29/05/2026
এই দৃশ্য আর দেখা যাবে না — শুধু ভারতীয় ফুটবলে নয়, যে কোনও খেলাতেই ভারতের প্রথম দলে একসঙ্গে ১০ জন বাঙালি ছেলের মাঠে নামা আজ প্রায় কল্পনার মতো। এক সময় বাংলা শুধু ভারতীয় ফুটবলকে শাসনই করেনি, দেশের জার্সিকেও নিজেদের প্রতিভায় আলোকিত করেছিল।
ভারতীয় দল 1982 নেহেরু কাপে মাঠে নামছে।
এই ছবিতে আমরা ভাস্কর গাঙ্গুলী, অলোকে মুখার্জি, কম্পটন দত্ত,মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য,প্রশান্ত ব্যানার্জী, বিদেশ বোস, মানস ভট্টাচার্য, সুদীপ চ্যাটার্জি, অতনু ভট্টাচার্য এবং শাব্বির আলিকে দেখতে পাচ্ছি৷ এটি ভারতীয় ফুটবলের সবচেয়ে বিরল ছবি যেখানে 11 জন খেলোয়াড়ের মধ্যে দশজন বাঙালি৷
29/05/2026
একটি বিস্ময়কর এবং বিরল অদেখা ছবি। ১৯৮২ সালের নেহেরু কাপে দক্ষিণ কোরিয়ার এক স্ট্রাইকারকে মনোরঞ্জন ভট্টাচার্যের ট্যাকলের মুহূর্ত—যে ম্যাচে ভারত ২-২ গোলে ড্র করেছিল। সেই সময় ভারতীয় রক্ষণভাগে মনোরঞ্জন ছিলেন এক অদম্য প্রাচীর, আর এই ছবিটি তারই এক জীবন্ত প্রমাণ।
উপরে স্কোরবোর্ডে চোখ রাখলেই দেখা যাবে, নেহেরু কাপে ভারত ছিল দ্বিতীয় স্থানে, আর ভারতের নিচে ছিল কোরিয়া, ইতালি ও উরুগুয়ের মতো শক্তিশালী দল! এখন ভাবলেও যেন অবিশ্বাস্য লাগে—ভারতীয় ফুটবলের সেই গৌরবময় দিনগুলোর এক অসাধারণ স্মৃতি।
Aloke Mukherjee
Aloke Mukherjee is a retired Indian Football Captain and Ex Senior India Coach.
28/05/2026
বাংলার ফুটবলে আমার দেখা অন্যতম সেরা ডিফেন্ডার, আমার অত্যন্ত প্রিয় দাদা সুব্রত ভট্টাচার্যের সঙ্গে আজকের এই মুহূর্তটা সত্যিই বিশেষ।
মাঠে ওনার আগ্রাসন, নেতৃত্ব আর ক্লাবের প্রতি আবেগ অসাধারণ
মাঠের নির্ভীক ডিফেন্ডার, আর মাঠের বাইরেও অসাধারণ একজন মানুষ-ওনার সঙ্গে দেখা হলেই যেন পুরোনো দিনের বাংলা ফুটবলের গৌরব আবার ফিরে আসে।
28/05/2026
সমুদ্রের ঢেউ যেমন বারবার ফিরে আসে তীরে,
তেমনি জীবনের সব সুখ-দুঃখের মাঝেও
একসাথে পথ চলার এই বন্ধন থাকুক চিরকাল। সময়ের সাথে অনেক কিছু বদলায়,
কিন্তু কিছু সম্পর্ক
সমুদ্রের মতোই গভীর থেকে যায়।
27/05/2026
আজকে একটু অন্যরকম পারিবারিক একটি ছবি আপলোড করলাম। ২০০৮ সালের দিকে আমার ছোট ছেলের পৈতে অনুষ্ঠানে আমি ও মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য। সেই সময় আমি ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের কোচ ছিলাম। মনোরঞ্জনদা ছেলের পরীক্ষার জন্য কিছুদিন বিরতি নিয়েছিলেন, আর আমি কোচের দায়িত্ব পাই। সৌভাগ্যবশত, সেই সময় ইস্টবেঙ্গল ক্লাবও বেশ ভালো সাফল্য অর্জন করেছিল।
26/05/2026
সত্তরের দশকের শেষভাগে মোহনবাগানের তিন দুর্ধর্ষ আক্রমণভাগের ফুটবলারের এক অসাধারণ দুর্লভ ছবি— গৌতম সরকার, বিদেশ বসু এবং প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়।
এই ছবিটি শুধু তিন তারকা ফুটবলারের উপস্থিতির জন্য নয়, খেলোয়াড়দের পারস্পরিক বন্ধন, আত্মবিশ্বাস এবং দলের ঐক্যের এক অনন্য নিদর্শন হিসেবেও স্মরণীয়।
25/05/2026
আস্তে আস্তে বিদেশদা ও প্রশান্ত ব্যানার্জির সঙ্গে অতনুও আমাদের ওয়ার্কিং ওয়াক, এক্সারসাইজ ও নিরলস আড্ডার দলে জুড়ে গেল ঢাকুরিয়া লেকে।
তারপর সেই আড্ডা ও মিলনমেলা পৌঁছে গেল বিবেকানন্দ পার্কেও।
আমার অত্যন্ত প্রিয় বন্ধু অতনু ভট্টাচার্যের সঙ্গে ঢাকুরিয়া লেকে সকালবেলার হাঁটা, শরীরচর্চা ও কিছু সুন্দর মুহূর্ত। ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ফুটবল খেলা, কোচিং ও চাকরি করার পর আজ এসেছে আমাদের নিজেদের মতো করে জীবন কাটানোর সময়।
25/05/2026
আমার দেখা বাবলু দার অন্যতম সেরা ম্যাচ। ১৯৮৪ সালের কলকাতা লিগের শেষ ডার্বিতে ইডেন গার্ডেন্সে মাথায় ফেট্টি বেঁধে নিরন্তর লড়াই চালিয়ে গিয়েছিলেন বাবলু দা। সেই ম্যাচে বাবু মানির গোলে ১-০ ব্যবধানে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়েছিল মোহনবাগান।
24/05/2026
আজকে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের ISL চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দের দিনে শেয়ার করলাম ১৯৮১ সালের এক অসাধারণ অদেখা ছবি।
১৯৮১ কলকাতা লিগে ম্যাচ জয়ের পর মাঠ ছাড়ছেন মজিদ বাস্কার ও সি বি থাপা।
23/05/2026
এই ছবিটা টাইমলাইনে থাকুক।
আমি,মিঠুন চক্রবর্তী আর Subrata Bhattacharya — ১৯৮৯ নাগাদ গ্র্যান্ড হোটেলে।