Jiya আমার ডায়েরি

Jiya আমার ডায়েরি 'writer'. "বুকের ভেতর হাজারো কথা"_-_
" অথচ কলমের কালিতে আজ শুধুই নীরবতা" 😓

02/09/2026

saport me

02/09/2026

saport Me

01/09/2026

 #অজানা_অপেক্ষায়_আমি_আসবো_ফিরে  #পর্ব: ১৩রাতে আমি  রান্নাঘরে থেকে পানি নিয়ে রুমের দিকে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ সাদিক ও তার স্ত...
31/08/2026

#অজানা_অপেক্ষায়_আমি_আসবো_ফিরে
#পর্ব: ১৩
রাতে আমি রান্নাঘরে থেকে পানি নিয়ে রুমের দিকে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ সাদিক ও তার স্ত্রী তানিয়ার হাসাহাসি কানে এলো কিছুক্ষণ ওখানে থমকে গেলাম। নিঃশব্দে চোখে পানি এসে গেল,, তার মাঝেই আরাফ সিঁড়ি দিয়ে আসছিল,,আমার দিকে তাকাতেই, আমি ওখান থেকে চলে গেলাম।
না রুমে যেতে ভালো লাগছে না,,--রুমে না একেবারে ছাদে।
রাতের অন্ধকারে ছাদের কার্নিশে দাঁড়িয়ে আর্জা যখন নিজের ভাগ্যকে অভিশাপ দিচ্ছিল,, তখন আরাফের উপস্থিতি তাকে আরও বেশি দিশেহারা করে তুলল।। আরাফ যখন তার হাতটা ধরল তখন আর্জা বুঝতে পারল------এই স্পর্শ টা তার চেনা!
এই মানুষটাই তাই পৃথিবী হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু নিয়তির নিষ্ঠুর খেলায় আজ আমি অন্যের স্ত্রী।।।
আর্জা হাতটা এক ধাক্কায় সরিয়ে দিল। যখন বলল____ ভুলে যাবেন না আমি আপনার ছোট ভাইয়ের বউ--তখন আরাফের পায়ের তলার মাটি যেন সরে গেল। পরদিন সকালে রহমান ভিলার উৎসবের আলো আর্জাকে আরও বেশি অন্ধকার করে তুলল। সাদিক আর তানিয়া একই রংয়ের বাসন্তী পোশাকে যখন হাতে হাত রেখে নিচে নামলো,, তখন পুরো বাড়ি যেন তাদেরই দেখলো।
আর্জা পাথরের মত শক্ত হয়ে তাদের খাবার বেড়ে দিল। সাদিকের স্ত্রীর ধূসর চাওনি আর্জা নিরবে হজম করল।
কারণ সে জানে আজ শুধু উৎসবের দিন নয় আজ তার ভেতরে তিলে তিলে মরে যাওয়ার দিন।

একই ছাদের নিচে আমার অতীত আর বর্তমান.....!
একজন আমাকে স্পর্শ করার অধিকার হারিয়েছে আর অন্যজন অধিকার থাকা সত্ত্বেও আমাকে কেবল দাদার গুটি বানিয়েছে।

ছাদের অন্ধকারে নিষিদ্ধ স্পর্শ যখন আমায় মনে করিয়ে দিল আর কার হতে পারতাম ঠিক তখনই নিজের পরিচয়টা ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে হল। আমি আপনার ভাইয়ের বউ 😞

আজ গায়ে হলুদ চারিদিকে আনন্দ নতুন নতুন রঙিন সাজ। সাদিক আর তার স্ত্রী এক রঙের পোশাক পড়ে যখন আমার সামনে এসে বসলো তখন মনে হল আমার দুই বছরের সব কান্না হাহাকার হয়ে বেরিয়ে আসবে।
আমি শুধু মুখ বুজে তাদের খাবার বেড়ে দিয়েছি। আর মনে মনে ভেবেছি এই নাটক আর কতদিন?? ভাগ্যের এই নিষ্ঠুর পরিহাসের শেষ কোথায়?

#ষড়যন্ত্রের_বিপরীতে_একজন__!
বিয়ের সমস্ত হুল্লোর শেষ রহমান ভিলা যখন ক্লান্তির ঘুমে আচ্ছন্ আর্জার শরীর তখন অবসাদে ভেঙে পড়ছে। কিন্তু তার মনের ভেতরের দহন তাকে স্থির হতে দিচ্ছে না। সবার আড়ালে সে যখন সেই অন্ধকার ছাদে গিয়ে দাঁড়ালো,, সে জানতো না, নিচের তলায় তার জন্য এক নতুন যুদ্ধের প্রস্তুতি শেষ হয়েছে।।।
আরাব একা নয়, এবার সে সাথে নিয়েছে আহানা ভাবি আর আনাস ভাইকে। কারন সে জানতো আরসা তাকে ফিরিয়ে দিলেও নিজের রক্ত নিজের প্রিয় বন্ধুকে ফিরিয়ে দেবে না।।

আরাফ ঠিক করে নিয়েছে আজ আর কোন লুকোচুরি নয়। কোন সামাজিকতার দোহাই নয় যে তিন "কবুল" আর্জাকে খাঁচায় বন্দি করে রেখেছে আজ রাতেই সেই খাঁচা ভাঙার আওয়াজ শোনা যাবে।। ছাদের অন্ধকারে যখন তিন জোড়া ছায়া আর্জার দিকে এগিয়ে গেল তখন আকাশের চাঁদটাও যেন সাক্ষী হতে চাইলো এক কঠিন সত্যের।।।

প্রিয় শ্রোতা বন্ধুরা এই গল্পের পরবর্তী অংশ যদি পেতে চান অবশ্যই ফল রাখবেন আমার এই উপন্যাস #অজানা_অপেক্ষায়_আমি_আসবো_ফিরে
এবং আপনারা আমাকে অবশ্যই সাপোর্ট করবেন আমি যেন আরো নতুন নতুন উপন্যাস নিয়ে আপনাদের সামনে আসতে পারি

#ধন্যবাদ শ্রোতা বন্ধুরা

27/08/2026

#দুঃখের সময় সাথে কথা বলা তবে সুখের সময় মানুষ কেন???

27/08/2026

#পুরনো_সেই_তুমি😓😓😓

১২- ই রবিউল আউয়াল প্রিয় নবীজির জন্মদিন
25/08/2026

১২- ই রবিউল আউয়াল প্রিয় নবীজির জন্মদিন

 #গল্প  #অজানা_অপেক্ষায়_আমি_আসবো_ফিরে  #পর্ব :১১ #বিসাদের_ঘরে_প্রাণের_ছোঁয়াআজ ২৫ শে নভেম্বর, রহমান ভিলার দেওয়ালে দেওয...
25/08/2026

#গল্প
#অজানা_অপেক্ষায়_আমি_আসবো_ফিরে
#পর্ব :১১
#বিসাদের_ঘরে_প্রাণের_ছোঁয়া
আজ ২৫ শে নভেম্বর, রহমান ভিলার দেওয়ালে দেওয়ালে আনাসের বিয়ের আলোক সজ্জায় সেজে উঠেছে।। কিন্তু আর্জার মনে তখনও সেই পুরানো অমাবস্যা। সে নিজেকে পাথরের মত শক্ত করে শুধু সংসারের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছিল। পর পুরুষের ছায়া এড়িয়ে চলা আর্জা এখন আরো বেশি খামোশ,আরো বেশি অন্তমুখী। রান্নাঘরের ব্যস্ততার মাঝে হঠাৎ এক জোড়া হাত আর্জাকে জাপটে ধরল। ___"ফুপি"__ডাক শুনেই আর্জার কলিজাটা মোচর দিয়ে উঠলো,,, তাকিয়ে দেখল তার আদরের রিদওয়ান। আর মেন গেটের দিকে তাকাতেই দেখল আহানা, ও আজাহার দাঁড়িয়ে আছে। যে আহানা ও আজাহারের ওপর অভিমানে সে দীর্ঘ দুই বছর নিজেকে গুটিয়ে রেখেছিল আজ তাদের দেখে আর্জার চোখের বাঁধ ভেঙ্গে গেল। কিন্তু এই আনন্দ কি দীর্ঘস্থায়ী হবে?
কারণ এই একই ছাদের নিচে এখন আজাহার আহানা ও আরাফ তিনজনই মুখোমুখি হতে চলেছে____যাদের ঘিরে আর্জার জীবনের ধ্বংসস্তূপ তৈরি হয়েছিল।

#অভিমানের_বাঁধ_!
দুইটা বছর!! দুইটা বছর আমি একটা জ্যান্ত লাশের মত এই বাড়িতে দিন কাটিয়েছি , কারোর ওপর অভিমানে কারো ওপর ঘেন্নাই নিজেকে দেওয়াল বন্দী করে রেখেছিলাম। আজ যখন প্রাণপ্রিয় ভাতিজা রিদওয়ান এসে ফুপি বলে জড়িয়ে ধরল মনে হল আমার সব পাথর হয়ে যাওয়া অনুভূতিগুলো আবারো গলে জল হয়ে যাচ্ছে। আহানা ভাবি এসেছে.... এসেছে সেই মানুষগুলো যারা আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল।

কাল আনাসের গায়ে হলুদ বাড়িতে খুশির জোয়ার। কিন্তু এই খুশির ভিড়ে যখন আজাহার আর আরাফ মুখোমুখি দাঁড়াবে তখন কি লুকানো সত্যগুলো আড়াল থাকবে?
যেখানে বড়রা মিথ্যের জাল বনে সম্পর্কের নাম বদলে দেয় সেখানে ছোটদের নিষ্পাপ মন ঠিকই চিনে নেয় আপন মানুষকে।।
রিদওয়ান যখন আঙ্কেল বলে আরাফের কোলে ঝাঁপিয়ে পড়ল তখন তাদের সাজানের সব মিথ্যে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে। আর্জা বুঝতে পারলো যাকে ভাসুর বলে ভেবে দূরে ঠেলেছে সেই তার আরাফ যাকে সে হারিয়েছে প্রায় দুই বছর আগে কিন্তু যন্ত্রণা শেষ এখানে ছিল না, বাড়ির গুমট পরিস্থিতি মাঝে যখন সাদিক তার প্রথম স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে বাড়িতে ঢুকলো। তখন আর্জা নিজেকে আরও একবার তুচ্ছ মনে করলো। আহানা বিস্ময়ে তাকিয়ে রইলো,, যে আর্জাকে রাজপুত্রের হাতে তুলে দেওয়ার কথা ছিল সে আজ অন্যের ভাগ করা সংসারে এক কোনে পড়ে থাকা এক নিছক আসবাবপত্র। আহানার এই একটি প্রশ্নে___আর্জা তুমি এত কিছু সইছো কিভাবে?? আর্জার জমানো সব পাথর যেন এক নিমিষেই জল হয়ে যেতে চাইলো।

#পর্ব :১২
#ঝিলের_প্রিয়_বন্ধুর_কোলে_মাথা_!
সন্ধ্যার হালকা অন্ধকারে ঝিলের শান্ত জলরাশি তখন একাকিত্বের সাক্ষী হয়ে আছে। তখন ঝিলের শানের উপর বসে আহানার কাঁধে মাথা রাখতেই আর্জার ভেতরের বাঁধ ভেঙে গেল। দুইটা বছর সে এই কষ্টের পাহাড় একা বইয়ে বেরিয়েছে আজ নিজের মানুষকে পাশে পেয়ে সেই এক অবুঝ শিশুর মতো ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলো।
আহানা শুধু আলতো করে আর্জার চুলে হাত বুলিয়ে দিতে লাগলো।আর্জা যখন ভিজে গলায় জিজ্ঞাসা করল___সেদিন আসলে কি হয়েছিল?? তখন চারপাশটা যেন আরও নিস্তব্ধ হয়ে গেল,,, আহানা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলতে শুরু করল সেই বিভর্স স্মৃতির কথা__আজাহার শুধু তার স্ত্রীকে মারধর বা হুমকি দিয়েই থামেনি সে আর্জার প্রতি তার অন্ধ ভালবাসাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছিল। আহানা যখন দেখল আজাহার নিজের বোনের জন্য হাউমাউ করে কাঁদছে তখন সে বুঝতে পারলো এই মিথ্যেটা আজহার কেন বলছে। কিন্তু সেই ভালোবাসা যে আর্জার জীবনকে নষ্ট করে দেবে তা কি আহানা সেদিন বুঝতে পেরেছিল? মানুষের ভালোবাসা মাঝে মাঝে বিষের মতো নীল হয়ে যায়

ঝিলের ধারে আহানা ভাবির কাঁধে মাথা রেখে যখন দুই বছরের জমানো কান্নাগুলো সপে দিলাম তখন মনে হল বুকের ভেতর থেকে একটা পাথর নেমে গেছে।
কিন্তু সত্যিটা যখন জানলাম তখন পৃথিবীটা আরো একবার থমকে গেল,,, দাদা আমাকে ভালোবাসতো বলেই কি আমার জীবনের স্বপ্নগুলো কে জ্যান্ত কবর দিল? ভাবিকে মেরে হুমকি দিয়ে যে নাটকটা সাজিয়েছিল তখন তার নাম কি সত্যিই ভালোবাসা ছিল?
আজ সব জেনেও আমার হাত-পা বাঁধা। আমি এমন এক মোহনায় দাঁড়িয়ে আছি যেখান থেকে ফেরা যায় না আবার সামনে যাওয়ার কোন পথও খোলা নেই।😔

ঝিলের পাড়ে বসে আজ সত্যের শেষ পর্দা টুকুও সরে গেল আহানা যখন জানালো যে আজাহার ও এক ষড়যন্ত্রের শিকার ছিল তখন আর্জার মনে হল গোটা পৃথিবীটাই যেন এক বিশাল মিথ্যা। অথচ এই মিথ্যের ওপর ভিত্তি করেই তার জীবনের দুইটা বছর ছাই হয়ে গেছে।
আহানা যখন আমাকে ডিভোর্সের প্রস্তাব দিল উত্তরে___আমি জানালাম-----এই খামোশি এখন আমার একমাত্র বন্ধু তখন ঝিলের বাতাসটা ও যেন ব্যথাই ভারী হয়ে উঠল। আর্জা যখন রহমান ভিলাতে ফিরল দেখলো তার নামমাত্র স্বামী সাদিক তার নিজের পরিবার নিয়ে হাসি মুখে গল্পের মত্ত। নিজের বাড়িতেই আর্জা আজ এক অনাহুত অতিথি,, যার ত্যাগের খবর কেউ জানেনা.....!!

#তিন__কবুল_
তিনটি "কবুল" কি সত্যিই জীবনের মোড় এভাবে ঘুরিয়ে দিতে পারে? যার সাথে দুই বছর কোন কথা হয়নি যাকে স্বামী বলে মানতে না পারলেও একটা মিথ্যে বন্ধনে জড়িয়ে আছি, আজ তাকেই নিজের চোখের সামনে অন্য কারো সংসারে সুখি হতে দেখছি।
আহানা ভাবি মুক্তি নিতে বলেছিল কিন্তু আমি তো নিজের ইচ্ছাতেই এই মৌনতাকে আপন করে নিয়েছি, আমি লড়তে চাই না... আমি শুধু দেখতে চাই ভাগ্য আমাকে কোন শেষ সীমানায় নিয়ে দাঁড় করাই।
"আরাফ" সবটা শুনে চলে গেল।
সে কি পারবে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে আমাকে তুলে নিতে? নাকি রহমান ভিলার এই হাসা হাসির ভিড়ে আমার অস্তিত্ব চিরতরে হারিয়ে যাবে??

#অজানা_অপেক্ষায়_আমি_আসবো_ফিরে
এই গল্পের পরবর্তী পর্ব পেতে চাইলে অবশ্যই আমাকে জানাবেন আর আমার বাকি পর্বগুলো আপনাদের কেমন লেগেছে অবশ্যই আমাকে জানাবেন। প্লিজ আমাকে সবাই সাপোর্ট করবেন আপনাদের একটু সাপোর্টে আমার অনেক বড় পাওয়া
#ধন্যবাদ /শ্রোতা বন্ধুরা

Address

Baruipur Sitakundu
Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jiya আমার ডায়েরি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share