমর্থকদের ক্ষমতা!

জয় মোহনবাগান 💚❤️

20/09/2023

হাসিতে হাসিতে হাসিবেন না...😊😢

20/09/2023

😎😎😶

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in KOLKATA?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Kolkata
700011